15/06/2022
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কারণে ২৫শে জুনের এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৪শে জুন
Official page for Bakterpur Abul Khayer High School & College
Bakterpur Abul Khayer High School and College
বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
Bakterpur, Manderkandi
Baniachong, Hobigonj
Bangladesh
15/06/2022
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কারণে ২৫শে জুনের এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৪শে জুন
দাতব্য সংস্থার জন্য অর্থ যোগান দিতে কিলিমাঞ্জারো পর্বতারোহণের প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় আমাদের স্কুলের (বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের) প্রাক্তন ছাত্র মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী ইমরান ইংল্যান্ডের পিক ডিস্ট্রিক্টের পাহাড় থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ দুপুরে। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী ইমরানকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার অভিযানের বাস্তব ফুটেজ নিয়ে ৪৫ মিনিটের শরীর খাপানো ডকুমেন্টারি।
Helicopter ER Critical Hour 31/08/21
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2767637026872833&id=1419255268377689
10/08/2021
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আমাদের সকলের প্রিয় এর স্বনামধন্য ইংরেজী শিক্ষক ও সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব খলিলুর রহমান খলিল স্যার আমাদের সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।
স্যারের সকল ছাত্র-ছাত্রী অত্যন্ত শোকাহত। সবাই আমাদের প্রিয় স্যারের জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন। এখন স্যারের মৃতদেহ সিলেটের ইবনে সিনা হসপিটাল হতে বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে।
খলিল স্যারের জানাজার নামাজ বেলা ০২:৩০ মিনিটে বক্তারপুর প্রাইমারী স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে।
স্যারের সকল ছাত্রদের জানাজায় অংশগ্রহনের জন্য অনুরোধ করা হলো।
লকডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই । কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার । হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভব না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন । চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন ।
তবে আমরা কি এভাবেই মরব ?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার । প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে । এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই । অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে । কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে । ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution.
তো এগুলো বলার মানে কী ? এগুলো জেনে কী করব ?
আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে । লড়াই করে টিকে থাকতে হবে । আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে । কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই টিকে থাকা সম্ভব ।
১) অভ্যাসঃ-
বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে । কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া, কলমের মুখ কামড়ানো, আঙুল জিহ্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, থুতু দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে । ২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যাসগুলো গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করছে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে । ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করা ।
২) এনভায়রনমেন্টঃ
আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি । নয়ত এই ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভালো কাজ করছে । আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে । শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে । এজন্য শীতপ্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিচ্ছে বেশি । তাই ঠান্ডা/এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।
৩) ইমিউনিটিঃ
এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট । এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী । হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই । আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে । সেটা কীভাবে ?
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি ।
ফিজিক্যালিঃ
* নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য । প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে ।
* প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট । মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে ।
* প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে । রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই লাগবে ।
খাবারঃ
• ভাতে কোন ঘোড়ার আন্ডার পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন । ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে ।
• প্রচুর পানি খেতে হবে (এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না )।
• এন্টি অক্সিডেন্ট-যুক্তখাবার খেতে হবে । শাক সবজি খেতে হবে । প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।
• ভিটামিন সি বা টকযুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে । এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে । প্রতিদিন সকালে লেবু সিদ্ধ গরম পানি খান ।
• ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবণ খাওয়াও কমাতে হবে ।
• আমাদের দেশের মশলাগুলো দারুণ কাজের । লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এইগুলো মারাত্মকভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে । দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের । চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন । গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টিতে এই মশলাগুলো খেলে অনেক ভালো।
• কালোজিরা কার্যকরী একটা জিনিস । প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালোজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন । এছাড়া কালোজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারের সাথেও খেতে পারেন ।
মেন্টালি:
ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি । তাই মনকে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে । ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।
সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক । সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই । বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা ।
----অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা
ঈদ মুবারক। সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঘরে থাকুন, করোনা ভাইরাসকে দূরে রাখুন।
আসল জিনিসটা জানার চেষ্টা করুন।
Covid-19 ভাইরাস, চাইনিজদের কালচার আর মানুষের অনন্ত লোভঃ
____________________________________
বাংলাদেশ যদি চায়না হতো হবে গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি আর উত্তরাতে
মানুষ ভাল্লুকের থাবা, বানরের মগজ, বাঘের অন্ডকোষ, সাপ, পিপিলিকাভূক, ময়ূর খেতে দেখতেন।
চায়নার অদ্ভুত খাদ্যভাসের পিছনের বেশ কয়েকটা কারন দায়ী।
১। প্রাচীন টেক্সট গুলোতে লেখা আছে বুনো জন্তু খেলে যৌনক্ষমতা বাড়ে, ত্বক মসৃন হয়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আরো জানা যায়
চায়নার প্রাচীন টেক্সট গুলোতে লেখা আছে যেই শেইপের খাবার খাবে তুমি সেই শেইপেরই হবে।
এগুলো চাইনিজদের ঐতিহ্যের সাথে দুই তিন হাজার বছর ধরে আছে।
চায়না আমেরিকার মতো দুইতিনশ বছর আগের গজিয়ে উঠা দেশ না। ৫০০০ বছর আগের সভ্যতা। এই প্রাচীন টেক্সট গুলোকেই মানুষ বিভিন্ন ভাবে অনুবাদ করেছে। এই জন্য সাপ খাওয়া, ঘোড়া, ষাড়ের যৌনাঙ্গ খাওয়া চায়নার ফুড কালচারের সাথে মিশে আছে।
এছাড়াও চাইনিজরা বিশ্বাস করে খাবারের মাধ্যমেই রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
বাঘের শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে অষুধ তৈরি করা হয়, গন্ডারের শিং খাওয়া হয় যৌনক্ষমতা বাড়ানোর জন্য, সেই একই কারনে কারন বাঘের গায়ের জোর আর গন্ডারের শিং এর মতো পুরুষাঙ্গ যেনো হয়।
এগুলো চায়নিজ মিথ আর কালচারের অংশ।
২। ৭০ এর দশকে চায়নাতে ভয়ংকর রকম দুর্ভিক্ষ দেখা যায়। এর আগে চায়না ফুড সোর্স নিয়ন্ত্রিত হতো সরকার দ্বারা সরকার গরু, শুয়র, মুরগীর উৎপাদন নিয়ন্ত্রন করতে। দুর্ভিক্ষের সময় মানুষে বুনো জীবজন্তু শিকার করে খাওয়ার শুরু করলো। চায়নিজ কম্যুনিষ্ট পার্টি এই ব্যাপারে বাধা দেয় নাই কারন দুর্ভিক্ষের সময় যে যেভাবে বাচতে পারে।
১৯৭৮ সালে চায়না ফুড সোর্স গুলো প্রাইভেট করে দেয় যেখানে বড়ো বড়ো ফার্ম গুলো অনুমতি পায় গরু, মুরগী আরো অন্যান্য খাদ্য উৎপাদন করায়। সাথে ছোট ছোট ফার্মারদের বাড়ীর পিছনে কাছিম, সাপ, ব্যাং ইত্যাদি পালনের অনুমতি দেয়া হয়।
১৯৮৮ সালে নতুন আইন করা হয় যেকোন জন্তু সরকারী সম্পত্তি বলে বিবেচিত হবে আর সেটা গবেষনা বা যেকোন রির্সোসের কাজে লাগানো যাবে। তখন থেকেই বুনো জন্তু ফার্মি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে যায়।
৩। বিভিন্ন ধরনের অর্গানিক অষুধ তৈরীর জন্য বুনো জন্তু ব্যবহার করা হয়। এটাও চাইনিজ চিকিৎসাসেবার সাথে হাজার বছর ধরে জড়িত।
৪। নতুন ধরনের খাবার খাওয়া যেটা এক্সোটিক ফুড বলে যেমন আমরা যেমন ইথোপিয়ান খাবার, ইরানের খাবার ইত্যাদি খাই, সেই উৎসাহে বুনো প্রাণীর মাংসের তৈরি খাবার খাওয়া হয়। আরো ভালো হয় যদি সেটা তাজা মাংসের হয়। এখান থেকেই ওয়েট মার্কেট গুলো তৈরি হয়েছে চায়নার বিভিন্ন অংশে।
আগের পর্বে লিখেছিলাম কিভাবে কভিড-১৯ বাদুর আর পিপিলিকাভূকের শরীর হয়ে মানুষের শরীরের পৌছেছে।
ভাইরাসের ব্যাপারে আরো কিছু তথ্য যোগ করা করছি। ভাইরাস অতিক্ষুদ্র অনুজীব, এগুলো পূর্ন কোষ না। শুধু মাত্র প্রোটিন আর ডিএনএ/আরএনএ দিয়ে তৈরি। ভাইরাসকে আসলে কোষের রাজত্বের জম্বি/ড্রাকুলা বলা যায়।
যে কোন এ্যাটাক করে ভাইরাস সেই কোষকে নিজের মতো তৈরি করে।
এইদিকে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধক কোষ গুলো ভাইরাস হওয়া কোষকে আক্রমন করে, তখন সে আবার নিজেকে পরিবর্তিত করে বাচার জন্য। এই ভাবেই ভাইরাস ছড়ায়। কভিড-১৯ একটা আর এন এ ভাইরাস।
গুরুত্বপূর্ন তথ্য হচ্ছে, করোনা ভাইরাসের ব্যাপারে বহু আগেই থেকে মানুষ জানতো। নানা ধরনের করোনা ভাইরাস থাকে জন্তুদের শরীরের।
এই করোনা ভাইরাস যেটা কভিড-১৯ নামে পরিচিত এটা সম্পূর্ন নতুন ভাইরাস যার কোন তথ্য নাই ভাইরোলজিস্টেদের কাছে।
চাইনিজ খাদ্যভ্যাসের কথা বলছিলাম, এই এসব বাঘ ভাল্লুক ময়ুর পিপীলিকাভূক ইত্যাদি খাওয়ার কথা আসছে এইসব কিন্তু শুধু অভিজাত ধনীরা এফোর্ড করতে পারে। যাদের কিছু টাকা পয়সা হয় তারাই শুধু এফোর্ড করতে পারে। বাংলাদেশের গুলশান বনানীর বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্ট যেমন যাদের অনেক পয়সা তারা এফোর্ড করতে পারে।
দরিদ্র যারা তারা এসব খাবার খায় না, তারা কুকুরের মাংশ, ইদূর ইত্যাদি খায় যেগুলো সহজেই পাওয়া যায়।
চায়নার কম্যুনিষ্ট পার্টির ইতিহাস মাত্র ৭০-৮০ বছর আগের। কিন্তু চাইনিজ সিক্রেসির ইতিহাস ২০০০ বছর ধরেই। এই কারনে কভিড-১৯ আক্রান্ত মানুষের কথা চায়নিজ অথোরিটি এ্যালাও করেনি। সার্স আউটব্রেকের সময় চায়নিজ অথোরিটি প্রথমে খবর বের হতে দিতে এ্যালাও করেনি। যদি ডিসেম্বরেই চায়নিজ অথোরিটি এ্যালাও করতো হয়তো সহযেই এর ছড়িয়ে পড়া রোধ করা যেতো।
তবে বাংলাদেশের মতোই চায়নিজ গর্ভমেন্ট সব কন্ট্রোল করতে পারে না। কভিড-১৯ এর আউটব্রেক ছড়ায় দেয়ার পিছনে চায়নিজ সোস্যাল মিডিয়া আর ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিডিয়া অনেক ভূমিকা পালন করেছে।
তারা নিজেদের দেশের ডাক্তারদের ভূমিকাও বিশ্বব্যাপি ছড়িয়েছে।
এবার আসি এই তথ্য গুলো বিশ্লেষনে।
১। প্রথমেই বলা যায় কালচারাল ভুল প্রথা ভুল আচরন যতোই ঐতিহ্যবাহী হৌক সেটা বর্জনীয়। ভারতে হিন্দুদের মাঝে ছিলো সতীদাহ প্রথা রদ হয়েছে, বাঙ্গালী মুসলমানদের ওপেনলি গরু কোরবানী দেয়ার প্রথা, ভারতের বর্ণবৈষম্য প্রথা। এইসব প্রথা দেশে দেশে আছেই।
কালচারাল প্রথা যে একটা মহামারী তৈরি করতে পারে এটা প্রথম উদাহরন নয় আর শেষ উদাহরনও হবে না।
সবচে অদ্ভুত হচ্ছে বাদুরের মাংসের স্যুপ খাওয়া যেটা কিনা চোখের ক্ষমতা বাড়ায়। সত্যি ব্যাপার হচ্ছে বাদুর নিজেই চোখে দেখে না ঠিক মতো, বাদূর কানের উপর ভরসা করে উড়ে বেড়ায়।
এইরকম বাঘের মাংস খেলে বাঘের মতো হওয়া গেলে পৃথিবী ভর্তি শুয়র, গরু, মুরগী আর ভেড়াতে ভড়ে যেতো পৃথিবী।
কালচার ঐতিহ্য নিজেদের ইতিহাস লোকজ প্রথা এগুলো গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু কোনটা ভুল আর কোনটা শুদ্ধ এটা পৃথিবীবাসীকে বাছতে হবে।
২। চায়নিজ অথোরিটি সার্সের পর ওয়াইল্ড লাইফ পালন আর বিক্রি নিষিদ্ধ করেছিলো। আবার দুইবছর পর তারা সেই ব্যান তুলে নেয়।
এবারও চায়না শুধু গবেষনা ছাড়া বুনো জন্তু পালন আর বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। ওয়েট মার্কেট গুলো বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ওয়েট মার্কেট অন্যান্য দেশে বন্ধ হয়নি। চায়নায় জন্তু পাচার হয় বিভিন্ন দেশ থেকে।
৩। এই পয়েন্টটা এই পোস্টের সবচে গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট। চায়নিজ ওয়াইল্ড লাইফ ফার্মিং ইন্ডাস্ট্রিং মাত্র ৭৪ বিলিয়ন ডলারের। চায়নার জিডিপি হচ্ছে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের। তারপরো চায়না কেন বার বার এই ইন্ডাস্ট্রিকে ব্যান করতে বার নিয়ন্ত্রনে আনতে পারছে না?
কারন সেই পুরানোর রোগ, প্রাচীন টেক্সট, ঐতিহ্য আর কালচার, ধনী মানুষরা এর ভোক্তা, বলা যায় যারা নিয়ন্ত্রন করবে তারা নিজেরাই এর ভোক্তা।
৪। শুধু চায়না থেকে রোগের আউটব্রেক হয় এটা ভাবা ভুল। সোয়াইন ফ্লু যার কারনে ১২০০০ মানুষের প্রাণ গেছে সেটা উৎপত্তি কিন্তু আমেরিকাতেই হয়েছে। কেউ আমেরিকানদের শুয়র খেতে নিষেধ করে নাই।
৫। বুনো জন্তু ট্রাফিকিং এর মোট মূল্য ২৫৮ বিলিয়ন ডলার। বুনো জন্তু খাওয়া আর ট্রাফিকিং শুধু প্যানডেমিক শুরু করে না, প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে।
যেখানে টাকা আছে সেখানে এই মার্কেট থামাবেই না। আর মানুষের লাশ তো কোন ব্যাপারই না। লোভী মানুষ লাখ লাখ মানুষের লাশ পেরিয়ে মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেকসই থামাতে পারলো না।
আর এতো বুনো জন্তু।
তাই আমার মতে একটু কষে মানব সভ্যতার পাছায় লাথি দেয়ার জন্য মাঝে মাঝে করোনা ভাইরাস কভিড-১৯ না বরং আরো ডেডলি কিছুর দরকার আছে।
পোস্টটি সংগ্রহ করা হয়েছে ফেইসবুক থেকে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ায় ক্যারিয়ার বিষয়ক আড্ডায় সুশান্ত পাল দাদা (৩০ তম বিসিএস কাস্টমস) এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস তুলে ধরা হলো,,,
যা আপনার ক্যারিয়ার গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে,,,,,
–
১) সবাইকে সব সময় সব কিছু বলা বন্ধ করুন। তা সে যত আপন মানুষই হোক না কেন? কেননা নিজের কস্ট,দুর্বলতা প্রকাশ করা মানে ওই আপন জনের কাছ থেকে কস্ট পাওয়ার জন্য আরেকটা বাঁশঝাড় তৈরি করা
২) নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা বন্ধ করুন।৷
৩) কে আপনাকে নিয়ে কী ভাবল সেটা নিয়ে চিন্তা করা একদম বাদ
দিন।৷
৪) অপেক্ষা বন্ধ করে যা করার সেটা নিজেই করে ফেলুন। বিষয় যাই হোক
না কেন …… যা বলতে চান, যা করতে চান সেটা করে ফেলুন ৷৷
৫) প্রিয় মানুষটিকে সন্দেহ করা বন্ধ করুন। নিজের ক্ষমতার ওপরেও সন্দেহ
রাখবেন না।৷
৬) নিজের জন্য করুন, অনুভব করার বিষয়টি বাদ দিন। আপনি যেমন আছেন, চমৎকার আছেন। নিজেকে নিয়ে কষ্ট পাবেন না।৷
৭) একা একা বিষণ্ণ হয়ে থাকার অভ্যাসটা বদলে ফেলুন।
৮) অপরাধ বোধে ভোগা, কোন কারণে নিজেকে দোষী ভেবে দোষারোপ করতে থাকার ব্যাপারটিও বাদ দিন। অন্যায় আমরা সকলেই করি। পুরনো
অন্যায় নিয়ে নিজেকে নতুন বছরে কষ্ট দেবেন না ৷৷
৯) নিজেই নিজের ক্ষতি করবেন না। আপনার শরীর ও মনের ক্ষতি হয়, এমন কাজগুলো বাদ দিন এখন থেকেই।৷
১০) জীবনে টাকাই সব, এমন ভাবনাও বাদ দিন। টাকার চাইতে অনেক বেশি
গুরুত্বপূর্ণ সুখী হওয়া, এই কথায় মন দিন।
১১) কারো বা পরিস্থিতির চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত নেয়া ত্যাগ করুন। সেটাই করুন, যেটা করতে আপনার মন ও মস্তিষ্ক সমর্থন দেয়।৷
১২) জীবনের সব কিছুকে প্রতিযোগিতা ভাবা বাদ দিন। একটাই জীবনে, ইঁদুর দৌড়ে সময় নষ্ট করার মানে নেই। নিজের কাজ মন দিয়ে
করতে থাকুন, সফলতা অবশ্যই পাবেন।৷
১৩) সর্বদা “ হ্যাঁ ” বলার অভ্যাস বাদ দিন। নিজের প্রয়োজনে অন্যকে “ না ”
বলতে শিখুন।৷
১৪) জীবনে সবকিছু পারফেক্ট হতে হবে। প্রথম চেষ্টাতেই সফল হতে
হবে এমনটা ভাববেন না ৷৷
১৫) অন্যের অন্ধ অনুকরণ করা বন্ধ করুন।৷
শুভ কামনা সবার জন্য
পিছনে কথা বলার জন্য,,
কিছু লোক রেখেছি😁
কোন টাকা পয়সা দেইনা😂
কিন্তু, এতো ভালো সার্ভিস দেয় কি বলবো😧
প্রশংসার দাবিদার।।👍👍
- Rukunuzzaman Tarek
লোকে আর্টের দাম দিতে চায় না, কার্পণ্য দেখায়। ভাবে, এটার জন্য এত দাম দেয়ার কী আছে? বেশি সময় তো খরচ হয়নি ওটার পেছনে। এরকম মূর্খতা দেখলে খুব বিরক্ত লাগে।
কিছু গার্ডিয়ান টিউটরের বেতন দেয়ার আগে একশোবার চিন্তা করেন। মাস্টার মাত্র এক ঘণ্টা করে পড়ায়, তাও সপ্তাহে তিন দিন, এত টাকা দিয়ে ফেলছি কেন! অথচ, ভাল মাস্টারের ছয় মিনিটের আড্ডা থেকে যা শেখা যায়, খারাপ মাস্টারের ছয় ঘণ্টার পড়ানো থেকেও তা শেখা যায় না।
ইনবক্সে টেক্সট পাই। ভাইয়া, আমাকে মাত্র দশ মিনিট সময় দেন।
(ভাবি, যার কাছে আমার দশ মিনিট 'মাত্র' মনে হয়, তাকে দশ সেকেন্ডও দেয়ার কোনও মানে হয় না।)
আপনাকে এটা শিখিয়ে দিতে আমার হয়তো মাত্র দশ মিনিট খরচ করলেই চলবে। বেশি নয়, মাত্র দশ মিনিট। আপনি খুব সহজেই সেই দশটা মিনিট আমার কাছ থেকে চেয়ে বসলেন। দশ মিনিটই তো! চোখের পলকেই কত দশ মিনিট কেটে যায়! আপনাকে আমি কেন দেবো না মাত্র দশ মিনিট?
মাত্র ওই দশ মিনিটে আমি আপনাকে যা দিতে পারি, তা শিখতে আমার সময় লেগেছে দশ বছর। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন, দশ বছর। আমি দশ বছর পরিশ্রম করে যা শিখেছি, তা আমি আপনাকে মাত্র দশ মিনিটেই শিখিয়ে দিতেই পারি। হ্যাঁ, সত্যিই পারি! আপনাকে আমি কেন দেবো সেই দশ মিনিট?
কারণ দেখান। কারণ না থাকলে কারণ বানান।
আমার অনেক শ্রম ও সময় গেছে ওটা শিখতে গিয়ে। ওটা আকাশ থেকে টুপ্ করে আমার মাথার উপর পড়েনি।
যে মানুষটা আপনাকে মাত্র দশ মিনিটেই দামি একটা জিনিস মাথায় ঢুকিয়ে দিতে পারেন, সে মানুষটার ওই দশ মিনিটের একটা দাম আছে। কিছু মানুষের সম্মিলিত দশ সপ্তাহের যা দাম, ওই মানুষটার দশ মিনিটের দাম তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি। এটাকে কোয়ালিটি টাইম বলে, বস! বুঝতে শিখুন।
এক স্যারের ক্লাসে দুই ঘণ্টা বসেও যা শেখা যায় না, আরেক স্যারের ক্লাসে মাত্র দুই মিনিটেও তার চেয়ে বেশি কিছু শেখা যায়। বেতন তো দুইজনকেই দিয়েছেন, তাই না? কিছু জিনিস টাকা দিয়ে শেখা যায় না। সেগুলির দাম সবচেয়ে বেশি। আপনি আমার কাছ থেকে এমন কিছু পেতে চাইছেন, যা আমার নেই। তো, আপনি সেটা আমার কাছ থেকে পাবেন কীভাবে?
এখনও মনে পড়ে, এক ফাঁকিবাজ স্যার ছিলেন। মাত্র দশ মিনিট ক্লাস নিতেন। তাও প্রতি ক্লাসে আসতেন না। তখন মনে হতো, এই ফাঁকিবাজ মানুষগুলির জন্যই দেশটা এগোচ্ছে না। এরা যে বেতন নেয়, এদের বিবেকে বাধে না? স্যার বেশিদিন আমাদের পড়াননি, স্কলারশিপ দেশের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। এরপর বুঝলাম, স্যার দশ মিনিটে আমাদের যা পড়াতেন, আর কারও পক্ষেই তা দশ ঘণ্টায়ও পড়ানো সম্ভব নয়। একজন জিনিয়াসের দশ সেকেন্ডও অমূল্য! জিনিয়াসদের কোনও বেতন হয় না। জিনিয়াসদের প্রাপ্য বেতন দেয়া সম্ভব নয়।
স্যার অ্যাভেইলেবল ছিলেন, আমরা তাঁর দাম দিতে পারিনি।
স্যার যখন আনঅ্যাভেইলেবল হয়ে গেলেন, আমরা তখন তাঁর দামটা বুঝতে পারলাম।
মানুষকে সহজেই সময় দেয়া ঠিক না, কারও কাছ থেকে সহজেই সময় পেয়ে গেলে তাকে মানুষ সস্তা ভাবে।
আমরা এদেশের মানুষ তো, তাই একটা ছাগলও আমাদের সামনে ভাব ধরে বসে থাকলে আমরা সেই ছাগলটাকে দামি মনে করি।
তবে সময় পাওয়া যায় কীকরে? এ দুনিয়ায় সম্পর্কের চাইতে দামি আর কোনও কিছুই নয়। সম্পর্কের দাবিতে মানুষ সবকিছুও দিয়ে দিতেও প্রস্তুত থাকে। সেখানে দশ মিনিট তো খুবই তুচ্ছ জিনিস!
আরেকটা দাবি আছে। ভাললাগার দাবি। আপনি যাঁর কাছ থেকে সময় চাইছেন, আপনাকে কিংবা আপনাকে সময় দেয়ার কারণ ও ধরনটা তাঁর ভাল লাগতে হবে।
ছাগল দিয়ে হালচাষ হয় না, বলদ লাগে। আর কে না জানে, বলদের দাম ছাগলের দামের চাইতে বেশিই!
Post Credit: সুশান্ত পাল, বিসিএস ক্যাডার।
আজকের ট্রেইন দূর্ঘটনায় আহত এবং নিহত সকলের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
| Monday | 08:00 - 16:30 |
| Tuesday | 08:00 - 16:30 |
| Wednesday | 08:00 - 16:30 |
| Thursday | 08:00 - 16:30 |
| Saturday | 08:00 - 16:30 |
| Sunday | 08:00 - 16:30 |