Lillarmarpara Government Primary School, Lama, Bandarban.

Lillarmarpara Government Primary School, Lama, Bandarban.

Share

Lillarmarpara, Fashiakhali, Lama, Bandarban, Bangladesh.

22/12/2025

প্রসঙ্গঃ বিত্তবান ভিক্ষুকদের রীটে বন্ধ দরিদ্রদের "সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধা যাচাই পরীক্ষা--২০২৫"।
-শাকিলা নাছরিন পাপিয়া

এই যে পিশাচের উল্লাসে উন্মত্ত জনতা,এই যে ভাঙ্গনের খেলা,এই যে অমানুষের চরিত্র উন্মোচন
এটা একদিনে হয়নি।
দীর্ঘ পরিকল্পনার ফসল, দীর্ঘ চর্চার ফল।

এই যে প্রাথমিক শিক্ষার ধ্বংসেরআয়োজন,কিন্ডারগার্টেন, হাইস্কুলের প্রাথমিক শাখা,আর মাদ্রাসার উত্থান, এই যে প্রাথমিক শিক্ষকের ওপর ফালতু কাজ আর রেজিস্ট্রারের বোঝা, এই যে শিক্ষকদের সামাজিক অপমানের, অসম্মানের তিলক-এটাও এক দিনে তৈরি হযনি।

অপদার্থের হাতে ক্ষমতা, বিত্তবানদের ব্যবসায়ের পথ সৃষ্টি আর দরিদ্রদের শিক্ষাকে ডাকাতের হাতে তুলে দেবার সুপরিকল্পিত ছক এটা।

চিকিৎসা ব্যয় মিটাতে না পেরে পরিবারকে মুক্তি দিতে গিয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা, পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে পরিপূর্ণ ঘুষ দিতে না পেরে টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় শিক্ষকের মৃত্যু,বছরের পর বছর অবসরের টাকার জন্য কেটে যাওয়া--
এসব খবর হয় না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব খবর উঠে আসে না। উপহাসের যুগে বসবাস আমাদের।
আমাদের পাঙ্গাস, আর ফার্মের মুরগি ভিউ বানায়,
বিনোদন যোগায়।

মহান শিক্ষা উপদেষ্টার পরিপত্র বিভাগের
প্রসব বেদনা কবে প্রশমিত হলো?
আদালত একমাসের নিষেধাজ্ঞা দিযেছে
এখন শিশুদের এবং শিক্ষকদের করণীয় কী তা জানাবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন বিভাগ কি জেগে আছে?

দয়া করে কোমলমতি শিশু শব্দটি ব্যবহার করবেন না। আমার শিশুরা মোটেও কোমলমতি নয়।
একটা ঘটনা বলি শুনুনঃ

প্রায় একযুগ আগের ঘটনা।
বিদ্যালয়ের বিশেষ কাজে খুবই ব্যস্ত ছিলাম। তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী অফিস রুমের দরজায় এসে আমায় ডাকতে লাগলো। আমি কাগজ থেকে চোখ না তুলে ইশারায় কাছে ডাকলাম।

প্রশ্ন করলাম," কি হয়েছে?"
ফুসতে ফুসতে উত্তর দিল, দোকানে পেন্সিল কিনতে গিয়েছিলাম। আমার গাল ধরে একটা লোক বলল, মেয়েটা তো খুব সুন্দর।

আমি বললাম, তাতে কী হয়েছে? সুন্দর বলেছে।

সে উত্তর দিল, গাল ধরল কেন?
আমি বললাম, এটা অবশ্য ঠিক করেনি। তুমি কী বলেছো?
সে বলল, কিছু বলিনি। আপনার কাছে বিচার দিতে এলাম।
আমি কাজ করতে করতে বললাম, আমি তো ব্যস্ত। দোকানের সামনে ড্রেন ছিল না?
মেয়েটি বলল, ছিল।
তাহলে ওকে সেখানে ফেলে দিলেই পারতি। এখন তো বিচার করতে পারবো না। পরে দেখবো বিষয়টা।
মেয়েটি চলে গেল। আমি কাজে মন দিলাম।

পাঁচ, দশ মিনিট পরই ২০-২২ বছরের এক যুবক এসে দাঁড়ালো অফিস রুমের সামনে। সবাই হা করে তাকিয়ে আছে ছেলেটির দিকে। সারা গায়ে ড্রেনের ময়লা।
ছেলেটি কাঁদো কাঁদো স্বরে বলল, শাকিলা আপা কে?
আমি হাতের কাজ রেখে দ্রুত তার কাছে গিয়ে অবস্থা দেখেই বিষয়টা আঁচ করতে পারলাম।

বললাম, আমার ছাত্রীর গাল ধরবে আর সে তোমায় ছেড়ে দিবে সেটা তো হবে না, বাবা?
ছেলেটি বলল, তা বলে আপনি আমায় ড্রেনে ফেলে দিতে বলবেন?
আমি উত্তর দিলাম, সেটা তো ছিল কথার কথা।
আমার ছাত্রী যে সাথে সাথে এটা পালন করবে তা বুঝিনি।

এবার বুঝতে পারলেন, আমার ছাত্রীরা মোটেও কোমলমতি নয়?

বিত্তবান ভিক্ষুকদের সম্মান আর মর্যাদার প্রতীক যে বৃত্তি এবং যে কোন মূল্যে সেটা পাবার প্রতিযোগিতায় শিক্ষক অভিভাবক এক হয়ে এই বৃত্তি পাবার জন্য যে কোন পথ অবলম্বন করতে দ্বিধা করে না, সে বৃত্তিকে থোড়াই কেয়ার করে আমার শিক্ষার্থীরা।
তাদের সম্মান এত ঠুনকো নয়। ভিক্ষুকদের সাথে প্রতিযোগিতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কখনোই অবতীর্ণ হতে চায়নি। আমাদের সিস্টেম তাদের বাধ্য করেছে।

বৃত্তি নামক আপনাদের তথাকথিত সম্মানের ঐ সনদ প্রত্যাখ্যানের
অসীম ক্ষমতা তাদের আছে।
ভিক্ষুকদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আপনারাই তাদের নামিয়েছেন।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের মতো করে তাদের বৃত্তি পরীক্ষা নভেম্বরেই নিয়েছে। ডিসেম্বরে সবাই যার যার মতো করে বেড়াতে চলে গেছেন প্রতিটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী। মেধা যাচাই পরীক্ষার নাম করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের আটকে রাখা হযেছে।
ধুম করে কেউ এসে রীট করায় পরীক্ষা বাতিল হয়ে গেল। পত্রিকা এবং অন্যান্য মাধ্যম থেকে অনেক আগে থেকেই রীটের কারণে পরীক্ষা স্থগিত কথাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছিল। কিন্তু প্রশাসন ছিল নীরব। তাদের কোন নির্দেশনা ছিল না।
একমাসের জন্য স্থগিত পরীক্ষার ভবিষ্যৎ কী সে ব্যাপারে এখনো তারা ভাবছেন। শিক্ষকদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উপবৃত্তিসহ নানা ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করার পর এবার যুক্ত হলো এই মেধা যাচাই পরীক্ষার ব্যাপারে অনিশ্চযতা।
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাকে সমূলে ধ্বংস করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার এক সুপরিকল্পিত কার্যক্রম এটা।
দেশে এতো এতো নিত্য নতুন ঘটনার ভিড়ে লক্ষ লক্ষ শিশুর শীতকালীন অবকাশ, উৎসবমুখর পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ভেসে গেল। কেউ খবর রাখেনি।
পত্রিকা নীরব, টক শো নীবর, সুশীল সমাজ যারা গেল গেল করে গলা সপ্তমে উঠায় তারা নীরব।
এই সেই রীট, যার কারণে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শূন্য, হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় কোটি টাকা ব্যয়ের পরীক্ষা। সব আয়োজন মুহূর্তে ব্যর্থ।
মানুষ আইনের জন্য, না মানুষের জন্য আইন?

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণত দরিদ্র পরিবারের সন্তানেরা পড়ে। তাদের কথা ভাবার সময় এ রাষ্ট্রের হবে না এটাই স্বাভাবিক।
সুতরাং কোমলমতি বলে বলে কুম্ভিরাশ্রু বর্ষণ না করলেও চলবে।
বিত্তবান ভিক্ষুকদের সঙ্গে মেধা যাচাই পরীক্ষায় আমার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করুক একজন আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন শিক্ষক হিসাবে আমি তা চাই না।

29/11/2025
Photos from Lillarmarpara Government Primary School, Lama, Bandarban.'s post 08/11/2025

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের উপর পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

শিক্ষকদের যুক্তিক দাবী মেনে নিন যারা আহত হয়েছে তাদের সু-চিকিৎসা নিশ্চিত করুন এবং যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিন।

07/10/2025

আজ দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকায় কলাম।
ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

কেউ মরে বেঁচে যায়, কেউ বেঁচে থেকেও মরে প্রতিদিন
শাকিলা নাছরিন পাপিয়া

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার হারুঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন বুধবার ০৩/০৯/২০২৫ খ্রি. ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন।
তার স্ত্রী শারমিন আক্তার জানান তার স্বামী ঋণের বোঝা আর মানসিক চাপ সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন। শিক্ষক ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগে ভুগছিলেন। এক হাত সম্পূর্ণ অবশ থাকায় তিনি চিকিৎসার জন্য এনজিও, সমবায় সমিতি এবং এবং স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে একাধিকবার ঋণ গ্রহণ করেন।বেতনের বেশিরভাগ অর্থই চলে যেত সুদ পরিশোধ করতে।ফলে, সংসারের অবস্থা দিন দিন শোচনীয় হয়ে পড়ছিল।
দরিদ্রতা আর ঋণের বোঝা তাকে ঠেলে দিয়েছিল স্বেচ্ছা মৃত্যুর দিকে।
সকল দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হবার জন্য এবং পরিবারকে মুক্তি দেবার জন্য অবশেষে একজন শিক্ষকের প্রাপ্তি আত্মহত্যা।
এই শিক্ষক কি আমাদের লজ্জা দিতে চেয়েছিলেন? আমরা তো লাজ লজ্জা ভুলেছি সেই কবেই!
পরীমনি, বুবলি, অপু, হিরো আলমের মত গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের বিয়ের খবরের চেয়ে এই শিক্ষকের চলে যাবার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মিডিয়ায় তেমন গুরুত্ব পায়নি।

শিক্ষক ফারুক হোসেন মরে বেঁচে গেছেন। সকল দুঃশ্চিন্তা, অসম্মান, অপমান থেকে চিরতরে মুক্তি পেয়েছেন। সংসারের সদস্যদের একটি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন দিতে না পারার লজ্জা থেকে মুক্তি পেয়েছেন কিন্তু আমরা যারা শ্বাস নিচ্ছি, হাঁটছি, খাচ্ছি তারা কি বেঁচে আছি?
আমাদের নৈতিক মৃত্যু হচ্ছে বারবার।এ মৃত্যু হচ্ছে নীরবে লোকচক্ষুর অন্তরালে।
সন্তানদের লেখাপড়া, বারবার অসুস্থ হওয়া, অপারেশন খরচসহ নানা ধরণের খরচের কারণে ব্যক্তিগত লোন, ব্যাঙ্ক লোনসহ বিভিন্ন ধরণের লোন পরিশোধের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে লোনের জন্য আবেদন করি। জনৈক শিক্ষা কর্মকর্তা, যিনি এক সময় গর্ব করে বলতেন, হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন তিনি। সেই কর্মকর্তা আবেদনপত্রে অনুমতি প্রদানের জন্য স্বাক্ষর করতে লাখ প্রতি প্রায় দেড় হাজার টাকা দাবি করেন। মোট সাত লাখ টাকা লোন তুলতে প্রায বিশ হাজার টাকা খরচ।
আমার নিজের টাকা আমার প্রয়োজনে তুলতে শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষা অফিসের কেরানি ( এখন যারা স্যার হয়েছেন), এজি অফিস সহ জায়গায় জায়গায় ঘুষ দিতে হবে।
প্রায় অর্ধশত শিক্ষক সংগঠন এই অনিয়ম রোধে নির্বিকার। বরং এই ধরণের কর্মকর্তাদের স্যার স্যার করতে করতে তাদের মুখে ফেনা উঠে যায়। ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করা, স্কুলে দাওয়াত দিয়ে পঞ্চাশ প্রকার ব্যাঞ্জন দিয়ে আপ্যায়ন করা, দামী পোশাক উপহার দেওয়া এসব গতানুগতিক আনুষ্ঠানিকতা থেকে বের হতে পারেন না শিক্ষকবৃন্দ।
এই কর্মকর্তার আজানের সাথে সাথে জায়নামাজ খোঁজার দৃশ্যটাও ছিল দেখার মতো। সেই সঙ্গে হালাল রুজির উপদেশ।
এইসব নষ্ট, ভ্রষ্ট কর্মকর্তাদের সহ্য করে বছরের পর বছর আমরা চাকুরি জীবন অতিবাহিত করছি। আর বারবার আমাদের নৈতিক মৃত্যু হচ্ছে।

এ সমাজে উপদেশ দেবার লোকের অভাব নেই। বহুবার শুনতে হয়েছে,শিক্ষকতা মহান পেশা। এ পেশাকে টাকার মাপকাঠিতে মূল্যায়ন করা ঠিক না।
শিক্ষকতা যদি মহান পেশা হয় তাহলে বিসিএস ক্যাডার না হয়ে আসেন শিক্ষকতা করেন। টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা ঠিক না হলে শিক্ষক কি হাওয়া খেয়ে বাঁচবেন?তার সংসার, সন্তান সততার ভাজি, চচ্চড়ি, জুস খাবে?
শিক্ষকতা যদি সেবামূলক পেশা হয় তাহলে রাজনীতি কেন করেন? ভোটে জিতে কেন সেবা করার বাসনা পোষণ করেন? আসুন দলে দলে প্রাথমিকের শিক্ষক হয়ে মহান, সেবামূলক পেশায় অংশগ্রহণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং নিজের পরকালকে পুণ্যময় করে তুলুন।
একটা স্বাধীন দেশের অর্ধশত বছরের বেশি অতিক্রম হবার পরও শিক্ষার ভিত্তি প্রাথমিক স্তরের সমস্যা সমাধান না হয়ে ক্রমাগত বেড়েই চলছে।
আগে কথায় কথায় সবাই বলতো, এসএসসি পাশ শিক্ষক। এখন শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। মেধাবীদের অপমান, অসম্মানের এক পৈশাচিক আনন্দ আছে। প্রমোশনবিহীন পেশা, ঝাড়ুদারের সমতূল্য বেতন, নষ্টদের উপদেশ নানা ধরণের মানসিক নির্যাতন সহ্য করে কেন লক্ষ লক্ষ শিক্ষক অক্ষরজ্ঞান শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে জাতিকে, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেলে মাথা অবনত করতে বাধ্য হবেন এ দেশের মানুষ।
সম্প্রতি এক সংবাদে জানলাম, মাধ্যমিক পর্যায় আইসিটি ট্রেনিংয়ে বিদেশে যাচ্ছে ১৯ জনের একটি দল। সেখানে যাচ্ছেন পরিচালকের স্ত্রী, শ্যালিকা। ১৯ জনের সেই টিমে শিক্ষক মাত্র একজন।
একমাত্র প্রাথমিক ছাড়া শিক্ষার প্রতিটি স্তরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হবার জন্য শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা লাগে। প্রমোশন পেয়ে শিক্ষকদের মধ্য থেকেই প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাচার্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন। শুধুমাত্র প্রাথমিক স্তরেই সহকারী শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা, শ্রম, নিষ্ঠা সবকিছুকে উপেক্ষা করে তাদের অসম্মান করে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয় অভিজ্ঞতাবিহীন প্রধান শিক্ষক।
চলতি দাযিত্ব, ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দশ, পনেরো বছর পার করেও সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক হবার কোনো সুযোগ থাকে না। সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া পনেরো দিনের ট্রেনিং নিয়ে প্রধান শিক্ষক হয়ে চেয়ারে বসেন। বিশ পঁচিশ বছর যাবৎ যারা শিক্ষকতা করছেন তারা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকেন একই স্থানে। নিঃসন্দেহে এটা অপমান, অসম্মান।

নবুয়ত প্রাপ্তির জন্য যেমন ৪০ বছর লাগে তেমন একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হবার জন্যও বয়স, অভিজ্ঞতা জরুরি।
তবে কি সুকৌশলে শিক্ষাকে ধ্বংস করার জন্য, প্রাথমিক স্তরকে নড়বড়ে করার জন্য এই পদ্ধতি?
সব দোষ নন্দ ঘোষের মত প্রতিটি ব্যর্থতার দায় শিক্ষকদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়। একজন মেধাবী শিক্ষককে এই পেশায় ধরে রাখার জন্য কী পদক্ষেপ নিয়েছে রাষ্ট্র?
শিক্ষক হবার সময় শর্ত দিবেন স্নাতক বা স্নাতকোত্তর শিক্ষাগত যোগ্যতার অথচ আচরণ দেখাবেন এসএসসি শিক্ষাগত যোগ্যতার এটা কি হওয়া ঠিক!
এই যে নৈতিকতার প্রতিদিনের মৃত্যু থেকে ফিনিক্স পাখির মতো আবার জেগে উঠি, প্রতিদিনই জন্মাই নতুন করে, এরই মাঝে একদিন ঠিকই পরিবর্তন আসবে। পাদটীকা গল্পের পন্ডিতমশাই অথবা তালেব মাস্টারের জীবন বহন করা শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত দেশের শিক্ষকদের মত উন্নত হবে, পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থানে থাকবে প্রাথমিকে শিক্ষকতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ শেষ বয়সে শিশুদের সান্নিধ্য পাবার জন্য আসবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে -- এইদিন একদিন অবশ্যই আসবে। সেদিন প্রাথমিকের শিক্ষকদের নেওয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অভিজ্ঞতা বলার জন্য। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে শিক্ষকতার অনার্স, মাস্টার্স। সেখানে যারা সবচেয়ে ভালো ফলাফল করবে তারাই প্রাথমিকের শিক্ষক হবেন।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমার এই চাওয়া অসম্ভব মনে হলেও দেশ একদিন পাল্টাবে। এই দেশ একদিন মানুষের হবে। সেই মানুষের দেশে তৈরি হবে মানুষ তৈরির শিক্ষক। শিক্ষকের সম্মূখে অবনত শিরে দাঁড়াতে শিখবে জাতি।

কলমে: শাকিলা নাছরিন পাপিয়া

জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫ 07/10/2025

জাতীয় বেতনস্কেল বিষয়ক অনলাইন জরিপ শুরু হয়েছে। আপনাদের দৃষ্টিকোন থেকে একটা পরিবারে ০৬ জন সদস্য বিবেচনা করে সর্বনিম্ন কত টাকা হলে একটা পরিবার চলতে পারবে বলে আপনি মনে করেন? আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে সঠিক তথ্য প্রদান করুন।
প্রশ্নপত্রের লিংক : http://paycommission2025.gov.bd/

উত্তরদাতা: সরকারি,বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত কর্মকর্তা/কর্মচারী, জনসাধারণ সহ সকলের জন্য উন্মুক্ত।
সময়কাল: ০১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত

জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫ জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫

10/08/2025

♥️ ইংরেজিতে কথা বলতে বা লিখতে এই ২৫টি শব্দ জানতেই হবে।🎈
1. Can – পারা
2. Could - পারতাম
3. Must - অবশ্যই
4. being - কিছু হয়ে
5. Need to - প্রয়োজন
6. Should/ought to – উচিৎ
7. Should have – উচিৎ ছিলো
8. May – পারা (সম্ভাবনা অর্থে)
9. Might – পারতাম (সম্ভাবনা অর্থে)
10. There is/are - আছে
11. There was/were - ছিলো
12. There will be - হবে
13. There will have – থাকবে
14. There can be – থাকতে পারে
15. There could be – থাকতে পারতো
16. Have/has to – করতেই হবে
17. Had to – করতে হয়েছিল
18. Am to/is to/are to – হয়/কথা
19. Am/is/are supposed to - হয়/কথা
20. Had better – বরং উচিৎ
21. Able to – সক্ষম হওয়া
22. Will be able to – সক্ষম হবো
23. Have been able to – সক্ষম হয়েছি
24. Used to – অতীত অভ্যস্ত বুঝাতে
25. Would like to - চাওয়া

02/08/2025

'সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা' সম্পর্কে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি।

Photos from Chief Adviser GOB's post 15/07/2025

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ঢাকা, ১৫ জুলাই, ২০২৫: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

গতকাল সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সম্পর্কে এবং কোন স্কুলগুলো ভালো করছে সে ব্যাপারে মূল্যায়ন জানতে চান।

উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক অর্থব্যয় হয়েছে। কিন্তু মূল যে উদ্দেশ্য -- শিক্ষার মান বৃদ্ধি, সেটা সাধন হয়নি। আমরা মূল্যায়ন করে স্কুলগুলোকে র‍্যাংকিং করছি। যেসকল স্কুলের বাচ্চারা পিছিয়ে আছে তাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি নিচ্ছি।’

তিনি জানান, মূল্যায়নে দেখা গেছে যেসব স্কুলের মান ভালো সেখানে প্রধান শিক্ষকের যোগ্যতা ও তার সঙ্গে অন্য সহকর্মীদের সম্পর্ক-ব্যবহার বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে। দেশের ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান বলেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন তিনি।

বৈঠকে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের পাশাপাশি নতুন নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘স্কুলগুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কীভাবে যোগ্যদের নিয়ে আসা যায় সে বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে। কয়েকটা ক্যাটাগরি করে দিতে হবে। যারা বহু বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন, অভিজ্ঞ তারা প্রাধান্য পাবেন। এর পাশাপাশি তরুণদেরও প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য সুযোগ দিতে হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে।’

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে সমন্বয় করে অতিদ্রুত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্নের নির্দেশ দেন তিনি। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রেও নীতিমালায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘অনেক সময় এক উপজেলায় নিয়োগ পেয়ে পরে অন্য উপজেলায়, শহরের কাছে কোনো স্কুলে শিক্ষকরা বদলির জন্য চেষ্টা করেন, তারা সুপারিশ-তদবির নিয়ে বিভিন্ন মহলে ঘোরেন। এক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা ও প্রক্রিয়া থাকতে হবে। কেবল ওই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তিনি বদলি হতে পারবেন।’

স্কুলগুলোতে মেয়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, স্কুলের অবকাঠামো নারীবান্ধব কি না এসকল বিষয়েও জানতে চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘স্কুলের ভবন নির্মাণের সময় কমিটিতে অন্তত একজন নারী স্থপতি রাখতে হবে যাতে নারীবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ হয়। পরিকল্পনায়, চিন্তায়, বাস্তবায়নে মেয়েদের বিষয় আলাদা করে গুরুত্ব দিতে হবে, সব ব্যবস্থা রাখতে হবে।’

এছাড়া দেশের সকল প্রাথমিক স্কুলকে ধারাবাহিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরির বিষয়েও জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

Want your school to be the top-listed School/college in Bandarban?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Lama
Bandarban
4741