Which need to be known with Rayhan

Which need to be known with Rayhan

Share

Some of our important issues come to mind but we avoid them due to laziness, here we will try to know those issues!

রায়হান,অনার্স-রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সরকারি তিতুমীর কলেজ,ঢাকা
হোমঃ কিশোরগঞ্জ

03/04/2024

মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্য মাঝে মাঝে ঘুরতে যাওয়া রুটিনে রাখাটা মন্দ না ☺️

14/12/2023

The end another step!

Plz pray for me.

11/10/2023

সরকারি তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাব

10/02/2023

বয়স যতই হোক, এমন দৃশ্য দেখনে কার না মনে পড়ে??
দুরন্ত শৈশবের কথা!!

16/11/2022

সরকারি তিতুমীর কলেজ
বিতর্ক ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত
ডিবেট লীগ সিজন-৫ এর ফাইনাল রাউন্ড!

বিঃদ্রঃ আমি একদম নতুন!

13/09/2022

organic song

Photos from Which need to be known with Rayhan's post 15/05/2021

অভিশপ্ত ইহুদী জাতি এবং গারকাদ (ঝাউগাছ) গাছঃ


বৃক্ষটির ইংরেজি নাম Lycium। আরবিতে একে গারকাদ বৃক্ষ বলে।ইহুদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাথর ও বৃক্ষকুল মুসলমানদের সাহায্যে কথা বলবেঃ
শেষ জমানায় মুসলমান এবং ইহুদীদের মধ্যে সর্বশেষ মরণ-যুদ্ধ সংঘটিত হবে। আল্লাহ পাক মুসলমানদেরকে মহা-বিজয় দান করবেন।

ইহুদীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালাতে থাকবে। পাথর ও বৃক্ষকুল মুসলমানদের ডেকে বলবে- হে মুসলিম! এদিকে এসো! আমার পেছনে ইহুদী লুকিয়েছে। তাকে এসে হত্যা কর!

বিস্তারিতঃবিশ্বাসঘাতকতা ও নিস্টুরতায় পটু জাতি হল ইহুদী জাতি।তারা তাদের রাসুলদের হত্যা করেছিল ও কিতাব বিকৃতি সাধন করেছিল। তাই এরা অভিশপ্ত।কিয়ামতের পুর্বে দাজ্জাল আসবে একজন ইহুদী থেকে। তিনি সমস্ত পৃথিবী চষে বেড়াবে। তার অলৌকিক ক্ষমতা দেখিয়ে মানুষকে বাধ্য করবে তাকে খোদা বলতে। যে বলবেনা তাকে হত্যা করা হবে। মানুষকে পরীক্ষার জন্য আল্লাহ তাকে এমন ক্ষমতা দান করবেন যে সে যা বলবে তাই হবে। মানুষকে হত্যা করে তাকে আবার পুনরায় জীবিত করতে পারবে।তবে একবারের বেশি নয়। এরপর ঈসা (আ:) ও ইমাম মাহদি আসবেন।ঈমাম মাহদির জন্ম হবে স্বাভাবিক নিয়মে।

ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ)এর হাতেই দাজ্জাল নিহত হবে। বিস্তারিত বিবরণ এই যে,
মক্কা-মদীনা ব্যতীত পৃথিবীর সকল দেশেই সে প্রবেশ করবে। তার অনুসারীর সংখ্যা হবে প্রচুর। সমগ্র দুনিয়ায় তার ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে। সামান্য সংখ্যক মুমিনই তার ফিতনা থেকে রেহাই পাবে। ঠিক সে
সময় দামেস্ক শহরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এক মসজিদের সাদা মিনারের উপর ঈসা (আঃ) আকাশ থেকে অবতরণ করবেন।
মুসলমানগণ তার পার্শ্বে একত্রিত হবে।
তাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি দাজ্জালের দিকে রওনা
দিবেন। দাজ্জাল সে সময় বায়তুল মাকদিসের দিকে
অগ্রসর হতে থাকবে। অতঃপর ঈসা (আঃ)
ফিলিস্তীনের লুদ্দ শহরের গেইটে দাজ্জালকে
পাকড়াও করবেন। ঈসা (আঃ)কে দেখে সে
পানিতে লবন গলার ন্যায় গলতে শুরু করবে। ঈসা
(আঃ) তাকে লক্ষ্য করে বলবেনঃ “তোমাকে আমি
একটি আঘাত করবো যা থেকে তুমি কখনও রেহাই
পাবেনা। মুমিন ঈসা (আঃ) তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত
করবেন। অতঃপর মুসলমানেরা তাঁর নেতৃত্বে
ইহুদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। মুসলমানদের
হাতে দাজ্জালের বাহিনী ইহুদীর দল পরাজিত
হবে। তারা কোথাও পালাবার স্থান পাবেনা। গাছের
আড়ালে পালানোর চেষ্টা করলে গাছ বলবেঃ হে
মুসলিম! আসো, আমার পিছনে একজন ইহুদী
লুকিয়ে আছে। আসো এবং তাকে হত্যা কর। পাথর
বা দেয়ালের পিছনে পলায়ন করলে পাথর বা দেয়াল
বলবেঃ হে মুসলিম! আমার পিছনে একজন ইহুদী
লুকিয়ে আছে, আসো! তাকে হত্যা কর। তবে
গারকাদ নামক গাছ ইহুদীদেরকে গোপন করার
চেষ্টা করবে। কেননা সেটি ইহুদীদের বৃক্ষ
বলে পরিচিত।

পৃথিবীর সমস্ত কিছু এদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবে কেবল মাত্র সেই গাছ ছাড়া।সেই গারকাদ গাছ যা ইহুদিরা সবচেয়ে বেশি রোপন করে এবং যা ইহুদি গাছ নামে পরিচিত। রাসুল (সা:) এই গাছটি দেখামাত্র কেটে ফেলতে বলেছেন।

এই গাছ সম্পর্কেই হাদিস শরীফে বর্ণনা করা হয়েছে।।
হযরত আবু হুরায়রা রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

( ﻟَﺎ ﺗَﻘُﻮﻡُ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔُ ﺣَﺘَّﻰ ﻳُﻘَﺎﺗِﻞَ ﺍﻟْﻤُﺴْﻠِﻤُﻮﻥَ ﺍﻟْﻴَﻬُﻮﺩَ ﻓَﻴَﻘْﺘُﻠُﻬُﻢُ
ﺍﻟْﻤُﺴْﻠِﻤُﻮﻥَ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺨْﺘَﺒِﺊَ ﺍﻟْﻴَﻬُﻮﺩِﻱُّ ﻣِﻦْ ﻭَﺭَﺍﺀِ ﺍﻟْﺤَﺠَﺮِ
ﻭَﺍﻟﺸَّﺠَﺮِ ﻓَﻴَﻘُﻮﻝُ ﺍﻟْﺤَﺠَﺮُ ﺃَﻭِ ﺍﻟﺸَّﺠَﺮُ ﻳَﺎ ﻣُﺴْﻠِﻢُ ﻳَﺎ ﻋَﺒْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻫَﺬَﺍ ﻳَﻬُﻮﺩِﻱٌّ ﺧَﻠْﻔِﻲ ﻓَﺘَﻌَﺎﻝَ ﻓَﺎﻗْﺘُﻠْﻪُ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟْﻐَﺮْﻗَﺪَ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻣِﻦْ
ﺷَﺠَﺮِ ﺍﻟْﻴَﻬُﻮﺩِ )

ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলিমদের সঙ্গে ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের যুদ্ধ না হবে।মুসলিমগণ তাদেরকে হত্যা করবে। ফলে তারা পাথর বা গাছের পিছনে লুকিয়ে থাকবে। তখন পাথর বা গাছ বলবে, ‘ হে মুসলিম! হে আল্লাহর বান্দা! এই তো ইয়াহূদী আমার পিছনে লুকিয়ে আছে। এসো, তাকে হত্যা কর।’ কিন্তু ‘গারকাদ’ নামক গাছ দেখিয়ে দিবে না। কারণ এটা হচ্ছে ইয়াহূদীদের সহায়তাকারী গাছ। - সহিহ মুসলিম ৭২২৯

হ্যাঁ...। বাস্তবেই বৃক্ষ সেদিন কথা বলবে। আল্লাহ পাক জড়বস্তুদের দিয়ে কথা বলাবেন। এটাই কেয়ামত ঘনিয়ে আসার নিদর্শন।

আল্লাহর ইচ্ছায় সব কিছুই মুসলমানদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে। এভাবেই আল্লাহ পাক মুসলমানদেরকে পুনর্বিজয় দান করবেন।

গারকাদ গাছ কয়েক প্রকার। এর মধ্যে একটি হচ্ছে কাণ্ডবিশিষ্ট; আরেকটি হচ্ছে কাণ্ডহীন ঝোপজাতীয়।
সবক'টি প্রকারই কাঁটাবহুল এবং কাঁটাগুলো বিষাক্ত। তার ফল খাওয়ার অযোগ্য। তবে ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়।

ইমাম নববী রহঃ বলেন, গারকাদ হচ্ছে এক প্রকার কাঁটাদার গাছ যা বাইতুল মাকদিস অঞ্চলে বেশ পরিমাণে রয়েছে।

এগাছের কাঁটাগুলো দেখলে এমনিতেই শরীরে কাঁটা দিয়ে ওঠে। বর্তমান যুগেও গাছটা ইহুদিদের প্রিয়। এটাকে তারা মনে করে নিজেদের গাছ।।

ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সা. বলেন- “ইহুদীদের সাথে তোমাদের লড়াই হবে। তাদেরকে তোমরা ছত্রভঙ্গ করে দিলে পাথর ও বৃক্ষকুল তোমাদের ডেকে বলতে থাকবে- ওহে মুসলিম! আমার পেছনে ইহুদী লুকিয়েছে, এসো! একে হত্যা কর!”
(বুখারী-৩৩৯৮/মুসলিম-৭৫২২)

পাথর ও বৃক্ষকুলের বাক্যালাপ -কেয়ামত ঘনিয়ে আসার অন্যতম নিদর্শন। তবে গারকাদ বৃক্ষ -ইহুদীদের রোপিত হওয়ায় কোন কথা বলবে না।

ইহুদীদের সবচাইতে পছন্দের ও পবিত্র গাছ গারকাদ গাছ (gharkad tree) গাছ। সম্ভবত এই গাছের সঙ্গে তাদের বিশেষ কোন সম্পর্ক আছে।

এই গাছ প্রচুর পরিমানে লাগানো হয়েছে ফিলিস্তিনের দখল কৃত ভুমি ইসরাইল নামক অবৈধ একটি দেশে।
ইসরাইল যখন গোলান পর্বতমালায় দখল প্রতিষ্ঠা করেছে, তখন থেকেই তারা ওখানে ‘গারকাদ’ বৃক্ষ লাগাতে শুরু করেছে। এছাড়াও তারা স্থানে স্থানে এই গাছটি রোপণ করছে।

হাদীস শরিফে বর্ণিত গারকাদ গাছ (বৃক্ষ) বর্তমানে ইয়াহুদীরা ব্যাপক হারে রোপন করছে ইসরাঈলে।

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَافِعٍ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ السَّيْبَانِيِّ، يَحْيَى بْنِ أَبِي عَمْرٍو عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَكَانَ أَكْثَرُ خُطْبَتِهِ حَدِيثًا حَدَّثَنَاهُ عَنِ الدَّجَّالِ وَحَذَّرَنَاهُ فَكَانَ مِنْ قَوْلِهِ أَنْ قَالَ ‏"‏ إِنَّهُ لَمْ تَكُنْ فِتْنَةٌ فِي الأَرْضِ مُنْذُ ذَرَأَ اللَّهُ ذُرِّيَّةَ آدَمَ أَعْظَمَ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ وَإِنَّ اللَّهَ لَمْ يَبْعَثْ نَبِيًّا إِلاَّ حَذَّرَ أُمَّتَهُ الدَّجَّالَ وَأَنَا آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَأَنْتُمْ آخِرُ الأُمَمِ وَهُوَ خَارِجٌ فِيكُمْ لاَ مَحَالَةَ وَإِنْ يَخْرُجْ وَأَنَا بَيْنَ ظَهْرَانَيْكُمْ فَأَنَا حَجِيجٌ لِكُلِّ مُسْلِمٍ وَإِنْ يَخْرُجْ مِنْ بَعْدِي فَكُلُّ امْرِئٍ حَجِيجُ نَفْسِهِ وَاللَّهُ خَلِيفَتِي عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ وَإِنَّهُ يَخْرُجُ مِنْ خَلَّةٍ بَيْنَ الشَّامِ وَالْعِرَاقِ فَيَعِيثُ يَمِينًا وَيَعِيثُ شِمَالاً ‏.‏ يَا عِبَادَ اللَّهِ أَيُّهَا النَّاسُ فَاثْبُتُوا فَإِنِّي سَأَصِفُهُ لَكُمْ صِفَةً لَمْ يَصِفْهَا إِيَّاهُ نَبِيٌّ قَبْلِي إِنَّهُ يَبْدَأُ فَيَقُولُ أَنَا نَبِيٌّ وَلاَ نَبِيَّ بَعْدِي ثُمَّ يُثَنِّي فَيَقُولُ أَنَا رَبُّكُمْ ‏.‏ وَلاَ تَرَوْنَ رَبَّكُمْ حَتَّى تَمُوتُوا وَإِنَّهُ أَعْوَرُ وَإِنَّ رَبَّكُمْ لَيْسَ بِأَعْوَرَ وَإِنَّهُ مَكْتُوبٌ بَيْنَ عَيْنَيْهِ كَافِرٌ يَقْرَؤُهُ كُلُّ مُؤْمِنٍ كَاتِبٍ أَوْ غَيْرِ كَاتِبٍ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنَّ مَعَهُ جَنَّةً وَنَارًا فَنَارُهُ جَنَّةٌ وَجَنَّتُهُ نَارٌ فَمَنِ ابْتُلِيَ بِنَارِهِ فَلْيَسْتَغِثْ بِاللَّهِ وَلْيَقْرَأْ فَوَاتِحَ الْكَهْفِ فَتَكُونَ عَلَيْهِ بَرْدًا وَسَلاَمًا كَمَا كَانَتِ النَّارُ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَقُولَ لأَعْرَابِيٍّ أَرَأَيْتَ إِنْ بَعَثْتُ لَكَ أَبَاكَ وَأُمَّكَ أَتَشْهَدُ أَنِّي رَبُّكَ فَيَقُولُ نَعَمْ ‏.‏ فَيَتَمَثَّلُ لَهُ شَيْطَانَانِ فِي صُورَةِ أَبِيهِ وَأُمِّهِ فَيَقُولاَنِ يَا بُنَىَّ اتَّبِعْهُ فَإِنَّهُ رَبُّكَ ‏.‏ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يُسَلَّطَ عَلَى نَفْسٍ وَاحِدَةٍ فَيَقْتُلَهَا وَيَنْشُرَهَا بِالْمِنْشَارِ حَتَّى يُلْقَى شِقَّتَيْنِ ثُمَّ يَقُولُ انْظُرُوا إِلَى عَبْدِي هَذَا فَإِنِّي أَبْعَثُهُ الآنَ ثُمَّ يَزْعُمُ أَنَّ لَهُ رَبًّا غَيْرِي ‏.‏ فَيَبْعَثُهُ اللَّهُ وَيَقُولُ لَهُ الْخَبِيثُ مَنْ رَبُّكَ فَيَقُولُ رَبِّيَ اللَّهُ وَأَنْتَ عَدُوُّ اللَّهِ أَنْتَ الدَّجَّالُ وَاللَّهِ مَا كُنْتُ بَعْدُ أَشَدَّ بَصِيرَةً بِكَ مِنِّي الْيَوْمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الطَّنَافِسِيُّ فَحَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ الْوَصَّافِيُّ عَنْ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ذَلِكَ الرَّجُلُ أَرْفَعُ أُمَّتِي دَرَجَةً فِي الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قَالَ أَبُو سَعِيدٍ وَاللَّهِ مَا كُنَّا نُرَى ذَلِكَ الرَّجُلَ إِلاَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ حَتَّى مَضَى لِسَبِيلِهِ ‏.‏ قَالَ الْمُحَارِبِيُّ ثُمَّ رَجَعْنَا إِلَى حَدِيثِ أَبِي رَافِعٍ قَالَ ‏"‏ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَأْمُرَ السَّمَاءَ أَنْ تُمْطِرَ فَتُمْطِرَ وَيَأْمُرَ الأَرْضَ أَنْ تُنْبِتَ فَتُنْبِتَ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَمُرَّ بِالْحَىِّ فَيُكَذِّبُونَهُ فَلاَ تَبْقَى لَهُمْ سَائِمَةٌ إِلاَّ هَلَكَتْ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَمُرَّ بِالْحَىِّ فَيُصَدِّقُونَهُ فَيَأْمُرَ السَّمَاءَ أَنْ تُمْطِرَ فَتُمْطِرَ وَيَأْمُرَ الأَرْضَ أَنْ تُنْبِتَ فَتُنْبِتَ حَتَّى تَرُوحَ مَوَاشِيهِمْ مِنْ يَوْمِهِمْ ذَلِكَ أَسْمَنَ مَا كَانَتْ وَأَعْظَمَهُ وَأَمَدَّهُ خَوَاصِرَ وَأَدَرَّهُ ضُرُوعًا وَإِنَّهُ لاَ يَبْقَى شَىْءٌ مِنَ الأَرْضِ إِلاَّ وَطِئَهُ وَظَهَرَ عَلَيْهِ إِلاَّ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةَ لاَ يَأْتِيهِمَا مِنْ نَقْبٍ مِنْ نِقَابِهِمَا إِلاَّ لَقِيَتْهُ الْمَلاَئِكَةُ بِالسُّيُوفِ صَلْتَةً حَتَّى يَنْزِلَ عِنْدَ الظُّرَيْبِ الأَحْمَرِ عِنْدَ مُنْقَطَعِ السَّبَخَةِ فَتَرْجُفُ الْمَدِينَةُ بِأَهْلِهَا ثَلاَثَ رَجَفَاتٍ فَلاَ يَبْقَى مُنَافِقٌ وَلاَ مُنَافِقَةٌ إِلاَّ خَرَجَ إِلَيْهِ فَتَنْفِي الْخَبَثَ مِنْهَا كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ وَيُدْعَى ذَلِكَ الْيَوْمُ يَوْمَ الْخَلاَصِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ أُمُّ شَرِيكٍ بِنْتُ أَبِي الْعُكَرِ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَيْنَ الْعَرَبُ يَوْمَئِذٍ قَالَ ‏"‏ هُمْ يَوْمَئِذٍ قَلِيلٌ وَجُلُّهُمْ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَإِمَامُهُمْ رَجُلٌ صَالِحٌ فَبَيْنَمَا إِمَامُهُمْ قَدْ تَقَدَّمَ يُصَلِّي بِهِمُ الصُّبْحَ إِذْ نَزَلَ عَلَيْهِمْ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ الصُّبْحَ فَرَجَعَ ذَلِكَ الإِمَامُ يَنْكُصُ يَمْشِي الْقَهْقَرَى لِيَتَقَدَّمَ عِيسَى يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَيَضَعُ عِيسَى يَدَهُ بَيْنَ كَتِفَيْهِ ثُمَّ يَقُولُ لَهُ تَقَدَّمْ فَصَلِّ فَإِنَّهَا لَكَ أُقِيمَتْ ‏.‏ فَيُصَلِّي بِهِمْ إِمَامُهُمْ فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ عِيسَى عَلَيْهِ السَّلاَمُ افْتَحُوا الْبَابَ ‏.‏ فَيُفْتَحُ وَوَرَاءَهُ الدَّجَّالُ مَعَهُ سَبْعُونَ أَلْفِ يَهُودِيٍّ كُلُّهُمْ ذُو سَيْفٍ مُحَلًّى وَسَاجٍ فَإِذَا نَظَرَ إِلَيْهِ الدَّجَّالُ ذَابَ كَمَا يَذُوبُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ وَيَنْطَلِقُ هَارِبًا وَيَقُولُ عِيسَى عَلَيْهِ السَّلاَمُ إِنَّ لِي فِيكَ ضَرْبَةً لَنْ تَسْبِقَنِي بِهَا ‏.‏ فَيُدْرِكُهُ عِنْدَ بَابِ اللُّدِّ الشَّرْقِيِّ فَيَقْتُلُهُ فَيَهْزِمُ اللَّهُ الْيَهُودَ فَلاَ يَبْقَى شَىْءٌ مِمَّا خَلَقَ اللَّهُ يَتَوَارَى بِهِ يَهُودِيٌّ إِلاَّ أَنْطَقَ اللَّهُ ذَلِكَ الشَّىْءَ لاَ حَجَرَ وَلاَ شَجَرَ وَلاَ حَائِطَ وَلاَ دَابَّةَ - إِلاَّ الْغَرْقَدَةَ فَإِنَّهَا مِنْ شَجَرِهِمْ لاَ تَنْطِقُ - إِلاَّ قَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ الْمُسْلِمَ هَذَا يَهُودِيٌّ فَتَعَالَ اقْتُلْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ وَإِنَّ أَيَّامَهُ أَرْبَعُونَ سَنَةً السَّنَةُ كَنِصْفِ السَّنَةِ وَالسَّنَةُ كَالشَّهْرِ وَالشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ وَآخِرُ أَيَّامِهِ كَالشَّرَرَةِ يُصْبِحُ أَحَدُكُمْ عَلَى بَابِ الْمَدِينَةِ فَلاَ يَبْلُغُ بَابَهَا الآخَرَ حَتَّى يُمْسِيَ ‏"‏ ‏.‏ فَقِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ نُصَلِّي فِي تِلْكَ الأَيَّامِ الْقِصَارِ قَالَ ‏"‏ تَقْدُرُونَ فِيهَا الصَّلاَةَ كَمَا تَقْدُرُونَهَا فِي هَذِهِ الأَيَّامِ الطِّوَالِ ثُمَّ صَلُّوا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ فَيَكُونُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ فِي أُمَّتِي حَكَمًا عَدْلاً وَإِمَامًا مُقْسِطًا يَدُقُّ الصَّلِيبَ وَيَذْبَحُ الْخِنْزِيرَ وَيَضَعُ الْجِزْيَةَ وَيَتْرُكُ الصَّدَقَةَ فَلاَ يُسْعَى عَلَى شَاةٍ وَلاَ بَعِيرٍ وَتُرْفَعُ الشَّحْنَاءُ وَالتَّبَاغُضُ وَتُنْزَعُ حُمَةُ كُلِّ ذَاتِ حُمَةٍ حَتَّى يُدْخِلَ الْوَلِيدُ يَدَهُ فِي فِي الْحَيَّةِ فَلاَ تَضُرَّهُ وَتُفِرُّ الْوَلِيدَةُ الأَسَدَ فَلاَ يَضُرُّهَا وَيَكُونُ الذِّئْبُ فِي الْغَنَمِ كَأَنَّهُ كَلْبُهَا وَتُمْلأُ الأَرْضُ مِنَ السِّلْمِ كَمَا يُمْلأُ الإِنَاءُ مِنَ الْمَاءِ وَتَكُونُ الْكَلِمَةُ وَاحِدَةً فَلاَ يُعْبَدُ إِلاَّ اللَّهُ وَتَضَعُ الْحَرْبُ أَوْزَارَهَا وَتُسْلَبُ قُرَيْشٌ مُلْكَهَا وَتَكُونُ الأَرْضُ كَفَاثُورِ الْفِضَّةِ تُنْبِتُ نَبَاتَهَا بِعَهْدِ آدَمَ حَتَّى يَجْتَمِعَ النَّفَرُ عَلَى الْقِطْفِ مِنَ الْعِنَبِ فَيُشْبِعَهُمْ وَيَجْتَمِعَ النَّفَرُ عَلَى الرُّمَّانَةِ فَتُشْبِعَهُمْ وَيَكُونَ الثَّوْرُ بِكَذَا وَكَذَا مِنَ الْمَالِ وَتَكُونَ الْفَرَسُ بِالدُّرَيْهِمَاتِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا يُرْخِصُ الْفَرَسَ قَالَ ‏"‏ لاَ تُرْكَبُ لِحَرْبٍ أَبَدًا ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ لَهُ فَمَا يُغْلِي الثَّوْرَ قَالَ ‏"‏ تُحْرَثُ الأَرْضُ كُلُّهَا وَإِنَّ قَبْلَ خُرُوجِ الدَّجَّالِ ثَلاَثَ سَنَوَاتٍ شِدَادٍ يُصِيبُ النَّاسَ فِيهَا جُوعٌ شَدِيدٌ يَأْمُرُ اللَّهُ السَّمَاءَ فِي السَّنَةِ الأُولَى أَنْ تَحْبِسَ ثُلُثَ مَطَرِهَا وَيَأْمُرُ الأَرْضَ فَتَحْبِسُ ثُلُثَ نَبَاتِهَا ثُمَّ يَأْمُرُ السَّمَاءَ فِي السَّنَةِ الثَّانِيَةِ فَتَحْبِسُ ثُلُثَىْ مَطَرِهَا وَيَأْمُرُ الأَرْضَ فَتَحْبِسُ ثُلُثَىْ نَبَاتِهَا ثُمَّ يَأْمُرُ اللَّهُ السَّمَاءَ فِي السَّنَةِ الثَّالِثَةِ فَتَحْبِسُ مَطَرَهَا كُلَّهُ فَلاَ تَقْطُرُ قَطْرَةٌ وَيَأْمُرُ الأَرْضَ فَتَحْبِسُ نَبَاتَهَا كُلَّهُ فَلاَ تُنْبِتُ خَضْرَاءَ فَلاَ تَبْقَى ذَاتُ ظِلْفٍ إِلاَّ هَلَكَتْ إِلاَّ مَا شَاءَ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ فَمَا يُعِيشُ النَّاسَ فِي ذَلِكَ الزَّمَانِ قَالَ ‏"‏ التَّهْلِيلُ وَالتَّكْبِيرُ وَالتَّسْبِيحُ وَالتَّحْمِيدُ وَيُجْرَى ذَلِكَ عَلَيْهِمْ مَجْرَى الطَّعَامِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ سَمِعْتُ أَبَا الْحَسَنِ الطَّنَافِسِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ الْمُحَارِبِيَّ يَقُولُ يَنْبَغِي أَنْ يُدْفَعَ هَذَا الْحَدِيثُ إِلَى الْمُؤَدِّبِ حَتَّى يُعَلِّمَهُ الصِّبْيَانَ فِي الْكُتَّابِ ‏.

আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আমাদের উদ্দেশে দেয়া তাঁর দীর্ঘ ভাষণের অধিকাংশ ছিলো দাজ্জাল প্রসঙ্গে। তিনি আমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেন। তার সম্পর্কে তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, আল্লাহ আদমের বংশধর সৃষ্টি করার পর থেকে দাজ্জালের ফেতনার চেয়ে মারাত্মক কোনো ফেতনা পৃথিবীর বুকে সংঘটিত হবে না। আল্লাহ এমন কোন নবী পাঠাননি যিনি তাঁর উম্মাতকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেননি। আর আমি সর্বশেষ নবী এবং তোমরা সর্বশেষ উম্মাত। সে অবশ্যই তোমাদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করবে। আমি তোমাদের মধ্যে বর্তমান থাকতে যদি সে আবির্ভূত হয়, তবে আমিই প্রত্যেক মুসলমানের পক্ষ থেকে প্রতিরোধকারী হবো। আর যদি সে আমার পরে আবির্ভূত হয় তবে প্রত্যেক মুসলমানকে নিজের পক্ষ থেকে প্রতিরোধকারী হতে হবে। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আমার প্রতিনিধি।

নিশ্চয় সে সিরিয়া ও ইরাকের ‘খাল্লা’ নামক স্থান থেকে বের হবে। অতঃপর সে তার ডানে ও বামে সর্বত্র বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা (দ্বীনের উপর) অবিচল থাকবে। কেননা আমি এখনই তোমাদের নিকট এমন সব নিকৃষ্ট অবস্থা বর্ণনা করবো যা আমার পূর্বে, বিশেষভাবে কোন নবীই তাঁর উম্মাতের নিকট বলেননি।

সে তার দাবির সূচনায় বলবে, আমি নবী। অথচ আমার পরে কোন নবী নাই। অতঃপর সে দাবি করবে, আমি তোমাদের রব। অথচ মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তোমরা তোমাদের প্রভুকে দেখতে পাবে না। সে হবে অন্ধ। অথচ তোমাদের রব মোটেই অন্ধ নন। তার দু’ চোখের মাঝখানে লেখা থাকবে “কাফের”। শিক্ষিত ও অশিক্ষিত প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিই এ লেখাটি পড়তে সক্ষম হবে।

দাজ্জালের অনাসৃষ্টির মধ্যে একটি এই যে, তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম থাকবে। তবে তার জাহান্নাম হবে জান্নাত এবং তার জান্নাত হবে জাহান্নাম। যে ব্যক্তি তার জাহান্নামের বিপদে পতিত হবে, সে যেন আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে এবং সূরা কাহ্‌ফ-এর প্রথমাংশ তিলাওয়াত করে। তাহলে সেই জাহান্নাম হবে তার জন্য শীতল আরামদায়ক, ইবরাহীম (আঃ)–এর বেলায় আগুন যেরূপ হয়েছিল।

দাজ্জালের আরেকটি অনাসৃষ্টি এই যে, সে এক বেদুঈনকে বলবে, আমি যদি তোমার পিতা-মাতাকে তোমার সামনে জীবিত করে তুলতে পারি তবে তুমি কি এই সাক্ষ্য দিবে যে, নিশ্চয় আমি তোমার রব? সে বলবে, হাঁ। তখন (দাজ্জালের নির্দেশে) দু’টি শয়তান তার পিতা-মাতার অবয়ব ধারণ করে হাযির হবে এবং বলবে, হে বৎস! তার আনুগত্য করো। সে-ই তোমার রব।

দাজ্জালের আরেকটি অনাসৃষ্টি এই যে, সে জনৈক ব্যক্তিকে পরাভূত করে হত্যা করবে। অতঃপর করাত দ্বারা তাকে ফেড়ে দু’ টুকরা করে ছুঁড়ে মারবে। অতঃপর সে বলবে, তোমরা আমার এ বান্দার দিকে লক্ষ্য করো, আমি একে এখনই জীবিত করবো। তারপরও কেউ বলবে কি যে, আমি ব্যতীত তার অন্য কেউ রব আছে? এরপর আল্লাহ তাআলা সে লোকটিকে জীবিত করবেন। তখন (দাজ্জাল) খবীস তাকে বলবে, তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ। আর তুই তো আল্লাহর দুশমন। তুই তো দাজ্জাল। আল্লাহর শপথ! আজ আমি তোর সম্পর্কে প্রত্যক্ষভাবে বুঝতে পারছি (যে, তুই-ই দাজ্জাল)।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে জান্নাতেই সে ব্যক্তির সর্বাধিক মর্যাদা হবে। রাবী বলেন, আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমরা ধারণা করতাম যে, এ ব্যক্তি উমার ইবনুল খাত্তাব, এমনকি তিনি শাহাদাত বরণ করেন। মুহারিবী (রাঃ) বলেন, এরপর আমরা আবূ রাফে (রাঃ)-র সূত্রে বর্ণিত হাদীসে ফিরে যাচ্ছি। তিনি বলেন, দাজ্জালের আরেকটি অনাচার এই যে, সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষাতে নির্দেশ দিলে বৃষ্টি হবে এবং যমীনকে ফসল উৎপাদনের নির্দেশ দিলে ফসল উৎপাদিত হবে।

দাজ্জালের আরেকটি অনাচার এই যে, সে একটি জনপদ অতিক্রমকালে তারা তাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করবে, ফলে তাদের গবাদি পশু সমুলে ধ্বংস হয়ে যাবে।

দাজ্জালের আরেকটি অনাচার এই যে, সে আরেকটি জনপদ অতিক্রমকালে তারা তাকে সত্য বলে মেনে নিবে। সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষণের নির্দেশ দিলে বৃষ্টি বর্ষিত হবে। অতঃপর সে যমীনকে শস্য উৎপাদনের নির্দেশ দিলে যমীন শস্য উৎপাদন করবে। যমীন পর্যাপ্ত ফসলাদি, ঘাসপাতা ও তৃণলতা উদগত করবে, এমনকি তাদের গবাদি পশু সেদিন সন্ধ্যায় মোটাতাজা ও উদর পূর্তি করে দুধে স্তন ফুলিয়ে ফিরে আসবে।

অবস্থা এই হবে যে, সে গোটা দুনিয়া চষে বেড়াবে এবং তা তার পদানত হবে, মক্কা ও মদীনা ব্যতীত। এই দু’ শহরের প্রবেশদ্বারে উন্মুক্ত তরবারিসহ সশস্ত্র অবস্থায় ফেরেশতা মোতায়েন থাকবেন। শেষে সে একটি ক্ষুদ্র লাল পাহাড়ের পাদদেশে অবতরণ করবে যা হবে তৃণলতা শূন্য স্থানের শেষভাগ।

এরপর মদীনা তার অধিবাসীসহ তিনবার প্রকম্পিত হবে। ফলে মুনাফিক নারী-পুরুষ মদীনা থেকে বের হয়ে দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে। এভাবে মদীনা তার ভেতরকার নিকৃষ্ট ময়লা বিদূরিত করবে, যেমনিভাবে হাপর লোহার মরিচা দূর করে। সে দিনের নাম হবে “নাজাত দিন”।

আবুল আকর এর কন্যা উম্মু শুরাইক (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আরবের লোকেরা তৎকালে কোথায় থাকবে? তিনি বলেনঃ তৎকালে তাদের সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। তাদের অধিকাংশ (ঈমানদার) বান্দা তখন বাইতুল মুকাদ্দাসে অবস্থান করবে। তাদের ইমাম হবেন একজন নিষ্ঠাবান সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি।

এমতাবস্থায় একদিন তাদের ইমাম তাদের নিয়ে ফজরের নামায পড়বেন। ঈসা বিন মরিয়ম (আঃ) সেই সকালবেলা অবতরণ করবেন। তখন ইমাম পেছন দিকে সরে আসবেন যাতে ঈসা বিন মরিয়ম (আঃ) সামনে অগ্রসর হয়ে লোকেদের নামাযে ইমামতি করতে পারেন। ঈসা (আঃ) তাঁর হাত ইমামের দু’ কাঁধের উপর রেখে বলবেনঃ আপনি অগ্রবর্তী হয়ে নামাযে ইমামতি করুন। কেননা এই নামায আপনার জন্যই কায়েম (শুরু) হয়েছে। অতএব তাদের ইমাম তাদেরকে নিয়ে নামায পড়বেন।

তিনি নামায থেকে অবসর হলে ঈসা (আঃ) বলবেন , দরজা খুলে দাও। তখন দরজা খুলে দেয়া হবে এবং দরজার পেছনে দাজ্জাল অবস্থানরত থাকবে। তার সাথে থাকবে সত্তর হাজার ইহূদী কারুকার্য খচিত ও খাপবদ্ধ তরবারিসহ। দাজ্জাল ঈসা (আঃ)-কে দেখামাত্র পানিতে লবণ বিগলিত হওয়ার ন্যায় বিগলিত হতে থাকবে এবং ভেগে পলায়ন করতে থাকবে। তখন ঈসা (আঃ) বলবেনঃ তোর উপর আমার একটা আঘাত আছে, যা থেকে তোর বাঁচার কোন উপায় নাই। তিনি লুদ্দ–এর পূর্ব ফটকে তার নাগাল পেয়ে যাবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা ইহূদীদের পরাজিত করবেন। আল্লাহর সৃষ্টি যে কোন বস্তু– পাথর, গাছপালা, দেয়াল অথবা প্রাণী, যার আড়ালেই কোন ইহূদী লুকিয়ে থাকবে, আল্লাহ তাকে বাকশক্তি দান করবেন এবং সে ডেকে বলবে, হে আল্লাহর মুসলমান বান্দা! এই যে এক ইহূদী, এদিকে এসো এবং তাকে হত্যা করো। তবে গারকাদ নামক গাছ কথা বলবে না। কারণ সেটা ইহূদীদের গাছ।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দাজ্জাল চল্লিশ বছর বিপর্যয় ছড়াবে। তার এক বছর হবে অর্ধ বছরের সমান, এক বছর হবে এক মাসের সমান, এক মাস এক সপ্তাহের সমান এবং অবশিষ্ট কাল অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বায়ুমণ্ডলে উড়ে যাওয়ার মত দ্রুত অতিক্রান্ত হবে। তোমাদের কেউ সকালবেলা মদীনার এক ফটকে (প্রান্তে) থাকলে তার অপর ফটকে পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! এতো ক্ষুদ্র দিনে আমরা কিভাবে নামায পড়বো? তিনি বলেনঃ তোমরা অনুমান করে সলাতের সময় নির্ধারণ করবে, যেমন তোমরা লম্বা দিনে অনুমান করে সলাতের সময় নির্ধারণ করে থাক এবং এভাবে নামায আদায় করবে।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ঈসা বিন মরিয়ম (আঃ) আমার উম্মাতের একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক ও ইনসাফগার ইমাম হবেন। তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, এমনভাবে শূকর হত্যা করবেন যে, তার একটিও অবশিষ্ট থাকবে না। সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে তিনি জিয্‌য়া মওকুফ করবেন, যাকাত আদায় বন্ধ করবেন এবং না বকরীর উপর যাকাত ধার্য করা হবে, আর না উটের উপর। লোকেদের মাঝে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতার অবসান হবে। প্রত্যেক বিষাক্ত প্রাণী বিষশূন্য হয়ে যাবে। এমনকি দুগ্ধপোষ্য শিশু তার হাত সাপের মুখের ভিতর ঢুকিয়ে দিবে কিন্তু তা তার কোন ক্ষতি করবে না। এক ক্ষুদ্র মানব শিশু সিংহকে তাড়া করবে, তাও তার কোন ক্ষতি করবে না। নেকড়ে বাঘ মেষ পালের সাথে এমনভাবে অবস্হান করবে যেন তা তার পাহারায় রত কুকুর। পানিতে পাত্র পরিপূর্ণ হওয়ার মত পৃথিবী শান্তিতে পূর্ণ হয়ে যাবে। সকলের কলেমা এক হয়ে যাবে। আল্লাহ ব্যতীত কারো ইবাদত করা হবে না। যুদ্ধ-বিগ্রহ তার সাজসরঞ্জাম রেখে দিবে। কুরাইশদের রাজত্বের অবসান হবে। পৃথিবী রুপার পাত্রের ন্যায় স্বচ্ছ হয়ে যাবে। তাতে এমন সব ফলমূল উৎপন্ন হবে যেমনটি আদম (আঃ)-এর যুগে উৎপাদিত হতো। এমনকি কয়েকজন লোক একটি আঙ্গুরের থোকার মধ্যে একত্র হতে পারবে এবং তা সকলকে পরিতৃপ্ত করবে। অনেক লোক একটি ডালিমের জন্য একত্র হবে এবং তা সকলকে পরিতৃপ্ত করবে। তাদের বলদ গরু হবে এই এই (উচ্চ) মূল্যের এবং ঘোড়া স্বল্পমূল্যে বিক্রয় হবে। লোকজন বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ঘোড়া সস্তা হবে কেন? তিনি বলেনঃ কারণ যুদ্ধের জন্য কখনো কেউ অশ্বারোহী হবে না। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো, গরু অতি মূল্যবান হবে কেন? তিনি বলেনঃ সারা পৃথিবীতে কৃষিকাজ সম্প্রসারিত হবে।

দাজ্জালের আবির্ভাবের তিন বছর পূর্বে দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে, তখন মানুষ চরমভাবে অন্নকষ্ট ভোগ করবে। প্রথম বছর আল্লাহ তাআলা আসমানকে তিন ভাগের এক ভাগ বৃষ্টি আটকে রাখার নির্দেশ দিবেন এবং যমীনকে নির্দেশ দিলে তা এক– তৃতীয়াংশ ফসল কম উৎপাদন করবে। এরপর তিনি আসমানকে দ্বিতীয় বছর একই নির্দেশ দিলে, তা দু’ –তৃতীয়াংশ কম বৃষ্টি বর্ষণ করবে এবং যমীনকে হুকুম দিলে তাও দু’ –তৃতীয়াংশ কম ফসল উৎপন্ন করবে। এরপর আল্লাহ তাআলা আকাশকে তৃতীয় বছরে একই নির্দেশ দিলে তা সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টিপাত বন্ধ করে দিবে। ফলে এক ফোঁটা বৃষ্টিও বর্ষিত হবে না। আর তিনি যমীনকে নির্দেশ দিলে তা শস্য উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখবে। ফলে যমীনে কোন ঘাস জন্মাবে না, কোন সবজি অবশিষ্ট থাকবে না, বরং তা ধ্বংস হয়ে যাবে, তবে আল্লাহ যা চাইবেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, এ সময় লোকেরা কিরূপে বেঁচে থাকবে? তিনি বলেনঃ যারা তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাকবীর (আল্লাহু আকবার), তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) ও তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) বলতে থাকবে এগুলো তাদের খাদ্যনালিতে প্রবাহিত করা হবে।

আবূ আবদুল্লাহ ইবনু মাজাহ (রহঃ) বলেন, আমি আবুল হাসান আত-তানাফিসী (রহঃ) থেকে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি আবদুর রহমান আল-মুহারিবী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, এই হাদীসখানি মকতবের উস্তাদগণের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন, যাতে তারা বাচ্চাদের এটা শিক্ষা দিতে পারেন। [৩৪০৯]

সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪০৭৭

নাহিক বিন ছুরাইম রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সা. বলেন- “মুশরেকদের সাথে তোমরা অবশ্যই যুদ্ধ করবে। তোমাদের অবশিষ্ট বাহিনী সেদিন জর্ডান নদীর তীরে
দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। তোমরা পূর্বদিকে আর দাজ্জাল বাহিনী পশ্চিম- দিকে থাকবে।-”

বর্ণনাকারী নাহিক বলেন- প্রথম যেদিন রাসূলের মুখ থেকে হাদিসটি শুনেছিলাম, সেদিন জর্ডান কোথায় জানতাম না।
উপরোক্ত হাদীসে নদী বলতে -জর্ডান এবং অধিকৃত ফিলিস্তীনের মধ্যবর্তী উপসাগর উদ্দেশ্য।

★★" #হিটলারের সেই উক্তি মুসলমানেরা কিয়ামত পর্যন্ত ভুলতে পারবে না"।

মুসলমানদের চির শত্রু ইহুদী। যারা অনেক বার মুসলমানদের উপর হামলা করেছে। তবে হিটলার সেই ইহুদীদের প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিল।

আর বলেছিল, ‘আমি চাইলে সব ইহুদীদের হত্যা করতে পারতাম। কিন্তু কিছু ইহুদী বাঁচিয়ে রেখেছি,,এই জন্যে যে, যাতে পৃথিবীর মানুষ বুঝতে পারে, আমি কেন ইহুদী হত্যায় মেতেছিলাম’।

#এক রাশিয়ান কয়েদী তার স্মরণিকা তে লিখেন: ১৯১৪ সালে আমি জার্মানিতে কয়েদ ছিলাম। জেলের মধ্যে জার্মান জেলার আমাদের একদা বাধ্য করলো একটি বিশাল গর্ত খুঁড়ে সেখানে সমস্ত ইহুদি কয়েদিদের জ্যান্ত কবর দিতে। কিন্তু আমরা এই বর্বরতা করেতে রাজি হলাম না।

অতপর জেলার আমাদেরকে ঐ গর্তে ফেলে ইহুদী কয়েদিদের বলল তোমারা ওদের জ্যান্ত কবর দাও। আর এতে ইহুদিরা সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল।

আমরা ইহুদিদের এই আচরণ দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। অতপর জেলার আমাদের বলল: তোমাদের এটাই জানাতে চাচ্ছিলাম যে তোমারও জেনে রাখো
ইহুদীরা কি জিনিস। তারা কতটুকু বিষাক্ত।

উল্লেখ্য: ------
আডলফ হিটলার ৬০ লক্ষ ইহুদিকে পরিকল্পনা মাফিক হত্যা করেছিল, তার থিউরী ছিল: পৃথিবীতে এবং জমিনের নিচে যত প্রকার লড়াই, বিভেদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, সেই লড়াই, বিভেদ ও বিশৃঙ্খলার পেছনে অবশ্যই কোনো না কোনো ইহুদীর হাত আছে।

তাই বলা যায়, মুসলমানেরা আসলেই কিয়ামত পর্যন্ত ইহুদীদের নিয়ে হিটলারের ওই উক্তি হয়তো বা ভুলতে পারবে না।

ফিলিস্তিনের মুসলিমদের প্রতিঃ
হে ফিলিস্তিনের মুসলিম ভাইগণ! তোমাদের ভয় নেই। সেই দিন বেশি দূরে নয়, যেদিন অভিশপ্ত ইহুদীদের হত্যা করা হবে। সুতরাং ভয় নেই হে গাজাবাসী! বিজয় তোমাদের হবেই। হে দুনিয়ার মুসলিম তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসো।

16/04/2021

Prophet Hazrat Muhammad(sm) greatest person in the history of mankind, says Hindu scholar
Updated 08 February 2013
FARHAN IQBAL
February 08, 2013 03:09
19057


Islam is a wonderful religion and Prophet of Islam, Muhammad (peace be upon him), is the greatest person in the history of mankind, according to a renowned Hindu scholar in India. He also said that for learning and understanding Islam, Prophet’s life and teachings are the best source.
The Hindu scholar, Swami Lakshmi Shankaracharya, said, “We are talking about Prophet Muhammad (peace be upon him) and we should keep it in our mind that he is the greatest individual in history. If anyone wants to know about Islam, one should judge Islam by Prophet’s (peace be upon him) life and his teachings.”
While delivering a lecture on “Seerat-un-Nabi” (Prophet’s life) at a conference held in Patna, the capital city Bihar province, recently, Swami who is also the founder of Jan Ekta Manch, said that peace and humanity is the core teaching of Islam.
But, unfortunately, most of the Muslims don’t follow Islamic teachings and they hardly learn from the life of Prophet Muhammad (peace be upon him).
Exhorting Muslims, he urged, “It is the duty of every Muslim to save and protect the humanity, and that the Prophet would forgive his enemies and showed patience when he was harmed by others, this was his moral teachings which made Islam an international religion.” He cited the stories of “Fatah-Al-Makkah” (Conquest of Makkah) when enemies of Islam were given the amnesty despite being made prisoners of war by the Muslims. On Jihad, he clarified that it has nothing to do with innocent killings or terrorism.
The first permission to take to arms was accorded in verse 22:39 of the Holy Qur’an, which reads: “Permission (to take up arms) is hereby given to those who attacked, because they have been wronged.” The Holy Qur’an further says: “Fight, for the sake of Allah with those that fight against you, but do not be aggressive.”
He also cited extensively from the Hindu scriptures to validate Islam’s endeavor to establish peace on earth.
It is interesting to note that the Hindu seer was initially very critical about Islam and its concept of Jihad. He considered Islam to be the root cause of global terrorism. This thinking had cropped up in his mind because of his study of negative materials on Islam and behavior of some Muslims. Later he wrote a book, “The History of Islamic Terrorism,” too. However, on being urged to study Islam from its original sources, the Swami read the Holy Qur’an from cover to cover besides the life of Prophet Muhammad (peace be upon him). He realized that he had misunderstood Islam. While accepting his mistake he wrote sort of a rejoinder to such negative materials in a book titled, “Islam – Aatank ya Aadarsh” (in Hindi) and its English version, “Islam: Terror or Ideal Path.”
In this book, he clarified the real meaning of Jihad and why Islam is the religion of peace. He concluded that Muslims were enjoined to fight in self-defense to establish peace, without resorting to terror.
The conference was organized by Jamaat-e-Islami Hind, Bihar. Nayyaruzzaman, the regional president of the Jamaat, presided over the conference.
He emphasized on the acquisition of true knowledge of Islam and practicing it as was done by the Prophet’s companions.

n Courtesy of

08/04/2021

সেনা সদস্য হউন!

26/03/2021

দীর্ঘ লক-ডাউনের পর!!

05/02/2021

লিখবো কিছু কিন্তু মানবে কে??

পড়াশুনা,পাবলিক,জাতীয়,প্রাইভেট কি হবে এগুলো নিয়ে চিল্লাইয়া?
পাবলিকে চান্স পেলেই কেউ এলিয়েন হয়ে যায় না!
আর জাতীয়তে পড়লেই কেউ পঁচে যায় না!
তোমার দেশ তোমাকে নানা সময়ে, নানান ধরণের ইস্যুতে ঢুকিয়ে প্যারা দিবে কিন্তু কখনও একটা কাজের পরিবেশ অর্থাৎ ইনকাম সোর্স তৈরী করে দিবে না!

কি? নিজের যোগ্যতা দিয়ে তৈরী করে নিবা? তাই নাকি?
কতটুকো মুল্যায়িত হবে তোমার পরিশ্রম সেটা ত সময়ই বলে দেবে!

পাবলিক থেকে কত ষ্টুডেন্ট বিনা সনদে বের হয় জানো?
তাই বলে কি আর পড়বো না,, আমি তা বলছি না!!
আমার ব্যাক্তিগত মতামত দেই,,

* রাষ্ট্র যত জনকে কাজের পরিবেশ করে দিতে পারে কেবল তত জনকেই পাস দিক!

* যত জনকে মুল্যায়ন করতে পারে কেবল তত জনকেই গ্রাজুয়েশন করাক!

আর তোমাদের বলছি,, ক্যাডার হওয়ার চিন্তার পাশা-পাশি নিজে থেকে কিছু একটা করে বাবা মায়ের কষ্টটা একটু লাঘব করার চেষ্টা করো! যেখানেই পড়ো, ক্রিয়েটিভ হইয়ো, নিজেকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী না ভেবে বিশ্বের সাথে তুলনা কইরো!! ঢাবি ই যে,, বা পাবলিকই সব না!! জাতীয়তেও সোনা ফলে,, প্রাইভেটে ও,, সব থেকে বড় কথা হলোঃ নিজের ভিতরের প্রতিভা কেবল তোমারই কোনো ভার্সিটির নয়! তোতুলের বিচি যেই জেলাতেই লাগাও আম গাছ হবে না তা থেকে!

সো নিজেকে কখনও কোনো বিষয় নিয়ে প্যারা দিও না,, প্যারা দেওয়ার জন্য ত রাষ্ট্র আছেই 🤬

তোমার বাবাকে ২০ টা বছর কাটিয়ে তোমাকে পড়াশুনা করাবে রাষ্ট্র, কিন্তু তোমার বাবার মুখে হাসি ফুটাতে তোমাকে একটা জব মেনেজ করে দিবে না 😭😭

মনে রাখবা, তুমি নিজেই একটা ভার্সিটি! কোনো ভার্সিটি তোমার আইডেন্টিটি নয়

রায়হান,অনার্স ২য় বর্ষ
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ!
সরকারি তিতুমীর কলেজ!!

08/01/2021

আপনার সাথে আমার চিন্তার মিল হবে না! কিন্তু কেনো? উত্তরটা পেলে খুশি হতাম!
----------------------------------------------*******----------------------------------------------------
**//বর্তমানে সাড়া পৃথিবীতে সাকসেসফুল মানুষদের দ্বারাই আমরা মোটিভেশন শুনি!
কিন্তু যারা সাকসেস হওয়ার জন্য মরণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদেরকে আমরা মূল্যায়ন করি না !

**//ধরুন একটা ষ্টুডেন্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বা মেডিকেলে চান্স পেয়েছে, তাই বলে শহরের টিউশনটা তাকেই দিতে হবে 🙄🙄
যে চান্স পেয়েছে সে তো পেয়েছেই!! এতটুকোতেই এনাফ।

**//কিন্তু সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পরও যে ষ্টুডেন্ট টি চান্স পায় নি, সে খুব ভালোভাবে জানবে যে,তার কোন কোন গ্যাপ গুলোর জন্য সে চিটকে পড়েছে! তার এই ব্যাড এক্সপেরিয়েন্স, আরেকজনের জীবনে গুড সাজেশন্স কি হতে পারে না???

🙄🙄তাহলে, কেনইবা,,পাবলিকিয়ান ষ্টুডেন্টদের দিয়ে,ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার গড়ে উঠে?? এখানে তো সো-আপ ছাড়া অন্য কিছু আমার চোখে পড়ে না!!

কাকতালীয় ভাবেও অনেকেই টাকার মালিক হয়ে বনে যায়,
কেউ বা অবৈধভাবে ও কিন্তু তারাই তো সফল হিসেবে সমাজে ঘুরে বেড়ান! জনপ্রতিনিধি হতে থাকেন,, কিন্তু আসল যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষগুলো কেনো আড়ালে থাকে?? তাহলে সমাজ চলবে কি করে? শান্তির আশা কিভাবেই বা করি??

My thoughts will not match with yours! But why? I would be happy to get the answer!
------------------------------------------------ ****-------------------------------------------------
** // We hear motivation from successful people in the world today!
But we do not evaluate those who are trying their best to succeed!

** // Suppose a student gets a chance in a public university or medical college ,So he has to pay the tuition in the city.

👉👉👉He got the chance !! That's all.👇👇

** // But the student who did not get the chance even after trying his best, will know very well that he is stuck for some of his gaps! This bad experience of his, Can't there be good suggestions in someone else's life ???

So, why, with publicist students, coaching centers growing like frog umbrellas developed ?? I don't see anything other than Show-up here !!

Coincidentally, many people become owners of money,
Someone or illegally but they are successful in the society! People continue to be representatives,
But why are the people with real qualifications hidden ??
So how will Come first the society?
How do We hope for peace ??

Rayhan-Gtc

🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️🙅‍♂️

Want your school to be the top-listed School/college in Bandarban?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Bandarban