23/03/2026
Let's learn new words today!!
This page helps people to learn English in amazing way. If someone follow all post from this page, I believed that he/she will be benefitted constantly.
23/03/2026
Let's learn new words today!!
The video is taken from Al Mansoura, Doha, Qatar.
#قطر
if you love someone, make du'a for them! Praying for someone is the perfect expression of our love. It shows how much we care about their well-being—not just in this temporary life, but also in the eternal life to come. God keep Almighty Allah..
24/08/2023
Note and Let's Learn English
✅কিছু মনে রাখার বিষয়:-✅
∆ Sick & ill
অল্প সময়ের জন্য অসুস্থ হলে sick আর দীর্ঘ সময়ের জন্য হলে ill হবে।
∆ Cool & cold
আরামদায়ক ঠান্ডা হলে cool আর কষ্টদায়ক হলে cold হয়।
∆ Hot & warm
আরামদায়ক গরম হলে warm
আর কষ্টদায়ক হলে Hot হবে ।
∆ Handsome & beautiful
ছেলেরা Handsome আর মেয়েরা beautiful হয় ।
∆ In time & on time
ঠিক সময়ে হলে on time
আর ঠিক সময়ে না হলে in টাইম ।
∆ low & short
ব্যক্তির ক্ষেত্রে short আর বস্তুর ক্ষেত্রে low হয় ।
∆ Put & keep
অল্প সময়ের জন্য রাখলে put আর দীর্ঘ সময়ের জন্য বুঝালে keep হয়।
∆ drown & sink
প্রাণী ডুবলে drown আর বস্তু ডুবলে সিনক
∆ Hope & wish
বাস্তব আশার ক্ষেতে hope & অবাস্তব আশার ক্ষেত্রে wish হয়।
∆ Revenge & Avenge
নিজের প্রতি অন্যায়ের প্রতিশোধ নিলে revenge & অন্যের প্রতি অন্যায়ের প্রতিশোধ নিলে Avenge হয়।
Thanks for reading.
স্ত্রী গর্ভবতী। জরুরী পাঁচ হাজার টাকা দরকার। সাতপাঁচ না ভেবে সঙ্গে সঙ্গে টাকাটা ধার দেই। এরপর পেরিয়ে গেছে ১১ মাসের বেশি। কম হলেও ত্রিশবার সেই টাকা ফেরত চেয়েছি। আজ না কাল এভাবে সময় যাচ্ছে।
বাবার প্রথম বিমান ভ্রমণ-সমুদ্র দর্শন। ফেসবুকে স্ট্যাটাস। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গতমাসে কক্সবাজার ঘুরে এলেন। রাগে-ক্ষোভে আর টাকাটা চাইনি। নিজের কাছেই নিজের লজ্জা লাগছে।
তখন তিন হাজার টাকা বেতন পাই। একজন কলিগ হঠাৎ হুড়মুড় করে আমাকে টেনে অফিসের ব্যালকনিতে নিয়ে গেলেন। কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বললেন- বাবা অসুস্থ এখনই বাড়ি যেতে হবে। সদ্য পাওয়া বেতনের তিন হাজার টাকাই তুলে দিলাম। এ পর্যন্ত একশবারের অধিক চেয়েছি। ফেসবুকের ইনবক্স ভর্তি অনুনয়-বিনয়। মন গলেনি। তেরো বছর পার হয়েছে। ফেরত দেয়নি। আমি ভুলিনি। আড্ডা মারি এখনও, গল্প হয়। একেকদিনে আড্ডার বিল দেয় সাত/আটশ টাকা।
এক বড় ভাই বছর দুই আগে বিপদে পড়েছিলেন। ৫০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছিলাম বিনাবাক্যে। এরপর বেশ কয়েকবার ফেরত চেয়েছি, দেয়নি। কিছুক্ষণ আগে স্ট্যাটাসে দেখলাম-ইন্ডিয়াতে গেছেন। ইনবক্সে নক করলাম, বললো ঈদের শপিং করবেন। দিন তিনেক পর ফিরবেন।
কিছু বলিনি। নিজেকে বোকা বোকা লাগছে।
ইউনিভার্সিটির একটা ছেলে মায়ের অসুখ, ঘরে খাবার পর্যন্ত নেই। কাতরভাবে ইনবক্স করলো। খবর নিয়ে নিশ্চিত হলাম, আসলেই মায়ের অসুখ। ছয় হাজার টাকা দিলাম। বললো ভাইয়া ফেরত দিব। ৭/৮ মাস। রংবেরঙের ছবি দেখি ফেবুতে। টাকাটা দেয়না।
মধ্যবিত্ত শ্রেণিটা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অর্থে নয় চরিত্রে। স্রোতের সঙ্গে গা ভাসানোর আয়োজন। দশ টাকা থাকলে দশ হাজারের ফুটানি। ভাসাভি, ইল্লিইনের সামনে সিরিয়াল। বসুন্ধরা, যমুনায় জায়গা নেই। নিউমার্কেটে পা ফেলতে পারবেন না। মানুষ ছুটছে ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর।
হলফ করে বলতে পারি এই পিৎজা প্রজন্মের অনেকের পকেটে পরের দিনের খাবারের টাকা নেই। অনেকে লাখ টাকা বিলাসিতায় খরচ করছে। অথচ পরের মাসের বেতন নির্ভর। চাকরি বা উপার্জন না থাকলে হাত পাততে হয়। বড় চিকিৎসার দরকার হলে বন্ধু-পরিচিতজনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে। অথচ এখন রাজকীয় জীবন, একটু সঞ্চয় নেই। একটু খবর নিয়ে দেখেন, যারা নিজেদের ঢোল পিটাচ্ছে- ঐশ্বর্যের জয় গান গাচ্ছে, ভিতরটা পুরাই ফাঁপা।
শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে ইফতার করলাম কাঁটাবন মোড়ে। বাইকটা ফুটপাতের উপরে ঢাল ঘেষে রেখেছিলাম। যাতে মানুষের চলাচলে অসুবিধা না হয়। অফিসে ফিরতে হবে। ইফতার শেষে তাড়াহুড়া করে বাইক নামাতে গেলে স্লিপ কাটে। পড়ে যাই। আমার বাইক ঘেষেই দুটি কাপল দাঁড়ানো। আশেপাশেও কয়েকজন সিগারেট ফুঁকছে। পোশাক-আশাকে কেতাদুরস্ত। একটা মানুষ এগিয়ে এলোনা। উপর-নীচ বলে তুলতে কষ্ট হচ্ছিল। ভেবেছিলাম কেউ না কেউ দৌঁড়ে আসবে। নাহ, আমার ধারণা ভুল ছিল। বেশ কয়েকবার অনেকেই তাকিয়েছে।
খুব কষ্ট হচ্ছিল। এখনও ভুলতে পারিনি। অসহায় লাগছিল খুব।
এই আমাদের জেনারেশন। এটাই আমাদের মধ্যবিত্তের রূপ। সব বদলে গেছে। ভিতরে ফাঁপা, বাইরে ঝকঝকে। অথচ কিচ্ছু নেই। একটু বাতাসেই হালকা প্রলেপ খসে পড়বে।
লিখেছেন: Sanaul Haque Sunny ভাই।
পিঠাপিঠি দুই ভাই। ছোট ভাইয়ের সাথে বড় ভাইয়ের ফাইট হয় প্রায়ই। ছোটকে সব সময় কুপোকাত করে বড় ভাই। মাঝেমধ্যে ছোট পুত্রের প্রতি মায়া হয় বাবার। বাবা তাই হঠাৎ হঠাৎ বড়টাকে ধরে রেখে পিচ্চিকে ইশারা করেন—তুমি এবার সুযোগ কাজে লাগাও।
পিচ্চি তখন আচ্ছামতো মনের ঝাল মিটিয়ে জেতার তৃপ্তি নিয়ে বাবার নিরাপদ ছায়ায় আশ্রয় নেয়। তারপর বড়জনকে ছেড়ে দেন বাবা।
শয়তানের সঙ্গে আমাদের লড়াই চিরন্তন। সে চায় আমাদেরকে জাহান্নামে নিতে, আর আমাদের প্রকৃতি চায় জান্নাতে যেতে। শয়তান বয়স ও শক্তিতে আমাদের চেয়ে অনেক বড়। তাই বেশিরভাগ লড়াইয়ে সে আমাদেরকে হারিয়ে দেয়। আমাদের মাধ্যমে অন্যায় করায়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের ওপর রহম করে প্রতি বছর একবার (রমজানে) শয়তানকে বেঁধে রাখেন। উদ্দেশ্য—আমরা যেন এই সুযোগে তাকে হারিয়ে দিই। ভাইকে হারাতে না পারলে কিছু এসে যায় না, কিন্তু শয়তানকে হারাতে না পারলে তো জান্নাত হারাতে হবে! এ তো বাঁচা-মরার লড়াই!
বাবার চেয়েও বহু দয়ালু রব্বে কারীমের দেয়া এই মোক্ষম সুযোগেও যদি আমরা শয়তানকে কুপোকাত করতে না পারি, তবে আর কোনো দিনই কি পারব?
29/03/2023
ছোটু : দাদু পড়তে মন চাচ্ছেনা, একটু টিভি দেখবো?
দাদু : টিভি থাক দাদুভাই, তুমি আমার সাথে গল্প করো।
ছোটু: আচ্ছা দাদু আমাদের পরিবার কি সারাজীবন সাতজনেরি থাকবে?
মানে আমি, বোন, তুৃমি, দাদি, বাবা-মা আর আমাদের বিড়াল ছানা ক্যাটি।
দাদু : এবার আমরা একটা কুকুর কিনবো তখন আমরা আটজন হয়ে যাবো।
ছোটু : কুকুরটা তো বিড়াল ছানাটিকে মেরে ফেলবে, তখন আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
দাদু : তুমি বিয়ে করে আনলে তখন আমরা আবার আটজন হয়ে যাবো।
ছোটু : কিন্তু বোন বিয়ে করে চলে গেলে আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
দাদু : তোমার ছেলে-মেয়ে হলে আমরা আট-নয়জন হয়ে যাবো।
ছোটু : কিন্তু তুমি আর দাদী মারা গেলে আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
দাদু : হারামজাদা তুই যা গিয়ে টিভি দেখ। 🤥
27/03/2023
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী
প্লেন ল্যাণ্ড করেছে। যাত্রীরা সবাই নেমে গেছে। পাইলট হোটেলে পৌঁছেছেন। উড়োজাহাজ পরিচ্ছন্ন কর্মী এসেছেন- পুরো প্লেন পরিষ্কার করতে।
পরিষ্কার করতে করতে তিনি পাইলটের ককপিটে আসেন। দেখেন-সেখানে একটা বই। বইয়ের উপরে লিখাঃ "কিভাবে পাইলট হতে হয় " (ভলিউম 1)
উৎফুল্ল পরিচ্ছন্ন কর্মী - বইয়ের প্রথম পাতা উল্টান। সেখানে লিখা - লাল বোতামে টিপুন- প্লেনের ইণ্জিন চালু হবে।
তিনি তাই করলেন- লাল বোতামে চাপ দেয়ার সাথে সাথে ইন্জিন চালু হয়ে গেলো।
পরের পাতায় লিখা- উড়োজাহাজকে সামনে অগ্রসর করাতে চাইলে এবার এই নীল বোতাম টিপুন।
তিনি আর অপেক্ষা না করে তাই করলেন। সাথে সাথে উড়োজাহাজ সামনে এগোতে লাগলো।
তারপরের পাতায় লিখাঃ গ্রাউণ্ড থেকে শূণ্যে উড়াতে চাইলে এবার সবুজ বোতাম টিপুন।
পরিচ্ছন্ন কর্মী অবাক- প্লেন শূণ্যে উড়া শুরু করেছে। উপরে ওঠছে তো ওঠছে।
তাঁর আনন্দের সীমা নেই। এতো সহজেই প্লেন আকাশে উড়ানো যায়। প্রায় বিশ মিনিট তিনি আকাশ উড়লেন। এবার নামার পালা।
বইয়ের পরের পাতা উল্টালেন। সেখানে লিখাঃ প্লেন কিভাবে নীচে ল্যাণ্ড করাতে হয় সেটা শিখতে চাইলে ভলিউম ২ বইটি কিনুন এবং আমাদের ফ্লাইট লার্ণিং কোর্সে ভর্তি হয়ে যান!
26/03/2023
চট্রগ্রামের CRB রোড ❤️
যেখানে সবুজের ছায়াঘেরা পরিবেশ মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয় চারপাশ জুড়ে
24/03/2023
Istanbul, Turkey 🇹🇷