Adamjee School Islamic Club

Adamjee School Islamic Club United In Faith

আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত: "তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করো না, একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না, একে অপরের ক্ষতি কর...
25/09/2026

আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত: "তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করো না, একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না, একে অপরের ক্ষতি করার জন্য প্রতিযোগিতা করো না। আর তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে যাও।"

মর্মার্থ: হিংসা, শত্রুতা ও পেছন থেকে ক্ষতি করার প্রবণতা সামাজিক বন্ধন ধ্বংস করে। মুমিনদেরকে সদ্ভাব বজায় রেখে ভাই ভাই হয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

"যে ব্যক্তি কাউকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে, সে তা সম্পাদনকারীর মতোই প্রতিদান লাভ করে" (সহীহ মুসলিম)আসসালামু আলাইকুম!ASI...
23/09/2026

"যে ব্যক্তি কাউকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে, সে তা সম্পাদনকারীর মতোই প্রতিদান লাভ করে" (সহীহ মুসলিম)

আসসালামু আলাইকুম!
ASIC ২৬-২৭ সেশনের জন্য এক্সিকিউটিভ বা কার্যনির্বাহী সদস্য নিয়োগ দিচ্ছে। যারা এতে যুক্ত হতে আগ্রহী, তাদের ফর্মটি পূরণ করার অনুরোধ করা হচ্ছে। ফর্মটি পূরণ করার পর আপনাকে একটি আলাদা গ্রুপে যুক্ত করা হবে, যেখানে পরবর্তী বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

-যোগ্যতা-

১. যারা ইসলাম ধর্ম যথাযথভাবে পালন করেন এবং ইসলামের প্রতি আগ্রহী, কেবল তারাই আবেদন করতে পারবেন।

২. আপনাকে অবশ্যই দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং অন্যদের সাথে উত্তম নৈতিক আচরণ বজায় রাখতে হবে।

৩. ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে আপনার ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।

৪. আপনাকে কর্মঠ এবং নিজ দায়িত্বের প্রতি সচেতন হতে হবে। কাজের প্রতি দায়িত্বশীল না হলে আপনি আপনার পদের যোগ্য নন।

৫. পরিশেষে, শুধুমাত্র ACPS-এর শিক্ষার্থীরাই (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি) আবেদন করতে পারবে।

ফর্ম পূরণের শেষ তারিখ: ৩ অক্টোবর ২০২৫

ইসলামের সকল দূতকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি এগিয়ে আসার এবং আসন্ন নেতৃত্বের জন্য আবেদন করার। ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখা ও নেতৃত্ব প্রদানের এটিই আপনার সুযোগ।

CV জমাদান : [email protected]

ফর্মের লিঙ্ক: https://forms.gle/HmCAnrKhz6sLC28cA


'তোমরা (মুসলিমরা) অবশ্যই কনস্টান্টিনোপল বিজয় করবে। কতোই না অপূর্ব হবে সেই বিজয়ী সেনাপতি, কতোই না অপূর্ব হবে তার সেনাবাহি...
21/09/2026

'তোমরা (মুসলিমরা) অবশ্যই কনস্টান্টিনোপল বিজয় করবে। কতোই না অপূর্ব হবে সেই বিজয়ী সেনাপতি, কতোই না অপূর্ব হবে তার সেনাবাহিনী।’ (আহমাদ আল-মুসনাদ ১৪ : ১৩১)

কনস্টান্টিনোপল বিজয় মুসলমানদের হাসিলকৃত এক ঐতিহাসিক মূল্যবান যুদ্ধ জয়। কনস্টান্টিনোপল বিজয় ১৪৫৩ খ্রিষ্টাব্দে উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ আল-ফাতিহ কর্তৃক শহরটি অধিকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। পূর্বে এটি পূর্ব রোমান (বাইজেন্টাইন) সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। শহর অধিকারের পূর্বে এটি জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১৪৫৩ খ্রিষ্টাব্দের ৬ এপ্রিল থেকে ২৯ মে পর্যন্ত অবরোধের সম্মুখীন হয়। এরপর চূড়ান্তভাবে শহরটি উসমানীয়দের অধিকারে আসে।

১৪৫৩ সালের ৬ এপ্রিল কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের উদ্দেশ্যে তিনি অভিযান শুরু করেন। এ অভিযানে তিনি ১২ হাজার জাননেসারি, ২০ হাজার অশ্বারোহী, এক লাখ পদাতিক সৈন্য ব্যবহার করেন। ৫৩ দিনের অক্লান্ত যুদ্ধের পর ২৯ মে অভিযান সম্পন্ন করেন। মুহাম্মদ আল-ফাতিহ এ বিজয় অর্জন করেন, যখন তার বয়স মাত্র ২৩ বছর। এটি তার প্রাথমিক সামরিক প্রতিভা নির্দেশ করে। তিনি মহানবী (ﷺ)থেকে সুসংবাদপ্রাপ্তও ছিলেন। নবীজি (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, একজন ভালো সেনাপতি এই নগরটি জয় করবে। মুহাম্মদ আল-ফাতিহ এর এই অর্জন ইসলামের এক বিশেষ যুদ্ধ দৃষ্টান্ত যা স্বয়ং মহানবী (ﷺ) ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন। কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পর এর নামকরণ করা হয় ইস্তাম্বুল। এই শহরটি অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে ইসলামী স্থাপত্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্রে পরিণত হয়। এই বিজয় কোনো এক সাধারণ বিজয় ছিল না, ছিল ইসলামের ইতিহাসে এক স্বর্ণাক্ষরে লিখিত মহান যুদ্ধ।

আট শতাব্দী যাবৎ বিশিষ্ট সাহাবি মুয়াবিয়া ইবনে সুফিয়ানের যুগ থেকে অনেকেই কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের চেষ্টা করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত মুহাম্মদ আল-ফাতিহ এর মাধ্যমে মুসলমানদের এক নতুন জয়ের ইতিহাস, গাথা রচিত হয়। মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবায়ন, জিহাদের প্রেরণা, ইসলামী রাষ্ট্রের সম্প্রসারণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামী সংস্কৃতি ও স্থাপত্যের বিকাশের ক্ষেত্রে এই বিজয় একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় রঞ্জিত এই কনস্টান্টিনোপল অটোমান বিজয়।


আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত: "যে জ্ঞান অর্জনের খোঁজে বের হয়, সে আল্লাহর পথে থাকে, যতক্ষণ না সে ফিরে আসে।"মর্মার্থ:...
18/09/2026

আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত: "যে জ্ঞান অর্জনের খোঁজে বের হয়, সে আল্লাহর পথে থাকে, যতক্ষণ না সে ফিরে আসে।"

মর্মার্থ: কল্যাণকর জ্ঞান অর্জনের যাত্রাকে ইসলামে আল্লাহর রাস্তায় 'জিহাদ'-এর সমতুল্য মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

দৈনন্দিন জীবনের সুন্নাত ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধনইসলামের সৌন্দর্য হলো—আমাদের প্রতিদিনের সাধারণ কাজগুলোকেও সুন্নাতের মাধ্যমে অ...
14/09/2026

দৈনন্দিন জীবনের সুন্নাত ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

ইসলামের সৌন্দর্য হলো—আমাদের প্রতিদিনের সাধারণ কাজগুলোকেও সুন্নাতের মাধ্যমে অর্থবহ করে তোলা। খাওয়া, পানি পান, ঘুম, পরিচ্ছন্নতা—জীবনের খুব সাধারণ কিছু অভ্যাসের মধ্যেও রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের জন্য রেখে গেছেন সুন্দর দিকনির্দেশনা।
আর আধুনিক বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের কিছু গবেষণায় এসব অভ্যাসের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ মিল দেখা যায়। তবে মনে রাখতে হবে—আমরা সুন্নাত পালন করি প্রথমত আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর অনুসরণের জন্য; বৈজ্ঞানিক উপকারিতা হলো তার অতিরিক্ত একটি দিক।
আল্লাহ তায়ালা বলেন—
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
“নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।”
— সূরা আল-আহযাব: ২১
মিসওয়াক
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যম।”
— সুনান আন-নাসাঈ: ৫
বিজ্ঞানের সঙ্গে মিল:
গবেষণায় দেখা গেছে, Salvadora persica বা মিসওয়াক -এর ডালপালায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা মুখের জীবাণু, প্লাক ও মাড়ির স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি মৌখিক পরিচ্ছন্নতা -এর একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।
________________________________________
পরিমিত খাওয়া
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“মানুষ তার পেটের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো পাত্র পূর্ণ করে না।”
— সুনান আত-তিরমিজি: ২৩৮০
বিজ্ঞানের সঙ্গে মিল:
আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান অতিরিক্ত খাওয়ার পরিবর্তে পরিমিত খাদ্য গ্রহণকে স্বাস্থ্যকর ওজন এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হওয়া দীর্ঘমেয়াদে স্থূলতা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।
________________________________________
পানি পান করার সুন্দর অভ্যাস
রাসূলুল্লাহ ﷺ পানি পান করার সময় পাত্রের মধ্যে শ্বাস নিতে নিষেধ করেছেন এবং বাইরে শ্বাস নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
— সহিহ বুখারি: ৫৬৩০; সহিহ মুসলিম: ২৬৭
বিজ্ঞানের সঙ্গে মিল:
পানি ধীরে ও সচেতনভাবে পান করা, বিশেষ করে খুব দ্রুত পান না করা, আরামদায়ক জলয়োজন-এর অভ্যাস তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। আর পানির পাত্রে সরাসরি শ্বাস না নেওয়া পরিচ্ছন্নতার দিক থেকেও যুক্তিসঙ্গত।
________________________________________
ডান কাতে ঘুমানো
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে, তখন সালাতের ওজুর মতো ওজু করো এবং ডান কাতে শুয়ে পড়ো।”
— সহিহ বুখারি: ২৪৭; সহিহ মুসলিম: ২৭১০
বিজ্ঞানের সঙ্গে মিল:
ঘুমের ভঙ্গি নিয়ে গবেষণায় দেখা যায়, বিভিন্ন sleeping position-এর শরীর ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর আলাদা প্রভাব থাকতে পারে। তবে ডান কাতে ঘুমানো বৈজ্ঞানিকভাবে সর্বোত্তম।
________________________________________
পরিচ্ছন্নতা
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।”
— সহিহ মুসলিম: ২২৩
বিজ্ঞানের সঙ্গে মিল:
হাত ধোয়া, শরীর পরিষ্কার রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সংক্রামক রোগের বিস্তার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—এটি আধুনিক জনস্বাস্থ্যেরও একটি মৌলিক শিক্ষা।
________________________________________
সুন্নাত ও বিজ্ঞান—কোথায় মিল?
সুন্নাত আমাদের শেখায় পরিচ্ছন্নতা, পরিমিতি, শৃঙ্খলা ও সচেতনতা।
বিজ্ঞান বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে এসব অভ্যাসের অনেকগুলোর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে।কিন্তু একজন মুসলিমের কাছে সুন্নাতের মূল্য শুধু তখনই নয়, যখন বিজ্ঞান তার উপকারিতা ব্যাখ্যা করতে পারে।

আমরা সুন্নাত পালন করি কারণ—এটাই আমাদের প্রিয় নবী ﷺ-এর পথ।আর যখন বিজ্ঞানের আলোয় তার কোনো উপকারিতা আমাদের সামনে প্রকাশ পায়, তখন আমরা আল্লাহর হিকমতের আরও একটি দিক উপলব্ধি করি।
সুন্নাতকে জানুন।
সুন্নাতকে ভালোবাসুন।
সুন্নাতকে জীবনের অংশ করুন।
কারণ সুন্নাত শুধু কিছু অভ্যাসের নাম নয়—
এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দেখানো একটি সুন্দর জীবনপথ।

আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত: "তোমরা মুমিন না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং তোমরা পরস্পরকে ভালো না বাসা...
11/09/2026

আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত: "তোমরা মুমিন না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং তোমরা পরস্পরকে ভালো না বাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি বিষয়ের কথা বলে দেব না, যা করলে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।"

মর্মার্থ: জান্নাতে যাওয়ার ভিত্তি ঈমান, ঈমানের ভিত্তি পারস্পরিক ভালোবাসা, আর সেই ভালোবাসা বৃদ্ধির সহজতম উপায় হলো বহুল পরিমাণে সালাম আদান-প্রদান করা।

মৃত্যুর পরবর্তী জীবন ও দুনিয়ার ক্ষণস্থায়িত্ব ইসলামে দৃষ্টিতে দুনিয়া ক্ষণস্থায় আর মৃত্যুর পরবর্তী জীবন (আখিরাত) চিরস্...
07/09/2026

মৃত্যুর পরবর্তী জীবন ও দুনিয়ার ক্ষণস্থায়িত্ব

ইসলামে দৃষ্টিতে দুনিয়া ক্ষণস্থায় আর মৃত্যুর পরবর্তী জীবন (আখিরাত) চিরস্থায়ী। প্রত্যেক মানুষকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এবং এটাই চিরন্তন সত্য। তবে পার্থিব জীবন মানুষের জন্য ক্ষণস্থায়ী এবং আখিরাতের জীবন চিরস্থায়ী। এই জীবন খুবই ব্যাপক ও এর অন্ত নেই। আর এই জীবনে আমাদের বিভিন্ন মুমূর্ষু বিষয় লক্ষ করতে হবে।

কুরআন ও হাদিসে দুনিয়ার মানসম্পদ থেকে সতর্ক ও আখেরাতে প্রস্তুতি দিতে বলা হয়েছে—

১/দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী -আল্লাহ বলেন -"জেনে রাখো দুনিয়ার জীবন তো কেবল খেলাধুলা বিনোদন সাজসজ্জা পারস্পরিক অহংকার এবং ধন-সম্পদ সন্তান সন্ততিতে পরস্পরের প্রতিযোগিতা।"
(সূরা আল হাদীদ ৫৭:২০)
২/আখিরাতই প্রকৃত জীবন-আল্লাহ বলেন -"এই দুনিয়ার জীবন তো খেলাধুলা বিনোদন মাত্র আর নিশ্চয়ই আখিরাতে আবাসই মুত্তাকিদের জন্য উত্তম তোমরা কি বুঝবে না "। (সূরা আল আনআম ৬:৩২)
৩/প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যু স্বাদ গ্রহণ করতে হবে-আল্লাহ বলেন -"প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে আর কিয়ামতের দিন পূর্ণ ফল দেওয়া হবে । (সূরা আল ইমরান ৩:১৮৫)।তিনি আরো বলেন -"যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হলো ও জান্নাতে প্রবেশ করানো হল সেই সফল। দুনিয়া জীবন তো প্রতারণা সামগ্রী"। (সূরা আল ইমরান ৩:১৮৫)
৪/দুনিয়া সম্পদ শেষ হয়ে যাবে -আল্লাহ বলেন- "তোমাদের কাছে যা আছে তা শেষ হয়ে যাবে এবং আল্লাহর কাছে যা আছে তা স্থায়ী। "(সূরা আন নাহল ১৬:৯৬)
৫/মৃত্যুর থেকে পালানোর উপায় নেই -আল্লাহ বলেন -"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন মৃত্যু তোমাদের পাকড়াও করবে যদি সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করবে।" (সূরা আন নিসা ৪:৭৮)
৬/দুনিয়ায় পথিকের মতো থাকা -রাসূল বলেন -"দুনিয়া এমন ভাবে থাকো যেন তুমি একজন অপরিচিত ব্যক্তি বা পথিক। "(সহিহ আল বুখারী ৬৪১৬)
৭/দুনিয়া তুলনায় আখিরাতকে গুরুত্ব দেওয়া -রাসূল বলেন-"আল্লাহর কসম! আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া এমন যেমন সমুদ্রে তার আঙ্গুর ডুবিয়ে তুলে আনল এবং সে আঙ্গুলে যতটুকু পানি থাকে।" (সহীহ মুসলিম ২৮৫৮)
৮/মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করা -
রাসূল বলেন -"তোমরা আনন্দ বিনষ্টকারী বিষয় মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করো। "(জামে আত তিরমিজি ২৩০৭)

মৃত্যুর পরবর্তী পরলৌকিক জীবন মূলত এক অনন্ত, অবিরাম ও চূড়ান্ত জবাবদিহিতার সত্য। পার্থিব জীবনের প্রতিটি ভালো ও মন্দ কর্মের বিচার করে মানুষকে জান্নাত বা জাহান্নামে নিজের চিরস্থায়ী ঠিকানা বেছে নিতে হয়। তাই এই ক্ষণস্থায়ী ইহকাল মূলত পরকালের অন্তহীন শান্তির পথ সুগম করার এবং সৎকর্মের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করার এক সুযোগ।

আবূ হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত:  "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আ...
04/09/2026

আবূ হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত: "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে আল্লাহ ও আখেরাত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। আর যে আল্লাহ ও আখেরাত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।"(সহিহ বুখারি:৬০১৮,মুসলিম:৪৭)


তাজকিয়াক্ষমা করার মানসিকতা ও অন্তরে পরিশুদ্ধি তথা তাজকিয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক ও আত্মিক বিষয়। কুরআন ও হা...
31/08/2026

তাজকিয়া

ক্ষমা করার মানসিকতা ও অন্তরে পরিশুদ্ধি তথা তাজকিয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক ও আত্মিক বিষয়। কুরআন ও হাদিসের রাগ দমন ও অন্যকে ক্ষমা করে প্রতিশোধ না নেওয়া এবং অন্তরকে হিংসা বিদ্বেষ থেকে পবিত্র রাখার প্রতি উৎসাহ দেওয়া হলো তাজকিয়া।

তাজকিয়া আমাদের বিভিন্ন সুন্দর আচরণ করার বিষয়ে উৎসাহ করে।১/ক্ষমা করার প্রতি উৎসাহ -আল্লাহ বলেন -"যারা রাগ সংবরণ করেন আল্লাহ তাদের ও সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন। "(সূরা আলে ইমরান ৩:১৩৪)

২/ক্ষমা করা উত্তম। আল্লাহ বলেন -"মন্দের অনুরূপ মন্দ কিন্তু যে ক্ষমা করে এবং মীমাংসা করে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে। " (সূরা আশ শুরা ৪২:৪০)

৩/ক্ষমার বিনিময় আল্লাহর ক্ষমা -আল্লাহ বলেন -"তারা যেন ক্ষমা করে এবং উপেক্ষা করে তোমরা কি চাওনা আল্লাহ তায়ালা তোমাদের ক্ষমা করুন? "(সূরা আন নূর ২৪:২২)

৪/অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখা (তাজকিয়া) -আল্লাহ বলেন- "নিশ্চয়ই সে সফল হয়েছে যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে। " (সূরা আশ শামস ৯১:৯)। তিনি আরো বলেন -"যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে সে সফল হয়েছে।"(সূরা আল-আলা ৮৭:১৪)

৫/অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ না রাখা -"হে আমাদের রব! আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ঈমানদার ভাইদের ক্ষমা করুন এবং ঈমানদারদের প্রতি আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ থাকবে না। "(সূরা আল হাশর ৫৯:১০)

৬/রাসুলের হাদিস তাজকিয়ার উৎসাহী -"শক্তিশালী সে নয় যে কুস্তিতে তে অন্যকে পরাজিত করে বরং শক্তিশালী যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে। " (সহি আল বুখারি ৬১১৪)(সহীহ মুসলিম ২৬০৯)

৭/ক্ষমা করলে মর্যাদা বাড়ে -"সদকা করলে সম্পদ কমে না ক্ষমা করার কারণে আল্লাহ বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। "(সহীহ মুসলিম ২৫৮৮)।অন্যকে ক্ষমা করা সুন্দর আচরণ নয় অন্তত পরিশুদ্ধ রাখে ।

ইসলামে তাজকিয়া বা আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি মানুষের পাপাচার ও কুপ্রবৃত্তি দূর করে অন্তরকে খাঁটি করে তোলে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তিকে সফল ঘোষণা করেছেন, যে নিজের আত্মাকে পবিত্র করেছে। মূলত বাহ্যিক ইবাদতের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ মানসিক বিশুদ্ধতা অর্জনই সফল জীবনের চাবিকাঠি।

​উপসংহার: তাজকিয়া কেবল একটি ধর্মীয় প্রক্রিয়া নয়, বরং সুন্দর চরিত্র গঠনের মূলভিত্তি। নিয়মিত তাওবা, জিকির ও সৎকাজের মাধ্যমে অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখাই একজন মুমিনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত।

Assalamualaikum Warahmatullahi Wabarakatuh!Weekly Session - 7➤ Session topic : Islamic Recitation Practice ➤ Date : 29 A...
28/08/2026

Assalamualaikum Warahmatullahi Wabarakatuh!

Weekly Session - 7

➤ Session topic : Islamic Recitation Practice
➤ Date : 29 August 2026
➤ Time: 11 AM
➤ Room no : 323 (Block - B)
➤ Session Instructor : Abu Saed (Moderator)

[ Interested students are requested to arrive on time for the session in proper school uniform. Don't forget to bring a pen,pencil and a notebook to note down the important lessons ]


Address

Banani Model Town

Telephone

+8801780425528

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adamjee School Islamic Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Adamjee School Islamic Club:

Shortcuts

Share