13/09/2026
আসসালামু আলাইকুম
পলিটেকনিক রানিং স্টুডেন্টের নিয়ে আমার কিছু বলা(বিশেষ করে ৭ম পর্ব)।অনেকে চিন্তিত ডুয়েট এডমিশনে আসবো নাকি জব প্রিপারেশন আসবো।আমি বলবো যাদের মনে ডুয়েট নিয়ে কোনো ফিলিং নাই তাদের মধ্যে ডুয়েটের ফিলিং তৈরি করতে হবে। ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে প্রত্যেকটা স্টুডেন্টই গাজীপুর আসা উচিত আর সেটা হবে ডুয়েট এডমিশনের জন্য।কেননা আমরা জানি,আমাদের সামনে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য না থাকলে আমরা পড়াশোনা করতে পারি না(কিছু আছে ব্যতিক্রম)।আর ডুয়েট এডমিশন একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হয়ে থাকে।তাই ঐ সময়টা খুব ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।
আর যারা জব প্রিপারেশন নিতে আসবে তাদের নিয়ে কিছু কথা,আমার নিজের চোখে দেখা আমার ক্যাম্পাস থেকে যারা জব প্রিপারেশন নিতে এসেছিলো তাদের মধ্যে ২-১ জন ছাড়া কেউ গাজীপুরই নেই।কারন তারা যখন গাজীপুর আসছে তখন তাদের ছিলো না কোনো রেজাল্ট,আর জব সার্কুলার থেকেও কোনো লাভ ছিলো না তারা আবেদন করতে পারছিলো না।এজন্য তারা তাদের লক্ষ্যকে স্থির করতে পারছিলো না।
#এখন প্রশ্ন থাকতেই পারে ভাই সবার তো আর ডুয়েট হবে না,তাহলে তাদের কি হবে?
উওরঃ ডুয়েট পরীক্ষার পর তাদের ডিপার্টমেন্ট সাবজেক্টগুলো প্রায় কমপ্লিট হয়ে যায়(২-১ টা ছাড়া,যা এডমিশন সিলেবাসে নাই)।আর তখন তারা পড়াশোনা করার মতো একটা মন-মানসিকতা পেয়ে যায়,তারা পড়াশোনাটা একটা নির্দিষ্ট গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।যা অন্যরা পারে না(সরাসরি জবে আাসা স্টুডেন্টরা পারে না)
সর্বোপরি বলবো ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে সবাই ডুয়েট এডমিশনে আসার চেষ্টা করবেন। আবার অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ১ম বার নাকি ডুয়েটে চান্স হয় না, আমি বলবো এটা একটা ভুল ধারনা।আসলে সঠিক গাইড লাইন+ নিজের চেষ্টা+ভাগ্য-ই পারবে আপনাকে একজন ডুয়েটিয়ান করতে।
#একটা কথা কি জানেন সফলতা পেতে হলে জীবনে প্রচুর পড়তে হবে।😎
✒️Md Anamul Haque Bijoy #মেহু