ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করে?
সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন ঘিরে অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে: ভারতে তো বর্তমানে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ বা অন্য রাজ্যগুলোতে আবার আলাদা করে নির্বাচন কেন? রাজ্যগুলোতে নতুন করে মুখ্যমন্ত্রী বা নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার মানেই-বা কী?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকিয়ে আছে ভারতের সংবিধান এবং এর শাসনতান্ত্রিক কাঠামোর গভীরে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যা এবং ৯৭ কোটিরও বেশি ভোটারের এই দেশে শাসনকাজ পরিচালনার জন্য সংবিধানে ‘যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো’ বা ফেডারেল স্ট্রাকচার গ্রহণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার কীভাবে একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করে, তা বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হলো।
যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বা ফেডারেল সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা কী?
ভারতের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে ভারতকে ‘রাজ্যসমূহের ইউনিয়ন’ বা ইউনিয়ন অব স্টেটস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতে ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী কিংবা গুজরাট থেকে অরুণাচল প্রদেশ— এত বিশাল আয়তনের একটি দেশে রয়েছে অজস্র ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ভৌগোলিক বৈচিত্র্য।
দিল্লির মতো একটি মাত্র কেন্দ্র থেকে এত বড় দেশের প্রতিটি গ্রামের রাস্তাঘাট, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বা কৃষকদের সমস্যা সুচারুভাবে পরিচালনা করা আক্ষরিক অর্থেই অসম্ভব। এই সমস্যার সমাধানেই শাসনক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ক্ষমতার একটি মাত্র কেন্দ্র নেই। ক্ষমতাকে মূলত দুটি প্রধান স্তরে ভাগ করা হয়েছে— একটি হলো পুরো দেশের জন্য ‘কেন্দ্রীয় সরকার’ এবং অন্যটি হলো প্রতিটি আলাদা রাজ্যের জন্য ‘রাজ্য সরকার’।
কেন্দ্রীয় সরকার: সমগ্র দেশের অভিভাবক
নির্বাচন ও গঠন: কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত হয় ‘লোকসভা নির্বাচন’ (সাধারণ নির্বাচন)-এর মাধ্যমে। লোকসভার মোট ৫৪৩টি আসনের জন্য সারা দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরা সরাসরি ভোট দেন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় কমপক্ষে ২৭২টি আসন বা ম্যাজিক ফিগার।
নেতৃত্ব: লোকসভায় যে দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তারাই কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করে। ভারতের রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান, কিন্তু সরকারের প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা থাকে প্রধানমন্ত্রীর (যেমন বর্তমানে নরেন্দ্র মোদি) এবং তার মন্ত্রিসভার হাতে।
কাজের পরিধি: কেন্দ্রীয় সরকার এমন বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে, যা পুরো দেশের অখণ্ডতা ও উন্নয়নের জন্য জরুরি। জাতীয় নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, এবং সামষ্টিক অর্থনীতির মতো বিষয়গুলো তাদের এক্তিয়ারভুক্ত।
রাজ্য সরকারের মূল দায়িত্ব হলো সেই নির্দিষ্ট রাজ্যের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান করা।
রাজ্য সরকার: তৃণমূল স্তরের রূপকার
নির্বাচন ও গঠন: প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব একটি সরকার থাকে, যা ‘বিধানসভা নির্বাচন’-এর মাধ্যমে গঠিত হয়। এই নির্বাচনে কেবল সেই নির্দিষ্ট রাজ্যের ভোটাররাই ভোট দিতে পারেন।
নেতৃত্ব: রাজ্যের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকারী দল বা জোট রাজ্য সরকার গঠন করে। কেন্দ্রে যেমন রাষ্ট্রপতি থাকেন, রাজ্যে তেমনি সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে থাকেন রাজ্যপাল, যাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন। তবে রাজ্যের প্রকৃত শাসনক্ষমতা থাকে মুখ্যমন্ত্রী (যেমন— পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ) এবং তার মন্ত্রিসভার হাতে।
কাজের পরিধি: রাজ্য সরকারের মূল দায়িত্ব হলো সেই নির্দিষ্ট রাজ্যের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান করা।
ক্ষমতার সুনির্দিষ্ট বণ্টনে সংবিধানে কি বলা আছে?
কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যাতে কোনো কাজের বা ক্ষমতার সংঘাত না হয়, সেজন্য ভারতের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে ক্ষমতাকে তিনটি স্পষ্ট তালিকায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে:
কেন্দ্রীয় তালিকা: বর্তমানে এই তালিকায় ১০০টি বিষয় রয়েছে। এই বিষয়গুলোর ওপর শুধু কেন্দ্রীয় সরকার বা সংসদ আইন বানাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে— দেশের প্রতিরক্ষা বা সেনাবাহিনী, পররাষ্ট্র নীতি, পারমাণবিক শক্তি, রেলওয়ে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, রিজার্ভ ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থা, এবং জাতীয় মহাসড়ক।
রাজ্য তালিকা: এই তালিকায় ৬১টি বিষয় রয়েছে, যার ওপর আইন প্রণয়নের পূর্ণ ক্ষমতা রাজ্য সরকারের। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— রাজ্যের পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য ও হাসপাতাল, কৃষি, সেচ, স্থানীয় সরকার (পঞ্চায়েত ও পৌরসভা) এবং রাজ্যের ভেতরের ব্যবসা-বাণিজ্য।
যুগ্ম তালিকা: এই তালিকায় ৫২টি বিষয় রয়েছে, যা কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন— শিক্ষা, বনভূমি রক্ষা, ফৌজদারি আইন, বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ, এবং শ্রমিক কল্যাণ। কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েই এই বিষয়ে আইন বানাতে পারে। তবে যদি কোনো বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের তৈরি আইনের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়, তবে সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারের আইনই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।
অবশিষ্ট ক্ষমতা: সাইবার ক্রাইম বা তথ্যপ্রযুক্তির মতো যেসব বিষয় সংবিধান রচনার সময় ছিল না, সেগুলোর ওপর আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।
Shakhaouth Hosen
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের
ভারতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের মূল পার্থক্য কী?
ভারত একটি বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় দেশ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য কার্যকর শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দেশটির সংবিধানে ক্ষমতার এক সুনিপুণ বণ্টন করা হয়েছে। এখানে কোনও একক ক্ষমতা কারও নেই। দেশটির সংবিধান অনুসারে দুই স্তরের সরকার ব্যবস্থা হয়েছে। একটা দিল্লিতে, অন্যগুলো রাজ্যের রাজধানীগুলোতে।
ভারতীয় সংবিধানের ২৪৬ নম্বর অনুচ্ছেদ (যা ২৫৬ ধারার প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সম্পৃক্ত) অনুযায়ী কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে ক্ষমতার ভাগাভাগি নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবিধান দুই স্তরের সরকারের ভূমিকা, ক্ষমতা ও দায়িত্ব স্পষ্ট ভাগ করে দিলেও বাস্তবে এই ভাগাভাগি নিয়েই চলে নিত্য লড়াই। কেন্দ্র বনাম রাজ্য, এই দ্বন্দ্ব ভারতীয় রাজনীতির চিরন্তন চরিত্র।
মূলত শাসনব্যবস্থাকে ওপর থেকে নিচ এবং নিচ থেকে ওপর; উভয় স্তরেই শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখতেই এই বিভাজন করা হয়েছে। যেখানে একটি রাজ্য সরকার নির্দিষ্ট রাজ্য বা অঞ্চলের শাসনের দায়িত্বে থাকে, সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করে জাতীয় স্তরে। ভারতে মোট ২৮টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।
এখতিয়ার ও ক্ষমতা
রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যটি মূলত তাদের এখতিয়ার বা ভৌগোলিক সীমানার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। রাজ্য সরকারগুলো দেশের একটি নির্দিষ্ট রাজ্য বা অঞ্চলের শাসনকাজ পরিচালনার ক্ষমতা রাখে। আর কেন্দ্রীয় বা ইউনিয়ন সরকার পুরো দেশ বা জাতীয় স্তরে কাজ করে এবং দেশের ওপর তাদের কর্তৃত্ব বজায় থাকে।
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা
দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট লোকসভা ও রাজ্যসভা নিয়ে গঠিত। অর্থ বিল শুধু লোকসভায় পাস হয়। রাজ্যসভা রাজ্যগুলোর স্বার্থ রক্ষা করতে চাইলেও সংখ্যালঘু হওয়ায় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের দিকেই ঝোঁকে। অন্যদিকে রাজ্য বিধানসভা অধিকাংশ রাজ্যে এককক্ষবিশিষ্ট, তবে কয়েকটি রাজ্যে বিধান পরিষদ নামে দ্বিতীয় কক্ষও আছে। তবে বিধান পরিষদ তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
সংবিধানের সপ্তম তফসিলে বর্ণিত তালিকা অনুযায়ী রাজ্য সরকারগুলো কেবল ‘রাজ্য তালিকা’ভুক্ত বিষয় যেমন-পুলিশ প্রশাসন, জনস্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার এবং কৃষির ওপর আইন তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় যেমন- প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র নীতি, ব্যাংকিং এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে আইন প্রণয়ন করে।
যুগ্ম ক্ষমতা
আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ‘যুগ্ম ক্ষমতা’ নামে আরও একটি বিশেষ ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারই ক্ষমতা চর্চা করতে পারে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মতো বিষয়গুলোতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তবে কোনও বিষয়ে যদি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আইনের মধ্যে বৈপরীত্য বা বিরোধ তৈরি হয়, তবে সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় সংহতি বজায় রাখা।
প্রশাসন
প্রশাসনিক কাঠামোর দিক থেকেও এই দুই সরকারের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। রাজ্য সরকারের নির্বাহী প্রধান হলেন মুখ্যমন্ত্রী, যিনি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ শাসন ও রাজস্ব ব্যয়ের তদারকি করেন। প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব আইনসভা থাকে যারা নিজ অঞ্চলের জন্য বিশেষ আইন প্রণয়ন করে।
বিপরীতে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি পুরো দেশের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের রয়েছে লোকসভা ও রাজ্যসভা নিয়ে গঠিত দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ। কেন্দ্রীয় সরকার যেমন জাতীয় বাজেট ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে, তেমনি সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে রাজ্য সরকারগুলোর ওপর নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণও বজায় রাখে।
শাসন
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব রাজ্যের, কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দিতে পারেন। গুরুতর অপরাধে কেন্দ্রীয় সংবাদ সিবিআই রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই তদন্ত শুরু করতে পারে না। এখানে জটিলতা আছে। আর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে রাজ্য কার্যত কেন্দ্রের অধীনস্থ হয়ে পড়ে।
রাষ্ট্রপতি বনাম গভর্নর
রাজ্যের প্রধান নির্বাহী গভর্নর মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিয়োগ দেন, বাজেট পাশ করান এবং রাজ্যে কেন্দ্রের নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেন। কিন্তু অতীতে অনেকবার দেখা গেছে যে, গভর্নর রাজ্যের বিল আটকে দেন বা সংবিধানের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে মনে করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। তখন স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত প্রাধান্য পায়। রাজ্যপালের হাত ধরে কেন্দ্রীয় সরকার পরোক্ষভাবে রাজ্যের শাসনে হস্তক্ষেপ করতে পারে, এটিই সবচেয়ে বিতর্কিত দিক। উল্টোদিকে, রাষ্ট্রপতি কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পরামর্শে কাজ করেন এবং মূল ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের হাতে থাকে।
আয়ের উৎস
কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান আয়ের উৎসগুলো হলো আয়কর, কর্পোরেট ট্যাক্স, কাস্টমস ডিউটি ও জিএসটির কেন্দ্রীয় অংশ। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের আয়ের প্রধান খাতগুলো হলো জিএসটির রাজ্য অংশ, স্ট্যাম্প ডিউটি, বাণিজ্যিক কর এবং ভূমি রাজস্ব।
তবে রাজ্যগুলোর আয়ের সিংহভাগই নির্ভর করে কেন্দ্রীয় অনুদান ও অর্থ কমিশনের সুপারিশের ওপর। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর গঠিত অর্থ কমিশন কেন্দ্রীয় করের একটি নির্দিষ্ট অংশ রাজ্যগুলোর মধ্যে বণ্টন করে দেয়। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাজ্যগুলো পায় প্রায় ৪১ ভাগ কেন্দ্রীয় কর। তবু এই নির্ভরতাই কেন্দ্র-রাজ্য টানাপড়েনের মূলে থাকে, কারণ রাজ্যগুলোকে তাদের খরচের অধিকাংশের জন্যই কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়।
স্বায়ত্তশাসন বনাম জাতীয় ঐক্য
রাজ্যগুলো জাতীয় আইন ও বিধিনিষেধের কাঠামোর মধ্যে থেকে নিজেদের স্থানীয় চাহিদা এবং লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ করার ক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে। স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা অটুট রাখতে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন
ভারতীয় সংবিধানের ৩৫৬ ধারা কেন্দ্রকে সবচেয়ে বড় অস্ত্র দিয়েছে। যদি রাষ্ট্রপতি মনে করেন, কোনও রাজ্যে ‘সাংবিধানিক ব্যবস্থা ব্যাহত’ হয়েছে, অর্থাৎ রাজ্য সরকার ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না, তাহলে তিনি সেই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে পারেন। এর অর্থ হলো, রাজ্যের মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়, বিধানসভা স্থগিত বা বিলুপ্ত করা হয় এবং রাজ্যের সব ক্ষমতা চলে যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে। গভর্নর তখন রাজ্যের প্রশাসক হিসেবে কাজ করেন। সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি শাসন চলে, তবে সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে বাড়ানো যায়। অনেক সময় রাজ্যে কে সরকার গঠন করবে, তা নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিলেই এই ধারা প্রয়োগ করা হয়। অতীতে বহুবার এই ধারা ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী রাজ্য সরকারকে উৎখাত করেছে। যদিও পরে সুপ্রিম কোর্ট রুল জারি করে যে, সংবিধান ভঙ্গের স্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা যাবে না।
বিসিএস প্রিলি ফেলের কারণ---
১.যেসব টপিক থেকে কখনো প্রশ্ন হয়নি,সেসব টপিক নিয়ে সারাদিন পড়ে থাকা।
২.গণিত,বিজ্ঞান,কম্পিউটার,মানসিক দক্ষতায় সময় কম দিয়ে সারাদিন সাধারণ জ্ঞান ও সাম্প্রতিক ডাটা পড়তে থাকা।
৩.বাংলা সাহিত্য পড়তে গিয়ে বার বার পরীক্ষায় আসা লেখকদের বাদ দিয়ে,কালেভদ্রে আসা লেখকদের নিয়ে পড়ে থাকা।
৪.ইংরেজি সাহিত্য পড়তে গিয়ে বার বার আসা Romantic,Victorian,Modern,Post Modern,Elizabethan ,Literary terms,Quotation বাদ দিয়ে বাকিসব লেখক নিয়ে টানাটানি করতে থাকা।
৫.English Vocabulary লিখে লিখে না পড়া,সরাসরি মুখস্ত করার চেষ্টা করা।
৬.বাংলা ব্যাকরণ এবং ইংরেজি গ্রামার নিয়ে স্কুল-কলেজে ফাঁকিবাজি করা সত্ত্বেও বিসিএসের সময় সিরিয়াস না হওয়া।
৭.বিগত বছরের সকল প্রিলি প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ বুঝে বুঝে শেষ না করা।
৮.সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ ও কম গুরুত্বপূর্ণ টপিক পৃথক করতে না পারা।
৯.পরীক্ষার হলে মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে অস্থির হয়ে উঠা।
১০.পরীক্ষার চেয়ে প্রতিযোগীর সংখ্যায় অধিক মনোযোগ দিয়ে আগেভাগে কাটমার্কের চিন্তা করে নিউরনে অধিক চাপ প্রয়োগ করা।
বৃহৎ পরিসরে এগুলোই হলো বিসিএস প্রিলিতে ব্যর্থ হওয়ার মূল কারণ। ব্যক্তিগত মতামত।
© BCS Champion
11/06/2024
জালাল উদ্দীন খাঁ ও তার সঙ্গীত :: যতীন সরকার জালাল উদ্দীন খাঁ (১৮৯৪-১৯৭২) পূর্ব ময়মনসিংহের একজন বিশিষ্ট বাউল কবি ও গায়ক। তার জন্ম নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপ....
13/09/2023
বাউলসাধক উকিল মুন্সী বাউলসাধক উকিল মুন্সী
ঘটনাবলী
খ্রিস্টপূর্ব ৫৫০৯ - বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের হিসেব মতে বিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল।
১১৭৪ - ইতালীর পিসা শহরে বিখ্যাত পিসার হেলান টাওয়ার নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
১৬৪৪ - ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইস ৭২ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেণ।
১৮১৮ - কলকাতায় নতুন স্কুল স্থাপনের উদ্দেশ্যে দেশীয় ও ইউরোপীয় শিক্ষানুরাগীদের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয় ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি।
১৮৫৩ - উত্তমাশা অন্তরীন থেকে পৃথিবীর প্রথম ত্রিকোণ ডাকটিকিট ইস্যু করা হয়।
১৯০৫ - ব্রিটিশরাজ বঙ্গভঙ্গের নির্দেশ জারি করে।
১৯১৪ - রাশিয়ার সেন্ট. পিটার্সবুর্গের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পেট্রোগার্ড়।
১৯২৩ - জাপানের টোকিও ও ইয়াকোহামায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই লক্ষ লোক নিহত হয়।
১৯২৮ - আলবেনিয়া রাজ্যে পরিণত হয়।
১৯৩৯ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যুদ্ধের সূচনা করে।
১৯৬১ - সাবেক ইউগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৬৯ - বাদশাহ ইদ্রিসকে ক্ষমতাচ্যুত করে মুয়াম্মর গাদ্দাফি ক্ষমতায় আসেন।
১৯৭৮ - বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” বা বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।
১৯৮৫ - ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার।
১৯৯১ - উজবেকিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৯২ - জাকার্তায় দশম জোটনিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০০৪ - রাশিয়ায় বেলসান স্কুলে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের অপহরণ করে।
জন্ম
১৮৫৬ - সার্গেই উইনোগার্ডস্কি রুশ অণুজীব বিজ্ঞানী।
১৮৭৭ - ফ্রানসিস উইলিয়াম অ্যাস্টন, নোবেলজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।
১৮৮৪ - হেনরি ফোরেল, সুইজারল্যান্ডীয় এন্টোমলজিস্ট।
১৮৯৬ অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মগুরু এবং ইসকন তথা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ, হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য।(মৃ.১৪/১১/১৯৭৭)
১৮৯৭ - পরিমল গোস্বামী বাঙালি সাহিত্যিকে।(মৃ.২৭/০৬/১৯৭৬)
১৯০৮ - আমির ইলাহি, পাকিস্তানি ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯৮০)
১৯১১ - দেবেশ দাশ বাঙালি কথাসাহিত্যিক ।(মৃ.১৯৯৮)
১৯১৪ - মৈত্রেয়ী দেবী সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বাঙালি কবি, লেখক ও ঔপন্যাসিক।(মৃ.০৪/০২/১৯৯০)
১৯১৮ - মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক। (মৃ. ১৯৮৪)
১৯২০ - রিচার্ড ফার্নসওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেতা ও স্টান্ট। (মৃ. ২০০০)
বাবা
সকল সন্তানদের কাছে নির্ভরতার অন্যতম প্রতীক হচ্ছেন বাবা। সন্তানের কাছে শ্রদ্ধেয় এক গভীর অনুভূতির শব্দ এটি। নিখাদ ভালোবাসার সঙ্গে উচ্চারিত হয় ‘বাবা’ শব্দটি। বাবা শব্দের মাঝেই জড়িয়ে আছে ভালোবাসা, মায়া, নির্ভরতা। আর তাই প্রত্যেক বাবাকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় ‘বিশ্ব বাবা দিবস’। বাবার সঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোসহ নানা উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় দিনটি।
বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। আদর, স্নেহ, ভালোবাসা, আস্থা, ভরসা, বিশ্বস্ততা আর পরম নির্ভরতার নাম বাবা। অসংখ্য গুণাবলি দিয়ে আল্লাহতায়ালা শ্রেষ্ঠ নেয়ামত বাবাকে নির্ধারণ করে সন্তানকে দিয়েছেন।
পরকালেও হিসাবের দিন আদম সন্তানদের নামের সঙ্গে যার নাম যুক্ত করে ডাকা হবে তিনি হলেন বাবা। বাবা ডাকটা সবচেয়ে সুন্দরও মধুর। জীবনে সব কিছু বিসর্জন, বহু ত্যাগ স্বীকার করে সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখেন একমাত্র বাবা।
জীবনের সব ক্ষেত্রে বাবা থেকে বেঁচে থাকার শক্তি পায় সন্তান। প্রতিটি সন্তানের কাছে বাবা মানে শক্তি সাহস আর অনুপ্রেরণা। বাবার প্রতি সন্তানের চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিদিনই ঘটে। বাবার ভালোবাসা বিশেষ কোনো একদিনের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না। সন্তানের জন্য প্রতিদিন বাবা দিবস। বাবা মানে একটু শাসন, অনেক বেশি সাগর সমতুল্য ভালোবাসা।
বাবা নামে মানুষটা বটবৃক্ষের মতো। যে বৃক্ষের ছায়া সন্তানের জন্য একমাত্র অবলম্বন। জীবনের সব কিছু থেকে বাঁচিয়ে রাখে। সন্তান দৃঢ়বিশ্বাসের সঙ্গে শক্তি সাহস ভরসা পায় যার কাছে থেকে তিনি হলেন বাবা। বাবা নামক বৃক্ষটি যখন হারিয়ে যায়। সন্তানের জীবনে নেমে আসে দুঃখ। তখন বটবৃক্ষের নিচে থাকা গাছগুলোর মতো বাবা হারা সন্তানদের সব ঝড়বৃষ্টি-রোদ মোকাবিলা করে পৃথিবীতে টিকে থাকতে হয়।
বাবা শব্দটা দুই অক্ষরবিশিষ্ট; কিন্তু এর ভেতরে সীমাহীন গহিনে রয়েছে হৃদয়ের স্পন্দন। বাবার হাজারও ত্যাগ তিতিক্ষা এবং কত সহস্র যে ভালোবাসা লুকানো থাকে, তা প্রতিটি সন্তান ভালো করে জানে।
পরিবারের প্রধানের ভূমিকায় বাবার অবদান অনস্বীকার্য। বাবার কঠোর শাসন অনেকের জীবনের গতিকে পরিবর্তন করে আলোর পথে এনেছে। তিনি যেন সন্তানের জন্য এক বটবৃক্ষ। পৃথিবীর সব বাবার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে তাই তো কবির ভাষায় বলতে হয়, ‘বাবা’ কখনো বলা হয়নি তোমায় ঠিক কতখানি ভালোবাসি।
শহর ঘুমিয়ে গেলে জেগে থাকে যে চোখ ;
সেই চোখ জানে ভালোবাসা কত ভয়ানক অসুখ ।
আষাঢ়
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।
বাদলের ধারা ঝরে ঝরঝর,
আউশের ক্ষেত জলে ভরভর,
কালি-মাখা মেঘে ও পারে আঁধার ঘনিছে দেখ্ চাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।।
ওই ডাকে শোনো ধেনু ঘনঘন, ধবলীরে আনো গোহালে।
এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে।
দুয়ারে দাঁড়ায়ে ওগো দেখ্ দেখি
মাঠে গেছে যারা তারা ফিরিছে কি,
রাখালবালক কী জানি কোথায় সারা দিন আজি খোয়ালে।
এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে।।
শোনো শোনো ওই পারে যাবে বলে কে ডাকিছে বুঝি মাঝিরে।
খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে।
পুবে হাওয়া বয়, কূলে নেই কেউ,
দু কূল বাহিয়া উঠে পড়ে ঢেউ,
দরদর বেগে জলে পড়ি জল ছলছল উঠে বাজি রে।
খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে।।
ওগো, আজ তোরা যাস নে গো, তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে।
আকাশ আঁধার, বেলা বেশি আর নাহি রে।
ঝরঝর ধারে ভিজিবে নিচোল,
ঘাটে যেতে পথ হয়েছে পিছল,
ওই বেণুবন দুলে ঘনঘন পথপাশে দেখ্ চাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।।
ঘটনাবলী
৫৩ - রোমান সম্রাট নিরো ক্লডিয়া অক্টাভিয়াকে বিয়ে করেন।
৬৮ - রোমান সম্রাট নিরো আত্মহত্যা করেন।
১৫৩৫ - স্পেনীয় সৈন্যবাহিনী ল্যাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে দখল করে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে ২৭৬ বছরের স্পেনীয় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়।
১৭৫২ - ভারতের ত্রিচিনোপলিতে ইংরেজদের কাছ ফরাসি সৈন্যরা আত্মসমর্পণ করে।
১৯১৫ - আমেরিকান গিটারিস্ট ‘লিস পল’ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইলেক্ট্রিক গিটারের বর্তমান রূপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯২৪ - বুলগেরিয়ায় সামরিক অভ্যুত্থানে জনপ্রিয় সংস্কারবাদী আলেঙ্গান্দার নিহত এবং তার সরকার উৎখাত।
১৯৩১ - প্রথম ডোনাল্ড ডাক কার্টুন প্রদর্শিত হয়।
১৯৪০ - নরওয়ে জার্মানির কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯৫৬ - আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৪০০ জনের মৃত্যু হয়।
১৯৫৭ - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি ইডেন পদত্যাগ করেন।
১৯৬০ - চীনে টাইফুন মেরি আঘাত হানে। এক হাজার ৬০০ জনের মৃত্যু হয়।
১৯৬৭ - ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজয়ের পর মিসরের প্রেসিডেন্ট কামাল আবদেল নাসেরের পদত্যাগ।
১৯৭৩ - স্পেনে এডমিরাল রানেকা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।
জন্ম
১৬৪০ - রোমান শাসক লিওপড।
১৬৭২ - রাশিয়ার প্রথম পিটার, ১৬৮২ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাশিয়া শাসন করেন। (মৃ. ১৭২৫)
১৭৮১ - জর্জ স্টিফেনসন, বৃটিশ প্রকৌশলী ও লোকোমোটিভ আবিষ্কারক। (মৃ.১২/০৮/১৮৪৮)
১৮৩৬ - ইংল্যান্ডের প্রথম নারী মেয়র এলিজাবেথ গ্যারেট অ্যান্ডারসন।
১৮৪৩ - বের্টা ফন জুটনার, অস্ট্রীয় ঔপন্যাসিক এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী কবি। (মৃ. ১৯১৪)
১৯১৬ - রবার্ট ম্যাকনামারা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। (মৃ. ২০০৯)
১৯৩১ - নন্দিনী শতপতি, একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং লেখক ছিলেন। (মৃ. ২০০৯)
১৯৪৯ - কিরণ বেদি, অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় পুলিশ পরিষেবা কর্মকর্তা এবং সামাজিক কর্মী।
১৯৬৩ - জনি ডেপ, মার্কিন অভিনতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার।
১৯৭৫ - অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৭৭ - উসমান আফজাল, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৭৮ - মিরোস্লাভ ক্লোসা, জার্মান ফুটবলার।
১৯৮১ - ন্যাটালি পোর্টম্যান, ইসরায়েলী-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৮৪ - মাসুদ শোজেই, ইরানি ফুটবলার।
১৯৮৪ - ওয়েসলি স্নাইডার, ডাচ ফুটবলার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Banani Model Town