Badsha Academy Bagerhat

Badsha Academy Bagerhat Badsha Academy Bagerhat. An orientation program of education. Sammeloni School Road,Sarui,Bagerhat,Bangladesh.

!! যে দোয়া আপনাকে সারাদিন ‍শয়তান থেকে রক্ষা করবে !!                                                                     ...
08/04/2024

!! যে দোয়া আপনাকে সারাদিন ‍শয়তান থেকে রক্ষা করবে !! আল্লাহর নেয়ামতে পরিপূর্ণ সুন্দর এই পৃথিবী। সৌভাগ্যক্রমে শান্তির ধর্ম ইসলামে জন্মেছি আমরা। ইসলামী নিয়ম অনুসারে জীবন যাপন করলে, প্রতিটি কাজে সওয়াব মিলে।

মহান আল্লাহ আমাদের বিভিন্ন পরীক্ষায় ফেলে বিপদ-আপদের মাধ্যমে খাঁটি নেককার বান্দা হয়ে অনন্ত গন্তব্য স্থলে যাওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। নবী-রাসুল সাহাবিদের জীবনী থেকে আমরা সেসব জানতে পারি। তাই বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বিভিন্ন আমল, জিকির ও দোয়া পাঠের শিক্ষা দিয়েছেন নবীজি (সা.)।

এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পর দশ বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু... পড়বে, বিনিময়ে তার আমলনামায় চারজন গোলাম আজাদ করার সওয়াব লেখা হবে, ১০টি নেকি লেখা হবে, ১০টি গুনাহ মাফ হবে, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে ও এ কালিমাগুলো সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য শয়তান থেকে হেফাজতের কারণ হবে। তেমনি মাগরিবের পর পড়লে অনুরূপ সওয়াব মিলবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান থেকে হেফাজতে থাকবে।

আরবি: لا إلهَ إلاَّ اللَّه وحْدهُ لاَ شَرِيكَ لهُ، لَهُ المُلْكُ، ولَهُ الحمْدُ، وَهُو عَلَى كُلِّ شَيءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু। লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু। ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তার কোনো শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তারই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তারই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৩৫১৮)

এই দোয়ার ফজিলত সম্পর্কেও নানা বর্ণনা এসেছে। তাই আল্লাহ কাছে আশা করা যায়, তিনি সব রকম সওয়াব ও ফজিলত দান করবেন।

এক বর্ণনায় এসেছে, ‘...তার আমলনামায় একশ নেকি লেখা হবে, একশ গুনাহ মাফ হবে এবং একজন গোলাম আযাদ করার সওয়াব পাবে।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৮৭১৯)

কয়েক দিন পরেই পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ সময় নতুন পোশাকের পাশাপাশি নতুন টাকাও সংগ্রহ করেন অনেকে।

শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচার ১০ উপায়                                                   শয়তান মানুষের চির শত্রু। মানুষ সৃষ্...
08/04/2024

শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচার ১০ উপায় শয়তান মানুষের চির শত্রু। মানুষ সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই মানুষের প্রতি তার এ শত্রুতা ও অনিষ্টতা চলমান। প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে নানাভাবে সে মানুষকে ক্ষতি করে। ঈমান-আমল নষ্ট করার পাশাপাশি মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপনেও সমস্যা তৈরি করে। আবার জাদু-টোনার মাধ্যমে কিছু বিভ্রান্ত মানুষ অন্যের শারীরিক, মানসিক ও সাংসারিক ক্ষতি সাধনেও এই শয়তানকে ব্যবহার করে থাকে। তাই শয়তানের সামগ্রিক কুপ্রভাব থেকে বেঁচে থাকা আমাদের সবার জন্যই জরুরি। এ লেখায় কোরআন-হাদিসের দৃষ্টিকোণ থেকে শয়তানের অনিষ্টতা থেকে রক্ষার ১০টি পন্থা তুলে ধরা হলো—
আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা

মানুষকে ক্ষতি করতে শয়তান সার্বক্ষণিক মুখিয়ে থাকে। তাই বৈধ যেকোনো কাজ ও ইবাদতের শুরুতে আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘শয়তানের কুমন্ত্রণা যদি তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো, তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।’ (সুরা: আরাফ, আয়াত:২০০)
কোরআন ও হাদিসে বেশ কিছু জায়গার ক্ষেত্রে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে কোরআন তিলাওয়াতের শুরুতে, মসজিদে প্রবেশের আগে, স্ত্রী সহবাসের আগে, রাগ নিয়ন্ত্রণে, খারাপ স্বপ্ন দেখলে, পায়খানা-প্রস্রাবখানায় প্রবেশের সময়, ঘর থেকে বের হওয়ার সময়, কাউকে বিদায় দিতে ও বদ নজর থেকে মুক্তি পেতে।

কোরআন তিলাওয়াত করা

কোরআন তিলাওয়াত শুনলে শয়তান পালিয়ে যায়। যে ঘরে কোরআন তিলাওয়াত হয়, ওই ঘরে শয়তান প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। বিশেষ করে সুরা বাকারা ও আয়াতুল কুরসি শয়তানের কুপ্রভাব থেকে ঘর ও ব্যক্তিকে রক্ষা করে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের ঘরবাড়িগুলো (আমলশূন্য রেখে) কবরে পরিণত কোরো না। অবশ্যই যে বাড়িতে সুরা বাকারা পাঠ করা হয়, সে বাড়ি থেকে শয়তান পলায়ন করে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭৮০)
আয়াতুল কুরসির ব্যাপারে নবীজি বলেন, ‘তুমি যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন আয়াতুল কুরসি পড়বে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার জন্য একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।’ (বুখারি, হাদিস : ২৩১১)
ইবাদতে ইখলাস অবলম্বন করা

কেবল আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তার আদেশ-নিষেধ যথাযথ পালন করার নাম ইখলাস। ইখলাস অবলম্বনকারীকে শয়তান প্ররোচিত করতে পারে না। পবিত্র কোরআনে মানুষকে পথভ্রষ্ট করার ব্যাপারে আল্লাহর কাছে শয়তানের প্রতিজ্ঞা এভাবে বিবৃত হয়েছে, ‘সে (শয়তান) বলল, হে আমার পালনকর্তা, আপনি যেমন আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করব এবং তাদের সবাইকে পথভ্রষ্ট করব। তাদের মধ্যে আপনার ইখলাস অবলম্বনকারী বান্দারা এর ব্যতিক্রম।’ (সুরা: হিজর, আয়াত : ৩৯-৪০)

সুতরাং দুনিয়া ও আখিরাতে শয়তানের চক্রান্ত থেকে রক্ষা পেতে হলে আমল ও ইবাদতে ইখলাস অবলম্বন করতে হবে।

ফজরের নামাজ আদায় করা

কষ্টসাধ্য ফজিলতপূর্ণ নামাজ হলো ফজর। রাত শেষে দিনের শুরুতে আল্লাহ তাআলার মহান এই হুকুম যে পালন করে সে শয়তানি প্রভাব থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকে। কারণ ফজরের নামাজের মাধ্যমে শয়তানকে দিনের শুরুতেই পরাজিত করে ফেলা হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন শয়তান তার ঘাড়ের পশ্চাদংশে তিনটি গিঁট দেয়। প্রতি গিঁটে সে এ বলে চাপড়ায়, তোমার সামনে রয়েছে দীর্ঘ রাত, অতএব তুমি শুয়ে থাকো। অতঃপর সে যদি জাগ্রত হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে একটি গিঁট খুলে যায়, অজু করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়, অতঃপর সালাত আদায় করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়। তখন তার প্রভাত হয় উত্ফুল্ল মনে ও অনাবিলচিত্তে। অন্যথায় সে সকালে উঠে কলুষ কালিমা ও আলস্য নিয়ে।’ (বুখারি, হাদিস : ১১৪২) যথাসম্ভব একাকী না থাকা

একাকী থাকা ব্যক্তিকে শয়তান নানাভাবে প্ররোচিত করতে পারে। তাই ইসলামে জামাতে নামাজ আদায়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে গ্রামে বা প্রান্তরে তিনজন লোকও অবস্থান করে অথচ তারা জামাত কায়েম করে নামাজ আদায় করে না, তাদের ওপর শয়তান সওয়ার হয়ে যায়। কাজেই জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কারণ দলত্যাগী বকরিকে বাঘে ধরে খায়।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫৪৭)

সফর অবস্থায় কমপক্ষে তিনজনের সংঘবদ্ধ থাকার কথা উল্লেখ করে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একজন আরোহী হচ্ছে একটি শয়তান (শয়তানের মতো), দুজন আরোহী দুটি শয়তান, আর তিনজন আরোহী হচ্ছে কাফেলা।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৬৭৪)

সর্বদা আল্লাহকে স্মরণ করা

যারা আল্লাহকে স্মরণ করে শয়তান তাদের কাছে আসতে পারে না। মানুষ যখন আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন থাকে, তখন শয়তান তার সঙ্গী হয়ে যায়। তাই সর্বদা তাসবিহ-তাহলিল পাঠ করার পাশাপাশি আল্লাহকে স্মরণ রাখার যেকোনো পন্থা অবলম্বন করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি তার জন্য এক শয়তান নিয়োজিত করে দিই, অতঃপর সে-ই হয় তার সঙ্গী। শয়তানরাই মানুষকে সৎ পথে বাধা দান করে, আর মানুষ মনে করে যে তারা সৎ পথেই আছে।’ (সুরা : জুখরুফ, আয়াত : ৩৬-৩৭)

যথাসম্ভব হাই রোধ করা

হাই তুললে শয়তান হাসতে থাকে এবং মুখ দিয়ে মানুষের ভেতরে প্রবেশ করে খুব সহজেই প্ররোচিত করে ফেলতে পারে। তাই শয়তানের প্ররোচনা ও কুপ্রভাব থেকে রক্ষা পেতে হলে যথাসম্ভব হাই রোধ করতে হবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। সুতরাং কারো যখন হাই আসে, সে যেন তা প্রতিহত করতে চেষ্টা করে। কারণ কেউ যদি হাই তুলে ‘হা’ বলে, তবে শয়তান তা দেখে হাসতে থাকে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬২২৩)

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘তোমাদের কারো যদি হাই আসে, তবে তার হাত দিয়ে যেন মুখ চেপে ধরে। কারণ শয়তান ভেতরে প্রবেশ করে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৯৯৫)

ঘরে প্রবেশ ও প্রস্থানে আল্লাহর নাম নেওয়া

ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করা। এতে শয়তান থেকে দূরে থাকা সহজ হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশকালে আল্লাহর নাম স্মরণ করলে শয়তান তার সঙ্গীদের বলে, ‘তোমাদের রাত যাপন ও রাতের আহারের কোনো ব্যবস্থা হলো না।’ কিন্তু কোনো ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশকালে আল্লাহকে স্মরণ না করলে শয়তান বলে, ‘তোমরা রাত যাপনের জায়গা পেয়ে গেলে। সে আহারের সময় আল্লাহকে স্মরণ না করলে শয়তান বলে, তোমাদের রাতের আহারের ও শয্যা গ্রহণের ব্যবস্থা হয়ে গেল।’ (মুসলিম, হাদিস : ২০১৮)

বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে খাবার খাওয়া

যে খাবারে বিসমিল্লাহ পড়া হয় না সে খাবারে শয়তান অংশ নেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘শয়তান সেই খাদ্যকে নিজের জন্য হালাল করে নেয়, যাতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা হয় না।’ (মিশকাত, হাদিস : ৪১৬১)

শয়তান তার কাজকর্মে বাম হাতকে প্রাধান্য দেয় তাই পানাহারসহ যেকোনো বৈধ কাজে ডান হাত ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন নবীজি (সা.)। তিনি বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন তার ডান হাত দ্বারা পানাহার করে এবং ডান হাত দ্বারা আদান-প্রদান করে। কেননা শয়তান বাম হাত দ্বারা পানাহার করে এবং বাম হাত দ্বারাই আদান-প্রদান করে।’ (সিলসিলা সহিহাহ, হাদিস : ১২৩৬)

রাত্রিকালীন করণীয় ও সচেতনতা

শয়তান রাতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। শয়তানের কুপ্রভাব থেকে রক্ষা পেতে হলে রাত্রিকালীন কিছু করণীয় ও সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যখন রাতের আঁধার নেমে আসে অথবা যখন সন্ধ্যা হয়, তখন তোমাদের শিশুদের (বাইরে যাওয়া থেকে) আটকে রাখো। কারণ এ সময় শয়তান ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাতের কিছু সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে তাদের ছেড়ে দাও এবং ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ঘরের দরজাসমূহ বন্ধ করো। কারণ শয়তান বদ্ধদ্বার খুলতে পারে না। আর ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে তোমাদের মশকগুলোর (চামড়ার তৈরি পানির পাত্রবিশেষ) মুখ বন্ধ করো এবং ‘বিসমিল্লাহ’ বলে তোমাদের পাত্রগুলোও ঢেকে রাখো। (ঢাকার কিছু না পেলে) কোনো কিছু আড়াআড়িভাবে হলেও পাত্রের ওপর রেখে দাও। (আর ঘুমানোর সময়) বাতিগুলো নিভিয়ে দাও।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৬২৩)

আল্লাহ তায়ালা শয়তানের প্ররোচনা ও অনিষ্টতা থেকে আমাদের বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন।

শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচার ১০ উপায়

গীবত কত প্রকার, গীবতের অপকারিতা এবং প্রতিকারIbrahim Khalil September 06, 2022  1স্বভাবগত ভাবে দোষ চর্চা অপছন্দনীয় কাজ ম...
29/06/2023

গীবত কত প্রকার, গীবতের অপকারিতা এবং প্রতিকার
Ibrahim Khalil September 06, 2022 1

স্বভাবগত ভাবে দোষ চর্চা অপছন্দনীয় কাজ মানুষ নিজ কৃত দোষগুলো অন্যের মুখে আলোচনার দ্বারা ব্যথিত হয়ে থাকে । আর সেই দোষ যদি অপরাপর মানুষ বলে বেড়ায়, আলোচনা-সমালোচনা করে থাকে তবে তো ব্যক্তির যন্ত্রনার সাথে দুঃখবোধ আরো বেশি!
শরীয়ত অন্যের দোষ একে অপরের কাছে বলা কে গীবত বলে অভিহিত করেছেন।
গীবত: গীবত বলা হয় কারো অগোচরে তার এমন সমালোচনা করা, যা শুনলে সে খারাপ মনে করে। এই আলোচনা অপরের দৈহিক ত্রুটি, বংশগত ত্রুটি, চারিত্রিক ত্রুটি অথবা কথা, কর্ম, ধর্ম, পোশাক-পরিচ্ছদ, গৃহ, সওয়ারীর দোষ সম্পর্কিত হলেও তা গীবত তথা পরনিন্দার অন্তর্ভুক্ত হবে।

গীবতের গুনাহ মা’ফের দোয়া।

মানুষ কেন গীবত করে
সাধারনত এগারটি কারণে মানুষ গীবত করে। তন্মধ্যে আটটি জনসাধারনের মধ্যে ব্যাপক ভাবে বিদ্যমান।
প্রথম কারণ: ক্রোধের বশবর্তী হয়ে মনের ঝাল মিটাতে মানুষ অপরের গীবত করে।

দ্বিতীয় কারণ : একজন আরেকজনের গীবত বা পরনিন্দা করছে তা দেখে সে ও তার সমালোচনা করে এবং তার হাঁ-র সাথে হাঁ যোগ করতে গীবত করে।
উদাহরন স্বরূপ, আপন সঙ্গী কারও সম্পর্কে মন্দ আলোচনা করলে মনে করা হয় যে, তার সমর্থন না করলে নারাজ হবে কিংবা সঙ্গ ত্যাগ করবে। তাই তার কথার সমর্থন করে।

তৃতীয় কারণ : কখনো বা পূর্ব সতর্কতার কারণে গীবত করা হয়। অর্থাৎ যখন কেউ বুঝতে পারে যে, অমুক ব্যক্তি কোন বড়লোকের সামনে তার দোষ বর্ণনা করবে কিংবা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে। তখন পূর্ব থেকেই সে তার দোষ বর্ণনা করতে শুরু করে। যাতে তার সম্পর্কে কিছু বলা হলে তা গ্রহনযোগ্য না হয়।

চতুর্থ কারণ : কোন দোষ থেকে নির্দোষ প্রমানিত হওয়ার লক্ষ্যে গীবত করা।

পঞ্চম কারণ : গর্ব ও আস্ফালনের ইচ্ছায় গীবত করা হয়। যাতে অপরকে হেয় করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করা যায়।

৬ষ্ঠ কারণ : হিংসার বশিভূত হয়ে গীবত করা হয় । অর্থাৎ যখন কাউকে দেখে যে, মানুষ তার প্রশংসা ও সম্মান করে, তখন হিংসার আগুনে দগ্ধ হয়ে অন্য কিছু করার ক্ষমতা না থাকায় তার দোষ প্রকাশ করতে শুরু করে, যাতে মানুষ উক্ত ব্যক্তির সম্মান ও প্রশংসা থেকে বিরত থাকে।

সপ্তম কারণ : ক্রীড়া ও কৌতুক বশত: কখনো মানুষ গীবত করে।

অষ্টম কারণ : অপরকে ঘৃনার পাত্রে পরিণত করার জন্য গীবত করা। এটা সামনে এবং পশ্চাতে উভয় ভাবে হতে পারে।

গীবতের প্রকার
১. শারীরিক দোষ ত্রুটির গীবত।
২. পোষাকের ব্যাপারে গীবত।
৩. বংশ নিয়ে গীবত।
৪. বিশেষ কোন বদঅভ্যাস ও পাপাচারের গীবত।

যে সব ক্ষেত্রে গীবত করা জায়েয।

গীবতের অপকারিতা
১. গীবতকারী মানুষের চোখে দোষচর্চাকারী সাব্যস্ত হয়।
২. গীবতকারীকে লোকে বিশ্বাস করতে চায় না। যে আমার কাছে অন্যের গীবত করে সে আমার গীবত অন্যের কাছে করবে না বিশ্বাস কি?
৩। গীবতকারীর মানসিক শান্তি থাকেনা কারন সে কারো দ্বারা অপমানিত হওয়ার আশংকায় থাকে।
উল্লেখ্য যে, উপরের বিষয়গুলো হলো দুনিয়াবী। আর আখেরাতের অপকারিতা হলো-
১. গীবতকারীর দোয়া কবুল হয় না।
২. নেক আমল মুছে যায়।
৩. তার নেক আমল কুবুল হয় না।
৪. তার হিসাব কঠিন হয়।
৫. পরকালে তাকে মৃত ব্যক্তির গোশত খাওয়ানো হবে।
আল্লাহ আমাদেরকে গীবত থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন।

গীবতের প্রতিকার
১. যখন মনে সমালোচনা বা গীবত করার খেয়াল হয়, তখন মনে মনে এরুপ ভাববে যে, তার মধ্যেও কোনো দোষ আছে কিনা? যদি নিজের কোনো দোষ দৃষ্টিগোচর হয়, তবে তা দূর করার চেষ্টায় মশগুল হয়ে যাবে । রাসূল (সা.) এর উক্তি স্মরন করবে-
সেই ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ, যার নিজের দোষ তাকে অপরের দোষ বর্ণনা থেকে বিরত রাখে।
-বায়হাকী

যখন নিজের মধ্যে দোষ থাকে, তখন নিজের দোষের সমালোচনা না করে অপরের দোষে সমালোচনা করতে তার লজ্জা করা উচিত। কারো ইচ্ছাধীন দোষের ক্ষেত্রে একথা প্রযোজ্য। নতুবা কোনো সৃষ্টিগত ত্রুটির কারনে কাউকে মন্দ বলা স্রষ্টাকে মন্দ বলারই নামান্তর। যেমন কাউকে লেংড়া,কানা, বদ ছুরত ইত্যাদি বলা।
২. আরও একটি পন্থা হচ্ছে- মনে মনে এরূপ চিন্তা করা যে, যদি কোনো ব্যক্তি আমার নিন্দা করে, তবে আমার কাছে তা কতটুকু খারাপ মনে হবে।
সুতরাং আমি যদি অন্যের নিন্দা করি, তবে তার কাছেও ব্যাপারটি তেমনি দুঃখজনক হবে। অতএব, নিজের নিন্দা অন্যে করলে যেমন তা কেউ পছন্দ করেনা তদ্রুপ অপরের নিন্দা না করাকেও পছন্দ করতে হবে।
৩. গীবত থেকে বাঁচার বিস্তারিত উপায় হলো, যে কারণে গীবত করা হয় সে কারনকেই দূর করা। কেননা কারণ দূর হয়ে গেলেই ব্যধি দূর হয়ে যায়।
মুখে কারো সমালোচনা করা যেমন হারাম, তদ্রূপ অন্তরে কারো প্রতি ইচ্ছাপূর্বক কুধারনা পোষন করাও হারাম । তবে অনিচ্ছাবশতঃ কারো সমালোচনা মনে উদয় হলে তা ক্ষমাযোগ্য।
এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন-
হে মুমীনগন! তোমরা ধারণা হতে বেঁচে থাকো । নিশ্চয়ই কতক ধারনা গোনাহ।
-সূরা হুজরাত : ১২

মানুষ কেন গীবত করে, গীবতের প্রকার, গীবতের অপকারিতা, গীবতের প্রতিকার, গীবতের মাসআলা, গীবত ও পরনিন্দা,

27/03/2020

করোনার বিপর্যয় থেকে বাঁচতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন । মহান আল্লাহ্ আমাদের এই বিপদ থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

13/05/2019

Make words:
____oo___

27/04/2019

কাজ করার নৈপুণ্য আর আর সম্ভাবনাকে বলতে পারি দক্ষতা

09/10/2018

কোন কাজটি আগে করতে হবে? সময় - ভোর ৫টা।
১. মেশিনে স্টার্ট দিয়ে পানি তোলা
২. ৫০টি পেপার প্রিন্ট দেওয়া।
৩. নিচতলার বাতি নিভিয়ে গেট খুলে দেওয়া

02/08/2017

আমাদের সোনামনিরা নামক প্রকাশনার ৫০০ সদস্য আজ পূর্ণ হয়েছে এবং সে বলিষ্ঠভাবে এগিয়ে চলেছে তার লক্ষে। যারা এই শিশু মনন প্রকাশনায় সদস্য হয়ে আমাদের শিশুদের চলার পথকে প্রশ্বস্থ করেছেন তথা সম্মানিত করেছেন এই পাতাটিকে, তাদেরকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। এই পাতাটির সদস্য সংখ্যা আরও বাড়াবার জন্য আপনার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রত্যাশা করে বলবো শিশুদের যে কোনো পোস্টে আপনারা লাইক, কমেন্ট দিয়ে ওদের উৎসাহিত করবেন। মনে রাখবেন, আপনার একটুখানি ভালো বলা বা লেখা একটা শিশুকে অনেক অনেক আনন্দিত করে। শিশুদের খুশি রাখা সবচেয়ে বড় পূণ্যের কাজ। আসুন, আমরা শত কাজের মাঝে -- ওদের কাজকে প্রাধান্য দেই। আমরা ওদের ভালোবাসি এটা ওদের বুঝতে দেই। আমাদের ভালোবাসা পেয়ে ওরা আপনাকে দেবে অনাবিল প্রশান্তি। কারণ ওরা সুন্দর। ওদের মধ্যে নেই কৃত্রিমতা বরং আছে সরলতা। আসুন বলি ‘ আমাদের সোনামনিরা, আমরা তোমাদের ভালোবাসি ’।

Badsha Academy Bagerhat.
An orientation program of education.
Sammeloni School Road,Sarui,Bagerhat,Bangladesh.

25/07/2017

বাগেরহাটের একজন কৃতি সন্তান যিনি শিশুদের জন্য অনেক লিখেছেন। তার একটা বইয়ের নাম হল – কাঁঠাল খাবো। লেখকের নাম কি ?

23/07/2017

কাক একটি দেশের জাতীয় পাখি। আমাদের সোনামনিরা খুঁজবে দেশটির নাম কি?

Address

Sammeloni School Road, Sarui
Bagerhat
9300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Badsha Academy Bagerhat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Badsha Academy Bagerhat:

Shortcuts

Share

Category