Bagerhat Technical School & College

Bagerhat Technical School & College This is excellence of Technical Education.

23/09/2026
“একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে শুরু, দক্ষতার হাত ধরে আজ অন্যদের স্বপ্ন গড়ার পথপ্রদর্শক।”একটি সুযোগ, একটি সিদ্ধান্ত—মিথুন সরদারে...
21/09/2026

“একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে শুরু, দক্ষতার হাত ধরে আজ অন্যদের স্বপ্ন গড়ার পথপ্রদর্শক।”

একটি সুযোগ, একটি সিদ্ধান্ত—মিথুন সরদারের অনুপ্রেরণার গল্প

সব সফলতার শুরু হয় একটি সাহসী সিদ্ধান্ত থেকে। মিথুন সরদার–এর জীবনও বদলে গিয়েছিল একটি সাধারণ ফেসবুক পোস্ট দেখে।

বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ASSET Project-এর আওতায় ৩য় সাইকেলে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখে তিনি আইটি সাপোর্ট সার্ভিস (লেভেল-৩) অকুপেশনে আবেদন করেন। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কোর্সে প্রশিক্ষণের সুযোগ লাভ করেন।

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত চলা ৪ মাসের এই হাতে-কলমে প্রশিক্ষণে তিনি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, আইটি সাপোর্ট, হার্ডওয়্যার, নেটওয়ার্কিং ও ডিজিটাল প্রযুক্তির বাস্তব দক্ষতা অর্জন করেন। কিন্তু এই প্রশিক্ষণের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল শুধু একটি সার্টিফিকেট নয়—কারিগরি শিক্ষার বিশাল সম্ভাবনার সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয়।

প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন, ডিজিটাল দক্ষতার জগতে আরও অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই অনুপ্রেরণায় অনলাইনের মাধ্যমে নিজ উদ্যোগে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা শুরু করেন। নিরলস চর্চার পাশাপাশি পরবর্তীতে একটি প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক্স ডিজাইন-এর উপর ৩ দিনের RPL (Recognition of Prior Learning) কোর্সে অংশগ্রহণ করে সফলভাবে Competent হন।

আজ তিনি লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, বাগেরহাট-এ গ্রাফিক্স ডিজাইন ফর ফ্রিল্যান্সিং অকুপেশনের ট্রেইনার হিসেবে কর্মরত। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি মাসিক প্রায় ২০,০০০ টাকা আয় করছেন এবং নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল দক্ষতা শেখানোর দায়িত্ব পালন করছেন।

মিথুনের ভাষায়—

“আমি যদি বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ থেকে প্রথম IT Support Service প্রশিক্ষণ না নিতাম, তাহলে হয়তো কখনোই কারিগরি শিক্ষা ও এই সেক্টরের বিশাল সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারতাম না। সেই একটি প্রশিক্ষণই আমার জীবনের দিক পরিবর্তন করে দিয়েছে।”

মিথুন সরদারের গল্প প্রমাণ করে, একটি সঠিক প্রশিক্ষণ একজন তরুণকে শুধু চাকরির পথ দেখায় না—নতুন দক্ষতা শেখার সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং অন্যদের জীবন গড়ার ক্ষমতাও তৈরি করে।

ASSET Project-এর বাস্তবমুখী উদ্যোগ এবং বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ-এর মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা আজ একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে একজন দক্ষ ট্রেইনারে পরিণত করেছে। এটাই দক্ষতার প্রকৃত শক্তি—যেখানে একজন প্রশিক্ষণার্থী একদিন হয়ে ওঠে শত শিক্ষার্থীর অনুপ্রেরণা।

করব কাজ, গড়ব দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ।

#কারিগরি_শিক্ষা #দক্ষতা #সাফল্যের_গল্প

“শরীরের সীমাবদ্ধতা নয়, মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি।”হুইল চেয়ার নয়, স্বপ্নই ছিল তাঁর চালিকা শক্তি — আজিজ...
17/09/2026

“শরীরের সীমাবদ্ধতা নয়, মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি।”

হুইল চেয়ার নয়, স্বপ্নই ছিল তাঁর চালিকা শক্তি — আজিজুল করিমের হৃদয়স্পর্শী সাফল্যের গল্প

কেউ কেউ জীবনের শুরুতেই অনেক প্রতিকূলতা নিয়ে জন্মায়। কিন্তু সেই প্রতিকূলতাকে হার মেনে নয়, প্রতিকূলতাকে হারিয়ে দিয়েই এগিয়ে যায়। আজিজুল করিম সেই সাহসী তরুণদের একজন।

জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তিনি সুস্থ একজন মানুষের মতো দাঁড়াতে বা স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেন না। তবুও তিনি কখনোই বাবা–মায়ের বোঝা হয়ে থাকতে চাননি। তাঁর একটাই স্বপ্ন ছিল—নিজের যোগ্যতায় নিজের পায়ে দাঁড়ানো।

একদিন এক বন্ধুর কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ–এ ASSET Project-এর আওতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আর দেরি করেননি আজিজুল। আবেদন করেন Computer Operation (Level-3) কোর্সে এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ লাভ করেন।

০৭ই আগস্ট ২০২৫ থেকে ০৬ই নভেম্বর ২০২৫—এই তিন মাস ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে সংগ্রামী অথচ সবচেয়ে গৌরবের সময়।

প্রতিদিন নিজের ছোট একটি সাইকেল চালিয়ে তিনি কলেজে আসতেন। কিন্তু আসল লড়াই শুরু হতো কলেজে পৌঁছানোর পর। কম্পিউটার ল্যাব ছিল তৃতীয় তলায়। সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে তাঁকে অসহনীয় কষ্ট সহ্য করতে হতো। কখনো সহপাঠীদের সহযোগিতায়, কখনো প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায়, কখনো নিজের অদম্য চেষ্টায় তিনি ধাপে ধাপে উঠে পৌঁছে যেতেন কম্পিউটার ক্লাসে।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয়—তিন মাসের পুরো কোর্সে তিনি একদিনও অনুপস্থিত ছিলেন না।

এই অধ্যবসায়ের ফলও তিনি পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ শেষে NSDA Assessment-এ সফলভাবে Competent হয়ে জাতীয় দক্ষতার স্বীকৃতি অর্জন করেন।

কোর্স শেষ হওয়ার পর কলেজের পরীক্ষার কারণে সঙ্গে সঙ্গে চাকরিতে যোগ দিতে পারেননি। পরীক্ষা শেষ হতেই তাঁর জীবনে আসে নতুন অধ্যায়। ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ তিনি স্থানীয় একটি পানি প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানিতে ম্যানেজার পদে যোগদান করেন। আজ তিনি নিষ্ঠা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সহকর্মীরাও তাঁকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসেন ও সম্মান করেন।

আজিজুল করিমের ভাষায়—

“আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে এই একটি ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। আমি বাংলাদেশ সরকার, ASSET Project কর্তৃপক্ষ, বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বিশেষ করে অধ্যক্ষ জনাব শংকর কুমার সরকার স্যার, জব প্লেসমেন্ট কর্মকর্তা মোঃ সিয়াম হাসান স্যার এবং কম্পিউটার অপারেশন ট্রেইনার আমিনুল সরদার স্যারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

আজিজুলের গল্প আমাদের শেখায়—সহানুভূতি মানুষকে এগিয়ে নেয়, কিন্তু ইচ্ছাশক্তি মানুষকে বিজয়ী করে। কারিগরি শিক্ষা তাঁকে শুধু একটি দক্ষতা দেয়নি; দিয়েছে আত্মবিশ্বাস, সম্মানজনক কর্মসংস্থান এবং নতুন জীবনের পরিচয়।

তিনি প্রমাণ করেছেন—প্রতিবন্ধকতা নয়, দক্ষতাই একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয়।

করব কাজ, গড়ব দেশ — সবার আগে বাংলাদেশ।

#কারিগরি_শিক্ষা #দক্ষতা #আত্মনির্ভরতা

10/09/2026

SICIP-এর প্রশিক্ষণ ও আমার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।

​প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান: সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ বাগেরহাট,
​প্রকল্প: SICIP (স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস এন্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম),
​কোর্স: মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইনটেনেন্স,
​ব্যাচ নম্বর: ১ম ব্যাচ,
​রোল নম্বর: ০৪,
​প্রশিক্ষণের সাল: ২০২৫ ।

“যে মেয়ে সুযোগ খুঁজেছিল, সে আজ অন্যদের দক্ষতার পথ দেখায়”পড়াশোনা থেকে পেশাদার ট্রেইনার — জান্নাতী শিফার অনুপ্রেরণার গল্পস...
07/09/2026

“যে মেয়ে সুযোগ খুঁজেছিল, সে আজ অন্যদের দক্ষতার পথ দেখায়”

পড়াশোনা থেকে পেশাদার ট্রেইনার — জান্নাতী শিফার অনুপ্রেরণার গল্প

স্বপ্ন ছিল নিজের পড়াশোনার খরচ নিজেই বহন করবেন। সেই স্বপ্ন পূরণের পথ খুঁজতে গিয়ে জান্নাতী শিফা একদিন ফেসবুকে দেখতে পান বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ – এর একটি পোস্ট—ASSET Project-এর আওতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণের নতুন সার্কুলার।

এক মুহূর্তও দেরি করেননি তিনি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কলেজে যোগাযোগ করেন, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন এবং Cycle-8 - এর IT Support Service অকুপেশনে প্রশিক্ষণের সুযোগ অর্জন করেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই হাতে-কলমে প্রশিক্ষণে তিনি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, আইটি সাপোর্ট, ডিজিটাল অফিস কার্যক্রম এবং ব্যবহারিক কম্পিউটার দক্ষতায় নিজেকে একজন দক্ষ প্রযুক্তিকর্মী হিসেবে গড়ে তোলেন। বাস্তবমুখী প্রশশিক্ষণই তাঁর আত্মবিশ্বাসকে পরিণত করে পেশাগত যোগ্যতায়।

অর্জিত সেই দক্ষতার স্বীকৃতি আসে খুব দ্রুতই। ১লা জুলাই ২০২৬ তিনি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর – এর আওতাধীন মহিলা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, বাগেরহাট – এ কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন ট্রেইনার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি মাসিক ১৫,০০০ টাকা বেতনে কর্মরত।

সবচেয়ে গর্বের বিষয় হলো - আজ তিনি শুধু নিজের পড়াশোনার খরচই বহন করছেন না, পরিবারের আর্থিক দায়িত্বেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। একজন শিক্ষার্থী থেকে একজন ট্রেইনার হয়ে ওঠার এই যাত্রা প্রমাণ করে, সঠিক সময়ে সঠিক দক্ষতা একজন তরুণীর জীবন বদলে দিতে পারে।

“Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation - ASSET Project আমাকে শুধু একটি কোর্স দেয়নি; দিয়েছে আত্মবিশ্বাস, পেশাগত পরিচয় এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি।”

জান্নাতী শিফার এই সাফল্যের পেছনে ASSET Project - এর বাস্তবমুখী দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম, বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ - এর মানসম্মত কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং প্রশিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কারিগরি শিক্ষা আজ প্রমাণ করছে—দক্ষ হাতে গড়ে ওঠে আত্মনির্ভর বাংলাদেশ।

**করব কাজ, গড়ব দেশ — সবার আগে বাংলাদেশ।**

#কারিগরি_শিক্ষা #দক্ষতা #আত্মকর্মসংস্থান

“দক্ষতার বীজ যেখানে রোপণ হয়, সেখানেই জন্ম নেয় একজন উদ্যোক্তা।”স্বপ্ন থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক — শেখ জসীমের সাফল্যের গল্পপ...
07/09/2026

“দক্ষতার বীজ যেখানে রোপণ হয়, সেখানেই জন্ম নেয় একজন উদ্যোক্তা।”
স্বপ্ন থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক — শেখ জসীমের সাফল্যের গল্প

প্রতিটি সফল প্রতিষ্ঠানের পেছনে থাকে একজন মানুষের সাহসী সিদ্ধান্ত। শেখ জসীম–এর গল্পটিও ঠিক তেমনই—যেখানে কারিগরি দক্ষতা একটি স্বপ্নকে রূপ দিয়েছে সফল উদ্যোক্তায়।

পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে তিনি বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ–এ ASSET Project-এর আওতায় IT Support Service (Level-3) কোর্সে ভর্তি হন। ০৮ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই হাতে-কলমে প্রশিক্ষণে তিনি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, আইটি সাপোর্ট, হার্ডওয়্যার, নেটওয়ার্কিং এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার বাস্তব দক্ষতা অর্জন করেন।

শুধু প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেই থেমে থাকেননি। তিনি NSDA Assessment-এ Competent হয়ে জাতীয় দক্ষতার স্বীকৃতিও অর্জন করেন—যা তাঁর আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ০১ জুন ২০২৬ তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জসীম আইটি এন্ড ট্রেনিং সেন্টার। আজ তিনি শুধু একজন উদ্যোক্তাই নন; তিনি নতুন প্রজন্মকে কম্পিউটার শিক্ষা ও আইটি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছেন। বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মাসিক প্রায় ৩৫,০০০ টাকা আয় করছেন এবং নিজের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছেন।

“ASSET Project আমাকে চাকরি খোঁজার মানুষ বানায়নি; আমাকে চাকরি সৃষ্টির সাহস দিয়েছে। আজ আমার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা দিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি।”

শেখ জসীমের এই সাফল্য প্রমাণ করে, কারিগরি শিক্ষা কেবল একটি সার্টিফিকেট নয়—এটি আত্মবিশ্বাস, কর্মদক্ষতা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার শক্তি। আর সেই শক্তির ভিত্তি গড়ে দিয়েছে ASSET Project ও বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ-এর বাস্তবমুখী ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা।

একজন প্রশিক্ষণার্থী থেকে একজন সফল প্রতিষ্ঠাতা—এটাই দক্ষতার প্রকৃত জয়গান।

করব কাজ, গড়ব দেশ — সবার আগে বাংলাদেশ।

#কারিগরি_শিক্ষা #দক্ষতা #উদ্যোক্তা

নবম শ্রেণির ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি-২০২৬
07/09/2026

নবম শ্রেণির ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি-২০২৬

আজকে বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে সৃজনশীলতা ও জ্ঞানচর্চার অনন্য আয়োজন দেয়ালিকা ‘মুক্তস্বর’-এর ফলক উন্মোচন ও ...
03/09/2026

আজকে বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে সৃজনশীলতা ও জ্ঞানচর্চার অনন্য আয়োজন দেয়ালিকা ‘মুক্তস্বর’-এর ফলক উন্মোচন ও শুভ উদ্বোধন করা হলো।

“দক্ষতা শেখা ছিল সিদ্ধান্ত, সফলতা হলো তার স্বাক্ষর।”কারিগরি শিক্ষায় বদলে যাওয়া জীবন — এমামুল হাসান দিদারের সাফল্যের গল্প...
01/09/2026

“দক্ষতা শেখা ছিল সিদ্ধান্ত, সফলতা হলো তার স্বাক্ষর।”

কারিগরি শিক্ষায় বদলে যাওয়া জীবন — এমামুল হাসান দিদারের সাফল্যের গল্প

একসময় একটি স্থায়ী চাকরির স্বপ্ন ছিল এমামুল হাসান দিদার – এর সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি বেছে নেন কারিগরি দক্ষতার পথ। আর সেই পথচলায় তাঁর সবচেয়ে বড় সহযাত্রী ছিল Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation - ASSET Project এবং বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।

২০২৪ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ASSET Project-এর আওতায় সাইকেল-৩ এর Computer Operation (লেভেল-৩) অকুপেশনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই হাতে-কলমে কোর্সে তিনি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ডকুমেন্ট প্রসেসিং, স্প্রেডশিট, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং ল্যাব পরিচালনার প্রয়োজনীয় বাস্তব দক্ষতা অর্জন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে NSDA Assessment - এ সফলভাবে Competent হয়ে জাতীয় দক্ষতার স্বীকৃতিও লাভ করেন।

অর্জিত দক্ষতার ফল খুব দ্রুতই আসে। ২১শে ডিসেম্বর ২০২৫ তিনি বাগেরহাট কামিল মাদ্রাসা - এ কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ১লা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তাঁর চাকরি MPO - ভুক্ত হয় (MPO Index: M0077574 | Pay Code: 16) বর্তমানে তিনি মাসিক ১৫,০০০ টাকার অধিক আয় করছেন এবং একটি সম্মানজনক পেশায় সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

দিদারের বিশ্বাস—

“ASSET Project আমাকে শুধু একটি কোর্স শেষ করার সুযোগ দেয়নি; এটি আমাকে আত্মবিশ্বাস, জাতীয় দক্ষতার স্বীকৃতি এবং একটি স্থায়ী কর্মজীবনের পথ দেখিয়েছে।”

এই সাফল্যের পেছনে বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ - এর মানসম্মত প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং ASSET Project - এর বাস্তবমুখী দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কারিগরি শিক্ষা প্রমাণ করেছে—সঠিক দক্ষতা অর্জন করলে একজন তরুণ শুধু চাকরি পায় না, নিজের ভবিষ্যতের ভিত্তিও দৃঢ়ভাবে গড়ে তুলতে পারে।

করব কাজ, গড়ব দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ।

#কারিগরি_শিক্ষা #দক্ষতা #কর্মসংস্থান

Address

Khanjahan Ali Road , Bagerhat Sadar, Bagerhat
Bagerhat
9300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bagerhat Technical School & College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Bagerhat Technical School & College:

Shortcuts

Share

Category