17/08/2025
শরৎ নয়, নীরবতা
— H 😊
শরৎ নয়, আমার আঙিনায় প্রথম নেমেছিল নীরবতা।
ভেবেছিলাম, সাদা কাশফুলের মতো কোনো আলো এসে
আঙুল ছুঁয়ে দেবে মন—
কিন্তু দরজা খুলে দেখি, দাঁড়িয়ে আছে
একটা অব্যক্ত দীর্ঘশ্বাস।
তার চোখে ছিল না মেঘের কোমলতা,
ছিল না বৃষ্টির স্বস্তি—
শুধু ছিল অচেনা এক শূন্যতা,
যা ধীরে ধীরে গিলে নিলো আমার সব ঋতু।
আমি তখন বুঝলাম,
নীরবতাও ঋতু হতে পারে—
যেখানে কোনো ফুল ফোটে না,
কোনো পাখি গান গায় না,
শুধু সময় জমে থাকে
এক অদেখা কুয়াশার ভেতর।
কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম,
কানে বাজছিল না কোনো শব্দ,
শুধু ছিল বাতাসের স্নিগ্ধ ছায়া,
যা আমার বুকের ভেতর
এক অনন্ত প্রশ্ন রেখে যায়।
আমি জানতে চেয়েছিলাম,
কেন শীতল বাতাসের মাঝেও
মাঝে মাঝে মনে হয়
কিছু হাত ছোঁয়নি, কিছু চোখ দেখা হয়নি—
যা থাকা উচিত ছিল
প্রকৃতির সব ঋতুর মতো।
শেষে বুঝি,
শুধু আমি নই—
নীরবতাও আসে, যায়,
আর সাথে নিয়ে আসে
সকল অসমাপ্ত স্বপ্নের গন্ধ।
শরৎ নয়,
কিন্তু এই নীরবতার মধ্যে
আমার অন্তরবৃত্তি ফোটে,
যেমন জমে থাকা বরফের নিচে
গোপন বসন্তের ফুল।
15/08/2025
নিঃশব্দের ভাষা
— মোঃ হিজবুল্লাহ
নিঃশব্দে ডুবে গেছে কথার নদী,
যেন সব শব্দ পাড়ি দিয়েছে
এক অনন্ত নির্বাসনে।
তারা লুকিয়ে আছে বুকের গভীরে,
কিন্তু আর সাহস করে
তোমার কানে পৌঁছাতে চায় না।
তুমি তাকাও অন্য আকাশে,
আমি তাকাই ভিন্ন নীলতায়।
আমাদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে
এক দীর্ঘ নীরবতা—
যার প্রতিটি ঢেউয়ে মিশে থাকে
হাজারো অসমাপ্ত স্বপ্ন
এবং অগণিত অভিমান।
কখনো ভেবে দেখি—
যদি এই নীরবতার অক্ষর তুমি পড়তে জানতে,
তবে কি তুমি শুনতে পেতে
আমার নীরব ভালোবাসা?
নাকি, সেটাও হারিয়ে যেত
তোমার অচেনা অবহেলার সমুদ্রে?
তবুও আমি নীরবতাকে আঁকড়ে ধরি,
কারণ এই নীরবতার ভেতরেই
তুমি আছো—
যদিও তুমি জানো না,
তুমি-ই আমার একমাত্র ভাষা।
20/12/2023
ইনকামের এমাউন্ট এর চেয়ে ইনকামের সোর্স খুব ইম্পর্টেন্ট।
আজ থেকে ত্রিশ বছর পর হয়তো বয়স হবে ষাট কিংবা সত্তর। বয়সের ভারে হয়তো শরীর নুয়ে পরবে।চোখের দৃষ্টি ক্ষিন হবে।শেষ নিশ্বাস চলে যাবে হয়তো কোনো এক মসজিদে সেজদায় নত অবস্তায় কিংবা আইসিওর বেডে নাকে নল আর অক্সিজেন লাগানো অবস্থায়।বাম কিংবা ডান পাশেই আজ্রাইল(আ:)বসে থাকবে।আদেশ আসতেই রুহ কবজ করবে।
সেদিন যখন পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখবে পুরা আমল নামায় শুধু পাপের ছাপ,আর সেই ছাপের পুরা দৈর্ঘ্য জুড়েই অবৈধ ইনকাম। চাইলেও মুখ দিয়ে কালেমার শব্দ বেরোবে না সেদিন।
কানাডা যাওয়ার পর জ্ঞান দেয়, আপনারা কেউ দেশ ছাইড়েন না।
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর বলে, চাকুরি নয়, স্বপ্নের পিছনে ছোটো।
কোটিপতি হওয়ার পর বলে, জীবনে টাকা পয়সাই সব না।
বিয়ের পর বলে, সিঙ্গেল লাইফ ইজ দ্যা বেস্ট।
এদের নামে থানায় কেস করা উচিত 😃
একটা চাকুরী মানে শুধুই চাকুরী না।
একটা চাকুরী মানে সারাজীবন কোন পথে চলবে তার সার্টিফিকেট।
বেসিনের টেপ আর টয়লেটের টেপের চেহারা একই রকম,পানির সোর্স ও একই।কিন্তু তারপর ও কেউ টয়লেটের টেপে মুখ ধোয় না।
টাকা আসলেই হল না।কোন পথে আসল সেটা অবশ্যই ম্যাটার করা উচিত।
©
20/11/2023
একটা ফাইনাল ম্যাচ খারাপ খেলে হেরে রানার্সআপ হওয়াতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত ভারতের ডমিন্যান্ট করে প্রতিটি ম্যাচ জয় করার গল্পগুলি আজকে রাতের পর থেকে ম্লান হয়ে গেছে।
স্লান হয়ে গেছে কোহলির সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড, মোহাম্মদ সামির ফিরে এসে দানবীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকার অথবা নিজের কথা ভুলে টিমম্যান হয়ে রোহিত শর্মার এট্যাকিং পাওয়ারপ্লে ব্যাটিং!
আজকে চারদিকে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার ভারত বধ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প! প্যাট কামিন্স, ট্রাভিস হেডদের গ্রুপ পর্বে স্ট্রাগল করে ভারতের মাটিতে সফল হওয়ার গল্পে বিভোর সবাই!
আমাদের জীবনটাও ঠিক এমনই। সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করে "সফলতা" নামক সোনার হরিনটি না পেলে আপনার সেই পরিশ্রমের গল্প কেও শুনবে না অথবা মনে রাখবে না, কারন আপনি ব্যর্থ।
অথচ একটু পিছিয়েও দিনশেষে আপনি সফল হলে আপনার সেই সফলতার গল্প শোনার লোকের অভাব হবে না! সেই সফলতায় ক্রেডিট নেয়ার লোকের অভাব হবে না!
দিনশেষে "সফলতা" ই এই দুনিয়ায় সবথেকে বড় সত্যি, সবার অর্জন! আর ব্যর্থতার দ্বায়ভার শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র আপনার
Collected
15/11/2023
আনুশকরা কখনই বিরাট কোহলিদের তৈরী করেনি।
প্রচণ্ড একাগ্রতা, পরিশ্রম আর অধ্যাবসায়ের মাধ্যমেই কেবল একজন বিরাট কোহলি হওয়া যায়, তখন আশেপাশে আনুশকাদের অভাব হয় না।
তবে কোন সফল পুরুষের পিছনে যদি কোন নারী থেকে থাকেন সেটা প্রায় সময়ই তার মা কিংবা খুবই সাদামাটা আটপৌরে একজন নারী যে কখনই "সফল হবে একদিন" এই কথা ভেবে পাশে থাকেনি।
ভালোবাসে বলেই থেকেছিলো, সাফল্য সেই ভালোবাসার একটা উপজাত মাত্র।
সফল পুরুষরা প্রায়ই মহাশূন্যের মত একা, ভয়ংকর রকম একাকিত্বের সাথে লড়াই করেই তাদের পৃথিবীর বুকে চিহ্ন আঁকতে হয়েছে।
~মোঃ আসিফ উর রহমান
30/09/2021
"কিছু মানুষ তোমাকে পছন্দ করে না। ব্যাপারটা এমন নয় যে তুমি তাঁর কোনো ক্ষতি করেছ। তবু তুমি তাঁর কাছে স্রেফ অপছন্দের মানুষ। তোমার হাঁটা-চলা, কথাবার্তা অনেকের কাছেই ভালো লাগবে না। কেউ হয়তো তোমাকে অপছন্দ করে, কারণ তুমি তাঁর চেয়ে ভালো কাজ জানো। তুমি জনপ্রিয়, তোমাকে লোকে পছন্দ করে, সেটাও অপছন্দনীয় হওয়ার কারণ হতে পারে। তোমার চুল তাঁর চেয়ে সামান্য বড় বা ছোট, তোমার গায়ের রং তাঁর চেয়ে খানিকটা উজ্জ্বল কিংবা অনুজ্জ্বল—হয়তো কারণটা এমন! কেবল কারও কোনো ক্ষতি করলেই তুমি তাঁর অপছন্দের পাত্র হবে, তা নয়। অপছন্দ-ব্যাপারটা আসে ঈর্ষাকাতরতা থেকে। মানুষের সহজাত চরিত্রেই এই অনুভূতির প্রভাব আছে..."
- মার্টিন লুথার কিং।
20/09/2021
এক বোতল পানির মূল্য সাধারণ দোকানে ১৫ টাকা।
ফাইভ ষ্টার হোটেলে ২০০ টাকা এবং এয়ারপোর্টের ভিতরে ৩০০ টাকা।
একই বোতল এবং একই ব্রান্ড। পরিবর্তন শুধু স্থানের। ভিন্ন ভিন্ন জায়গা সেই একই জিনিষের দাম পরিবর্তন করে দিয়েছে।
নিজেকে যদি কখনো মূল্যহীন মনে হয় তবে একই স্থানে না থেকে জায়গা পরিবর্তন করে দেখুন।
সাহস যোগাড় করে নিজের গন্ডি পরিবর্তন করে এমন স্থানে যান যেখানে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব প্রদান করে।
নিজেকে এমন কিছু মানুষের মাঝে নিয়ে যান যারা আপনার মুল্য বুঝে আপনার কাজে উৎসাহ প্রদান করে।
©
12/09/2021
“জীবন বাই সাইকেল চালানোর মত একটা ব্যাপার, পড়ে যেতে না চাইলে তোমাকে সামনে চলতে হবে।”
– আইনস্টাইন
10/09/2021
"লাইফে প্রবলেম আসাটা প্রবলেম না।
প্রবলেম হচ্ছে যে প্রবলেম আসলে তুমি সেটা কিভাবে ম্যানেজ করে নিচ্ছ নাকি তুমি একদম ঠুকে যাচ্ছ।
সেটাই ডিফারেন্স তৈরি করবে যে আসলে কারা শেষ পর্যন্ত উইনার হবে আর কারা অজুহাত খুজবে,,,
কেউ হয়তো তাদের একটি কেরিয়ার পাবে কেউ হচ্ছে কিছু অজুহাত পাবে।""
--jhankar mahbub vai.🥰🥰
05/09/2021
জীবন অনেক ছোট , আমরা শুধু শুধুই অন্যের জীবন নিয়ে আলোচনা , সমালোচনা করে আমাদের নিজেদের সময়টা নস্ট করি। যাকে ছোট করছি , আসলে সে ছোট হচ্ছে না, আপনার জীবন থেকেই কিছু সময় ছোট হচ্ছে। অন্যের জীবনে কি হচ্ছে , কেন হচ্ছে না ভেবে, নিজেকে ডেভলাপ করার চেস্টা করুন, তার সাথে যা হচ্ছে কাল যে আপনার সাথে হবে না , তার কোন গ্যারান্টি নেই ।
পরকালে যার যার হিসাব সে সেই দিবে , কেউ কারো দায়িত্ব নিবে না। বিশ্বাস করেন , একদিন আপনারই আপনার সকল কর্মের হিসাব দিতে হবে।
জীবন একটাই , সোসাল মিডিয়া এবং বাস্তব জীবনে অন্য কে বুলি করে সময় নস্ট করার মতো বোকামি আর কিছুতে নেই ।