"রোস্টারভুক্ত"—এক সময় গর্বের একটা শব্দ ছিল। আজ সেটা যেন শুধু বোবা এক প্রতীক্ষার নাম।
আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম—সেটা শুধুই নিজের ছিল না।
সেটা ছিল পরিবারের,
ভবিষ্যতের,
একটা সুন্দর আর নির্ভরযোগ্য জীবনের।
দিনরাত কষ্ট করে ভাষা শিখেছি,
ঘুম হারিয়ে বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টেছি।
প্রতিটি লটারি, প্রতিটি আবেদন ছিল জীবনের একেকটা যুদ্ধ।
কে যেন বলে দিয়েছিল—নাম উঠলেই সব বদলে যাবে।
এই স্বপ্নের পেছনে হেঁটে হেঁটে হারিয়েছি অনেক কিছু—
কারও মা গহনা বন্ধক রেখেছেন,
কারও বাবা শেষ গরুটা বিক্রি করেছেন,
কারও ছোট ভাইয়ের টিউশনের টাকাও EPS-এর নাম লিখে দিয়েছে।
কারও হাতছাড়া হয়েছে চাকরি,
কারও সুযোগ ছিল বিদেশে যাওয়ার—তা ফিরিয়ে দিয়েছে,
কারও ব্যবসার স্বপ্ন থেমে গেছে এই লাইনের আশায়।
আমরা জানি, আমরা মধ্যবিত্ত।
আমাদের স্বপ্ন সবসময় পরিবারের চারপাশে ঘোরে।
চেয়েছিলাম বাবাকে গর্ব করে বলতে বাবা আর তোমাকে কাজ করতে হবে না,
মায়ের ওষুধে যেন টাকার টান না পড়ে,
বোন যেন লেখাপড়া শেষ করতে পারে—ভালো ঘরে বিয়েও হয়,
ছোট ভাইয়ের শখ যেন একটিবারের জন্যও অপূর্ণ না থাকে।
আর আজ?
রোস্টারে থেকেও নিরব।
চারপাশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়—
"কি হলো, ভাই? কবে যাচ্ছেন?"
মা-বাবা ভরসায় ছিল, এখন জিজ্ঞেস করে—
"তুই তো পাস করছিলি, এখনও ডাক আসছে না কেন?"
চুপ করে থাকি।
কারণ, উত্তর আমাদের কাছেও নেই।
প্রতিবেশী কেউ কেউ টিটকারি করে,
তাও সহ্য করি।
কারণ ব্যাখ্যা করার ভাষাও এখন হারিয়ে গেছে।
আজ যারা রোস্টারে, তারা বোঝে—
পথটা বেশিরভাগের জন্য এবার থেমে যাচ্ছে।
ঘোষণা নেই, অভিযোগ নেই—
শুধু একটা চুপচাপ, হৃদয়বিদারক থেমে যাওয়া।
সব দরজা একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
ভবিষ্যতের নাম শুনলেই বুক ধড়ফড় করে ওঠে।
তবুও কাঁদি না।
চোখ ভিজে যায়, কেউ দেখার আগেই মুছে ফেলি।
কারণ এই কষ্ট কাউকে দেখানো চলে না।
এটা আমাদের হার না মানা স্বপ্নের যন্ত্রণা।
এটা কোনো অভিযোগ নয়।
এটা কিছু স্বপ্নভাঙা মানুষের নিঃশব্দ আর্তনাদ।
যাদের হাতে শুধু অপেক্ষা, আর হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা এক হাহাকার।
আমরা জানি, পরিশ্রম কম ছিল না।
হয়তো কপালটাই একটু দূরে ছিল।
তবুও এই ব্যথাগুলো—এই লেখার মধ্যে রেখে দিলাম।
হয়তো কেউ পড়বে, বুঝবে,
হয়তো কেউ নিজের হারানো গল্প খুঁজে পাবে।
---
Sristy korean language Center
কোরিয়ান ভাষা শিক্ষ্যা
এ বছরের ডিসেম্বরে অতিরিক্ত একটি এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যু হওয়ার কথা বলেছিলাম মনে আছে?
মালিকেদের আবেদনঃ ২রা ডিসেম্বর থেকে ৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত
মালিকদের রেজাল্টঃ ১৯শে ডিসেম্বর
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যুর ডেটঃ ২০শে ডিসেম্বর টু ২৪ শে ডিসেম্বর(ম্যানুফ্যাকচারিং ও শিপবিল্ডিং)
মৎস্য ও নির্মাণ খাতঃ ২৬শে ডিসেম্বর টু ৩১শে ডিসেম্বর।
১৬ টি দেশের কতজনের কোটা সেটা এখনও প্রকাশ পায় নি।
©Asaduzzaman Asad ভাই
৪র্থ পর্ব ইস্যুঃ
(ম্যানুফ্যাকচারিং) লোক নিবে ২০,১৩৪ জন।ইস্যু হবে ০৫/১১/২৪ থেকে ০৮/১১/২৪ ইং
10/04/2024
সৃষ্টি কোরিয়ান ভাষায় কোচিং সেন্টারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক।
19/03/2024
আলহামদুলিল্লাহ আজকে জেনারেল ইপিএস টপিক ইউবিটি পরিক্ষায় ১ম সেশনে মো: সাইফুল ইসলাম (৮৭.৭) ১৭৫ পেয়েছে। সৃষ্টি কোরিয়ান ভাষায় কোচিং সেন্টারে পক্ষ থেকে সাইফুলকে জানায় অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
আলহামদুলিল্লাহ ২০২৪-এ ইপিএস কর্মী গ্রহণের বার্ষিক কোটা ১০৭০৫ জন (শিল্পখাতে ৭৪৬৫, মৎস্য খাতে ১৮৭৭, কনস্ট্রাকশন খাতে ১০৫৯ এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ৩০৪)। ইপিএস-এ প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া ও রোস্টারে সময় লাগে ন্যূনতম ৬-৯ মাস বিধায় ২০২৪ নির্বাচন কার্যক্রম শিঘ্রই শুরু হবে। উক্ত কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে। প্রস্তুতি শেষে বোয়েসেল এর ওয়েবসাইট ও এ পেইজে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেয়া হলো।
16/01/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Bagerhat Town
9300
27/08/2023