বিশ্ব বিচিত্রা

বিশ্ব বিচিত্রা

Share

নিত্য নতুন তথ্য ও বিচিত্র সব উপাত্ত এব

23/02/2026
30/12/2025

মানুষের মুখে স্বাভাবিকভাবে ৩২ টি দাঁত থাকে, কিন্তু ভারতে এক কিশোরের মুখ থেকে অপারেশনের মাধ্যমে ৫২৬ টি দাঁত পাওয়া গিয়েছিল।
২০১৯ সালে তামিলনাড়ুর ৭ বছর বয়সী, এক শিশুর চোয়ালের ফোলাভাব নিয়ে হাসপাতালে যায়। ব্যথা না থাকলেও মুখের এক পাশ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছিল।এক্স রে ও স্ক্যানে দেখা যায়, চোয়ালের ভেতরে অসংখ্য ছোট দাঁতের মতো গঠন,যা হাইপারডনশিয়া নামে পরিচিত।চিকিৎসকেরা পরে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
হাইপারডনশিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে বেশি দাঁত তৈরি হয়। এই অতিরিক্ত দাঁত অনেক সময় মাড়ির ভেতরে লুকিয়ে থাকে এবং বাইরে থেকে বোঝা যায় না।
চেন্নাইয়ের Saveetha Dental College and Hospital এ মোট ৫২৬ টি দাঁত ও দাঁতের মতো গঠন দীর্ঘ অপারেশনের মাধ্যমে বের করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, এটি হাইপারডনশিয়ার চরম ও বিরল রূপ।দাঁতগুলো ওডোন্টোমা নামের একটি টিউমারের ভেতরে ছিল।
অপারেশনের পর কিশোরটি সুস্থ হয়ে ওঠে।এই ঘটনাটি এখন পর্যন্ত মানুষের শরীরে পাওয়া সবচেয়ে বেশি দাঁতের রেকর্ড।
তাইয়েবুন নেছা..
সাইকোলজি এবং বিজ্ঞানের অজানা তথ্য
Mind & Science Zone

29/12/2025

হাদি চত্বর থেকে যুবককে পি'. স্তলসহ আটক করেছে পুলিশ

29/12/2025

বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে

29/12/2025

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন আসিফ মাহমুদ,,,

29/12/2025

মৃত্যুর পর পাকস্থলী নিজেকে নিজে হজম করতে শুরু করে। এটি অটোলাইসিস বা স্ব-পাচন নামে পরিচিত। স্বাভাবিক অবস্থায় যে পাচক এনজাইম এবং অ্যাসিড খাবার হজম করে, শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়লে সেগুলোই পাকস্থলীর আস্তরণকে আক্রমণ করতে শুরু করে। মৃত্যুর ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাকস্থলীর আস্তরণ ভেঙে যেতে থাকে। পেপসিন, লাইপেজ এবং হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের মতো শক্তিশালী উপাদানগুলো—যা সাধারণত শ্লেষ্মা বা মিউকাস স্তরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত থাকে, তা পাকস্থলীর দেয়ালকেই হজম করা শুরু করে। এটি ময়নাতদন্তের সময় ফরেনসিক প্যাথলজিস্টদের মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করে, যদিও এটি পাকস্থলীর আগের কোনো রোগ বা আঘাত শনাক্ত করা কঠিন করে তোলে।
​জীবিত অবস্থায় পাকস্থলী কয়েকটি পদ্ধতিতে নিজেকে রক্ষা করে:
⏭️ ​মিউকাস স্তর: পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটি পুরু শ্লেষ্মার আস্তরণ থাকে।
⏭️​ কোষের দ্রুত পুনর্গঠন: ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো প্রতি কয়েকদিন অন্তর অন্তর নতুন কোষ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
⏭️​ বাইকার্বনেট নিঃসরণ: এটি টিস্যুর উপরিভাগের অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
⏭️ ​এনজাইম নিয়ন্ত্রণ: পাচক এনজাইমগুলো কেবল নির্দিষ্ট সময়েই সক্রিয় হয়।
​মৃত্যুর পর এই সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। মিউকাস তৈরি হওয়া থেমে যায়, কোষের পুনর্গঠন বন্ধ হয় এবং রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হওয়ার কারণে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কোনো প্রতিরক্ষা না থাকায়, পাকস্থলীর নিজস্ব পাচক রস অরক্ষিত টিস্যুগুলোকে আক্রমণ করতে শুরু করে।
​গ্যাস্ট্রিক অটোলাইসিসের গতি বেশ কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে:
১. অ্যাসিডের ঘনত্ব: মৃত্যুর সময় পাকস্থলীতে খাবারের পরিমাণ বেশি থাকলে অ্যাসিডও বেশি থাকে।
২. পরিবেশের তাপমাত্রা: উষ্ণ আবহাওয়া পচন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
৩. ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব: মৃত্যুর পর পেটের ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং টিস্যু ভাঙতে সাহায্য করে।
​অনেক ক্ষেত্রে, মৃত্যুর পর পাকস্থলীতে ছিদ্র পর্যন্ত তৈরি হতে পারে। এটি ফরেনসিক তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে পারে যে, ছিদ্রটি কি মৃত্যুর আগে হয়েছিল নাকি পরে।
​এই স্ব-পাচন প্রক্রিয়ার কারণেই মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য এমবামিং ফ্লুইড (Embalming fluid) প্রয়োজন হয়। এটি এনজাইমগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে পচন রোধ করে। সংরক্ষণ করা না হলে শরীরের সব অঙ্গই অটোলাইসিসের শিকার হয়, তবে পাকস্থলী এবং অগ্ন্যাশয় সবচেয়ে দ্রুত তরল হয়ে যায় কারণ এগুলোতে শক্তিশালী পাচক এনজাইম থাকে।
​এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, আমাদের পাচক রস কতটা ক্ষয়কারী। পাকস্থলীতে এমন অ্যাসিড থাকে যা ধাতু গলিয়ে ফেলতে পারে এবং এমন এনজাইম থাকে যা কঠিনতম প্রোটিনকেও ভেঙে ফেলে। আমরা মূলত আমাদের শরীরে একটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী তরলের আধার বহন করছি যা সব সময় তার সংস্পর্শে আসা বস্তুগুলোকে (এমনকি আধারটিকেও) হজম করার চেষ্টা করছে। কেবল জীবিত কোষের সক্রিয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমাদের বেঁচে থাকা অবস্থায় পাকস্থলীকে নিজেকে হজম করা থেকে রক্ষা করে। মৃত্যুর সাথে সাথে সেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে যায় এবং অনিবার্যভাবে পাকস্থলীর ধ্বংস শুরু হয়।

SOURCE: Forensic pathology research on post-mortem autolysis and gastric decomposition studies
স্পার্কিং শাইন অব ক্রিয়েশান

28/12/2025

প্রথম বারের মতো বাংলাদেশের প্রতিবাদ

28/12/2025

সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় এইচ. বিনোথ পরিচালিত ‘জানা নায়াগান’ ছবির গানমুক্তির অনুষ্ঠানে মঞ্চে দাঁড়িয়েই অবসরের ঘোষণা দেন থালাপতি বিজয়। এ কারণে ‘জানা নায়াগান’ই হতে যাচ্ছে তার অভিনীত শেষ সিনেমা।

Want your school to be the top-listed School/college in Badda?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Badda