01/05/2023
ভাগ্য সহায় থাকলে বাংলার এ নোট থেকে ভর্তি পরীক্ষায় ৩/৪ টা প্রশ্ন হুবহু কমন পাবেন ইনশাআল্লাহ।
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো প্রায় সবাই পারেন;তারপরও পরীক্ষার হলে যাদের হঠাৎ মনে আসে না>>>>তাদের জন্য সহজে উপায়ে মনে রাখার বিশেষ কৌশল।
।
।
।
।
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধিঃ
।
।
টেকনিক>> মাগো অনন্যার পোশাকটা তো সুন্দর!
ব্যাখ্যাঃ
মা>মার্তণ্ড, গো>গবাক্ষ
অনন্যা>অন্যান্য
পোশাক>পো-প্রৌঢ়,শা-শুদ্ধোদন,
ক-কুলটা
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনধ্বনি :
।
টেকনিক>>আম পাতা জোড়া জোড়া, বনে গেলে-এ আম পাবা।
ব্যাখ্যাঃ
আম>আ-আশ্চর্য,ম-মনীষা
পাতা>পা-পতঞ্জলি,তা-তস্কর
জোড়া>ষোড়শ
বনে>বনস্পতি, বৃহস্পতি
গেলে-এ>গে-গোষ্পদ, এ-একাদশ।
।
।
বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিগুলো মনে রাখবেন যেভাবেঃ
বাংলাদেশে সংস্কৃতির উত্থান পরিষ্কার করতে হবে।
ব্যাখ্যাঃ
সংস্কৃতির>সংস্কৃত,সংস্কার
উত্থান>উত্থাপন,উত্থান
পরিষ্কার
।
।
পরীক্ষার হলে 'মিশ্র শব্দ' নিয়ে যাদের
মগবাজার ও মৌচাকের জ্যামের মতো যে জট
লাগে।সে জটকে এক তুড়ি মেরে
উড়িয়ে দিন
।
।
।
মিশ্র শব্দ শেখার টেকনিক সমূহ:
রাজা-বাদশা=(তৎসম+ ফারসি) নিয়ে গঠিত।
টেকনিক:রাজা-বাদশার তফাত নেই।
ব্যাখ্যা: তফাত> ত-তৎসম;ফা- ফারসি।
হাট-বাজার=বাংলা+ফারসি।
টেকনিক: সবকিছুই হাট-বাজারে ফাবা।
ব্যাখ্যা:ফাবা>ফা=ফারসি; বা=বাংলা।
হেড-মৌলভী=ইংরেজি+ ফারসি।
টেকনিক: বিয়ে করার জন্য হেড মৌলভী ফাই
কই।
ব্যাখ্যা:ফাই> ফা=ফারসি; ই=ইংরেজি।
খ্রিস্টাব্দ=ইংরেজি+তৎসম।
টেকনিক: খ্রিস্টাব্দরা ইতর না।
ব্যাখ্যা:ইতর> ই= ইংরেজি; ত=তৎসম।
চৌহদ্দি =ফারসি +আরবি।
টেকনিক: আফা ঘরের চৌহদ্দি পার হবা না।
ব্যাখ্যা: আফা> আ=আরবি ফা= ফারসি।
।
।
।
যৌগিক শব্দ শেখার টেকনিক:
গায়কের কর্তব্য হচ্ছে মধুর সুরে গান
করা,বাবুয়ানা ও দৌহিত্রের কাজ শুধু চিকামারা।
ব্যাখ্যা: গায়ক,কর্তব্য, বাবুয়ানা,মধুর,দৌহিত্র,চিকামারা।
অর্থাৎ, উল্লিখিত শব্দগুলো যৌগিক শব্দ
যোগরূঢ় শব্দ শেখার টেকনিক:
পঙ্কজ,রাজপুত্রকে নিয়ে মহাযাত্রায় জলদি পার
হলো।
ব্যাখ্যা:পঙ্কজ,রাজপুত্র,মহাযাত্রা,জলধি।
অর্থাৎ, উল্লিখিত শব্দগুলো যৌগরূঢ় শব্দ
।
।
।
ফারসি উপসর্গ শেখার টেকনিক:
নিমের দর কম তাই বদ কার ব্যক্তিরা ব্যবসায়
করতে দেশে ফিব্ বে না।
:
ব্যাখ্যা:নিম,দর,কম,বদ,কার,ফি,ব,বে,না।
আরবি উপসর্গ শেখার টেকনিক:
বাজে আম খাস লা গরমিল হবে।
ব্যাখ্যা: আম,খাস,লা,গর।
।
নিম্নোক্ত মাত্র এ একটি লাইন মনে রাখতে পারলেই সন্ধি বিচ্ছেদের "বিসর্গ সন্ধিতে" আপনার আর কখনোই কনফিউশন হবে না এবং থাকবে না।
কারণ,এই একটা লাইনেই বিসর্গ সন্ধির সব নিয়ম কানুন পেয়ে যাবেন।
।
#রোপার_কথা_বলার_সাহস_শেষ!
রোপার>>র ও ো-কার অর্থাৎ,কোনো সন্ধিবদ্ধ শব্দে ো-কার ও র থাকলে প্রদত্ত শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করতে ঃ(বিসর্গ) হবে।
ো-কার এর কিছু উদা.
ততোধিক; শব্দটিতে ো-কার আছে,তাহলে এর সন্ধিবিচ্ছেদ হবে—ততঃ+অধিক=ততোধিক
তপোবন;শব্দটিতেও ো-কার আছে,তাহলে এর সন্ধিবিচ্ছেদ হবে—তপঃ+বন=তপোবন
সহজে বোঝার জন্য আরও কিছু উদা.
তিরোধান=তিরঃ+ধান
মনোরম=মনঃ+রম
মনঃ+হর=মনোহর
র আর রেফ থাকলে;অর্থাৎ,রেফও 'র' এর মতো কাজ করে।মানে,কোনো সন্ধিবদ্ধ শব্দে র ও রেফ থাকলে প্রদত্ত শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করতে ঃ(বিসর্গ) হবে।
র-এর কিছু উদা.
নিরাকার=নিঃ+আকার
নীরব=নিঃ+রব
নীরস=নিঃ+রস
রেফ-এর কিছু উদা.
দুর্যোগ= দুঃ+যোগ
আশীর্বাদ=আশীঃ+বাদ
রোপার কথা অর্থাৎ,প ও ক থাকলে সন্ধিবদ্ধ শব্দটিকে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে ঃ(বিসর্গ) দিতে হবে।
প-এর কিছু উদা.
নিঃ+পাপ=নিষ্পাপ
দুষ্প্রাপ্য=দুঃ+প্রাপ্য
ক-এর কিছু উদা.
নিষ্কর=নিঃ+কর
দুষ্কর=দুঃ+কর
সাহস অর্থাৎ,সন্ধিবদ্ধ শব্দে স ও হ থাকলে,সন্ধিবিচ্ছেদ করতে ঃ(বিসর্গ) দিতে হবে।
স-এর কিছু উদা.
বাচঃপতি=বাচস্পতি
ভাস্কর=ভাঃ+কর
হ-এর কিছু উদা.
অহঃ+অহ=অহরহ
অহর্নিশ=অহঃ+নিশা
শেষ অর্থাৎ, সন্ধিবদ্ধ শব্দে শ ও ষ থাকলে,সন্ধিবিচ্ছেদ করতে ঃ(বিসর্গ) দিতে হবে।
শ-এর কিছু উদা.
নিশ্চয়=নিঃ+চয়
দুঃ+শাসন=দুঃশাসন
ষ-এর কিছু উদা.
নিষ্ঠুর=নিঃ+ঠুর
ধনুষ্টঙ্কার=ধনুঃ+টঙ্কার
।
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতিতে যারা হঠাৎ সমাস নির্ণয়ে গুলিয়ে ফেলেন—আশা রাখছি,নোটটি আপনাকে খুব সহজে উপযুক্ত সমাস নির্ণয়ে ব্যাপকভাবে সহায়তা করবে।
Headed by,
Ekarash Chowdhury Ekram
# ুরুষ_সমাস:
এক কথায় প্রকাশ দিয়ে যত শব্দ থাকবে তা উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
উদা.
জলে চরে যা-জলচর
জল দেয় যে-জলদ
পঙ্কে(কাঁদায়)জন্মে যা-পঙ্কজ
ছা দিয়ে পোষা-ছা-পোষা
ছাই থেকে উৎপন্ন যে পোকা-ছারপোকা.
ধামাধরা-ধামা ধরে যে
বর্ণ লুকায় যে চোর-বর্ণচোরা