05/11/2022
জানার জন্য আমরা সব বিষয়ে কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করি। কিন্তু দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে কিছু জানারও চেষ্টা করি না। জানাটাকে জরুরিও মনে করি না। আর যা জানার তা ভুল জায়গা থেকে জেনে নিই।
এই বইয়ে দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে কিছু বিষয় আলোচিত হয়েছে।
বই: স্বামী স্ত্রীর অন্তরঙ্গ সম্পর্কের বিধি পিডিএফ pdf
লিংক কমেন্ট বক্সে।
29/04/2020
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখনিঃসৃত পবিত্র বাণিকে বলা হয় হাদিস। হাদিস খুব স্পর্শকাতর বিষয়। একটি হাদিস সহিহ এবং গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য অনেক শর্তাবলি রয়েছে। কেউ যেমন কোনো কথা বা উক্তিকে হাদিসের ট্যাগ লাগালে সেটা হাদিস হয়ে যায় না; তেমনই কোনো হাদিস প্রচার করার আগে আমাদের অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে হাদিসটির উৎসস্থল কোথায়? কোন কিতাব বা কোন হাদিস-গ্রন্থে হাদিসটির উল্লেখ রয়েছে? সবকিছু ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে তবেই হাদিসটি প্রচার করতে হবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত
كَفَى بالمَرْءِ كَذِبًا أنْ يُحَدِّثَ بكُلِّ ما سَمِعَ
অর্থ- মানুষের মিথ্যুক হওয়ার জন্য যথেষ্ট হলো, যা সে শুনে তা ( কোনো সত্য কি মিথ্যা যাচাই-বাছাই না করে) বলে বেড়ানো।
( মুসলিম শরীফ, খণ্ড-০১ হাদিস নং ০৫)
আল্লাহ আমাদের সঠিক বিষয়টি বোঝার তাওফিক দান করুন। আমিন।
29/04/2020
মহিলাদের এক মাসে দুইবার ঋতুস্রাব হলে করণীয়:
দুই হায়জের মধ্যবর্তী পবিত্রতার সর্বনিম্ন সময় হলো ১৫ দিন। যদি কোনো মেয়ের এক মাসের মধ্যে দুইবার হায়জ এসে যায়, তাহলে দেখতে হবে দুই হায়জের মাঝখানে পবিত্রতার সময় কতটুকু। যদি ১৫ দিন বা তার থেকে বেশি হয়, তাহলে তা হায়জ হিসেবে গণ্য হবে।
আর যদি ১৫ দিন থেকে কম হয়, তখন মেয়েটির প্রতিমাসে স্বাভাবিক নিয়মে যতদিন হায়জ আসতো ততদিনগুলো হায়জ হিসেবে ধরা হবে। আর বাকি সময়গুলো ইস্তিহাযা হিসেবে গণ্য হবে।
ইস্তিহাযার সময় (রক্ত প্রবাহিত হওয়া অবস্থায়ও) নামাজ, রোজা, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদত করতে পারবে।
প্রত্যেক ফরজের জন্য অযু করবে। তারপর নামাজ, রোজা, তেলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদত করবে।
রেফারেন্সঃ
ফতওয়া শামিঃ খণ্ড ১, পৃ ২৯০
ولو رأت المعتادة قبل عادتها يوما دما وعشرة طهرا ويوما دما، فالعشرة التي لم تر فيها الدم حيض إن كان عادتها العشرة، فإن كانت أقل ردت إلي أيامها.
যে মেয়ের প্রতি মাসে মাসিক আসার স্বাভাবিক নিয়ম রয়েছে, তার যদি স্বাভাবিক নিয়মের পূর্বে ১ দিন রক্ত, ১০ দিন পবিত্রতা, আবার ১ দিন রক্ত আসে, তাহলে যদি তার স্বাভাবিক মাসিকের সময় ১০ দিন হয়ে থাকে, তাহলে যে ১০ দিনে রক্ত দেখা যায়নি ওইদিনগুলোও মাসিক হিসেবে গণ্য হবে।
আর যদি তার মাসিকের স্বাভাবিক নিয়ম ১০ দিন থেকে কম হয়, তাহলে তার স্বাভাবিক মাসিকের দিনগুলো হায়জ হবে আর বাকি সময়গুলো ইস্তিহাযা।
শারহুল বেকায়াঃ ১/ ১২০
ثم بين حكم الإستحاضة فقال: لا تمنع صلاة وصوما .... يتوضأ لوقت كل فرض.
ইস্তিহাযার হুকুম হলো, ওই সময় নামাজ, রোজা ইত্যাদি ইবাদত করবে পারবে।
প্রত্যেক ফরজের জন্য অযু করবে।
গ্রন্থনায়
#মুনির_রাইয়ান
14/02/2017
ছড়াংশ:-১৪
-----------------
মুনিরুল্লাহ রাইয়ান
ওই হাঁদারাম! অমন করে
কেনো আমায় দৌড়ালি,
দ্যাখ না কেমন মচকে গেছে
ডান পাটার গোড়ালি।
14/02/2017
ছড়াংশ:-১৩
---------------
মুনিরুল্লাহ রাইয়ান
ভালোবাসি অনেক বেশি
জানো আমি তোমাকে,
কিন্তু অনেক ঘৃণা করি
বিয়ের আগে চুমাকে।
14/02/2017
#ছড়াংশ:-১১
----------------
মুনিরুল্লাহ রাইয়ান
ভালোবাসার দিনে
একটা গোলাব কিনে
দেয়ার মত নেই নেই নেই কেউ,
মন সাগরে উথালপাতাল ভালোবাসার ঢেউ।
13/02/2017
#ছড়াংশ:-১০
------------------
মুনিরুল্লাহ রাইয়ান
প্রেম সাগরে সাঁতার কাটি
পাই না খুঁজে কূল,
তোমায় আমার ভালোবাসা
মস্ত বড় ভুল।
13/02/2017
#ছড়াংশ:-০৯
------------------
মুনিরুল্লাহ রাইয়ান
আজ এখানে আছি তবে
কাল এখানে থাকবো না,
আজ তোমাকে ডাকছি তবে
কাল তোমাকে ডাকবো না।
13/02/2017
#ছড়াংশ:-০৮
মুনিরুল্লাহ রাইয়ান
পড়তে আমি চাই না তবু
আমার অনেক পড়তে হয়,
চাই না আমি করতে কিছু
তবু অনেক করতে হয়।