Akkelpur Govt. F U Pilot High School

Akkelpur Govt. F U Pilot High School

Share

আক্কেলপুর এফ. ইউ. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
?

আদিকথা আক্কেলপুর এফ ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

তৎকালীন বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানার অধীনআক্কেলপুর একটি বর্ধিষ্ণু বাণিজ্য পল্লী হিসেবে এএলাকায় পরিচিত ছিল। ১৯৪০ সালে তুলশীগংগা নদীর অপর তীরের সোনামুখী তখন রমরমা বন্দর। সাপ্তাহিক হাট বসতো রোববার, শোনা যায় শনিবার দুপুরের পরপরই হাট লেগে যেতো। বিভিন্ন এলাকার হাটুরেদের আনাগোনায় ভারী হয়ে ওঠতো গঞ্জের বাতাস।

এই সোনামুখীতে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৬ সালে। এইএলাকার ম

10/07/2025

🌟 SSC 2025 ফলাফল ঘোষণা! 🌟

আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদের প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আক্কেলপুর সরকারি ফজর উদ্দিন (এফ.ইউ) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN: 121770)-এর এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

📌 মোট পরীক্ষার্থী: ১২১ জন
📌 উত্তীর্ণ: ১১৩ জন
📌 পাসের হার: ৯৩.৩৯%
📌 জিপিএ-৫: ৪৯ জন

বিভাগভিত্তিক ফলাফল:
📚 মানবিক বিভাগ থেকে পাস: ১ জন
🔬 বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস: ১১২ জন
⚠️ অকৃতকার্য: ৮ জন

✅ আমাদের স্কুলের এই সফলতায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিনন্দন ও শুভকামনা।
এই সাফল্য আগামীতেও যেন অব্যাহত থাকে।

12/05/2024

আক্কেলপুর উপজেলার সকল স্কুলের এস,এস,সি রেজাল্টের ফলাফল

Photos from Akkelpur Govt. F U Pilot High School's post 28/07/2023

এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আক্কেলপুর সরকারি ফজর উদ্দীন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪৬ জন শিক্ষার্থী। সকলের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল, আমিন।

19/03/2023

একটা টিউশনি করবে?
: কোথায়?
: ষোলশহর।
: ছাত্র না ছাত্রী?
: ছাত্র।অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।
: ছাত্র পড়াব না।
: বিরাট পুলিশ অফিসারের ছেলে। বাবা ডিআইজি। ভালো বেতন দেবে। ভালো নাস্তা পাবে। আরে এতো বড়ো পুলিশের ঝাড়ুদার হতে পারাও ভাগ্যের। সুপারিশে চাকরিও হয়ে যেতে পারে। দুদিন পর আইজিপি হবেন।
টিউশনি শুধু টাকা নয়, টাকার চেয়ে বড়ো কিছু। এটি বিসিএস-প্রস্তুতির একটি মোক্ষম কৌশল, টাকা তো আছেই। রাজি হয়ে যাই রাজীবের প্রস্তাবে।
রাজীব বলল : বেতন মাসে আটশ টাকা।
সে সময় আটশ অনেক মোটা অঙ্কের টাকা। এত আকর্ষণীয় বেতনের টিউশনিটা রাজীব নিজে না-করে কেন যে আমাকে দিচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না। কিছু সমস্যা তো আছেই!
: তুমি করছ না কেন?
: আমার সময় নেই।
ডিআইজি সাহেবের ছেলের নাম ওমর। ফর্সা, তবে ধবধবে নয় কিন্তু বেশ মায়াময়। বিশাল বাসা, বারান্দায় দামি ফুলের টব। চারিদিকে সমৃদ্ধির ছড়াছড়ি। রাজীব আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে চলে গেল।
ওমর সালাম দিয়ে বলল : স্যার, বিড়াল প্রথম রাতেই মেরে ফেলা উচিত। আমার কথা নয়, আমার ডিআইজি বাবার কথা, ঠিক না?
: ঠিক। কিন্তু বিড়াল কোথায়?
: আছে স্যার, আছে। অনেক বড়ো বিড়াল।
: আমি বিড়াল মারব কেন?
: একটা কথা বলব?
: বলো।
: আগের কথা আগে বলে দেওয়া ভালো। রাখলে আমারও লাভ আপনারও লাভ। নইলে দুজনেরই ক্ষতি। আমি চাই না আপনার ক্ষতি হোক।
: কী কথা বলে ফেল।
ওমর বলল : আপনার বেতনের চল্লিশ পার্সেন্ট আমাকে দিয়ে দিতে হবে। আপনার বেতন আটশ টাকা। চল্লিশ পার্সেন্টে হয় তিনশ বিশ টাকা। তবে আমাকে তিনশ টাকা দিলেই হবে, বিশ টাকা আপনার বখশিস। কী বলেন স্যার?
প্রথমে মাথাটা ঝিম ঝিম করে ওঠে। ইচ্ছে করছিল ঘুরিয়ে একটা চড় দিই। হাত এগিয়ে নিয়েই থামিয়ে ফেলি। মুহূর্তের মধ্যে স্বাভাবিক করে ফেলি নিজেকে। তারপর সহজ গলায় আদর মেখে বললাম : কম নেবে কেন বাবা?
: এমনি।
: না, আমি পুরো তিনশ বিশ টাকাই দেব।
: তাহলে স্যার ভাংতি দিতে হবে। আমি একশ টাকার নিচে ভাংতি রাখি না।
: তাই হবে।
বিচিত্র অভিজ্ঞতার আশায় আমার মনটা ফুরফুরে হয়ে ওঠে। মজার হবে টিউশনিটা, দেখি কতদূর যেতে পারে ওমর। মাস শেষ হওয়ার কয়েক দিন আগে আমি একটি খামে করে তিনশ বিশ টাকা ওমরের হাতে তুলে দিই।
ওমর যথাসময়ে টাকা পেয়ে খুশি।
হাসি দিয়ে বলল : স্যার, আপনি খুব ভালো মানুষ।
আমি বললাম : তুমি আমার কাছ থেকে শিখছ আর আমি শিখছি তোমার কাছ থেকে। পরস্পরের বেতন যথাসময়ে দিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে শ্রমের মর্যাদা মাসের প্রথমদিকে হাসার সুযোগ পায়।
ওমর বলল : থ্যাংক ইউ স্যার। সব মানুষ যদি আপনার মতো হতো!
চার মাস পর ডিআইজি সাহেব পড়ার রুমে এলেন। এতদিন তাকে একবারও দেখিনি, বেশ গম্ভীর চেহারা, দেখলে সমীহ আসে। চোখের চশমায়, দামটা পুলিশের পোশাকের মতো ঝিলিক মারছে, হাতের ঘড়িতে আরও বেশি।তিনি ওমরের একটি খাতা হাতে তুলে নিয়ে দেখতে দেখতে বললেন : মাস্টার সাহেব, আপনার বেতন চারশ টাকা বাড়িয়ে দিলাম।
: কেন স্যার?
আমরা পুলিশের লোক। গুণীর কদর করতে জানি। এ পর্যন্ত কোনো শিক্ষক আমার ছেলের কাছে দুই মাসের বেশি টিকেনি। প্রত্যেকে আমার ছেলেটাকে বকা দিয়েছে, মেরেছে, অশ্রাব্য কথা বলেছে। ছেলে কেবল আপনারই প্রশংসা করেছে। আপনি নাকি অনেক ভালো পড়ান।
তিনি একটা কলম ও একটা ডায়েরি আমার হাতে দিয়ে বলেন : এগুলোর আপনার উপহার।
: থ্যাংক ইউ স্যার।
কলমটা ছিল সম্ভবত পার্কার। তখন তো আর মোবাইল ছিল না, ওই সময় পার্কার ছিল আমাদের কাছে স্মার্ট ফোনের মতো লোভনীয়।
ডিআইজি সাহেবে চলে যেতে ওমর বলল : স্যার।
তুমি কী কলম আর ডায়েরি হতেও ভাগ চাইছ?
ওমর হেসে বলল : না স্যার। বস্তুতে আমার আগ্রহ নেই। টাকা হলে সব বস্তু পাওয়া যায়।
: তবে?
: আমার পাওনা এখন চারশ আশি টাকা। আমি আশি টাকা নেব না, একশ টাকা নেব। তার মানে পাঁচশ টাকা।
: ঠিক আছে। খুব বেশি না হলে আমার বেশি দিতে কষ্ট লাগে না। তুমি আমার শিক্ষক, তোমাকে বিশ টাকা বেশি দিতে না-পারলে আমার জ্ঞান অর্জন হবে কীভাবে?
ওমরের হাসিটা আরও বিস্তৃত হলো। কমিশন নিলেও পড়াপাড়ি বেশ ভালোই হচ্ছে।আরও তিনি মাস কেটে যায়। এরমধ্যে, আমার বেতন আরও দুইশ টাকা বেড়ে গেছে। ওমরকে এখন টাকা দিতে কষ্ট হচ্ছে না। জীবনে প্রথম শেখলাম-- দেওয়া- নেওয়ার মাহাত্ম্য। ওমর একটা জীবন্ত স্মার্ট ফোন।
সেদিন বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। ওমরকে অন্যদিনের চেয়ে বেশ আনমনা মনে হচ্ছে।
বললাম : কী হয়েছে?
: স্যার, আমাকে একটা কাজ করে দিতে হবে।
: কী কাজ?
: একটা চিঠি লিখে দিতে হবে।
: চিঠি তো লিখেই দিই।
: স্কুলের চিঠি নয়।
: কোন চিঠি?
: আমার প্রেমিকা, সরি স্যার বান্ধবীকে দেওয়ার জন্য।
: কী লিখব?
: আপনার মতো করে আপনি লিখে দেবেন। আমি তাকে ভালোবাসি। তাকে না- দেখলে বুকটা কেমন মোচড় খায়। কিছু ভালো লাগে না। সে খুব সুন্দর।
চিঠি লিখে দিলাম গভীর ভাষায়, প্রেমের মমতায়।
রাস্তায় এসে ইচ্ছেমতো হাসলাম। ওমর আর রেহাই পাচ্ছে না। বাসে উঠতে গিয়ে দেখি, ফারহাদ। আমার ক্লাসম্যাট এমদাদের ছোট ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে। সাবজেক্টটা ঠিক মনে পড়ছে না।
আমাকে সালাম দিয়ে বলল : ভাইজান, আমাকে একটা লজিং দেবেন?
: আমি তো লজিং নিয়ে থাকি না। এমদাদের কাছে অনেকগুলো লজিং আছে। আমাকেও বলেছে, কাউকে পেলে খবর দেওয়ার জন্য। তাকে গিয়ে বলো।
: বলেছিলাম, দেবে না।
: কেন?
: সে আমাকে লজিং দেবে না।
ফরহাদকে বিদায় করে নিজের রুমে চলে যাই। শুক্রবার বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যাবার কথা কিন্তু যাওয়া হলো না। ওমর খবর পাঠিয়েছে, শুক্রবার তাদের বাড়ি যেতে হবে। তার শুভ জন্মদিন।
কী নিয়ে যাই?
অনেক চিন্তাভাবনা করে ওমরের বান্ধবী নিহা নিশিতাকে দেওয়ার জন্য একটা চিঠি লিখি। ওমর চিঠি পড়ে এত খুশি হয় যে, সে মাসের পুরো কমিশনটাই আমাকে ফেরত দিয়ে দেয়।
অবাক হয়ে বললাম : ফেরত দিলে যে?
ওমর আমাকে আরও অবাক করে দিয়ে বলল : আপনার লেখার সম্মানি। স্যার, চিঠিটা একদম ফাটাফাটি হয়েছে।
লেখার সম্মানি! আমি চমকে উঠি। লেখার প্রথম আয়, এ তো বিশাল কারবার! তাহলে কেন এতদিন লিখিনি! ওমরের উৎসাহে উৎসাহিত হয়ে পত্রিকায় লেখা শুরু করি। তারপর আস্তে আস্তে লেখা আমার নেশা হয়ে যায়।
যতই গল্প করি, যতই প্রেমপত্র লিখে দিই না কেন,
লেখাপড়ায় ওমরকে এমন কৌশলে ব্যস্ত রাখি যে, সে ধীরে ধীরে বইয়ে ঝুঁকে পড়ে, তার সব আনন্দ অন্যান্য জায়গা হতে বইয়ের পাতায় এসে ভীড় করতে শুরু করে। আগে তার বাবাকে বলত চকলেটের কথা, এখন বলে বইয়ের কথা। আগে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীতে তার আলমিরা ছিল ভর্তি; এখন সেখানে ঠাঁই পেয়েছে এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিট্রানিকা, পৃথিবীর বিখ্যাত লেখকদের নানা বই। আমার কাছ থেকে নাম নিয়ে যায় বইয়ের, নিয়ে আসে তার বাবাকে দিয়ে। দেশে না পেলে বিদেশ থেকে। কত দামি দামি বই, আমার কাছে মনে হতো : সামর্থ্যবানদের ইচ্ছাই প্রাপ্তি।
আরও তিন মাস পর আমার বেতন হয় পনেরশ টাকা। বিশাল অঙ্ক, অনেক সরকারি অফিসারও তখন এত বেতন পেতেন না। এখন ওমরের পাওনা গিয়ে দাঁড়ায় ছয়শ টাকায়।
মাসের শেষদিন ওমরকে ছয়শ টাকা দিতে যাই। লজ্জায় চোখটা নিচু করে ফেলে সে। আগের মতো দ্রুত হাত এগিয়ে দিচ্ছে না : সরি স্যার।
: নাও তোমার টাকা।
: লাগবে না স্যার।
: আরে নাও। আমি অত টাকা দিয়ে কী করব?
: স্যার, একমাসে যতটাকা আপনাকে দিই, আমি একদিনে তার চেয়ে অনেক বেশি দামের চকলেট খাই। একটা চকলেটের দাম একশটাকা, দিনে বিশটা চকলেট আমি একাই খাই। বাবার হুকুমে সুইজারল্যান্ড থেকে আসে।
তারপরও আমি বললাম : নাও।
: লাগবে না স্যার।
: আগে লাগত কেন?
তাস খেলতাম, নিহা নিশাতকে দিতাম। এখন তাস খেলা সময় নষ্ট মনে হয়, বই পড়ি। নিহা নিশাতকে যতক্ষণ দিই ততক্ষণ খুশী থাকে, শুধু চায় আর চায়। বই শুধু দিয়ে যাই, কিছুই চায় না।
আমি সাফল্যের হাসি নিয়ে বের হয়ে আসি।
বার্ষিক পরীক্ষার পর ওমরদের বাসায় যাওয়া বন্ধ হয়ে যাই। ডিআইজি সাহেব বলেছেন এক মাস পর থেকে আবার পড়ানো শুরু করতে। আমার মতো ভালো মাস্টারকে তিনি ছাড়বেন না। বদলি হলে সেখানে নিয়ে যাবেন।
পনের কী বিশদিন পর দেখি আমার মেস-বাসার সামনে একটা বিরাট গাড়ি দাঁড়িয়ে। দেখলে বোঝা যায় বড়ো পুলিশ অফিসারের গাড়ি।
হন্তদন্ত হয়ে বের হয়ে আসি।
ওমর আর তার বাবা গাড়ি হতে নামছেন।
ডিআইজি সাহেব বললেন : মাস্টার সাহেব, আমার ছেলে বার্ষিক পরীক্ষায় তৃতীয় হয়েছে। এর আগে কোনোদিন পঞ্চাশেও ছিল না। এক বছরের মধ্যে আপনি আমার ছেলেটাকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন। এটি আমার কাছে অলৌকিক মনে হয়।
প্রশংসা আমার মনে অদ্ভুত এক আনন্দ বইয়ে দিল।
ডিআইজি সাহেব আমার হাতে একটা ঘড়ি তুলে দিয়ে বললেন ,
: আমার ছোট ভাই আমার জন্য সুইজারল্যান্ড থেকে এনেছেন। আপনাকে দিলাম। এটি কোনো বিনিময় নয়, উপহার; ভালোবাসার নিদর্শন।
আনন্দে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। এমনভাবে কেউ আমাকে কোনোদিন এমন উপহার দেননি।
ওমর আমার পায়ে ধরে সালাম করে বলল : স্যার, আপনি আমাকে বদলে দিয়েছেনে।
ডিআইজি সাহেব ওমরের এমন আচরণে আবেগপ্রবণ হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরেন : মাস্টার সাহেব, ওমর আমাকেও পাত্তা দিত না। এ পিচ্চি ছেলের কাছে আমি ছিলাম কেবল টাকার-ঝুড়ি। আপনি তাকে জানোয়ার থেকে মানুষ করে দিয়েছেন। বলুন কীভাবে সম্ভব হয়েছে?
বললাম : ভালোবাসা, শুধুই ভালোবাসা।
: আপনি আমার কাছ থেকে কী চান?
: ভালোবাসা, শুধুই ভালোবাসা।

টিউশনি এবং ভালোবাসা

ঘটনার সময়কাল : জানুয়ারি ১৯৮৬

- সংগৃহীত

[ লেখকঃ বিশিষ্ট লেখক ড. আমিন স্যারের "ভালবাসা, শুধুই ভালবাসা'' গ্রন্থে তার জীবনের সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা একটি গল্প। ]

28/11/2022

আক্কেলপুর সরকারি ফজর উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা ২০২২ সালের বিজ্ঞান শাখায় ৭২ জন মানবিক শাখায় ০১ জন সর্বমোট ৭৩ জন জিপিএ 5 পেয়েছে।

01/09/2022

প্রিয় শিক্ষার্থী, সম্মানিত অভিভাবক

গ্রাম থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। এখন আর সন্ধ্যার পর এক জনের পড়া শুনে আরেকজন পাল্লা দিয়ে বই পড়ে না। বেশিরভাগ মা-বাবা তার সন্তানকেও বলে না যে অমুক পড়তেছে তুই বসে আছিস!

অথচ ৫/১০ বছর আগেও সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন স্বর ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত। পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই। কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হত।

সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো। যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই। এ চর্চাটার জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিল।

বোর্ড পরীক্ষায় আগের বছর পাশ করা ভাই বোনদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ চলতো।

মাত্র ৫/১০ বছরের ব্যবধানে সবই প্রায় বিলীন হয়ে গেল। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও কোন পড়ার শব্দ নেই। গ্রূপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস,পাব্জি, ফ্রী ফায়ার, টিকটক, চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি, গ্রুপিং করা,শিক্ষা গুরুর সাথে বেয়াদবী, শিক্ষককের নামে মিথ্যাচার করা, নিয়ম ভাঙ্গা, বেয়াদবী এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকা। পড়ালেখার মান খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

মাঝেমধ্যে নিজেকে অসহায় মনে হয়, তবুও প্রিয় শিক্ষার্থী তোমাদেরকে নিয়েই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে তা তোমাদের দারাই বাস্তবায়ন করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত। আসো প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করি।

27/08/2022

সম্মানিত অভিভাবকদের
অতি বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, আপনাদের সন্তানদের প্রতি নজর দেন নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন, সারাদিন কি করল, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন।
*************_______*******--------

সাথে নিম্নোক্ত ১৪টি বিষয় খেয়াল রাখবেন -

১. সে কখন স্কুলে যায়।
২. স্কুল থেকে কখন বাসায় ফিরে।
৩. স্কুলে আসার সময় মোবাইল ফোন নিয়ে আসে কি না সাথে ব্লুটুথ ইয়ার ফোন।
৪. স্কুল ড্রেসের বাইরে অন্য কোন ড্রেস অতিরিক্ত হিসাবে রাখে কি না এমনকি কোন জার্সি পরে আসে কি না।
৫. মাথার চুল স্বাভাবিক আছে কি না।
৬. যদি প্রাইভেট পড়ে, কোথায় প্রাইভেট পড়ে, কখন পড়ে, সেখানে যোগাযোগ রাখবেন।
৭. মাঝে মধ্যে স্কুলে আসবেন তাকে না জানিয়ে।
৮. শ্রেণি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
৯. কার সাথে মিশতেছে জানতে চেষ্টা করুন।
১০. প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা দিবেন না।
১১. মাঝেমধ্যে স্কুলের ব্যাগ ও মানিব্যাগ(যদি থাকে) চেক করুন।
১২. স্মার্টফোন ব্যবহার করা নিষেধ করে দিবেন, যদি কোন তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে আপনি পাশে থেকে সহায়তা করুন।
১৩. আপনার সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন।
১৪. যেকোনো সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে, সম্ভব হলে শ্রেণি শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক এর সাথে যোগাযোগ করে এটার সত্যতা যাচাই করবেন।
সর্বোপরি আপনার সন্তানকে সময় দিন। কাছ থেকে ভালমন্দ বুঝানোর চেষ্টা করুন, যাতে সে বুঝতে পারে এবং একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

ধন্যবাদ।

Photos from Akkelpur Govt. F U Pilot High School's post 05/06/2022

নতুন শিক্ষাক্রমে যেসব পরিবর্তন একান্ত দরকার ছিলো।

Photos from Akkelpur Govt. F U Pilot High School's post 22/03/2022

নতুন শিক্ষাক্রম এর আওতায় ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকের কভার পেজ।

27/09/2021
Photos from Akkelpur Govt. F U Pilot High School's post 13/09/2021

উৎসব মুখর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাণের ক্যাম্পাস ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা সৌন্দর্য।

Photos from Akkelpur Govt. F U Pilot High School's post 14/08/2021

#শোক_সংবাদ

গতকাল বিকেল চার ঘটিকায় ঢাকায় ছেলের বাসায় বার্ধক্যজনিত কারনে সর্বজন শ্রদ্ধেয় আক্কেলপুর সরকারি এফ ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক গণিত শিক্ষক বাবু মদন মোহন রায় ( ্যার) ইন্তেকাল করেছেন।

আজ শনিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের উপস্তিতিতে স্যারের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়।

Want your school to be the top-listed School/college in Akkelpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Akkelpur, Joypurhat
Akkelpur
5940

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00