18/09/2023
10 Minute Deen Shikkha
mmm
18/09/2023
বদরের যুদ্ধ (আরবি: غزوة بدر) ২ হিজরির ১৭ রমজান (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত হয়। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম প্রধান যুদ্ধ। এতে জয়ের ফলে মুসলিমদের ক্ষমতা পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
▶যুদ্ধে মুসলমানদের শক্তি
৩১৩জন পদাতিক, ২টি ঘোড়া, ৭০টি উট
▶কাফেরদের শক্তি
১০০০জন পদাতিক, ১০০টি ঘোড়া, ৭০০টি উট
🔹মুসলমান নিহত ১৪ (শহীদ হন)
🔸কাফের নিহত ৭০, বন্দী ৭০
যুদ্ধের পূর্বে ৬২৩ থেকে ৬২৪ সালের মধ্যে মুসলিম ও কুরাইশদের মধ্যে বেশ কিছু খন্ডযুদ্ধ হয়। বদর ছিল দুই বাহিনীর মধ্যে প্রথম বড় আকারের যুদ্ধ। যুদ্ধে সুসংগঠিত মুসলিমরা মক্কার সৈনিকদের সারি ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয়। যুদ্ধে মুসলিমদের প্রধান প্রতিপক্ষ আবু জাহল নিহত হয়। মুসলিমদের বিজয়ের অন্যদের কাছে বার্তা পৌছায় যে মুসলিমরা আরবে নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এর ফলে নেতা হিসেবে মুহাম্মাদের সা.অবস্থান দৃঢ় হয়।
একজন মুমিনের সম্পর্ক অপর মুমিনের সাথে কিরূপ হবে এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বাণীতে বলেছেন--
المؤمنون كرجل واحد ان اشتكى عينه اشتكى كله وان يشتكي راسه هشتك كله،
অর্থাৎ সকল মুমিন এক অখণ্ড ব্যক্তির মতো। যদি কোন ব্যক্তির চক্ষু ব্যথা হয় ,তবে তার সর্বাঙ্গ ব্যথিত হয়, আর যদি তার মাথাব্যথা হয়,তখন তার সারা শরীর ব্যথিত হয়। (মুসলিম শরিফ, মিশকাত বাংলা ৭ম খন্ড)
টীকাঃ এ হাদীছ বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জ্বলন্ত প্রমাণ। ঈমানের একই সুতোয় যারা গ্রথিত তারা যে কোন দেশ অঞ্চল ও বংশেরই হোক না কেন তাদের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই , নেই কোন বৈষম্য । তারা একটি মানুষের শরীরের মত । তারা কোন অঙ্গে আঘাত পেলে এর প্রতিক্রিয়া যেমন সমস্ত অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি ভাবে বিশ্বের কোন মুসলমান যদি নির্যাতিত হয় তা হলে তার ব্যথায় সমস্ত মুসলমানের ব্যথাতুর হওয়া উচিত। আর এ কথার দিকে ইঙ্গিত রয়েছে এ হাদিসে।
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য প্রাচীর বা ইমারতের মত, যার একাংশ অপরাংশকে সুদৃঢ় করে।
অর্থাৎ ইমারতের ইট গুলো পরস্পরে একত্র হয়ে যেভাবে একটি শক্তিশালী কেল্লাতে পরিণত হয় অনুরূপভাবে একজন মুসলমান ইমারতের একেকটি ইটের মতো ভাষা বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে তারা সকলেই ওই ইমারতের একেকটি ইট, এর মাধ্যমে তাদেরকে সুদৃঢ় ঐক্যের প্রাচীর গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই তারা দুনিয়া আখিরাতের সফলতা পাবে। ইনশা- আল্লাহ। মুসলমানদের জন্য ভৌগলিক সীমারেখা কোন বাধা নয়, বরং দুনিয়ার সব মুসলমানের - আল্লাহ এক, রাসুল সা. এক, কালেমা এক, কুরআন এক, কিবলা এক, অতএব তারা তাওহিদের এক কালেমায় গাথা, ভাষা, বর্ন, দেশ তাদেরকে ভিন্ন করতে পারে না। অন্তরে এমন ভাব পোষণ করে দুনিয়ার জীবনে তাকে চলতে হবে, এ নীতি পদ্ধতির উপর সব মুসলমান যদি একএিত হত পারে, তাহলে কাফির, মুশরিক , ঈহুদী নাসারাদের কাছে অপমানিত ও লান্চিত হতে হবে না বরং তখন তারাই থাকবে ভীত। এবং তখন মুসলমান হবে সুন্দর আমলের অধিকারী, আর কুরআনের অনুশাসনে প্রত্যেকেই হতে পারবে একজন সফল মুসলমান ও ঈমানদার ব্যক্তি, পরকালে তার জন্য হবে আল্লাহর জান্নাত ও জান্নাতের মেহমানদারী। আল্লাহ পৃথিবীর সকল মুসলমানকে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এরূপ যোগ্যতা ও মনোভাব নিয়ে গড়ে উঠার তাওফিক দান করেন। আমীন।
প্রিয় বন্ধুগন নতুন পেজে আপনাদের সবাই কে স্বাগতম
আশা করি লাইক ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন।https://www.facebook.com/10-Minute-Deen-Shikkha-111798013978509/
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Akkelpur