সালেহ আহমেদ-Saleh Ahmed

সালেহ আহমেদ-Saleh Ahmed Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সালেহ আহমেদ-Saleh Ahmed, Education, Al Nahda Dubai, Dubai.

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ,
আমি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দ্বীনী ইসলাম প্রচার করি।
আপনারা চাইলে সব আর্টিকেলগুলো কপি করে নিজের ওয়ালে শেয়ার করতে পারেন—শুধু আল্লাহকে রাজি খুশি করার নিয়তে।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

📌ক্ষমতা আমানত: কিয়ামতের ময়দানে শাসকদের জবাবদিহিইসলামে রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগের বস্তু নয়, এটি আল্লাহর দেওয়া কঠিন আমানত। যা...
20/09/2026

📌ক্ষমতা আমানত: কিয়ামতের ময়দানে শাসকদের জবাবদিহি

ইসলামে রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগের বস্তু নয়, এটি আল্লাহর দেওয়া কঠিন আমানত। যাদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব, প্রজাদের প্রতিটি অধিকার সম্পর্কে তাঁদের আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে হিসাব দিতে হবে।

# # পবিত্র কুরআনের আলোকে

**১. আমানত ও ন্যায়বিচার:** আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, আমানত তার হকদারের কাছে পৌঁছে দিতে এবং মানুষের মাঝে বিচার করলে ন্যায়ের সাথে করতে। *(সূরা আন-নিসা ৪:৫৮)*

**২. প্রবৃত্তির অনুসরণ নিষিদ্ধ:** আল্লাহ দাউদ (আ.)-কে বললেন, তিনি তাঁকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেছেন। তাই মানুষের মাঝে ন্যায়বিচার করতে হবে, প্রবৃত্তির অনুসরণ করা যাবে না। যারা আল্লাহর পথ থেকে সরে যায়, হিসাবের দিন ভুলে যাওয়ার কারণে তাদের জন্য কঠিন শাস্তি। *(সূরা সোয়াদ ৩৮:২৬)*

**৩. শত্রুতা যেন অবিচারের কারণ না হয়:** কোনো গোষ্ঠীর প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদের অবিচারে প্ররোচিত না করে। ন্যায়বিচার করো, এটাই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী। *(সূরা আল-মায়িদা ৫:৮)*

**৪. অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ হবে:** আল্লাহ শপথ করে বলেছেন, তিনি সবাইকে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। *(সূরা আল-হিজর ১৫:৯২-৯৩)* কিয়ামতের দিন বলা হবে, "তাদের থামাও, তারা জিজ্ঞাসিত হবে।" *(সূরা আস-সাফফাত ৩৭:২৪)*

# # সহীহ হাদিসের আলোকে

**১. প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল:** রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককে তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। শাসক তার প্রজাদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবেন।" *(সহীহ বুখারী ৮৯৩; সহীহ মুসলিম ১৮২৯)*

**২. খেয়ানতকারীর জন্য জান্নাত হারাম:** "আল্লাহ কোনো বান্দাকে প্রজাদের দায়িত্ব দেওয়ার পর সে যদি খেয়ানত করা অবস্থায় মারা যায়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেন।" *(সহীহ বুখারী ৭১৫০; সহীহ মুসলিম ১৪২)*

**৩. প্রজাদের কষ্ট দেওয়ার পরিণতি:** নবী ﷺ দোয়া করেছেন, "যে আমার উম্মতের কোনো বিষয়ের দায়িত্ব পেয়ে তাদের কষ্ট দেয়, তুমি তাকে কষ্টে ফেলো। আর যে তাদের প্রতি নম্র আচরণ করে, তুমি তার প্রতি নম্র হও।" *(সহীহ মুসলিম ১৮২৮)*

**৪. ক্ষমতা কিয়ামতে লজ্জার কারণ:** আবু যর (রা.)-কে তিনি বলেছেন, "এটি আমানত। কিয়ামতের দিন এটি লজ্জা ও অনুশোচনার কারণ হবে, তবে যে হকভাবে গ্রহণ করে এবং দায়িত্ব পালন করে (সে ব্যতীত)।" *(সহীহ মুসলিম ১৮২৫)*

**৫. অভাবীর জন্য দরজা বন্ধ রাখা:** "যে শাসক অভাবী ও দরিদ্রদের জন্য নিজের দরজা বন্ধ রাখে, আল্লাহ তার প্রয়োজনের সময় আসমানের দরজা বন্ধ করে দেন।" *(সুনান আবু দাউদ ২৯৪৮; জামে তিরমিযী ১৩৩২, সহীহ)*

**৬. ন্যায়পরায়ণদের সুসংবাদ:** "ন্যায়বিচারকারীরা আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরে থাকবে।" *(সহীহ মুসলিম ১৮২৭)* কিয়ামতের দিন আরশের ছায়া পাবেন যাঁরা, তাঁদের প্রথমেই আছেন ন্যায়পরায়ণ শাসক। *(সহীহ বুখারী ৬৬০; সহীহ মুসলিম ১০৩১)*

# # উপসংহার

দেশের অন্যায়, দুর্নীতি, ক্ষুধা ও জুলুমের প্রশ্নের সামনে ক্ষমতাসীনদের কোনো অজুহাত সেদিন টিকবে না, কারণ সেদিন হিসাব নেবেন সেই সত্তা, যিনি অন্তরের গোপন বিষয়ও জানেন। আবার এই হাদিসগুলো আমাদের সবাইকেও মনে করিয়ে দেয় যে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ পরিসরে দায়িত্বশীল। আল্লাহ শাসকদের হেদায়াত ও ন্যায়ের তাওফিক দিন, আমাদেরও আমানতের হক আদায়ের তাওফিক দিন। আমীন।

*টীকা: হাদিসের নম্বর সংস্করণভেদে সামান্য ভিন্ন হতে পারে (আন্তর্জাতিক সংখ্যায়ন বনাম বাংলা অনুবাদ সংস্করণ)। প্রকাশের আগে আপনার ব্যবহৃত সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নেওয়া ভালো

📌জান্নাতের একটি খেজুর গাছ রোপন সুবর্ণ সুযোগ, আল্লাহ রাসূল সাঃ বলেছেন যে ব্যক্তি বলবে -سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِح...
20/09/2026

📌জান্নাতের একটি খেজুর গাছ রোপন সুবর্ণ সুযোগ,

আল্লাহ রাসূল সাঃ বলেছেন

যে ব্যক্তি বলবে -

سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

সুবহা-নাল্লা-হিল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহী

মহান আল্লাহ্‌র প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি।

তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।

Reference: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৬৪

📌মেসওয়াক—রাসূল ﷺ-এর প্রিয় সুন্নাহমেসওয়াক শুধু দাঁত পরিষ্কারের উপায় নয়; এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।১....
19/09/2026

📌মেসওয়াক—রাসূল ﷺ-এর প্রিয় সুন্নাহ

মেসওয়াক শুধু দাঁত পরিষ্কারের উপায় নয়; এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।

১. মুখের পবিত্রতা ও আল্লাহর সন্তুষ্টি
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ، مَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ»
“মেসওয়াক মুখকে পবিত্র করে এবং রবের সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম।”
📚 সুনান আন-নাসাঈ: ৫

২. প্রত্যেক নামাজের আগে
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“উম্মতের জন্য কষ্টকর না হলে প্রত্যেক নামাজের সময় মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।”
📚 সহিহ বুখারি: ৮৮৭; সহিহ মুসলিম: ২৫২

৩. ঘুম থেকে উঠে
রাসূল ﷺ ঘুম থেকে উঠে ওযুর আগে মেসওয়াক করতেন।
📚 সুনান আবু দাউদ: ৫৭

৪. তাহাজ্জুদের সময়
রাতে নামাজের জন্য উঠলে রাসূল ﷺ মেসওয়াক করতেন।
📚 সহিহ বুখারি: ১১৩৬; সহিহ মুসলিম: ২৫৫

৫. ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত
রাসূল ﷺ মেসওয়াককে ফিতরাতের আমলগুলোর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
📚 সহিহ মুসলিম: ২৬১

🌸 শিক্ষা

মেসওয়াক একটি ছোট আমল, কিন্তু এতে রয়েছে পরিচ্ছন্নতা, সুন্নাহর অনুসরণ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি।
তাই আসুন, আমরা মেসওয়াককে জীবনের নিয়মিত সুন্নাহ বানাই।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

📌হাঁচির ক্ষেত্রে শিষ্টাচার...... ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না; বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট বিষয়েও সুন্দর আদ...
14/09/2026

📌হাঁচির ক্ষেত্রে শিষ্টাচার......

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না; বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট বিষয়েও সুন্দর আদব ও শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়। হাঁচি দেওয়াও তার ব্যতিক্রম নয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) হাঁচি দেওয়ার সময় নিজের হাত অথবা কাপড় মুখের উপর রাখতেন এবং নিচু আওয়াজে হাঁচি দিতেন।

📚 রেফারেন্স: হাসান সহিহ
আবু দাউদঃ ৫০২৯

✨ এই হাদিস থেকে আমরা শিখতে পারি—
হাঁচি দেওয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং যথাসম্ভব নিচু আওয়াজে হাঁচি দেওয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ ও সুন্দর শিষ্টাচারের অন্তর্ভুক্ত।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট আমলগুলোও যদি আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী করার চেষ্টা করি, তাহলে আমাদের জীবন আরও সুন্দর ও বরকতময় হয়ে উঠবে।

🤲 আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদের সবাইকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

#হাঁচির_শিষ্টাচার #ইসলামিক_পোস্ট #সুন্নাহ #হাদিস #ইসলামিক_জীবন

14/09/2026
📌ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসা ও সম্পর্ক রক্ষাআল্লাহ বলেন:> “নিশ্চয়ই মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই।”—সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১০রাসূলুল্লাহ ...
12/09/2026

📌ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসা ও সম্পর্ক রক্ষা

আল্লাহ বলেন:

> “নিশ্চয়ই মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই।”
—সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১০

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা ভালোবাসে, তার ভাইয়ের জন্যও তা ভালোবাসে।”
—সহিহ বুখারি: ১৩; সহিহ মুসলিম: ৪৫

আরও বলেছেন:

> “কোনো মুসলিমের জন্য তার ভাইয়ের সঙ্গে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা বৈধ নয়।”
—সহিহ বুখারি: ৬০৭৭; সহিহ মুসলিম: ২৫৬০

ভাই মানে শুধু রক্তের সম্পর্ক নয়—ভালোবাসা, সহযোগিতা, ক্ষমা ও বিপদে পাশে থাকা। সম্পর্ক যত্নে রাখলে ভাই হয় জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আশ্রয়।

📌সহিহ সুন্নাহর আলোকে ওযুর সঠিক নিয়ম ও দো'আ: প্রচলিত ভুল বনাম রাসুল (ﷺ)-এর দিকনির্দেশনাইসলামে ইবাদতের গ্রহণযোগ্যতার অন্যত...
11/09/2026

📌সহিহ সুন্নাহর আলোকে ওযুর সঠিক নিয়ম ও দো'আ: প্রচলিত ভুল বনাম রাসুল (ﷺ)-এর দিকনির্দেশনা

ইসলামে ইবাদতের গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম মূল শর্ত হলো পবিত্রতা অর্জন, আর সালাতের (নামাজ) পূর্বশর্ত হলো সঠিকভাবে ওজু করা। সালাত সঠিক ও কবুল হওয়ার জন্য ওজু যথাযথ সুন্নাহ অনুযায়ী হওয়া জরুরি। রসুলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের ওজুর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে শিখিয়ে গেছেন। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, আমাদের সমাজে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর শেখানো সহিহ সুন্নাহ বাদ দিয়ে মনগড়া ও ভিত্তিহীন বিভিন্ন দো'আ পাঠ করার প্রবণতা দেখা যায়। সহিহ হাদিসের আলোকে ওজুর শুরুতে রাসুল (ﷺ)-এর সুন্নাহ ও এর ফজিলত জানা অত্যন্ত জরুরি।
ওজুর শুরুতে পাঠ করার সুন্নাত দো'আ
ওজু শুরু করার সময় কেবল "বিসমিল্লাহ" (আল্লাহর নামে) বলা সুন্নাত। এর বাইরে ওজুর শুরুতে লম্বা কোনো দো'আ পড়া বা ওজুর প্রতিটি অঙ্গ ধোয়ার সময় আলাদা আলাদা মনগড়া দো'আ পড়ার কোনো প্রমান সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় না।

আরবি উচ্চারণ:
> بِسْمِ اللَّهِ
>
বাংলা উচ্চারণ:
> বিসমিল্লাহ্‌
>
অর্থ:
> আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।
>
দলিল ও রেফারেন্স:
১. ওজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলার গুরুত্ব:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
> "যার ওজু নেই তার সালাত হবে না, আর যে ওজুর শুরুতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে না (বিসমিল্লাহ বলে না) তার ওজু হবে না।"
> — সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং: ৩৯৭; ইরওয়াউল গালীল, ১/১২২ (হাদিসটি সহিহ)
>
২. ওজুর পদ্ধতি ও আল্লাহর নাম নেওয়া:
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) বলেছেন:
> "তোমাদের কেউ যখন ওজু শুরু করে, সে যেন 'বিসমিল্লাহ' বলে।"
> — মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ৯৪১৮; সুনানে আল-বাইহাকী, হাদিস নং: ১৮৫ (হাসান সনদে বর্ণিত)
>
আমাদের সমাজের বাস্তবতা ও সুন্নাহর অনুসরণ
আমাদের দেশের বাস্তবতা অনেক ক্ষেত্রে সুন্নাহর বিপরীত। অনেক সময় দেখা যায়, অজুর শুরুতে বিভিন্ন চটি বই বা লোকমুখে প্রচলিত দীর্ঘ ও মনগড়া দো'আ পাঠ করা হয়। যেমন— মুখ ধোয়ার সময় এক দো'আ, হাত ধোয়ার সময় আরেক দো'আ, মাথা মাসেহ করার সময় অন্য দো'আ।
ইসলামি শরিয়তের নিয়ম হলো:
* ওজুর শুরুতে: শুধুমাত্র "বিসমিল্লাহ" বলা সুন্নাহ সম্মত।
* ওজুর অঙ্গ ধোয়ার সময়: নির্দিষ্ট কোনো দো'আ পড়ার প্রমাণ সহিহ হাদিসে নেই। তাই অঙ্গ ধোয়ার সময় চুপচাপ মনোযোগ দিয়ে ওজু সম্পন্ন করা উচিত।
* ওজু শেষে: রাসুল (ﷺ) শেখানো কালেমা শাহাদাত ও সংশ্লিষ্ট দো'আ পাঠ করা সুন্নাত।
ওজু শেষ করার সুন্নাত দো'আ
ওজু সুন্দরভাবে শেষ করার পর রাসুলুল্লাহ (ﷺ) নিচের দো'আটি পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন:
> أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
> বাংলা উচ্চারণ: আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান 'আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।
> অর্থ: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রাসুল।"

> ফজিলত:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
> "যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করে এই দো'আটি পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজাই খুলে দেওয়া হবে; সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে।"
> — সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ২৩৪

দ্বীনের ক্ষেত্রে নিজস্ব মনগড়া কোনো নিয়ম বা দো'আ সংযোজন করা বিদআত, যা ইবাদত কবুলের অন্তরায়। তাই আমাদের উচিত যাবতীয় মনগড়া রীতিনীতি বর্জন করে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (ﷺ)-এর শেখানো সহজ ও সহিহ পদ্ধতি অনুসরণ করা। ওজুর শুরুতে কেবল "বিসমিল্লাহ" বলে ওজু শুরু করার মাধ্যমে সুন্নাহ পালন করা এবং আমাদের ইবাদতকে আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য করে তোলা প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হল, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বল...
17/08/2026

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হল, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা। আবার জিজ্ঞেস করা হল, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। প্রশ্ন করা হল, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর দ্বীনের পথে মেহনত করা।
সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৮৩

Address

Al Nahda Dubai
Dubai
500001

Telephone

+971566728243

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সালেহ আহমেদ-Saleh Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to সালেহ আহমেদ-Saleh Ahmed:

Shortcuts

Share

Category