24/08/2026
পালিয়ে গিয়ে হি/ন্দু ছেলেকে বিয়ে করছে!
বিয়ের কয়েক মাস পর বাবা-মাকে খবর পাঠিয়েছে তাকে হি/ন্দু ছেলে থেকে উদ্ধার করতে।
বিয়ের সাথে সাথেই পরিবার তাকে ত্যাগ করে দিয়েছে।
ইসলামিক গল্প
24/08/2026
পালিয়ে গিয়ে হি/ন্দু ছেলেকে বিয়ে করছে!
বিয়ের কয়েক মাস পর বাবা-মাকে খবর পাঠিয়েছে তাকে হি/ন্দু ছেলে থেকে উদ্ধার করতে।
বিয়ের সাথে সাথেই পরিবার তাকে ত্যাগ করে দিয়েছে।
24/08/2026
আজকে আমি বলবো আমার জীবনের সব অসাধ্য জিনিস পাওয়ার গল্প
বয়ফ্রেন্ড নামক রোগে আক্রান্ত ছিলাম।সে তখন বিয়ে করবে না পরেও করবে কিনা শিওর না।তাই জিনা থেকে বাচতে বিয়ের জন্য দোয়া করেছিলাম৷ একটা পাত্র আসলো মন থেকে ভালো লেগেছিলো।কিন্তু অসম্ভব ছিলো বিয়েটা কারণ ছেলে বেকার।আল্লাহকে বললাম আল্লাহ আমি জিনা থেকে বাচতে চাই কারন বারবার ওই ছেলেকে মনে পড়তো।আল্লাহর অশেস রহমতে বিয়েটা হলো।
তারপর কস্ট শুরু হলো কারন ছেলে বেকার। কান্না কাটি করে আল্লাহকে বললাম আল্লাহ তুমিই তো বলছো প্রত্যেক প্রানীর রিজিক এর দায়িত্ব তোমার আমি তো চেস্টা করছি তুমি মিলিয়ে দাও সব।কেদে কেদে দোয়া করতেছিলাম জায়নামাজ গুছানোর কল আসছে।আল্লাহর কুদরতে জব হলো আমার স্বামির। কিন্তু জব খুব কস্টের সে ৫-৬মাস পর অসুস্থ হয়ে গেলো। আল্লাহর কাছে আবার কাদতে লাগলাম।সে সুস্থ হয়ে যেদিন অফিসে ফিরলো সেদিনই তাদের অফিসে প্রমোশন এর জন্য পরিক্ষা নিলো।আমি বললাম আল্লাহ ভরসা এটেন্ড করো।
মিজানুর রহমান আজহারীর ওয়াজে শুনতেছিলাম বলছিলো ব্রিস্টির পানি হাতে নিয়ে দোয়া করলে আল্লাহ ফিরান না।আল্লাহর কি কুদরত তখন বাইরে ব্রিস্টি হচ্ছে।আমি পানি হাতে নিয়ে বললাম আমি সত্য মিথ্যা জানিনা বিদাত কি বুঝি না শুধু বুঝি তুমিই সব পারো।আমার স্বামিকে তুমি সতপথে রিজেক বাড়ানোর তওফিক দাও আর আমাকে আমার বাবা বাড়ি যেতে দাও(আমার শশুর শাশুড়ীর সাথে বাবা বাড়ির ঝামেলা চলছিলো আমাকে তাই যেতে দিতো না) আলাহর কি মহিমা কি দয়ার সাগর তিনি তার কয়েকঘন্টা পর আমি অনুমতি পেলাম বাবা ভাড়ি যাওয়ার আর তার কিছুক্ষন পরেই কল পেলাম সে প্রমোশন এর জন্য সিলেক্ট হয়েছে। আমি সত্যিই সেদিন কেদে দিয়েছিলাম। এভাবে ৩ বছর কাটলো। বেবি হচ্ছিলো না।আবার আমি এর মাঝেও পড়ালিখা করেছি আর গ্রামে পড়াশুনা মানেই জব করতে হবে পাড়ার লোকেও টিটকারি মেরে কথা বলতো।শশুর শাশুড়িও কড়া আচরন করতো।
এরপর তাহাজ্জুত পরে আল্লাহকে ডাকতে লাগলাম আস্তাগফিরুল্লাহ তো আছেই।হঠাৎ একটা সরকারি অফিসে মাস্টাররোল এ জব হলো।প্রথমে খুশিই ছিলাম।কিন্তু কয়েকদিন পর দেখি এখানে খুব বেশি ঘুস এর কারবার।আমি ১টাকাও খাইনি তবে দুপুরের নাস্তাটা অফিসের টাকায় খেতাম এটাই আমাকে কস্ট দিতো। জবটা ছেড়ে দিতে চাইলাম কিন্ত বাড়ির কারও সায় পেলাম না সবার এক কথা ঘুস খেলে খাক তোমার কি! আর অফিসের স্যারের চাহনিটাও বেশ বিব্রতকর। সেটা শেয়ারের সাহস পেতাম না। বাড়িতে যতই বলতাম তাদের এক কথা ভালো জব পেলে এটা ছেড়ে দাও।একটা জার্মান সংস্থায় পরীক্ষা দিলাম আমি শিওর ছিলাম যে আমার জব হবেনা কারন স্যালারি সব মিলিয়ে ৬৫৪০০।
এই বয়সে(২১বছর) মহিলা মানুষের এত স্যালারির জব অকল্পনীয়। তবুও আল্লাহকে তাহাজ্জুত পরে বললাম আল্লাহ হারাম থেকে বাচতে চাই তুমি জবটা মিলিয়ে দাও ৩মাস পর রেজাল্ট দিলো।আমি জবটা পেয়েছি।গত মাসের ২২তারিখ জয়েন করেছি।এখন রহিংগাদের নিয়ে কাজ করি।ঘুসের কারবার নেই।তাদের ঞ্জ্যে মিটিং করি তাদের চাহিদা শুনি ও আমাদের প্রোজেক্ট থেকে অনুদান দিই। এর মাঝে একটা আশাই শুধু বাকি ছিলো একটা সন্তান কারন বিয়ের ৫ বছর এখন।আল্লাহ সে কথাও হয়তো শুনেছে পিরিয়ড ডেট অভার টেস্ট এক দাগ হালকা আরেকটা গাড়। হয়তো আরও পরে টেস্ট করতে হবে। এর মাঝে অনলাইনে পাতানো আমার কলিজার বোনও আমাকে উতসাহ দিয়েছে।
আমি কখনও নিরাশ হইনি আল্লাহকে ডেকে।আমাকে ফিরান নি আল্লাহ।
অনেকেই জানতে চাইবেন কি কি আমল করেছি। আমল তেমন কিছুই করিনি শুধু তাহাজ্জুদ পড়েছি আর আস্তাগফিরুল্লাহ পড়েছি।সব চেয়ে বড় কথা বিশ্বাস রেখেছি আল্লাহর কাছে সব আছে আল্লাহ দিবেনই।
দেখেন লিখাটা লিখলাম ৩০মিনিটে পড়লেন ৫মিনিটে তেমনই কাহিনিও ৫ বছরের। সুতরাং ধৈর্য্য রাখুন আর বিশ্বাস রাখুন আল্লাহ দিবেনই।কারন আল্লাহ ছাড়া কে দিবে আমি তো নগন্য আল্লাহ ছাড়া তো কেও নেই আমার।আমরা তো পাপি।তবুও বিশ্বাস করি আল্লাহ সব দিবে। অবশ্যই দিবে।
✍ লিজা খান!!
21/08/2026
বন্যায় গবাদিপশু হারানো ৩০টি পরিবারের মাঝে ৭টি গরুর বাছুর ও ২৩টি ছাগল বিতরণ করা হচ্ছে।
বাঁশখালী উপজেলা কমপ্লেক্সে আয়োজিত আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন, শায়খ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক এবং আব্দুর রহিম বিন আব্দুর রাযযাক।
19/08/2026
প্রচন্ড গরমে অস্থির হয়ে মানুষগুলো একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে যান সমুদ্রতীরে। বাচ্চারা পানিতে দাপাদাপি করে খেলছিল মায়েরা পাশে বসে, ক্যাফে মতন আছে সেখানে অনেকে বসে চা-কফি খাচ্ছেন; সেখানেও বো'মা ফেলতে হলো !
ছয়জন শহীদ হলেন। আর অ্যাম্বুলেন্স ভরে ভরে নিয়ে যাওয়া ওই কাতরাতে থাকা ছিন্নভিন্ন শিশু-নারীদের কতজন শেষ পর্যন্ত বাঁচবেন, আল্লাহ ভালো জানেন
ইখুদির বাচ্চারা আমাদের র'ক্তে নিজেদের তৃষ্ণা মেটাতে মেটাতে উন্মত্ত হয়ে উঠেছে, অথচ তাদের প্রশ্ন করার মতোও কেউ নেই!
আর কত?
#গাজায়প্রতিদিন
১৮ আগস্ট ২০২৬
© Nayema Tamanna আপু
15/08/2026
হি/ন্দু মেথরের ছেলে রুহান মেথরের সাথে দুই মুসলিম দাসী।
সে সিলেট ধোপাদিঘীর পাড় ওয়াকওয়েতে মুসলিম মেয়েদের নিয়ে ঘুড়তে যায়।
স্থানীয় লোকজন তাকে মেয়েসহ আটক করেন।
তারপর সেখান থেকে কোনমতে উদ্ধার হয়ে মেয়েদের নিয়ে আবার ধোপাদিঘীর পাড়া আসে। ঘটনাক্রমে আবার আমাদের ভাইদের হাতে আটক হয়। কি বুঝলেন?
একবার চিন্তা করছেন..
ওদের সাহস কতো বড়, একবার ধরা খাবার পর আবার নিয়ে আসছে। মুসলিম মেয়েদের কথা আর কী বলব শুধু কয়েক মিনিট আনন্দের জন্য সব কিছুই বিসর্জন দিচ্ছে।
14/08/2026
মহিলাটির স্বামী একজন প্রবাসী। দুই সন্তান মাদ্রাসায় পড়ে। তার দুই ভাইও আলেম। অথচ সেই মহিলা এক হি/ন্দু যুবকের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়েছে। তাদের অসংলগ্ন আচরণ দেখে স্থানীয় এক ইমাম বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের আটকান। পরে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা একবার বলেন, ছেলেটি তার বন্ধু; আবার বলেন, সে তার সাবেক শিক্ষক।
পরবর্তীতে ইমাম সাহেবকে থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। এদিকে ওই মহিলা উল্টো মামলা করার হুমকি দেন।
নোয়াখালির সোনাইমুড়ী দুদিন আগের ঘটনা।
প্রথম যে ঘরে আমি বসবাস করেছি, তা ছিল আমার মায়ের গর্ভ;দুনিয়ায় প্রথম যে খাবার গ্রহণ করেছি, তা ছিল মায়ের বুকের দুধ; প্রথম যে বিছানায় ঘুমিয়েছি, তা ছিল মায়ের কোল; প্রথম যে শব্দ শুনেছি, তা ছিল মায়ের কণ্ঠস্বর ও মমতাভরা দীর্ঘশ্বাস। প্রথম যে শিক্ষিকাকে চিনেছি, তিনি ছিলেন আমার মা; প্রথম যে হাত আমাকে আগলে রেখেছে, তা ছিল মায়ের হাত। মায়ের হাত ধরেই জীবনের প্রথম অক্ষর লিখতে শিখেছি। আমার ভুলগুলো যে প্রথম ভালোবাসার চাদরে ঢেকে দিয়েছেন, আবার স্নেহ ও মমতায় সেগুলো শুধরে দিয়েছেন—তিনি আমার মা। আমার জীবনের প্রথম চিকিৎসকও ছিলেন মা, প্রথম বন্ধু ছিলেন মা, প্রথম কান্নার সান্ত্বনা, প্রথম দুঃখের আশ্রয় এবং জীবনের প্রথম সমস্যার সমাধানও করেছিলেন মা। মা—আমার জীবনের প্রথম ভালোবাসা,প্রথম নিরাপদ আশ্রয় এবং প্রতিটি কষ্টের প্রথম সান্ত্বনা।”
হে আল্লাহ! আমার মাকে আপনার হেফাজতে রাখুন, তাঁর ঈমান, আমল, স্বাস্থ্য ও জীবনে বারাকাহ দান করুন, তাঁকে সৎ আমলের সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন, তাঁর সকল গুনাহ ক্ষমা করুন এবং তাঁর প্রতি অশেষ রহমত ও অনুগ্রহ বর্ষণ করুন। তিনি আমার জন্য যে ত্যাগ, ভালোবাসা ও কষ্ট স্বীকার করেছেন, তার উত্তম প্রতিদান দান করুন। তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ দান করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসকে তাঁর চিরস্থায়ী আবাস বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আমাকে আমার মায়ের প্রতি সদাচারী ও কৃতজ্ঞ সন্তান হিসেবে কবুল করুন এবং সকল মুসলিম মায়েদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।🤲❤️
আহ মানুষের বিবেক কোথায় গিয়ে দাড়াইছে মানুষের অন্তর থেকে দয়া মায়া মুহাব্বত উঠে গেছে মানুষ দেখেও না দেখার ভান ধরে😢😢
দুনিয়াবি কোনো কিছু পাওনি বলে হতাশ?
ধরে নাও, পুরো দুনিয়া এখন তোমার হাতের মুঠোয় এবং তুমি এখন উপভোগও করছো! পূর্ব ও পশ্চিমের সমস্ত সম্পদ তোমার কাছে এসে ধরা দিয়েছে। কিন্তু যখন তোমার কাছে মৃ*ত্যু এসে হাজির হবে, তখন তোমার হাতে আর কী অবশিষ্ট থাকবে?
— ইবনে আস-সাম্মাক (রহ.)
[সূত্র : সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৮/৩৩০]
11/08/2026
অবিবাহিত বোনদের জন্য কিছু কথা :
১। নিজের গায়রত নিয়ে সিরিয়াস হোন। ফেসবুক অ্যাক্টিভিটি এমন এক জায়গা, যেখানে আপনাকে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি দেবে। সুতরাং সাময়িক এই আনন্দের জন্য নিজেকে বিসর্জন দেবেন না।
২। নিজের ভেতরে থাকা নফসকে একটু মেপে দেখুন। আপনার কি অপরিচিত বা পরিচিত গায়রে মাহরাম ছেলেদের সাথে প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় কথা বলতে গেলে অস্বস্তি ফিল হয়, যদি ফিল না হয়, তাহলে (তওবা না করলে) বড় ধরনের চারিত্রিক অধঃপতনের অপেক্ষা করুন।
৩। মাদরাসায় পড়েন বলেই আপনি যে মহীয়সী, এমন নয়। মহীয়সী হতে হলে মহীয়সীদের গুণ অর্জন করতে হবে। মহীয়সীরা টিকটক, লুতুপুতু টাইপের বই আর প্রেম করে বেড়াননি। বিয়ের আগে এসব মজাই লাগে, কিন্তু বিয়ের পর যখন দেখবেন, আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রেমিক পুরুষটা স্বামী হওয়ার পরও পরকীয়া করে বেড়াচ্ছে, তখন বুঝে আসবে হাকিকত; কিন্তু আমার মতে তখন আর কেঁদে লস ছাড়া লাভ নেই।
৪। নারীরা এখন ঘরেও সেইফ নেই। ভাই বলেন, বাপ বলেন বা আত্মীয়স্বজন—সবই তার জন্য বিষধর সাপ হতে পারে৷ এক্ষেত্রে ঘরে চলাফেরার সময় সতর্ক হোন। লম্বা ওড়না পরে, ঢিলেঢালা জামা পরে এরপর মাহরামদের সামনে আসুন। উলটাপালটা পোশাক পরে নিজেই নিজের ধ্বংসের কারণ হবেন না। আপনি হয়তো জানেন না, একটা গ্রুপই আছে, যারা আপন মা-বোনদের ওপর আসক্ত। আপনার অজান্তেই আপনার ছবি বিভিন্ন গ্রুপে তারা আপলোড করে বেড়ায়। সুতরাং সতর্ক হোন।
৫। ইমোশন কন্ট্রোল করুন। কেবল বোরকা আর হাত মোজাকেই সেইফ ভেবে নিজেকে বাইরে বের করবেন না। বোরকা কিন্তু রাস্তার বাজে মেয়েরাও পরে। তাদের আর আপনার ভেতর তফাত তৈরি করুন আচরণ ও রুচিবোধ দিয়ে। সাহিত্য পড়তে পড়তে কারো সাথে পার্কে ঘুরতে যাওয়া নিশ্চয়ই কোনো ভালো রুচির পরিচয় বহন করে না। বোরকা ও হিজাব যেন আপনার সম্মানের কারণ হয়, সেটা নিয়ে ভাবুন।
৬। কিছু মহিলা মাদরাসার ভয়াবহতা সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। এক্ষেত্রে নিজেকে ইলম ও আমলের মাধ্যমে এমনভাবে গড়ে তুলুন, যাতে আপনি ঘরোয়াভাবে এক নতুন নারী দীনি শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করতে পারেন। আর এর জন্য দরকার তাকওয়া। যেখানেই যাবেন, আল্লাহর ভয় সবার আগে রাখুন। ফেসবুকে থাকতে হলে আত্মমর্যাদা নিয়ে থাকুন, নাহয় বাদ দিন।
৭। লেখালিখি বা বই পড়া নিয়ে সিরিয়াস হোন। কী পড়ছেন, কী শিখছেন, এ বিষয়ে ফিল্টার তৈরি করুন। আবেগের ঠেলায় ছাইপাঁশ পড়া বাদ দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করুন। প্রয়োজন পরিচিত ও বিশ্বস্ত বোনদের নিয়ে অফলাইনে পাঠচক্র করুন। ইলমি বইপুস্তক এবং বুজুর্গদের কিতাবাদি বেশি পড়ুন।
৮। বিয়ের আগে বাবা ও বড় ভাইকে মেনে চলুন। তারা যদি বদদীন হয়, তাহলে নিজেই নিজের মেন্টর হোন। দীনি বোনদের জন্য লেখা বইগুলো পড়ুন। ইউটিউবে নাটক আর মুভি বাদ দিয়ে মেয়েদের সাইকোলজি নিয়ে ভিডিও দেখুন (যদি আত্মসংযম না থাকে, তাহলে এটাও বাদ)। সামাজিক সংকট ও পারিবারিক ঘাটতি নিয়ে স্ট্যাডি করুন। ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিন।
৯। ছেলে হয়ে মেয়েদের মতো ঢং করে কবিতা পড়া, দীনি লেভেল লাগানো কথিত ছাপড়ি লেখকদের বই থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। এসব পুরুষের বউ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা না রেখে সাইয়েদ আলি নদভি রাহিমাহুল্লাহর মা হওয়ার প্রস্তুতি নিন, উম্মাহর এখন এটাই দরকার। বিশেষ করে, বিয়ের পূর্বে এটা বর্তমানে মেয়েদের একটা ভাইরাস রোগ। এর বিপরীতে প্রয়োজনে সামাজিক ও প্রাকৃতিক নির্ভর ক্ল্যাসিক উপন্যাস পড়ুন। সেখান থেকে ভাষা ও লেখা শেখার বহু কিছু আছে...
১০। অনেকেই আছেন, ফেসবুকে সবকিছুই কড়াকড়ি মানেন। আইডিতে লিখেও রাখেন, 'অনলি সিস্টার'। কিন্তু কিছু পুরুষরূপী ছাগল নোংরামির উদ্দেশ্যে মেয়েদের নামে ফেক আইডি খোলে। সুতরাং এ অবস্থায় কেউ যদি বারবার নক করে, তাহলে অবশ্যই রেসপন্স করবেন না। এবং সরাসরি তখনই ভিডিও কলে তাকে আসতে বলবেন নিজেকে হাইড রেখে, তাহলেই বুঝবেন, এতদিন কার সাথে লেখালিখির চর্চা করেছেন। পাশাপাশি আপনি নিজেও একেবারে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া পুরুষদের নক করা থেকে বিরত থাকবেন।
১১। জেনারেল শিক্ষিত বোনদের জন্য বলব, আপনারা এমনিতেই যেহেতু বাইরে পড়াশোনার কারণে যাতায়াত করেন, সেক্ষেত্রে খুব বেশি স্বাধীনতা দেখানোর প্রয়োজন মনে করবেন না। পড়াশোনার যোগাযোগ রাখার জন্য কোনো 'দোস্ত' বানানোর ফিকির থেকে বের হন। একজন গায়রতওয়ালা মুসলিম পুরুষের মেয়ে কখনোই এতটা হালকা হতে পারেন না।
১২। বিয়ের ব্যাপারে সব সময় আল্লাহর নিকট দোয়া করুন। অভিভাবকের হাতে ছেড়ে দিন। যদি মনে হয়৷ অভিভাবক ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাহলে তাদের বোঝান এবং নিজের অবস্থান ক্লিয়ার করুন। অবশ্য এ বয়সে ভালো-মন্দ বোঝার বুঝও বোনদের খুব কমই থাকে। আল্লাহ না করুন, অনলাইনে বা অফলাইনে কাউকে যদি পছন্দ করেই থাকেন, তাহলে দ্রুত পরিবারকে জানান, পরিবার গ্রিন সিগন্যাল না দিলে বাদ দিন।
১৩। ঘরে বসে যে কাজগুলো শেখা যায়, সেগুলো শিখুন। সুই-সুতার কাজ, ঘরোয়া ডেকোরেশন প্রোডাক্ট, আর্ট, খাবার, বাচ্চাদের পোশাক, মেয়েদের রূপচর্চার নেচারাল প্রোডাক্ট—অসচ্ছল হলে এগুলো শিখে কাজ করতে পারেন। তবে অবশ্যই একজন মাহরামের অধীনে থাকবেন।
১৪৷ লেখালিখি শিখতে চাইলে হজরত আবু তাহের মিছবাহ, মাওলানা যাইনুল আবিদীন সাহেবের লেখা - বিষয়ক বইগুলো চর্চা করুন। লেখালিখির বিষয়ে বইপত্র পড়ুন। প্রয়োজনে একজন ভালো লেখিকার অধীনে থেকে চর্চা করুন।
১৫। সাংসারিক কাজকর্ম এবং ঘরোয়া রান্নাবান্নায় এখন থেকেই এক্সপার্ট হোন। গ্রামের ক্ষেত্রে ফসলাদির ব্যাপারে ধারণা নিন এবং গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালনের অভিজ্ঞতা শিখুন।
Rashed Muhammad RM
জেগে উঠি রবের শক্তিতে