JibonKotha

JibonKotha

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from JibonKotha, Tutor/Teacher, kayasthapara main Road, .

I the Astrologer S Kumar wants to run this page to motivate the people who are in disturbance with the thinking and with any travel most of the post in this page will be coated from mythology of Hinduism.

01/01/2026
01/01/2026

#ভাগবৎ #বেদব্যাসমায়ার বন্ধন

31/12/2025

শকটার,চন্দ্রগুপ্ত এবং চাণক্য একসঙ্গে মিলিত হলেন। চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত নিজেদের শীষ্য সঙ্গে করে তপোবনে গেলেন এবং সহপাঠী জীব সিদ্ধির সঙ্গে দেখা করলেন। জীবসিদ্ধিকে ক্ষপনক বেশে রাক্ষসের কাছে পাঠানো হলো। জীব সিদ্ধি রাক্ষসের বিশ্বাসভাজন হলেন। তারপর চাণক্য এক অভিচার ক্রিয়া(অন্যের ক্ষতির উদ্দেশ্যে জাগ যোগ্য করা) করেন। এবং তার প্রসাদ শকটারের মাধ্যমে নন্দীর কাছে পৌঁছে দেন। শীঘ্রই রাজানন্দ এবং তার পুত্ররা নিহত হলেন
শকটারের এর প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হল। কিন্তু নিজের অপরাধবোধে পীড়িত হয়ে বনে গিয়ে অনশনে প্রাণ বিসর্জন দিলেন। মন্ত্রী রাক্ষস প্রভুর শোকে কাতর হয়েও মহারাজ নন্দের ভাই অথবা বন্ধু সর্বার্থসিদ্ধ কে সিংহাসনে বসিয়ে সাবধানে রাজ কার্য চালাতে লাগলেন। মহারাজ পর্বতক ও অন্যান্য লেচ্ছ রাজাদের কাছে রাজা সর্বার্থসিদ্ধি পরাস্ত হলেন এবং বৈরাগ্য অবলম্বন করে বনবাসে চলে গেলেন। রাক্ষসও আত্মসমর্পণ করলেন।।

#নন্দ #চানক্য #বেদব্যাস #ভাগবৎ #চন্দ্রগুপ্ত #চাণক্য নীতি

21/12/2025

#ভাগবৎ #বেদব্যাস #চানক্য #জ্যোতিষ #নন্দ #চন্দ্রগুপ্ত

মহারাজ নন্দীর অন্যতম দুই মন্ত্রী ছিলেন শকটার এবং রাক্ষস। শকটার ছিলেন শূদ্র এবং রাক্ষস ছিলেন ব্রাহ্মণ। এরা দুজনেই কিন্তু ধুরন্ধর রাষ্ট্রনীতিবিদ।
কিন্তু শকটরের স্বভাবটা একটু উদ্ধত ছিল। এবং তিনি প্রভুবিদ্বেষী ছিলেন কিন্তু রাক্ষস পুরো বিপরীতে ছিলেন। তিনি রাজাকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। রাজানন্দ শখটারের ব্যবহারে একদিন ক্ষুব্ধ হলেন এবং তাকে সপরিবারে বন্দী করলেন। কারাগারে অত্যন্ত পরিমাণ অল্প পরিমাণ আহার্য বরাদ্দ দেখে পরিবারের অন্যরা অনাহারে প্রাণ ত্যাগ করা সিদ্ধান্ত নিলেন। শকটারের পরিবারের সকলেই মারা গেল। শকটার বেঁচে রইল সেই অতি অল্প খাবার খেয়ে । কারাগারের মধ্যে শকটার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে তিনি নন্দ বংশ ধ্বংস করে দেবেন। তারপর বহুদিন গত হলে কোন এক কারণে শকটার কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে যান
একদিন নগরের বাইরে এক প্রান্তরে একজন কদাকার ঘোর কৃষ্ণবর্ণ ব্রাহ্মণকে একাগ্র চিত্তে কুশ ঘাসের উপর ঘোল ঢালতে দেখলেন। জানা গেল যে ওই ব্যক্তির নাম চাণক্য। তার বিবাহ স্থির হয়েছিল কিন্তু যাবার পথে কুশ ঘাসের আঘাতে তার পায়ে ক্ষত হয়। ফলে বিবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এইজন্য তার সমস্ত রাগ গেয়ে পড়ে ওই কুশ ঘাসের উপর। শক্টর তাকে দেখে বুঝলেন যে তার উদ্দেশ্যকে সিদ্ধ করতে পারে এমনই একজন অধ্যবসয়শীল মানুষ। তাই তিনি চাণক্যের সঙ্গে দেখা করলেন ।

21/12/2025

#ভাগবৎ #বেদব্যাস #চানক্য
মগধের রাজা ছিলেন জরাসন্ধ। জরাসন্ধের রাজধানী ছিল রাজগৃহ। জরাসন্ধের পর অনেকে মগদের সিংহাসনে উপবেশন করেছেন। অবশেষে একসময় সিংহাসনে বসলেন মহা পদ্মনন্দ। এই মহাপদ্মনন্দের মহিষী ছিলেন রত্নাবলী। তার গর্ভে ৮টি পুত্রের জন্ম হয়। মহাপদ্মনন্দের মুরা" নামে একজন দাসী ছিলেন। সেই দাসীর গর্ভে মহাপদ্মনন্দের একটি সন্তান জন্মায়। সেই সন্তানের নাম হয় চন্দ্রগুপ্ত। মুরার পুত্র বলে চন্দ্রগুপ্তের বংশের নাম হয়েছিল মৌর্য- মুরা থেকে হয়েছিল মৌর্য ।এই মৌর্য বংশ পরবর্তী কালে খ্যাত হয়েছিল তবে এখানে একটা মতানৈক্য আছে অনেকেই চন্দ্রগুপ্ত কে মুরার পৌত্র বলে মনে করেন পুত্র নয় । সেখানে বলা হয়েছে মুরার পুত্র ছিল মৌর্য এবং এই মৌর্যের ১০০টা পুত্র ছিল তার মধ্যে কনিষ্ঠ পুত্র হলো চন্দ্রগুপ্ত। যাই হোক মহাপদ্মনন্দের পুত্রদের মধ্যে চন্দ্রগুপ্তই জ্যেষ্ঠ ছিলেন কিন্তু দাসীর পুত্র হওয়ায় তিনি পিতৃ রাজ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। মহাপদ্মনন্দের অন্যান্য সন্তানেরা চন্দ্রগুপ্তির প্রতি ঈর্ষ পোষণ করতেন এবং তার প্রাণনাশেরও তারা চেষ্টা করতেন। চন্দ্রগুপ্ত তাদের অত্যাচারে পাঞ্জাব প্রদেশে পালিয়ে যান। এই সময়ে চাণক্যের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এরপরে সিংহাসনে বসেন নন্দ। তার রাজধানী ছিল পাটলীপুত্র। চন্দ্রগুপ্তের পাঞ্জাবে অবস্থিতির সময় চাণক্যের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয় এবং গ্রিক সম্রাট আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর পাঞ্জাব অঞ্চলের অধিকার নিয়ে আলেকজান্ডারের দুই সেনাপতির মধ্যে তুমুল বিবাদ হয়। এই সময় চন্দ্রগুপ্ত চাণক্যের কূট বুদ্ধির জোরে পাঞ্জাবে অনেক অংশ নিজের অধিকারে নিয়ে নেন।।

20/12/2025

ফলিত জ্যোতিষের কথা
#জ্যোতিষ #ফলিত

শাশ্বত জ্ঞানের আকর হিসেবে ভারত ভূমিতে ১৪ টি বিদ্যাস্থান স্বীকৃত হয়েছে। যা মানুষকে মুক্তির তথা জড়তা থেকে উদ্ধারের নির্দেশিকা দিয়েছে -"বিদ্যা সা বিমুক্তয়ে"
এই 14 টি বিদ্যা স্থান হল__ পুরাণ, ন্যায়, মীমাংসা, ধর্মশাস্ত্র, শিক্ষা, কল্প, ব্যাকরণ, নিরুক্ত, ছন্দ এবং জ্যোতিষ। এই দশটি শাস্ত্র এবং ঋক সাম,যযু, অথর্ব চারটি বেদ-- মোট দশটি বিদ্যা স্থান বা ধর্মস্থান।
ফলিত জ্যোতিষ হল সেই শাস্ত্র স্বীকৃত বিদ্যাস্থান বা ধর্মস্থান।।

10/12/2025

ত্বমেব মাতা চ পিতা ত্বমেব
ত্বমেব বন্ধুশ্চ সখা ত্বমেব ।।

Want your school to be the top-listed School/college?

Website