HSC-25 পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া এবং শুভকামনা রইল।
Milon'S Chemistry Care
Chemistry says: Old bonds break when new are formed :)
❤️
আপনি যে বিলিয়ন বছর পুরোনো পানি পান করছেন, আপনি জানেন কি?
বিলিয়ন বছর পুরোনো, শুধুমাত্র মানবসভ্যতার চেয়ে নয়, এমনকি ডাইনোসরদের চেয়েও পুরোনো। প্রকৃতপক্ষে, পৃথিবীর অধিকাংশ পানি পৃথিবীর সৃষ্টি হওয়ার সময় থেকেই (প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে) বিদ্যমান ছিল। এমনকি কিছু পানির অণু আরও পুরোনো হতে পারে, যা বরফাচ্ছন্ন ধূমকেতু বা আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ থেকে এসেছে।
পৃথিবীর পানি নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পুনর্ব্যবহৃত হয়, যেমন: বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, বৃষ্টিপাত এবং ভূগর্ভস্থ পানির প্রবাহ। এই অবিরাম পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়ার কারণে, আজ আপনি যে পানির গ্লাস থেকে পান করছেন, তার কিছু অণু হয়তো একসময় ডাইনোসরের শরীরের ভেতর প্রবাহিত হয়েছে, প্রাচীন গাছপালার মাধ্যমে শোষিত হয়েছে, বা আদিম নদীর স্রোতে ভেসে গেছে।
জীববৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াগুলি পানি অণুগুলোকে ধ্বংস করে না, বরং সাময়িকভাবে ব্যবহার করে। ফলে, যে পানি একসময় জুরাসিক যুগের প্রাণীদের হাইড্রেট করেছিল, তার কিছু অংশ এখনও পৃথিবীর পানিচক্রের মধ্যে রয়েছে। তবে এটি লক্ষণীয় যে কিছু পানি অণু রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ পানি একই পুনর্ব্যবহৃত চক্রের মধ্যেই থেকে যায়। যে পানি লক্ষ লক্ষ বছর আগে জীবজগৎকে পুষ্টি দিয়েছিল, তা আজও আমাদের নদী, সমুদ্র ও জীবজগৎকে আকার দিচ্ছে এবং টিকিয়ে রাখছে।
তাই, যখনই আপনি এক ঢোক পানি পান করবেন, ভাবুন: আপনি হয়তো এমন এক পানির অণু পান করছেন যা একসময় আদিম সমুদ্রে ঢেউ তুলেছিল, প্রাগৈতিহাসিক অরণ্যে বৃষ্টির ফোঁটা হয়ে পড়েছিল, বা কোনো ডাইনোসরের শ্বাসের সাথে বেরিয়ে এসেছিল। প্রতিটি বিন্দু হল পৃথিবীর অতীতের একটি জীবন্ত অংশ প্রকৃতির চক্রের এক চিরন্তন সাক্ষী এবং সমস্ত জীবের পারস্পরিক সংযোগের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।
@মধুদার_আপডেট
রসায়ন শব্দের ইংরেজি Chemistry (কেমিস্ট্রি)। মধ্যযুগে পরশ পাথরের সন্ধানে পরীক্ষারত মুসলিম বিজ্ঞানীরা একটি শাস্ত্র বা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এটাকে তারা বলতেন আলকামিস্তা বা আলকেমি। আলকেমি এসেছে আরবী শব্দ আল-কিমিয়া থেকে। আল-কিমিয়া শব্দটি এসেছে 'কিমি' থেকে। কিমি থেকেই chemistry শব্দের উৎপত্তি। আলকেমি আল অর্থ দি(The), এবং কেমি বা কিমি অর্থ ব্লাক সয়েল বা কালো মাটি। এই কালো মাটি আসলে মিশরের নীল নদের তীরের মাটি। প্রাচীন মিশরকে রসায়নের জন্মক্ষেত্র বলা যায়। কারণ, মিশরীয়রা সভ্যতার আদি লগ্নে যে মমি তৈরি করতো তাতেই তারা নানান রকমের রাসায়নিক ব্যবহার করতো। প্রাচীন গ্রীসেও রসায়নের চর্চা শুরু হয়েছে সুপ্রাচীনকাল থেকেই।
তারা চিন্তা করতো এ্যালিক্সির বা জীবন সঞ্জিবনীর কিভাবে তৈরি করা যায়! কারণ, মানুষ চিরদিন বেঁচে থাকতে চায় অমর হতে চায়। ভারতীয় উপমহাদেশের ঋষিরাও চাইতেন তেমন কিছু তৈরি করার। তারা একে বলতেন পরশ পাথর!
গ্রিসদের এই চিন্তা ভাবনা ও কাজের সাথে পরিচিত ছিলেন জাবির ইব্নে হাইয়ান। তাঁর পিতা ইবনে হাইয়ানও একজন গুপ্তবিদ্যাচর্চাকারী ছিলেন। প্রাচীনকালে রসায়ন গুপ্ত বিদ্যা বলে পরিচিত ছিলো। কারণ রসায়নবিদরা লোক চক্ষুর অন্তরালে তাদের পরীক্ষা-নীরিক্ষা করতেন। কারণ সাধারণ মানুষের কৌতুুহল বেশি থাকে এবং তারা কাজে বাঁধা সৃষ্টি করতে তৎপর থাকে।
পরবর্তী সময়ে জাবির ইবনে হাইয়ান তাঁর নিজ বাসভূমি আরবীয় অঞ্চলে ফিরে আসেন এবং রসায়ন শাস্ত্রের উপর ১০৮ খানা গ্রন্থ লেখেন। তাঁর এই মহামূল্য গ্রন্থগুলো রসায়ন গবেষণায় সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। তাকে প্রাচীন রসায়নের জনক বলে অভিহিত করা হয়।
-Sumon Ahmed
01/03/2025
অধ্যায় ৩:মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন
গ্রুপ-13 এর B ও Al এর অক্সাইড এর ধর্ম।
19/02/2025
Hsc-25 Exam routine
17/02/2025
ভর্তি পরীক্ষা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
19/10/2024
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
যদি তোমার পায়ে জুতা নাও থাকে, কিন্তু হাতে বই যেন অবশ্যই থাকে। কারণ, জুতো তোমায় কিছুটা পথ চলতে সাহায্য করবে। কিন্তু, বই তোমায় তোমার জীবন গঠন করতে সাহায্য করবে।