11/05/2025
পাক-ভারত যুদ্ব!
আসলে ভারত পাকিস্তানের মৌলিকভাবে যুদ্ব লাগা সম্ভব না এর কারণ দর্শানোর পূর্বে ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের স্বভাবজাত আলোচনা জরুরী।
এ দুদেশের রাষ্ট্র নেতারা মূলত ক্ষমতাটাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে যেভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় বা আসা যায় সেই পন্থাই তারা গ্রহণ করে থাকে।
যুদ্ধ তো হয় মূলত দেশ ও জনগণের কল্যাণে যাইহোক বলছিলাম পাক-ভারত উত্তপ্ততা তা কিন্তু দিন শেষে যুদ্ধে রূপ নিবেনা।
এখন প্রশ্ন হলো তবে এই উত্তপ্ততার লাভ কি বা কার স্বার্থে এটা ছড়ানো হলো?
সোজা সাপটা উত্তর এটা মূলত মোদির বিহার নির্বাচন ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায় থাকার কৌশল হিসেবে কাজ করবে এরদ্বারা হিন্দুত্বকে আরো শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে ফলে মোদি আগামী লোকসভায় ও ক্ষমতায় আসার বিশাল রাস্তা প্রশস্ত হয়ে যাচ্ছে।
এবার আসি পাকিস্তান প্রসঙ্গে শাহবাজ শরিফ, বিলাওয়াল ভুট্টো ও মারইয়াম নাওয়াযদের ও কিন্তু বিশাল রাজনৈতিক লাভ হয়েছে আর তা হলো ইমরান খানকে অন্যায়ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে যেই ইমেজ টুকো ক্ষমতাশীন দল ও সেনাবাহিনী হারিয়েছিলো তা আবার পুনর্গঠন হয়েগেল সেনাবাহিনী তার ইমেজ ফিরে পেল শাহবাজ গংদের চুরিটা ও ধামাচাপা পড়েগেল।
আঞ্চলিক ভাবে দুটো রাষ্ট্রের ক্ষমতাশীন দলই লাভবান হলো ক্ষতিগ্রস্ত হলো কেবল আমজনতা।
এবার আসি পশ্চিমাদের বিষয়।
যেহুত আফগানিস্তান স্বাধীন, ইউক্রেন যুদ্ধ ও শেষ শেষ অবস্থা আর গাজা তো ধ্বংসই হয়ে গেল একমূহুর্তের জন্য ও পৃথিবী যুদ্ধহীন থাকুক এটা পশ্চিমা যুদ্বব্যাবসায়ীগুলো ধারণা ও করতে পারেনা তাই পশ্চিমা নতুন নতুন কিছু প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে যার প্রথম পরিক্ষা হিসেবে পাক ভারত যুদ্বের সূচনা ঘটেছিল কিন্তু সমস্যা বাধে আরেক জায়গায় আর তা হলো ফ্রান্সের তৈরী যুদ্ববিমান ধ্বংস হওয়া, যেহেতু রাফায়েল সম্পূর্ণ রূপে ব্যার্থ প্রজেক্ট প্রমাণিত হয়েছে তাই ওরা যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছে কেননা বিকল্প হিসেবে চিনা অস্ত্রের জয় মানেই হলো পশ্চিমা রাজত্বের উপর সর্বশেষ পেরেক মারার সমতুল্য,ফলে আপাতত এইপরিক্ষা এখানেই তারা শেষ করবে।
বাকী প্রজেক্ট গুলোর জন্য চিন্তা ভাবনা করতেছে, সম্ভাব্য যুদ্ব প্রজেক্ট গুলো হলো, আরাকান আর্মি ও বাংলাদেশ, ভারত বাংলাদেশ (যদি নির্বাচিত সরকার ভারতের দালালী না করে)মিডেলিস্ট প্রজেক্টগুলো তাদের নজরদারিতে রয়েছে।
বাকী দেখা যাক কি থেকে কি হয়।