07/12/2019
,প্রভুর
মহাপ্রয়াণ / মহাসমাধী
.......আমার অম্তঃ অনুরণনে ,
১৯৫০ সালে৫ই ডিসেম্বর মহা ঋষি শ্রী অরবিন্দ দেহত্যাগ করলেন তাঁর তিরোধানের খবর পেয়ে কাতারে কাতারে মানুষ আসতে লাগল — কি ভক্তবৃন্দ, কি অনুগামী , কি জনসাধারন , কি বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনেরা ! স্তব্ধ অশ্রু ব্যথিত হৃদয়ে পুষ্পস্তবক শ্রদ্ধায়--শেষ দর্শন প্রার্থি মানুষের ঢল৷ পন্ডিচেরীর আকাশে বাতাসে মাটিতে পরিব্যাপ্ত ছিলো বিদায়ের এক করুণ সুর ৷ বিস্ময় দর্শন শায়িত তাঁর দিব্য দেহ থেকে ছড়িয়ে পড়া এক অতিমানষ জ্যোতি , সেদিন
সেই অলৌকিক দর্শনে যারা চক্ষু সার্থক করেছিল তাদেরও যেন জীবন স্বার্থক ত্ত ধন্য হয়েছিল ৷ শায়িত সেই কনককান্তি দিব্য জ্যোতিস্ফুটিত তাঁর দেহ --যেন কোথাও কোন মৃত্যু ছায়া নেই, যেন এক দিব্য শান্তি রূপান্তরে তিনি যোগমগ্ন হয়েছেন ৷
পাঁচ থেকে নয় ডিসেম্বর অসংখ মানুষ সেই ব্রহ্মমুর্তি দর্শণ করলেন ৷ ৯য়ে ডিসেম্বর স্যন্ধায় তাঁর দিব্য দেহকে আশ্রম প্রাঙ্গনেই সমাধিস্থ করা হল , —যেই প্রাঙ্গণ সকাল সন্ধ্যা আশ্রমবাসি দর্শনার্থিদের গুঞ্জণে মুখরিত থাকত ,
সেই স্থান ,তৎপর , অখন্ড যোগপিঠএ রুপান্তরিত হল ৷
শ্রী অরবিন্দ অতিমানষ চেতনার অবতরন ঘটিয়েছলেন জগৎ ও মানব জাতির কল্যানে , যার গ্রহন যোগ্য মানব জাতির প্রস্তুরির উদ্দেশে তিনি তাঁর অক্লান্ত লেখনী দিয়ে জীবন দর্শন ও ভগবৎ জ্ঞান তাঁর জীবনের শেষ সচল মুহুত্ব অব্দি বিন্যাস করে গেছেন ৷
আজ শ্রী অরবিন্দর মহাপ্রয়ান দিবসে সর্বাধিক প্রাসঙ্গিক মনে হয় একমাত্র শ্রীমায়ের কথা যা তিনি শ্রী অরবিন্দর সমাধীতে অতি যত্নে খোদিত করে গেছেন ৷
" হে আমাদের ভগবানের জড় আবরণ, তোমাকে আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা নিবেদন করি ৷ তুমি যে আমাদের জন্য এত করেছ এতখানি কাজ করেছ ,যুদ্ধ করেছ, কষ্ট করেছ , আশা করেছ ,সহ্য করেছ , তুমি যে সব কিছু সঙ্কল্প করেছ, চেষ্টা করেছ , তৈরী করেছ, সংসিদ্ধ করেছ আমাদের জন্য ,
তোমার সম্মুখে প্রনত আমরা , আর এই প্রর্থনা তোমার কাছে — আমরা যেন কখন ভূলে না যাই এক মুহুর্ত্বের জন্যও , তোমার কাছে সব কিছুর জন্য কত আমরা ঋণী৷"