Shamsuddoha Moni Doha

Shamsuddoha Moni Doha

Share

I am a faculty at Brac University. I talk about education, recitation, inspirational story, history and heritage, and traveling.

Subscribe to my YouTube channel to learn more:
https://www.youtube.com/channel/UCOyXNekv21t0fbcPDWNRTPQ

Victory slips away as marathon runner celebrates too soon 21/04/2026

সাফল্যের জন্য আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম ও ধারাবাহিকতা এই তিনটিই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ!

Victory slips away as marathon runner celebrates too soon The dramatic end to the Delaware Marathon occurred when the lead runner slowed in celebration before a trailing marathoner sprinted toward the finish line .

06/02/2026

This piece of mine has been published in Postcolonial Studies this week! You might be interested in reading. The first 50 people can download it for free with the following link:
https://urldefense.com/v3/__https://www.tandfonline.com/eprint/5EERSKA4PTWR8Q8BCC54/full?target=10.1080*13688790.2026.2618298__;Lw!!JmPEgBY0HMszNaDT!ppt27HtuuIn6MQmE6vHwAzECTe-atTjhCQAanyEiwhbCxgPqVsWyaqnt5DH9STq3HPdDLFo_yAYIXNWx8cmm$
It provides a couple of contemporary examples to demonstrate the persistence of imperial violence in the postcolonial world under the pretext of legal justification, peacemaking, protection of humanity, and self-defence or limiting violence.
Today’s warmongers, like their imperial predecessors, also propagate a similar argument that “‘small’ violence is necessary to keep and produce order”
The imperial powers use small wars to justify the expansion of their power, which, rather than promoting peacemaking, often leaves different regions of the world vulnerable to violence and large-scale war.

08/11/2024

Research Assistant-ship এর সুযোগ:
আমাদের একটা ফান্ডেড রিসার্চ প্রোজেক্ট এর জন্য একজন RA নিয়োগ দেবো। আগ্রহীরা দ্রুত CV পাঠাও।
প্রোজেক্টের শিরোনাম:
Gender-based migration in the context of climate change in coastal Bangladesh: a socio-historical analysis
প্রকল্পের মেয়াদ: ১ বছর
রিসার্চ এ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মেয়াদ: ৪-৬ মাস (আলোচনা সাপেক্ষে)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
কাজের ধরন: পার্ট টাইম, মূলত টার্গেট বেইজ্ড। নিয়মিত অফিস করতে হবে না, রিমোটলি কাজ করা যাবে।
সম্ভাব্য কাজসমূহ:
লিটারেচার রিভিউ- ( ইতিহাস, সমাজ বিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের উপর)।
ফিল্ডওয়ার্ক, FGD and transcribing.
যোগ্যতা: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী।
Anthropology, Economics, Development Studies, English Department কে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। Research Assistant হিসেবে প্রোজেক্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে যেকোনো ডিপার্টমেন্ট থেকেই আবেদন করতে পারবে।
Send your CV to my email ASAP:
[email protected]

Photos from Shamsuddoha Moni Doha's post 04/10/2024

Dear all,
I'm glad to let you know that I've recently started my PhD journey at Washington State University in the USA. I am indebted to all of those who mentored and encouraged me to embark on this journey. My special thanks go to Afroza Akhtar Liza, who sacrificed a lot for me.

Please keep me in your prayers so that I can successfully complete my PhD and contribute to the development of Bangladesh.

আলহামদুলিল্লাহ!
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে সম্প্রতি আমি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি ডিগ্রি শুরু করেছি। আমার এই পথ চলায় অনেকেই আন্তরিকভাবে সাহায্য করেছেন এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার স্ত্রী আফরোজা আক্তার লিজার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা, কারণ তাঁর সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা আমাকে সবসময়ই সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

সবাই দোয়া করবেন যেনো সফলতার সাথে পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে পারি।

16/06/2024

বাবা, বাবা!
বোতাম বোতাম মাশরুম খুব ইচ্ছে করে
বাবাকে খাওয়াতে
আর রুমালি রুটি
অন্তত একবার কাস্পিয়ান হ্রদের মাছের ডিম
ইচ্ছে করে একটা বারান্দাওয়ালা ঘর উপহার দিতে
বাবার থেকে এখন আমি বয়েসে অনেক বড়
আমার একুশটা হাত
তিনটে চোখ
প্রতিদিন সাতশো দরজা পেরিয়ে যাই
শ্যামপুকুর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন আমার অল্পবয়েসি বাবা
বলে উঠি, সাবধানে যাও, গাড়ি চাপা পড়বে যে
ফুটপাথে ওঠো
পাঞ্জাবিতে বগলের নীচে ফুটো, আমার পাঞ্জাবি
লাগবে না বাবার গায়
একটাও দশতলা বাড়ি দেখেননি, আমি সেখানে থাকি
জেনে গেলেন না বাংলাদেশ নামে একটি নতুন দেশ হয়েছে
তাঁর জন্মস্থান ঘিরে…
আমার ছেলে ঠাকুমার পাশে শুয়ে গল্প শোনে
ঘুম পাড়ানি গল্প
ঐ সব গল্প কিছুদিনের মধ্যেই শরীরে আঁট হয়ে যায়
নতুন নতুন গল্প বানাতে ছেলের দল হৈ হৈ করে ছুটছে
বিমানে একটা বিন্দু হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে আকাশে
আমি
যতদিন বাবার ছেলে ছিলাম
তার চেয়ে বেশিদিন নিজেই বাবা
আমার বুকের সব রোম পাকা, সকালবেলা কাশতে কাশতে
লক্ষ করি, রক্ত পড়ছে কিনা
বাবা ছবি হয়ে থেমে আছেন।
নিজের থেকে কমবয়েসি কারুকে কি বাবা বলে ডাকা যায়?
তবু দেখতে পাই মাঝে মাঝে
আমিই চেয়ে থাকি স্নেহের দৃষ্টিতে
তাঁর ঘামে ভেজা মুখ, পরিক্রমা ক্লান্ত পা
কিছু দিতে ইচ্ছে হয়, যা যা পাননি
আমার ছেলের কাছ থেকে কিছু নেবার আগের মুহূর্তে
একবার আমার হাত কাঁপে!

বাবা
– সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সব বাবা মায়ের জন্য দোয়া রইেলা।
সবাইকে বাবা দিবসের শুভেচ্ছা!

22/04/2024

What is the difference between -
I like you,
I love you.

Beautifully answered by Someone:
“When you like a flower, you just pluck it. But when you love a flower, you water it daily.”

One who understand this, understand life! 💗

15/03/2024

হেরা গুহায় চুপ করে বসে ছিলেন, আর আল্লাহ পাক তাঁকে পছন্দ করেন বলেই ওহি নাজিল করলেন --ব্যাপারটা এত সরল না। নবী করিম সা: কে দীর্ঘ টানা ১৫ বছর হেরা গুহায় ধ্যান করে একটা স্তরে পৌছানোর পর আল্লাহ তাঁকে নবুয়ত দান করেন। নবুয়ত পাওয়ার সাথে সাথে লোকজন দলে দলে তার কথামত ধর্মের পথে আসে নাই। নবী করিম সা: সংগঠন করা শুরু করেছেন লেইট টিনেজ থেকে। ২০ বছর বয়সে তিনি হিলফুল ফুজুল নামে একটা লোকাল ন্যায়বিচার ক্লাব তৈরি করেন। এরপর সর্বদাই তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্যে থেকে নিজের দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছেন। নবুয়তের পর তার এসব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ধর্ম ও রাষ্ট্র গঠনে সাহায্য করেছে।

সুন্দরী বউ ভালো লাগে না, যাই গা-- এটা মনে করে ঘর থেকে বের হয়েই সিদ্ধার্থ নাম চেইঞ্জ হয়ে যাই নি। ঘর থেকে বের হয়ে আরো ১৭ বছর কঠোর তপস্যার পর বোধি লাভ করে বুদ্ধ হন সিদ্ধার্থ গৌতম। এরপর আরো ৪৫ বছর তপস্যা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম করে বৌদ্ধ ধর্মের সাংগঠনিক রুপ দিয়ে গেছেন।

ধর্মের বাইরে এসে রাজনীতির কথা বলতে গেলে ঘটনা একই। ১৯১৮ তে জন্ম নেয়া নেলসন মেন্ডেলা ১৯৪০ এর দিকে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬২ সাল পর্যন্ত কয়েকবার জেলে ঢুকেন আন্দোলনে অংশ নিয়ে। ১৯৬২ তে ঢুকে টানা ২৭ বছর জেল খেটে বের হন। এরপর কালোদের অধিকার প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ১৯৯৪ তে সাউথ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হন। অন্যদিকে, বঙ্গবন্ধু ১৮ ধাপে জীবনের এক চতুর্থাংশ সময় (৪৬৮২ দিন) জেল খেটে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি কবে থেকে কি শুরু করেছেন, কতদিন কি করেছেন -এগুলো সবাই জানে।

রাজনীতির বাইরে এসে সায়েন্স নিয়ে বলা যায়। মাইকেল ফারাডে খুব গরীব ছিল। জ্ঞানার্জনের বিরাট নেশা ছিল তাঁর । কিছু শেখার জন্য অল্প বয়সে বই বাঁধাইয়ের দোকানে কাজ নেয়। যা পেয়েছেন সব শিখে শিখে নোট নিতেন। সায়েন্সে মজা পেয়ে বম এ বিষয়ে ফ্রি সভা সেমিনারে গিয়ে শিখতে থাকেন। বাসার গ্যারাজে নিজের ল্যাব বানিয়ে এটা সেটা এক্সপেরিমেন্ট চালাতে থাকেন। দোকানের মালিক তার এত আগ্রহ দেখে তৎকালীন নামী বিজ্ঞানী হাম্ফ্রে ডেভির সাথে কাজ করার লাইন করে দেন। ফারাডে ২১ বছর বয়স থেকে ডেভির বোতল ধোয়ামোছা করত, আর তার কাছে গবেষণা শিখত। শুধুমাত্র দিনের দিনের পর দিন লেগে থাকা ও সেখার আগ্রহের কারণেই ফ্যারাডে সেই অর্থে কোন একাডেমিক শিক্ষা ছাড়াই পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী হন। বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের গল্পটা প্রায় একই রকম৷

রাইট ব্রাদারদের ছোটবেলা থেকেই ছিল সাংঘাতিক অনুসন্ধিৎসা। নিজেদের খেলনা থেকে শুরু করে বাপের ব্যবসারা ছাপাখানা খুলে লন্ডভন্ড করে জোড়া লাগাতেন তারা। স্কুল কলেজে সেভাবে যাওয়া হয় নাই। বাপের ছাপাখানা ব্যবসা মার খেলে সাইকেল সারাইয়ের দোকান দেন। তবে তাদের প্রধান কাজ ছিল এক্সিস্টিং নিউ মডেলের সব সাইকেল খুলে ইঞ্জিন থেকে শুরু করে নানা কিছু যুক্ত করে নতুন মডেলের সহজ চালিত ট্রেন্ডি বাইসাইকেল বানানো। ওদিকে ১৮৯০ এর দশকে পৃথিবীর নানা দেশে উড়োজাহাজ বানানোর প্রচেষ্ঠার শোরগোল শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যে ১৮৯৫ এ জার্মান বৈজ্ঞানিক অটো লিলিয়ান্থালের ফ্লাইং মেশিনে উড়ার সময় মৃত্যুর খবর দুই ভাইকে আলোডিত করে। তারা আকাশে উড়ার বিষয়টি সিরিয়াসলি নেন। এরপর একদম লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি থেকে শুরু করে সমসাময়িক সকল বিজ্ঞানীর এ সংক্রান্ত বই পুস্তক পড়ে ফেলেন। ঘন্টার ঘন্টার শুয়ে শুয়ে পাখির উড়াউড়ি পর্যবেক্ষণ করতেন। মজার ব্যাপার হলো তখন ক্যাম্ব্রিজ- হার্ভার্ড থেকে শুরু করে বিশ্বের নামী সব বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বড় বড় বিজ্ঞানীরা হাজার হাজার ডলার বিনিয়োগ করছিল টেকসই ফ্লাইং মেশিন বানানোর জন্য। অন্যদের তুলনায় রাইট ব্রাদারদের বিনিয়োগ অতি সামান্য। তবে একটা জায়গায় রাইট ব্রাদাররা ছিলেন আলাদা। অন্যরা সবাই বড় বড় মেশিন এর সাথে কিভাবে বাকি সব কিছু সোজাসুজি পানির জাহাজের মত করে শুন্যে ভাসিয়ে নেয়া যায় সে চিন্তা করছিল। রাইট ভাইরা তাদের সাইকেল অভিজ্ঞতার মধ্যেই রইলেন। তারা বুঝেছিলেন সাইকেলের মত তাদের ফ্লাইং মেশিনকে এডাপ্টিবল হতে হবে, নইলে বাতাসে টিকে থাকতে পারবে না, এখানে জাহাজের মত সরল রৈখিক চিন্তা করা বোকামি। ১৮৯৮ এর দিকে মোটামুটি একটা ডিজাইন দাড় করিয়ে চলে যান নর্থ ক্যারোলিনার পাহাড় আর মরুভুমিতে। একের পর এক দিনের পর দিন টেস্ট রান করেন ও প্র‍য়োজন অনুযায়ী ইম্প্রুভ করেন। পরবর্তীতে ১৯০৩ সালের দিকে তারা সফলভাবে নিজের ফ্লাইং মেশিনে করে উড়তে সক্ষম হন।

দুজন জিনিয়াসকে একটু ভিন্ন চোখে দেখা যাক। প্রথমত আমরা ধরে নেই তারা গিফটেড জিনিয়াস।কাজী নজরুল মাত্র ২২ বছর বয়সে বিদ্রোহী কবিতা লিখে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন। এই বয়সে এই কবিতা কিভাবে লেখা সম্ভব? নজরুলের পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ০৯ বছর বয়সে তাকে লেটো গানের দলে যোগ দিতে হয়। লেটো গান মানে ঘেটু পুত্র কমলা টাইপ গানের কাছাকাছি। সেখানে তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি দলের জন্য আরবী ফার্সী ইংরেজী বাংলা ইত্যাদির মিশ্র ভাষায় কাহিনীকাব্য লিখতেন। ভাবা যায়, পেটের দায়ে কত অল্পবয়সে কত কিছু করা। এরপর স্কুল ও সৈনিক জীবনে সর্বদা নানা পঠন পাঠন, ভাষা শিক্ষা ও সাহিত্য চর্চার মধ্যে ছিলেন। এই বারো বছরের নিরবিচ্ছিন্ন চর্চার ফল এক রাতে লেখা বিদ্রোহী কবিতা।
এবার অনেকের চোখে জিনিয়াস আইনস্টাইনের কথা বলি। মাত্র ১৬ বছর থেকে তিনি সিরিয়াস বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় চিন্তা ভাবনা এক্সপেরিমেন্ট শুরু করেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে গতানুগতিক চাকুরি না নিয়ে সরকারী কেরানী চাকরি নেন যাতে অল্প সময় কাজ করে বাকি সময় ডুবে থাকতেন নিজের চিন্তায়। টানা দশ বছর এক্টিভলি প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা গভীরভাবে চিন্তা করে ২৬ বছর বয়সে তিনি থিউরি ওফ রিলেটিভিটির একটা স্ট্যান্ডার্ড ফরমেট দাঁড় করিয়েছিলেন।

লেগে থাকা কি জিনিস এটার একটা সাবলাইম উদাহরণ হচ্ছেন কবি জীবনানন্দ দাশ। সেই অর্থে জীবন তাঁকে কিছুই দেয় নাই। বন্ধুহীন, প্রেমহীন কষ্টকর জীবনে অর্থের অভাবে খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়েছে। স্ত্রীর চোখে ছিলেন ব্যর্থ স্বামী, নিজ পেশার সহকর্মীদের হাসির পাত্র। জীবিতাবস্থায় সেইভাবে কবি হিসেবেও স্বীকৃতি পান নাই। তারপরেও সেই বাল্যকাল থেকে জীবনের শেষ পর্যন্ত কবিতার সাথে ছিলেন। সকল উপেক্ষা ও সংগ্রাম তাঁকে লক্ষ্য হতে, তার প্রসেস হতে বিচ্যুত করতে পারে নাই।

শুধু বছরের পর বছর এইরকম লেগে থাকার গুণে, প্রসেসের মধ্যে থাকার কারণে পৃথিবীতে সাধারণ ট্যালেন্টের হাজার হাজার লোক সফল হয়েছেন। আবার কোটি কোটি অতিমেধাবী ধৈর্যের সাথে শেষ পর্যন্ত ফোকাসড না থাকার, প্রসেস ডিনাই করার কারণে ঝরে পড়েছে। মেধা বিট্রে করতে পারে, প্রসেস অবশ্যই রিওয়ার্ড করে।

এ বিষয়ে ম্যালকম গ্ল্যাডওয়েলের লেখা আউটলায়ার্স বইয়ে দশ হাজার ঘণ্টা রুলটা প্রসেসকে খুব ভালোভাবে ব্যাখ্যা দেয়। যদিও এটা এক্স্যাক্ট কোন নাম্বার না, আমাদের হার্ডওয়ার্ক ও ফোকাসের রুপক মাত্র, কিন্তু হিসেব করে দেখলে ১০,০০০ ঘন্টা মানে বিরাট কিছু। প্রতিদিন যদি কোন বিষয় তিনঘন্টা করে চর্চা করেন তাহলে সোয়া নয় বছরে ১০০০০ ঘন্টার ঘরে পৌছাতে পারবেন। এই লেভেলে গেলে এই নির্দিষ্ঠ বিষয়ে আপনার চেয়ে শক্তিশালী কমান্ড খুব বেশি লোকের থাকবে না। বেশিরভাগ লোকের চেয়ে আপনি এক্সপার্ট লেভেলের কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন। শিক্ষানবিসি শেষে আপনার একটা ভাষা, ইন্টুইশন, ওয়ার্কিং পাথওয়ে তৈরি করে ফেলতে পারবেন। এই ইন্টেসিটি যদি আরো ১০০০০ ঘন্টা বা কাছাকাছি দিতে পারেন তাহলে ঐ বিষয়ে আপনার একটা ফ্লো চলে আসবে, প্রেডিক্ট করতে পারবেন, ভবিষ্যতের গতিপথ বলে দিতে পারবেন। নিজের তত্ব, আইডিয়া, আবিষ্কার ইত্যাদি চলে আসবে মনের অজান্তেই। সব কিছুই নখদর্পণে থাকবে, রিফ্লেক্সের কারণেই দুর্দান্ত কিছু হতে থাকবে, ফ্লো থেকেই সব উঠে আসবে, সামনে পেছনে সব পরিষ্কার মনে হবে। সব কিছু ম্যাজিকের মত বের হতে থাকবে।

শিক্ষানবিসি দশ হাজার ঘন্টা গুরুত্বপূর্ণ। যেকোন একটা ভালো পিএইচডি করতে ( ধরুন এমেরিকায়) ৫ বছর লাগে। অনেকের দ্বিগুণ পর্যন্ত লেগে যায়। আগে হয়ত অনার্স মাস্টার্সে সংশ্লিষ্ঠ বিষয়ে কিছু সময় দিয়েছে। এছাড়া কেউ কেউ পরে পোস্ট ডক করেন। এসব আসলে তার শিক্ষানবিসি কাল। এসব করা শেষ হলেই মিডিয়াম লেভেলে একটা এক্সপার্টিজ চলে আসে। একই ফোকাসে আরো এমন ০৮/১০ বছর লেগে থাকলে দারুণ কিছু আসা শুরু করে, দিন যত যাবে ততবেশি আউটপুট আসা শুরু করবে। সংগীত, সাহিত্য, বিজ্ঞান, যে কোন কর্মক্ষেত্রে এগুলো প্রযোজ্য।

শিক্ষানবিসি আধুনিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পালাবদলের সাক্ষ্য। আগের দিনে কামারের ছেলে কামার, জেলের ছেলে ছিল জেলে। কিন্তু ইউরোপে আধুনিক শিল্পবিপ্লব শুরু হলে কারখানা ও ম্যানেজমেন্ট লেভেলে নতুন লোক প্রয়োজন হয়। এদের সবকিছু নতুন করে সব শিখাতে হত। এরা শুরুতে এ জায়গায় হতে সে জায়গায় ছোটাছুটি শুরু করে, ফলে দক্ষতা গড়ে উঠছিল না। এর প্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলো নির্দিষ্ট ট্রেডে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য একই বিষয়ে টানা সাত বছর কাজ করা বাধ্যতামূলক করে দেয়। এভাবেই দীর্ঘদীন একটা বিষয় যথেষ্ট সময় ও পরিশ্রম দিয়ে শেখার জন্য আধুনিক শিক্ষানবিসি সিস্টেম গড়ে উঠে।

অন্যকিছু বাদ দিয়ে চোখের সামনে ঘটে যাওয়া সাধারণ ঘটনাগুলোই ব্যাখ্যা করি। যে দুচার জন টপ লেভেলের পাবলিক সার্ভিস লিডার, পলিটিক্যাল লিডার, কর্পোরেট লিডার দেখেছি: কেউ এই ছকের বাইরে নাই। যিনি মিনিস্ট্রির সেক্রেটারি হিসেবে ভাল তিনি এসিট্যান্ট কমিশনার থেকেই ভালো হওয়ার প্রচেষ্ঠার মধ্যে ছিলেন, যিনি সিইও হিসেবে সফল তিনি ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসবেও ইম্প্যাক্ট রাখতেন। সুযোগ পেলে হটাৎ করে দুনিয়া উল্টায়ে ফেলব, এই ধারণা নিয়ে বসে থাকলে আপনি কোন সুযোগই পাবেন না। এমনকি যারা পূর্বপুরুষের মাধ্যমে সৌভাগ্যের ছোঁয়া পেয়েছেন, তারাও নিজেদের যোগ্যতা অর্জনে ব্যার্থ হলে সব কিছু হাতছাড়া হতে দেখেছি শতবার। আবার যাদের সফলতার ক্রেডিট পারিবারিক ও ভাগ্যের উপর দিয়ে দেয়া হয়েছে, তাদের অনেকের পরিশ্রম, ডেডিকেশন, ওয়ার্ক এথিক চোখ ছানাবড়া করে দেয়ার মত।

একেবারে স্ট্রিট লেভেলে চিন্তা করি। হঠাত করে পরিক্ষার দু-চার মাস আগে খুব পড়ে আপনি জিআরই, বিসিএস, এইবিএ, বুয়েট, মেডিক্যাল এডমিশনে ভাল করতে পারবেন না। আপনাকে যে কোন ভাবেই হোক ৫/৭ বছর বা তারো অধিক সময় ধরে কন্সিটেন্সলি লেগে থাকতেই হবে, এর বাইরে খুব বেশি আর বিকল্প নাই। আমাদের খালি চোখে আউটপুট আর ট্যালেন্ট ধরা পড়ে, কিন্তু পেছনের পরিশ্রম, ফোকাস, ডেডিকেশন, রিগোরাস প্রসেস আতশী কাঁচ দিয়ে দেখা হয় না।

আসলে, শর্টকাটে সলুশ্যন একটা ইলিউশন, কারো কারো কাছে আপনার পকেট থেকে টাকা খশানোর পুঁজি।

পৃথিবীতে সবচেয়ে ইম্প্যাক্টফুল শর্টকাট হচ্ছে শুই-শাইড করা। অল্পতেই বিরাট হৈচৈ ফেলে দিতে পারবেন। বিষয়টি বাস্তব ও রুপক দুই অর্থেই সঠিক। হঠাত কেউ কিছু দিয়ে দেবে, সাডেন বড় কিছু হয়ে যাবেন, এই ধারণা নিয়ে বসে থাকা আসলেই শুই-শাইড।
থ্যাংক ইউ।

ইন্সপায়ার্ড ফ্রম: মাস্টারি- রবার্ট গ্রিন
Written by: Towheed Elahi

08/03/2024

🔳মানুষ‌কে অপমান না ক‌রেও
সংশোধন করার অসাধারণ শিক্ষা।🔳
---------------------------------------------------
হঠাৎ এক‌দিন রাস্তায় এক বৃ‌দ্ধের সা‌থে এক যুব‌কের দেখা। যুবক একটুখানি অগ্রসর হয়ে স‌ম্বোধন ক‌রে বিনয়ের সাথে বৃদ্ধ‌কে জিজ্ঞাসা কর‌লো, -স্যার,আমাকে চিন‌তে পে‌রে‌ছেন? উত্ত‌রে বৃদ্ধ লোক‌ বল‌লেন, -না বাবা, আমি তোমা‌কে চিন‌তে পা‌রি‌নি। অতপর বৃদ্ধ লোক জান‌তে চাই‌লেন, -- "তুমি কে?"
তারপর যুবক‌ বললো,
--"আমি একসময় আপনার ছাত্র ছিলাম। ও আচ্ছা! ব‌লে সেই বৃদ্ধ লোক‌ যুব‌কের কা‌ছে কুশলা‌দি জানার পর জিজ্ঞাসা কর‌লেন এখন তু‌মি কি কর‌ছো? যুবক‌ অত‌্যন্ত বিন‌য়ের সা‌থে জবাব দিলো, --"আমি একজন শিক্ষক। বর্তমা‌নে শিক্ষকতা কর‌ছি।"
সা‌বেক ছা‌ত্রের মুখ থে‌কে এই কথা শু‌নে বৃদ্ধ শিক্ষ‌ক অত‌্যন্ত খু‌শি হ‌য়ে বললেন, --বাহ্! বেশ তো! খুব ভালো! খুব ভালো!
ঠিক আমার মতো হয়েছো তাহলে!"
যুবক মৃদুহেসে জবাব দিলো, --"জী,আসলে আমি আপনার মতো একজন শিক্ষক হতে পে‌রে‌ছি ব‌লে নি‌জে‌কে ধন‌্য ম‌নে কর‌ছি।" তখন সেই যুবক এর পিছ‌নের কারণ বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে বল‌লো, -"আপনি আমাকে আপনার মতো হতে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছেন স্যার!"
বৃদ্ধ শিক্ষক কিছুটা কৌতূহল নি‌য়ে যুবকের শিক্ষক হওয়ার নেপথ্য কারণ জান‌তে চাই‌লে, যুবক‌ তার শিক্ষক হ‌য়ে উঠার গল্প বল‌তে গি‌য়ে বৃদ্ধ শিক্ষক‌'কে ষ্মরণ ক‌রিয়ে দি‌লো, স্কু‌লে ঘ‌টে যাওয়া সেই পুরনো দিনের ঘটনা। পুরনো দি‌নের ঘটনা বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে যুবক‌ তখন বৃদ্ধ শিক্ষ‌ককে উ‌দ্দেশ‌্য ক‌রে বল‌লো,
--"ম‌নে আছে স্যার?
একদিন আমার এক সহপা‌ঠি বন্ধু, যে আপনারও ছাত্র ছিল, সে একটি নতুন হাতঘড়ি নি‌য়ে ক্লা‌সে এসেছিল। তার ঘড়ি‌টি এতোটাই সুন্দর ছিল যে, আমি কোনভাবেই লোভ সামলা‌তে পা‌রি‌নি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যেভাবেই হোক ঘ‌ড়ি‌টি আমার চাই। অতঃপর, সুযোগমতো আমি তার প‌কেট থে‌কে ঘ‌ড়িট‌ি চুরি করি।
কিছুক্ষণ পর আমার সেই বন্ধু তার ঘড়ির অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে এবং অবিলম্বে আমাদের স্যার অর্থাৎ আপনার কাছে অভিযোগ করে। তার এই অ‌ভি‌যোগ শু‌নে আপনি ক্লাসের উদ্দেশ্যে বলে‌ছি‌লেন, --"আজ ক্লাস চলাকালীন সম‌য়ে এই ছাত্রের ঘড়িটি চুরি হয়েছে, যেই চুরি করে থাকো, ঘা‌ড়ি‌টি ফিরিয়ে দাও।"
আপনার নির্দেশ শু‌নেও আমি ঘা‌ড়ি‌টি ফেরত দিতে পারিনি।
কারণ, ঘড়িটি ছিল আমার কা‌ছে খুবই লে‌াভনীয়, তাছাড়া, আমরা খুবই গরীব ছিলাম, এমন ঘড়ি ক্রয় করার সামর্থ্যও আমাদের ছিল না। তারপর আপনি দরজা বন্ধ করে সবাই কে বেঞ্চ ছে‌ড়ে উঠে দাঁড়ি‌য়ে ক্লাসরু‌মের ফ্লো‌রের ম‌ধ্যে একটি গোলাকার বৃত্ত তৈরি করতে বললেন এবং সবাই‌কে চোখ বন্ধ করার নির্দেশন দি‌লেন, অতঃপর ঘড়ি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আপনি পর্যায়ক্রমে আমাদের সবার পকেট খুঁজ‌তে লাগ‌লেন। আমরা সবাই আপনার নির্দেশনা মোতাবেক নিরবে দাঁ‌ড়ি‌য়ে রইলাম।
এক এক ক‌রে পকেট চেক ক‌রতে গিয়ে
একটা সময় আপনি যখন আমার পকেটে হাত দি‌য়ে ঘ‌ড়ি‌টি খুঁ‌জে পে‌লেন তখন ভ‌য়ে, লজ্জায় আমার শরীর কাঁপ‌ছিল। কিন্তুু সেই মুহূ‌র্তে ঘড়ি‌টি আমার প‌কে‌টে পাবার পরও আপনি কিছু ব‌লেন‌ নি এবং শেষ ছাত্র পর্যন্ত সবার প‌কেটই চেক কর‌ছি‌লেন। সব‌শে‌ষে আপ‌নি সবাই‌কে বললেন ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে, এবার তোমরা সবাই চোখ খুল‌তে পা‌রো।
ঘ‌ড়ি‌টি পাবার পর আমার সেই বন্ধু‌টি
আপনার কা‌ছে জান‌তে চে‌য়ে‌ছিল, ----"ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গি‌য়ে‌ছিল? ‌কিন্তুু আপনি তা‌কে ব‌লে‌ছি‌লেন, ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গে‌ছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তোমার ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
সেই দি‌নের ঘটনা নি‌য়ে পরবর্তী‌তে আপনি আমার সা‌থে কো‌নো কথা ব‌লেন‌নি। এমন‌কি সে কাজের জন‌্য আপনি আমাকে তিরস্কারও করেননি। নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য আপ‌নি আমাকে স্কু‌লের কো‌নো কামরায় নিয়ে যাননি। সেই ঘটনা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে লজ্জাজনক দিন। অথচ আপ‌নি অত‌্যন্ত বু‌দ্ধিমত্তার সা‌থে, কৌশল অবলম্বন ক‌রে চু‌রি হওয়া ঘ‌ড়ি‌টি উদ্ধার কর‌লেন এবং আমার মর্যাদা চিরতরে রক্ষা করলেন।
সে ঘটনার পর আমি অ‌নেক‌দিন অনু‌শোচনায় ভোগে‌ছি। ক্লা‌সে ঘ‌টে যাওয়া ঘটনার রেশ সে দিন চ‌লে গে‌লেও এর প্রভাব র‌য়ে যায় আমার ম‌নের ম‌ধ্যে। বি‌বে‌কের যু‌দ্ধে বার বার দং‌শিত হ‌য়ে‌ছি। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম এই সব অ‌নৈ‌তিক কাজ আর কখ‌নো করব না। একজন ভা‌লো মানুষ হ‌বে‌া। একজন শিক্ষক হ‌বো। স‌ত্যিকার অ‌র্থে মানুষ গড়ার কা‌রিগর হ‌বো। আপনার কাছ থে‌কে সে দিন আমি স্পষ্টভাবে বার্তা পেয়েছিলাম প্রকৃতপ‌ক্ষে কি ধর‌ণের একজন শিক্ষা‌বি‌দ হওয়া উ‌চিত। অপমান ছাড়াও মানু‌ষকে সং‌শোধন করা যায় সে‌টি আপনার কাছ থে‌কে শি‌খে‌ছি। আপনার উদারতা এবং মহানুভবতা আজ আমা‌কে শিক্ষ‌কের মর্যাদায় আসীন ক‌রে‌ছে।
সা‌বেক ছা‌ত্রের কথাগু‌লো শোনতে শোনতে বৃদ্ধ শিক্ষকের চোখে জল গড়িয়ে পড়লো! চোখের জল মুছতে মুছতে মৃদু হেসে শিক্ষক বললেন, --"হ‌্যাঁ, সেই ঘটনা আমার দিব্যি ম‌নে আছে। কিন্তুু আমি তোমাকে মনে রাখিনি, কারণ সে সময় শুধু তোমাদের নয় আমার চোখও বন্ধ ছিল। "
তারপর শিক্ষক দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করে বললেন,
--"তুমিই বলো বাবা, কোন শিক্ষক কি সন্তানতূল্য ছাত্রদের চোরের বেশে দেখতে পারে? শিক্ষক চায় তার ছাত্রদের বীরের বেশে দেখে গর্ববোধ করতে।।
[ সংগৃহীত ও পরিমার্জিত ]

02/03/2024
01/03/2024

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।

আপনি কি জানতেন যে, এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।

গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নিন🥰🥰

🔰১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

🔰২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।

এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।

আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

🔰৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।

যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।

কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।

খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️

🔰চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।

📚এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?

আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে🥰
Copied from @মুহিন রায়

13/02/2024

খুবই সত্যি কথা

Want your school to be the top-listed School/college?