20/10/2024
কেন পড়বেন নার্সিং❓❓❓
✅উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর আমরা সবাই হতাশ হয়ে পরি কোথায় ভর্তি হবো, কোন সাবজেক্ট এ পড়বো সেই দুশ্চিন্তায়। কোন স্থির সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা এবং যথারীতি সব বিশ্ববিদ্যালয় এর ফরম কেনা শুরু করি এবং পাগলা ঘোড়ার মত দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছুটি পরীক্ষা দিতে। ফলে যা হওয়ার তাই হয়। অল্প সংখ্যক বাদে বাকি সবাই কে ফিরে আসতে হয় খালি হাতে। হতাশা আর বিষন্নতায় ডুবে যায় মন। পাবলিক ভার্সিটিতে তো চান্স পাইলাম না বন্ধুদের মুখ দেখাই কি করে। এই কথাগুলো ভেবে সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে ঘরে বসে থাকি। অথচ এই সময় আমাদের শিক্ষার্থীদের সঠিক নির্দেশনা দিলে তারা প্রত্যেকেই তাদের কাঙ্খিত সাবজেক্ট এ পড়াশুনা করে এক জন সফল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আমরা বেশীর ভাগই জানিনা আমরা যে সাবজেক্ট এ পড়তেছি সেই সম্পর্কিত বিষয়ে চাকরি পাবো কি না?! কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যে বিষয় গুলোতে পড়াশুনা করলে বিশ্বব্যাপী আমরা গ্লোবাল ক্যারিয়ার গড়তে পারবো। আর সেটা ডিপ্লোমা/বিএসসি নার্সিং এ পড়ার মাধ্যমে সম্ভব। সর্বোপরি নার্সিং এমন একটি পেশা, যার চাহিদা স্থান, কাল ও পাত্রে সীমাবদ্ধ নয়।
🔯পেশাগত মর্যাদা ও কর্মপরিধি:
সরকারি হাসপাতালগুলোতে একজন ডিপ্লোমা নার্স/মিডওয়াইফ শুরুতেই নন ক্যাডার ২য় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে পাবলিক সার্ভিস কমিশন এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। যাহা বর্তমানে ১০ম গ্রেড ভুক্ত । শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে একজন নার্স নিন্মের বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
✅ ক্লিনিক্যাল নার্সিং সার্ভিস
✅ নার্সিং প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা
✅ নার্সিং শিক্ষা ও গবেষণা সার্ভিস
✅ পাবলিক হেলথ বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নার্সিং
🔽 ক্লিনিক্যাল নার্সিং সার্ভিস: ক্লিনিক্যাল নার্সিং সার্ভিস এর চাহিদা সারা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে হাসপাতালে রোগীর সেবার জন্য একজন ডাক্তার এর বিপরীতে তিনজন দক্ষ নার্স দরকার। বিশেষ করে ক্রিটিকাল কেয়ার সেকশন যেমন- আইসিইউ, সিসিইউ, ওটি, এনআইসিইউ ইত্যাদি বিভাগ গুলোতে ১ জন রোগির জন্য একজন নার্স দরকার। ক্লিনিক্যাল নার্সিং এ বর্তমানে আমাদের দেশে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো:
🔵 ইমারজেন্সি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্স
🔵 ইনটেনসিভ কেয়ার ( আই সি ইউ) নার্স
🔵 ওটি নার্স
🔵 কার্ডিয়াক নার্সিং
🔵 সাইকিয়াট্রিক নার্সিং
🔵 পেডিয়াট্রিক নার্সিং
🔵 মেটারন্যাল হেলথ নার্সিং
🔽 নার্সিং প্রশাসন ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা:
ক্লিনিক্যাল নার্সিং এর পাশাপাশি সরকারী হাসপাতাল ও সেবা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জন্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই পদগুলো সরকারের ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা মানের। সেগুলো হলো :
🔵 মহাপরিচালক
🔵 পরিচালক (প্রশাসন)
🔵 পরিচালক (নার্সিং শিক্ষা)
🔵 পরিচালক (মিডওয়াইফারি শিক্ষা )
🔵 পরিচালক (শৃঙ্খলা )
🔵 উপ-পরিচালক ( প্রশাসন,নার্সিং শিক্ষা, মিডওয়াইফারি শিক্ষা, শৃঙ্খলা )
🔵 সহকারী পরিচালক ( প্রশাসন, নার্সিং শিক্ষা , মিডওয়াইফারি শিক্ষা, শৃঙ্খলা )
🔵 বিভাগীয় পরিচালক নার্সিং ( ৮ টি বিভাগীয় অফিস)
🔵 জেলা পাবলিক হেলথ নার্স ( ৬৪ টি জেলা সিভিল সার্জন অফিসে)
🔵 সেবা তত্ত্বাবধায়ক (সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)
🔵 উপ সেবা তত্ত্বাবধায়ক ( সকল স্পেশালাইজড ও সদর হাসপাতাল)
🔵 নার্সিং সুপারভাইজর
🔵 ইনচার্জ (সকল বিভাগ)
🔽 নার্সিং শিক্ষা ও গবেষণা সার্ভিস: একজন ডিপ্লোমা নার্স ১০ম গ্রেডের নন ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পরে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে নার্সিং শিক্ষা সার্ভিস এ যেতে পারেন। সরকারী ভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে জাতীয় নার্সিং উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান , বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ এর সাথে ১১ টি বেসিক বিএসসি নার্সিং কলেজ, ৪ টি পোস্ট বেসিক বি এস সি নার্সিং কলেজ এবং ৪৩ নার্সিং ইন্সটিটিউট এর বিভিন্ন পদে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। অনুরূপ ভাবে বেসরকারি নার্সিং কলেজ গুলোতেও নার্সিং শিক্ষা সার্ভিস এ কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পদগুলো হল :-
🔵 প্রিন্সিপাল
🔵 ভাইস-প্রিন্সিপাল
🔵 অধ্যাপক- ( বিভিন্ন বেসিক, ক্লিনিক্যাল, এবং প্যারা ক্লিনিক্যাল বিষয়)
🔵 সহযোগী অধ্যাপক
🔵 সহকারী অধ্যাপক
🔵 লেকচারার
🔵 ইন্সট্রাক্টর
🔵 ডেমনেস্ট্রেটর
🔽পাবলিক হেলথ বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নার্সিং: দেশের ৬৪ টি জেলা সিভিল সার্জন অফিসে ১ম শ্রেণীর পদমর্জাদায় পাবলিক হেলথ নার্স হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর বাইরেও সরকারের বিভিন্ন দপ্তর যেমন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর সুরক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ আর্মি এর অধীন আর্মড ফোর্সেস নার্সিং সার্ভিস এ সরাসরি লেফটেন্যান্ট, সমাজসেবা অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, সহ বিভিন্ন বিভাগে কাজের সুযোগ রয়েছে।
🔯বেসরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রেঃ
আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে দেশে হাসপাতাল সহ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়গনষ্টিক সেন্টারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসা সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানে নার্স বা সেবিকাদের চাহিদাও দিনদিন বেড়ে চলেছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি স্কুল ও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় , গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি, শিল্প কারখানা, এমনকি পর্যটন কর্পোরেশনেও ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
🔘 উচ্চ শিক্ষার সুযোগঃ
বিএসসি ইন নার্সিং তথা নার্সিংয়ের ওপর গ্রাজুয়েশন বা স্নাতক পর্যায়ের পড়ালেখা করার সুযোগ কিছুদিন আগেও আমাদের দেশে ছিল না। এই বিষয়ে কেবল ডিপ্লোমা এবং প্রাইমারি কোর্সই চালু ছিল। তবে বর্তমানে এই বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে নার্সিংয়ের ওপর স্নাতক কোর্স চালু হয়েছে। ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং/মিডওয়াইফারি কোর্স শেষ করার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী, চট্রগ্রাম ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ২ বছর মেয়াদী বিএসসি নার্সিং ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন। পরবর্তিতে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএসসি ইন নার্সিং, এমএস, এমপিএইচ, এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
🔰 বিদেশে উচ্চ শিক্ষা, চাকুরী এবং স্থায়ী ভাবে বসবাস:
আমাদের অনেকেরই ইচ্ছা থাকে পড়াশুনা শেষে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা , চাকুরী এবং স্থায়ী ভাবে বসবাস করার। বিশেষ করে আমেরিকা, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে সেটেল হওয়া। আপনার যদি এই রকম প্রচন্ড ইচ্ছা থাকে তবে নিশ্চিন্তে আপনি এই সাবজেক্ট এ ভর্তি হতে পারেন। আপনাকে নির্দ্বিধায় বলতে পারি অন্য যে কোন সাবজেক্ট থেকে এখানে পড়াশুনা করলে আপনাকে চাকুরীর জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে হবেনা। আর যদি আপনার কেউ বিদেশে চাকুরী করে থাকে তার মাধ্যমে আপনি জেনে নিতে পারেন আমেরিকা, কানাডা বা ইউরোপে একজন গ্রাজুয়েট /ডিপ্লোমা নার্স এর স্যালারি কত হাজার ডলার এবং কত সহজেই গ্রিন কার্ড পাওয়া যায়।
🙋 কোথায় পড়বেন নার্সিং?
সেবা পরিদপ্তরের অধীনে নার্সিং কলেজ ও ইনিস্টিটিউটে নার্সিং পড়তে পারেন। সারা দেশের সরকারি ৩৪ টি ও বেসরকারি ১৫৪ টি নার্সিং কলেজ ও সরকারি ৪৯ টি নার্সিং ও বেসরকারি ৩৫২ টি ইনিস্টিটিউটে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এবং চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন নার্সিং কোর্সে পড়ানো হয়।
কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং বিষয়ক ডিপ্লোমা পড়ানো হয়। এছাড়া অর্থোপেডিকস, সাইকিয়াট্রিক, পেডিয়াট্রিক, সিসিইউ, আইসিইউ ও কার্ডিয়াক নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এক বছর মেয়াদী কোর্স চালু আছে।
নার্সিংয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোর্সের শেষে ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এতে উত্তীর্ণ হবার মাধ্যমে নিবন্ধিত হলেই পেশা হিসাবে নার্সিং নিতে পারবেন।
▶ কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো :
বিদেশী কারিকুলামের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই দেশের বিএসসি ইন নার্সিংয়ের কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে। এ কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো ইনট্রোডাকটরি অব নার্সিং, হিউম্যান এনাটমি, কমিউনিটি নার্সিং, সেমিনার অ্যান্ড রিসার্চ ইন নার্সিং, হিউম্যান ফিজিওলজি, কনসেপ্ট অব হেলথ অ্যান্ড ইলনেস, মেন্টাল হেলথ নার্সিং, পপুলেশন কন্ট্রোল অ্যান্ড ফ্যামিলি প্লানিং, ইনট্রোডাকটরি অব ফার্মাকোলজি, ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড নার্সিং, নার্সিং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রভৃতি।
📛 ভর্তির নতুন নীতিমালা💢💢
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে নার্সিং ভর্তির নতুন নীতিমালা-
-
১. সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এখানে ন্যূনতম 40 নম্বর পেতে হবে।
২. ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা:
-
⏩ বিএসসি ইন নার্সিং :
SSC: minimum-3.00 (বিজ্ঞান বিভাগ),
HSC: minimum-3.00 (বিজ্ঞান বিভাগ),
SSC+HSC total: minimum: 7.00
-
⏩ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স :
SSC: minimum - 2.5 (সব বিভাগ),
HSC: minimum -2.5 (সব বিভাগ),
SSC+HSC total: minimum: 6.00
-
⏩ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি:
SSC : minimum - 2.5 (মেয়ে)
HSC : minimum - 2.5 (মেয়ে)
SSC+HSC total: minimum : 6.00
✅সরকারি নার্সিং এ মোট আসন সংখ্যা-
-
⏬ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি (3 বছর) : মোট আসন - 2880 টি।
-
⏬ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি (3 বছর) : মোট আসন -1825 টি।
-
⏬ বিএসসি ইন নার্সিং (৪ বছর) : মোট আসন - 2100 টি।
☑ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন :💢💢
🔃 ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি :
✴️বাংলা ----------------- 20 নম্বার
✴️ইংরেজী -------------- 20 নম্বার
✴️সাধারন বিজ্ঞান --- 25 নম্বার
✴️সাধারন জ্ঞান ------ 25 নম্বার
✴️সাধারণ গণিত ---- 10 নম্বার
-------------------------------------
মোট---------------১০০ নাম্বার।
🔃 ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি :
✴️বাংলা ----------------- 20 নম্বার
✴️ইংরেজী -------------- 20 নম্বার
✴️সাধারন বিজ্ঞান --- 25 নম্বার
✴️সাধারন জ্ঞান ------ 25 নম্বার
✴️সাধারণ গণিত ---- 10 নম্বার
-------------------------------------
মোট---------------১০০ নাম্বার।
🔃 বিএসসি ইন নার্সিং :
✴️বাংলা --------------------------------------- 20 নম্বার।
✴️ইংরেজী------------------------------ 20 নম্বার।
✴️বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীব) --- 30 নম্বার।
✴️সাধারন জ্ঞান ----------------------------- 20 নম্বার।
✴️গণিত --------------------------------------- 10 নম্বার।
----------------------------------------
মোট ---------------- ১০০ নম্বার।
কালেক্টেড©️