16/05/2026
সকালে ঘুম থেকে উঠে এলার্মের শব্দ বন্ধ করার সময় দেখি মোবাইলের স্ক্রীনের নোটিফিকেশন বারে নিউজ পোর্টালে লেখা, "কারিনা কায়সার আর নেই"
অসুস্থতার কাছে হেরে তিনি শেষ গন্তব্যে চলে গিয়েছে ।
গত দুই দিনে খেয়াল করে দেখলাম মৃত্যু পথযাত্রী একটা মেয়ের বাবা দুয়া চাইতেছে। সেখানে হাহা রিয়েক্ট দিয়ে যাচ্ছে কিছু মানুষ। হাহা রিয়েক্ট এর সংখ্য কম না।
কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য তো আছে ই।
আমার দেখা মতে ওর চাইতেও স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে স্লিম কিছু ফুড ব্লগার আছে। আরও বেশি বেশি খায়। ফুড রিভিউ দেয়। আর বাইরের খাবার মানেই জাংক ফুড, ফুচকা এই ধরনের ই হয়।
মেয়েটা মোটাসোটা বিধায় কমেন্টের তীর ওর দিকে ই বেশি। মোটামুটি মৃত্যু পথযাত্রায় যেয়ে ও বুলিং এর স্বীকার হয়েছে বলা যায়।
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমন।লিভারে ফ্যাট জমা হয়ে গেলে, সিরোসিস এবং হেপাটাইটিস হতে বেশি সময় নেয় না।
এই রোগ একদম স্লিম এবং ফিট মানুষ জনের ভেতর এ বাসা বেধে আছে।
এর কারণ, আমাদের চার পাশের এভেইলেবল খাবার গুলো অস্বাস্থ্যকর। এটাই বাস্তব আপনি ১০০% হেলদি লাইফ লিড করতে চাইলেও পারবেন না।
আবার অনেক জায়গায় মেয়েটার আমল নামা
নিয়েও কমবেশি কমেন্ট করতেছে।
ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা অবশ্যই জেনে থাকবেন
গীবত, সমালোচনার দ্বারা পাপী ব্যক্তির পাপ
নিজের কাধে তুলে নেওয়া হয়। মানে নিজের আমল নামা থেকে সাওয়াব কেটে পাপী ব্যক্তির কাধে তুলে দিচ্ছেন।
কারিনা কায়সার মারা গেছে।
অসুস্থ ও মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে উপহাস করে লাভ নাই।
যেকোন মানুষ মারা যাওয়ার আগে কিছু মেসেজ দিয়ে যায়
এই মেয়েটাও দিয়ে গেছে.....
বডি শেমিং যুক্ত সমাজব্যবস্থায় এগিয়ে যাওয়া।
এবং নিশ্চিত থাকা যে এই সমাজে মারা যাওয়ার পর ও বুলিং হতে হয়। .......
আর শরীরের প্রতি যত্ন শীলতা।
আল্লাহ জান্নাত নসিব করুক।
বাবা মাকে ধর্য্য ধারণের তৈফিক দিক।
06/05/2026
02/05/2026