08/12/2025
আমাদের সহযোদ্ধা বাদশাহ খাঁন এর অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই ভাবে একজন সহযোদ্ধাকে হারিয়ে আজ আমরা সত্যি দিশেহারা। ৩২হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের মনের মনিকোঠায় আজীবন তার উজ্জ্বল উপস্থিতি থাকবে। তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি। পরিবারের সকলের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।🙏😭
04/12/2025
■ 32k প্রাইমারি মামলার অর্ডার কপি পড়ে আমরা যেটা বুঝলাম তা নীচে দিলাম —
"১৯০. রিট আবেদনকারীদের চার্জশিট এবং সম্পূরক চার্জশিটের উপর নির্ভর করা হয়েছে। একই সাথে, তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে যে বোর্ড থেকে সুপারিশপত্র পাওয়ার পরে নিয়োগপত্র জারি করা হয়েছিল। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের প্রাপ্ত ফলাফল থেকে জানা যাবে না যে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীরা কোনও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তদন্তের পর সিবিআই নিশ্চিত হয়েছে যে ২৬৪ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে অনিয়ম রয়েছে, যাদের গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছিল এবং চিহ্নিত করা হয়েছিল। অতিরিক্তভাবে, যোগ্যতা নম্বর না পাওয়া ৯৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তাদেরও চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে, উক্ত ৯৬ জন প্রার্থীকে বরখাস্ত করা হয়েছিল কিন্তু মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের ভিত্তিতে তারা এখনও চাকরিতে রয়েছেন। এই সনাক্তকরণের পরিপ্রেক্ষিতে, সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত জালিয়াতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ টেকসই নয় এবং ৩২,০০০ শিক্ষকের নিয়োগে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।"
অর্ডার কপির লিঙ্ক নীচে দেওয়া হলো । আপনারাও পড়ুন । গদি মিডিয়া দেখে বিচার করবেন না, কারুর দয়ায় নয় আইনের পথে লড়েই 32k প্রাইমারি টিচার আজ চাকরিটা ফিরে পেয়েছে ।
অর্ডার লিঙ্ক : 👇👇👇👇
https://drive.google.com/file/d/1QPzUVaX7irVfMfbvBVuRMICnonokgZZb/view?usp=drivesdk
04/12/2025
পোস্টটা তাদের জন্য। যারা গোটা রায়টা না পড়ে শুধুমাত্র মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত পরিচালিত ও উদভ্রান্ত হয়ে বলছেন যে, নাকি শুধুমাত্র মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে 32000 শিক্ষক চাকরিতে থেকে গেলেন! তাদের অবগতির জন্য জানাই যে...
আজ্ঞে না, এটা একটা 140 পাতার জাজমেন্টে বলা একটা লাইন মাত্র। কিন্তু, অনেকের গাত্রদাহ হলেও এটাই ধ্রুব সত্য যে, 32000 শিক্ষকদের মধ্যে থেকে একজন কারও বিরুদ্ধেই দুর্নীতি প্রমাণ হয় নি। এর জন্য তদন্তকারী সংস্থাদ্বয় CBI এবং ED সেই তদন্ত থেকে উঠে আসা সমস্ত তথ্যাদি কোর্টের সামনে রেখেছিল, যার থেকে পাওয়া নির্যাসের উল্লেখ মাননীয় হাইকোর্টের রায়ের মধ্যেই লেখা আছে।
আরেকটা বিষয় একটু জানিয়ে রাখি। এই যে 264 এবং 96 জন, যারা আগে বাদ পরেও মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এখনও চাকরি করছেন, তারা কিন্তু এই 32000 শিক্ষকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
অত্যন্ত ভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং ভুল বক্তব্য দিয়ে তথ্যকে প্রভাবিত করতে চাওয়া কেউ কেউ এই দুটি সংখ্যার (264 ও 96) নিযুক্ত শিক্ষকদের বারবার আমাদের 32000 এর সঙ্গে সংযুক্ত করার চেষ্টা করে বিষয়টিকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন প্রথম থেকে, এখনও করে যাচ্ছেন।
মহামান্য হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ 140 পাতার একটি রায় দিয়েছেন। তার একটা পাতার কিছুটা অংশের ছবি দিলাম মাত্র। অনুগ্রহ করে পুরো রায়টা একটু পড়ুন। আইনী ইংরেজি বুঝতে না পারলে জানাবেন। আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রতিটি লাইন ধরে ধরে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতে পারব। তারপর বলবেন, এমন যুগান্তকারী রায়ের পেছনে কোন কোন যুক্তি আমাদের মাননীয় বিচারক মহোদয়রা অকাট্য বলে মনে করেছেন।
কিছুই না জেনে, না পড়ে, অপপ্রচার করে তো লাভ নেই মশাইরা।
এটা তো অত্যন্ত হাস্যকর ভাবনা যে 140 পাতা জুড়ে শুধুই মানবিক গ্রাউন্ডের কথাই লেখা হয়েছে! আর তার প্রেক্ষিতেই এমন উদাহরণযোগ্য রায় দেওয়া হয়েছে! একটু তলিয়ে ভেবে দেখুন তো, যদি এই কথাই সারসত্য হতো, তাহলে কি আদৌ 140 পাতা টাইপ করার প্রয়োজন পড়তো??
ভাবুন, ভাবুন, ভাবা প্র্যাক্টিস করুন...
(✍️ কলমে ~ 32000 পরিবারের এক গর্বিত সদস্যা এবং চিরকালই মাথা উঁচু করে পথ চলা একজন মানুষ।)
12/05/2024
৭ টি বছর চাকরি করেও অযোগ্য সব তারা ।
৩ সুযোগেও প্রমাণে অক্ষম, যোগ্য শুধুই তারা?
রাস্তায় বসা কেস দালালেরা, সকলেই নাকি যোগ্য ।
৩২K কোন যুক্তিতে হলো তবে অযোগ্য ?
যোগ্য জেনেও কেন তবে এই ঘৃণ্য বিচারের বাণী? ।
বিচারের নামে চলছে প্রহসন তা সকলেই জানি ।।
চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির ।
যোগ্যতা দিয়েই ভাঙব মোরা এই অন্যায়ের প্রাচীর ।।
বলতে পারেন দোষটা কোথায়? সততার পথে যারা ।
প্রমাণ কেন হচ্ছে দিতে? ঝুলছে কেন খাঁড়া ।।
বিচারালয় কে লাগিয়ে কাজে করলেন যিনি রাজনীতি।
গেরুয়া ঝান্ডা নিয়ে হাতে তিনি, হলেন খারিজপতি।।
বিচারের নামে অন্যায় রায়ে করলেন যেদিন বিদ্ধ।
ভাবতে সেদিন পারেন নি এই ৩২ K অপ্রতিরোধ্য।।
৩২ হাজারের ভবিষ্যৎ আজ ঘৃণ্য রাজনীতির ফাঁদে।
বিচারের বাণী তাই আজ নীরবে নিভৃতে কাঁদে ৷।
🖋️🖋️কলমে, সত্যজিৎ মহন্ত..
😭 ঘৃণ্য রাজনীতির শিকার এক
হতভাগ্য প্রাথমিক শিক্ষক