32K Condemned Unheard - “টিম প্রত্যয়”-এর ফেসবুক পেজ

32K Condemned Unheard - “টিম প্রত্যয়”-এর ফেসবুক পেজ

Share

৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক/শিক্ষিকার নেপথ্য কাহিনী (An Act of God ?)

08/12/2025

আমাদের সহযোদ্ধা বাদশাহ খাঁন এর অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই ভাবে একজন সহযোদ্ধাকে হারিয়ে আজ আমরা সত্যি দিশেহারা। ৩২হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের মনের মনিকোঠায় আজীবন তার উজ্জ্বল উপস্থিতি থাকবে। তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি। পরিবারের সকলের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।🙏😭

04/12/2025

■ 32k প্রাইমারি মামলার অর্ডার কপি পড়ে আমরা যেটা বুঝলাম তা নীচে দিলাম —

"১৯০. রিট আবেদনকারীদের চার্জশিট এবং সম্পূরক চার্জশিটের উপর নির্ভর করা হয়েছে। একই সাথে, তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে যে বোর্ড থেকে সুপারিশপত্র পাওয়ার পরে নিয়োগপত্র জারি করা হয়েছিল। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের প্রাপ্ত ফলাফল থেকে জানা যাবে না যে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীরা কোনও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তদন্তের পর সিবিআই নিশ্চিত হয়েছে যে ২৬৪ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে অনিয়ম রয়েছে, যাদের গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছিল এবং চিহ্নিত করা হয়েছিল। অতিরিক্তভাবে, যোগ্যতা নম্বর না পাওয়া ৯৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তাদেরও চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে, উক্ত ৯৬ জন প্রার্থীকে বরখাস্ত করা হয়েছিল কিন্তু মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের ভিত্তিতে তারা এখনও চাকরিতে রয়েছেন। এই সনাক্তকরণের পরিপ্রেক্ষিতে, সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত জালিয়াতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ টেকসই নয় এবং ৩২,০০০ শিক্ষকের নিয়োগে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।"

অর্ডার কপির লিঙ্ক নীচে দেওয়া হলো । আপনারাও পড়ুন । গদি মিডিয়া দেখে বিচার করবেন না, কারুর দয়ায় নয় আইনের পথে লড়েই 32k প্রাইমারি টিচার আজ চাকরিটা ফিরে পেয়েছে ।
অর্ডার লিঙ্ক : 👇👇👇👇
https://drive.google.com/file/d/1QPzUVaX7irVfMfbvBVuRMICnonokgZZb/view?usp=drivesdk

Photos from 32K Condemned Unheard - “টিম প্রত্যয়”-এর ফেসবুক পেজ's post 04/12/2025

পোস্টটা তাদের জন্য। যারা গোটা রায়টা না পড়ে শুধুমাত্র মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত পরিচালিত ও উদভ্রান্ত হয়ে বলছেন যে, নাকি শুধুমাত্র মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে 32000 শিক্ষক চাকরিতে থেকে গেলেন! তাদের অবগতির জন্য জানাই যে...
আজ্ঞে না, এটা একটা 140 পাতার জাজমেন্টে বলা একটা লাইন মাত্র। কিন্তু, অনেকের গাত্রদাহ হলেও এটাই ধ্রুব সত্য যে, 32000 শিক্ষকদের মধ্যে থেকে একজন কারও বিরুদ্ধেই দুর্নীতি প্রমাণ হয় নি। এর জন্য তদন্তকারী সংস্থাদ্বয় CBI এবং ED সেই তদন্ত থেকে উঠে আসা সমস্ত তথ্যাদি কোর্টের সামনে রেখেছিল, যার থেকে পাওয়া নির্যাসের উল্লেখ মাননীয় হাইকোর্টের রায়ের মধ্যেই লেখা আছে।

আরেকটা বিষয় একটু জানিয়ে রাখি। এই যে 264 এবং 96 জন, যারা আগে বাদ পরেও মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এখনও চাকরি করছেন, তারা কিন্তু এই 32000 শিক্ষকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
অত্যন্ত ভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং ভুল বক্তব্য দিয়ে তথ্যকে প্রভাবিত করতে চাওয়া কেউ কেউ এই দুটি সংখ্যার (264 ও 96) নিযুক্ত শিক্ষকদের বারবার আমাদের 32000 এর সঙ্গে সংযুক্ত করার চেষ্টা করে বিষয়টিকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন প্রথম থেকে, এখনও করে যাচ্ছেন।

মহামান্য হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ 140 পাতার একটি রায় দিয়েছেন। তার একটা পাতার কিছুটা অংশের ছবি দিলাম মাত্র। অনুগ্রহ করে পুরো রায়টা একটু পড়ুন। আইনী ইংরেজি বুঝতে না পারলে জানাবেন। আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রতিটি লাইন ধরে ধরে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতে পারব। তারপর বলবেন, এমন যুগান্তকারী রায়ের পেছনে কোন কোন যুক্তি আমাদের মাননীয় বিচারক মহোদয়রা অকাট্য বলে মনে করেছেন।
কিছুই না জেনে, না পড়ে, অপপ্রচার করে তো লাভ নেই মশাইরা।
এটা তো অত্যন্ত হাস্যকর ভাবনা যে 140 পাতা জুড়ে শুধুই মানবিক গ্রাউন্ডের কথাই লেখা হয়েছে! আর তার প্রেক্ষিতেই এমন উদাহরণযোগ্য রায় দেওয়া হয়েছে! একটু তলিয়ে ভেবে দেখুন তো, যদি এই কথাই সারসত্য হতো, তাহলে কি আদৌ 140 পাতা টাইপ করার প্রয়োজন পড়তো??

ভাবুন, ভাবুন, ভাবা প্র্যাক্টিস করুন...

(✍️ কলমে ~ 32000 পরিবারের এক গর্বিত সদস্যা এবং চিরকালই মাথা উঁচু করে পথ চলা একজন মানুষ।)

03/12/2025

সত্যমেব জয়তে 🙏

13/05/2024
12/05/2024

আমরা সব ছেড়ে সিঁড়ি মোছার কাজ বেছে নিয়েছি। আমরা সিঁড়ি মুছে দিই বলেই আমাদের ছাত্র ছাত্রীরা সেই সিঁড়ি বেয়ে উঠে উপরের পথে এগিয়ে যেতে পারে। ভিত গড়ে তোলা এই শিক্ষকসমাজকে রাজনীতির শিকার করেছে যে বা যারা, তাদের উত্তর দেব আমরাই। কারণ আমরা 32K প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকার দল। 12ই মে তারিখটাকে আমরা ভুলি নি। ভুলব না। এই কালো দিনে এই আমাদের শপথ — সমস্ত অপমানের উত্তর যোগ্যতার সঙ্গে আমরা দেবোই। আমরা জিতবোই।

আবৃত্তিতে - শিপ্রা বসু
মন্ডলা আর্টে - রিঙ্কু মান্না
(32K শিক্ষকযোদ্ধা দলের দুই দৃঢ় প্রত্যয়ী সদস্য) ।


#আমরাকরবজয়নিশ্চয়

12/05/2024

৭ টি বছর চাকরি করেও অযোগ্য সব তারা ।

৩ সুযোগেও প্রমাণে অক্ষম, যোগ্য শুধুই তারা?

রাস্তায় বসা কেস দালালেরা, সকলেই নাকি যোগ্য ।

৩২K কোন যুক্তিতে হলো তবে অযোগ্য ?

যোগ্য জেনেও কেন তবে এই ঘৃণ্য বিচারের বাণী? ।

বিচারের নামে চলছে প্রহসন তা সকলেই জানি ।।

চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির ।

যোগ্যতা দিয়েই ভাঙব মোরা এই অন্যায়ের প্রাচীর ।।

বলতে পারেন দোষটা কোথায়? সততার পথে যারা ।

প্রমাণ কেন হচ্ছে দিতে? ঝুলছে কেন খাঁড়া ।।

বিচারালয় কে লাগিয়ে কাজে করলেন যিনি রাজনীতি।

গেরুয়া ঝান্ডা নিয়ে হাতে তিনি, হলেন খারিজপতি।।

বিচারের নামে অন্যায় রায়ে করলেন যেদিন বিদ্ধ।

ভাবতে সেদিন পারেন নি এই ৩২ K অপ্রতিরোধ্য।।

৩২ হাজারের ভবিষ্যৎ আজ ঘৃণ্য রাজনীতির ফাঁদে।

বিচারের বাণী তাই আজ নীরবে নিভৃতে কাঁদে ৷।

🖋️🖋️কলমে, সত্যজিৎ মহন্ত..

😭 ঘৃণ্য রাজনীতির শিকার এক
হতভাগ্য প্রাথমিক শিক্ষক


12/05/2024

সব ঝড়ের “পূর্বা”- ভাস থাকে না,
তবু স্রোতের বিপরীতে নাও ভাসিয়ে “রাজীব”-লোচনে দৃঢ় “প্রত্যয়” আমাদের, আমরা সুন্দর “নাসিম” অর্থাৎ মৃদু বাতাস বয়ে আনবোই আমাদের জীবনে, আর গড়ে তুলবো আমাদের বিজয়ের “উজ্জ্বয়িনী” নগরী...

কারণ বত্রিশহাজারি চাকা ঘুরছে...
আর এ চাকা ঘুরবেই!!!

নৃত্যে - 32k পরিবারের প্রত্যয়ী সদস্য অর্পিতা চৌধুরী।


12/05/2024

(একটা আবেদন। পোস্টটা শেয়ার করার সময় এই লেখাটাও কপি পেস্ট করবেন নিজের দেওয়ালে।)

আজ মাতৃদিবস এবং একই সঙ্গে আমাদের 32k প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকাদের জীবনের সেই কালো দিন — 12ই মে। অন্যায়ভাবে বিচারের নামে প্রহসন করে, রাজনীতির সঙ্গে হাত মিলিয়ে, এক বছর আগে এই দিনে নেভানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বত্রিশহাজার পরিবারের জীবনকে। পরিবারভুক্ত মানুষগুলোকে ধরলে ভুক্তভোগীর সংখ্যাটা কম করে দেড় লাখ তো হবেই। আর এই দুর্ভোগের ধাক্কা সামলাতে না পেরে কত সহকর্মী আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন অকালে। সেদিনের অন্যায় প্রকোপে আমাদের এক সহযোদ্ধা দিদিমণি হারিয়েছিলেন তার অনাগত সন্তানকে। গর্ভেই বিনষ্ট হয়েছিল সেই মায়ের মাতৃত্ব।
এইসব মৃত্যুগুলো আসলে মৃত্যু নয়। এ হত্যা। আর আমরা যেন এই বিনা দোষে মৃত মানুষ ও সেই ভ্রূণ'র হত্যাকাহিনী কখনও ভুলে না যাই, যেন আমাদের সত্যপথে লড়াইয়ের পথ থেকে কখনও বিচ্যুত না হই, যেন আমাদের যোগ্যতাকে কোনও নোংরা রাজনীতির বলি হতে না দিই — আসুন, বত্রিশহাজার প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকার প্রত্যেকে আজ আমরা এই শপথ নিই।
আমরা এই কালোদিনের অন্ধকার সরাবোই সরাবো।
আমরা সেই মা কে হারতে দেব না, যার অনাগত সন্তান শহীদ হয়েছে বিচারকের পদে বসে রাজনীতি করা লোকটার অন্যায্য রায়ের কারণে।
আজ মাতৃদিবসে, আজ এই কালো দিনে এটাই হোক আমাদের শপথ।

যাতে ঘুমের মধ্যে চমকে উঠি এই যন্ত্রণাতে, যাতে স্বপ্নেও ভুলতে না পারি এই অকালে ঝরে যাওয়া প্রাণগুলোর কথা, তাই আগের পোস্টটি আবার শেয়ার করলাম। প্রণাম সেই মা কে। প্রণাম আমাদের মা কে। এঁদের আশীর্বাদ হয়ে আসুক আমাদের জয় — এটাই প্রার্থনা। 🙏🙏🙏

11/05/2024

The Black Day — 12 MAY


Want your school to be the top-listed School/college?

Website