06/06/2026
The Medical College Students' Union (MCSU) and the entire MCK family mourn the untimely passing of our beloved final-year student, Soham Basak.
We extend our deepest condolences to his family, friends, classmates, and all who had the privilege of knowing him during this difficult time.
May his memories continue to live on through the lives he touched, and may his loved ones find strength and comfort.
15/05/2026
আর জি করের সেই অভিশপ্ত রাত আজও বাংলার মানুষের স্মৃতিতে রক্তক্ষরণের মতো জীবন্ত। সময় কেটে যায়, কিন্তু কিছু ক্ষত সময়ও মুছতে পারে না। আমরা ভুলিনি। আমরা ভুলব না।
বিচারের নামে দীর্ঘ টালবাহানা, তদন্তের অসংখ্য অসংগতি আর বারবার সত্যিকে আড়াল করার চেষ্টার মাঝেও আজকের দিনটা আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
আর জি কর এর ঘটনার তিন কুচক্রী আই পি এস, বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখার্জি এবং অভিষেক গুপ্তর সাসপেনশন কোনো সাধারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়। এটা রাজপথে দিনের পর দিন লড়াই করা হাজার হাজার মানুষের চাপের ফল, এটা প্রতিবাদের শক্তি যাকে সরকার মান্যতা দিল।
প্রথম দিন থেকেই আমরা বলেছিলাম, অভয়ার হত্যা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অনেক গুলো স্তরে, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, তদন্তের গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া এবং জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি করার যে অভিযোগগুলো আমরা বারবার করেছিলাম আজ প্রমাণ হল সেগুলো কোনো কল্পনা / রটনা ছিল না।
প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, যিনি ১৪ই আগস্টের নক্কারজনক ভাঙচুরের পর শান্ত গলায় প্রেস কনফারেন্স করে বলেছিলেন, “গুজবের কারণেই এই ভাঙচুর, এটার জন্যে মিডিয়া দায়ী”। লালবাজারে নিজের পদত্যাগপত্র নেওয়ার আগে সারারাত রাস্তায় ব্যারিকেডের সামনে বসিয়ে রাখেন জুনিয়র ডাক্তার ও আন্দোলনরত জনতাকে। অবশ্য পদত্যাগ এর নামে তাকে প্রাক্তন পুলিশমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য এস টি এফ এর প্রধান করে দেন, যাতে তার স্নেহছায়া থেকে বঞ্চিত না হতে হয়।
প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখার্জি, যিনি অভিক দে-কে “ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট” বলে প্রেস কনফারেন্স করে সমস্ত ষড়যন্ত্রকে প্রকাশ্যে আড়াল করার চেষ্টা করেন। অনশন মঞ্চে জল, বায়ো টয়লেটের ন্যূনতম মানবিক ব্যবস্থাও পৌঁছতে না দেওয়ার পিছনে তার ভূমিকা কী ছিল তাও মানুষ ভোলেনি।
আর তৎকালীন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত, যাঁর বিরুদ্ধে শোকস্তব্ধ পরিবারের কাছে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যে ঘটনা থেকে মানুষের মনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গভীর সন্দেহ গাঢ় হয়।
কিন্তু এটুকুতে লড়াই শেষ নয়। এই সাসপেনশন হিমশৈলের চূড়ামাত্র। যারা সত্যিকে চাপা দিতে চেয়েছে, যারা অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে, তাদের প্রত্যেকের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা নয়, উপযুক্ত আইনি শাস্তি চাই। প্রতিটি আন্দোলনকারী মানুষের সত্য জানার অধিকার আছে। এবং সেই সত্য যত দ্রুত সম্ভব সকলের সামনে সম্পূর্ণভাবে উন্মোচিত হোক, সেটাই আজ বাংলার মানুষের দাবি।
নবগঠিত সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। এই পদক্ষেপ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের আন্দোলনকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির এক নৈতিক জয়।
সাসপেনশন দিয়ে শুরু। যেন এখানে শেষ না হয়। সত্যের শেষ দরজায় পৌঁছানো পর্যন্ত লড়াই চলবে।
15/05/2026
"শিরদাঁড়া"
- লালবাজার অভিযান ২০২৪
13/05/2026
জয়!
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জয়!
হাইকোর্টের নির্দেশে দুই জুনিয়র ডাক্তার এর বেআইনি পোস্টিং বাতিল হয়ে নতুন পোস্টিং এর অর্ডার এল স্বাস্থ্যভবন থেকে। মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং অনুযায়ী যে পোস্টিং তারা পেয়েছিল সেই প্রাপ্য জায়গায় তাদের জয়েনিং অর্ডার বেরোল দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের জয়ের পর।
ডাঃ আসফাকুল্লা নাইয়া ও ডাঃ দেবাশিস হালদার এর প্রতিহিংসামূলক বেআইনি পোস্টিং পরিবর্তনের শুরু থেকে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট সংগঠনগতভাবে এই লড়াই চালিয়েছে, কিন্তু আজকের এই জয় প্রতিটি মানুষের যারা এই অসম যুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন সোচ্চার হয়ে। প্রসঙ্গত,"এরা গ্রামে যেতে চায় না তাই প্রতিবাদ করছে" -এই তৃণমূলী প্রোপাগান্ডাকে চুরমার করে এই জুনিয়র ডাক্তারেরা পরিবর্তিত পোস্টিং এই জয়েন করে এতদিন রোগী পরিষেবা দিয়েছে এবং সেখানকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছে।
ডাঃ দেবাশিস হালদারের অর্ডার দিন কয়েক আগে বের হলেও ডাঃ আসফাকুল্লা নাইয়ার অর্ডার কাল রাত অবধি না বেরোনোয় আজ আমাদের প্রতিনিধি দল ডেপুটেশন দেয় স্বাস্থ্য ভবনে। ইতিমধ্যে সেই অর্ডার প্রকাশিত হয়েছে। এর পাশাপাশি, মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং বাতিল করে নতুন যে SOP বানানো হয়েছে তার প্রতিবাদেও আমাদের প্রতিনিধিদল ডি এম ইর সাথে দেখা করেছে।
আমরা আমাদের লিখিত দাবি জানিয়েছি। আশা করব নবগঠিত স্বাস্থ্যদপ্তর সমস্ত দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবেন।
কিন্তু তার আগে, নারায়ণ স্বরূপ নিগম, প্রিন্সিপাল হেলথ সেক্রেটারি যিনি এই প্রতিহিংসামূলক পোস্টিং এর পরিকল্পনাকারী তো বটেই, গত শাসকের আমলে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ঘটা সমস্ত দুর্নীতির সাক্ষী ও সন্দীপ ঘোষ - অভীক - বিরূপাক্ষ - নর্থবেঙ্গল লবির সিন্ডিকেটরাজ এর পৃষ্ঠপোষক, যিনি অপার ঔদ্ধত্য দেখিয়ে বলেছিলেন চাইলে যা খুশি করতে পারেন, তাকে নিয়ে কথা হওয়া প্রয়োজন।আমাদের দশ দফা দাবির দ্বিতীয় দাবি ছিল এই ব্যক্তির অপসারণ। এই মুহূর্তে আমাদের দাবি কেবল অপসারণ নয়, বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি তৈরি করতে হবে, তদন্তের আওতায় আনতে হবে! তার প্রতিটি দুর্নীতির কুকীর্তি জনগণের সামনে প্রকাশ্যে আসুক।
আমাদের রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর রাজ্যের সমস্ত মানুষ নির্ভরশীল কোনো না কোনো মাত্রায়। এই ক্ষেত্রে দুর্নীতির মানে হল সমস্ত রাজ্যের মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। যার উদাহরণ আমরা দেখেছি জাল স্যালাইন কাণ্ডে। ফলে, অতি দ্রুত তদন্তের আওতায় আনতে হবে প্রিন্সিপাল হেলথ সেক্রেটারিকে। যাতে কোনো ক্ষেত্রে তথ্য প্রমাণ লোপাটের কোনো সুযোগ না থাকে।
12/05/2026
Today, the interns, PGTs and general students of the college submitted this deputation to the MSVP and demanded immediate resolution to the issues at hand that are affecting patient care at MCH Kolkata.
Namely -
1) Immediately repair/replace ABG machines - ER, MCH 1st MCH 2nd, CB Top
2) Immediate repair of MCH building lift which is non-functional since 1 week
3) Immediate repair MCH 2nd floor bathroom dysfunctional since 2 months
4) Immediate repair of Emergency Doctors' Room AC non-functional since 2 weeks
5) Address unavailability of Inj Albumin
6) Immediately repair Infusion Pumps which are dysfunctional in MCH building.
The MSVP of our college has accepted that the issues will be resolved immediately.
Medical College Students' Union shall continue to fight for ensuring uncompromised quality health care service to the patients.
17/04/2026
A long-awaited win for junior doctors against an autocratic and vindictive state government.
When voices are silenced, resistance becomes duty. Today, truth and collective struggle prevail. ✊🏽
রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের গালে এক সপাটে চড়।
আজ কলকাতা হাইকোর্টের রায় প্রমাণ করে দিল যে ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ হয়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করলে শেষ পর্যন্ত পরাজয়ই নিশ্চিত। জুনিয়র ডাক্তার চিকিৎসক দেবাশিস হালদার এবং আশফাকুল্লা নাইয়াকে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে যেভাবে অনৈতিকভাবে বদলি করা হয়েছিল, আজ মহামান্য বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের নির্দেশে তা ধুলিসাৎ হয়ে গেল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দিষ্ট এসওপি (SOP) লঙ্ঘন করে নেওয়া এই বদলির সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ ত্রুটিযুক্ত এবং আইনবহির্ভূত। তাই এই বেআইনি পোস্টিং বাতিল করে তাঁদের মেধাভিত্তিক প্রাপ্ত স্থানেই দ্রুত নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
অনেকে বলেছিলেন যে অনৈতিক পোস্টিং এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট (WBJDF) হয়তো পিছু হটেছে, কিন্তু আমাদের লড়াই যে দৃঢ় প্রত্যয়ে চলেছে ও চলবে আজকের রায় তার প্রমাণ!
প্রথমে ডাক্তার অনিকেত মাহাতো ও তারপর আজ ডাঃ দেবাশিস হালদার এবং ডাঃ আশফাকুল্লা নাইয়ার এই প্রত্যাশিত জয়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং ন্যায়ের পক্ষে আমাদের চলার পথকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে। আমরা মনে করি এই হেরে যাওয়ার ভয় থেকে দূরে থাকতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর এই বছরের SOP তে মেধাকে পূর্ণরূপে তুলে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতাবলে ছাত্রছাত্রীদের ইচ্ছেমত স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে সকলকেই।
এই পর্যন্ত এসে যারা বলবেন, অভয়ার ঘটনার আইনি আপডেট নিয়ে কি বক্তব্য আমাদের। যাঁরা বিভিন্ন চমকদার হেডলাইনে ইতিমধ্যে ওয়াকিবহাল হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে, তাঁদের উদ্দেশ্যে আমাদের বক্তব্য যে আমরা আদালতের জাজমেন্ট/অর্ডার কপি দেখে আমাদের যথেষ্ট আশাপ্রদ মনে হয়নি। সেখানে বলা হয়েছে, সিবিআই-এর যদি 'প্রয়োজন মনে হয় ' তাহলে তারা আরও জেরা বা তদন্ত করতে পারেন। তো এই জায়গাতেই মূল সমস্যা, সিবিআই প্রয়োজন মনে করছে না বলেই তো ট্রায়াল কোর্টে বার বার এসে সীমা পহুজা বলে যাচ্ছেন তারা একেবারে সঠিক তদন্ত করেছেন, এর মধ্যে কোনো ফাঁক নেই। তাহলে এই অর্ডার এ সিবিআই কে আরও সুস্পষ্ট ও যথাযথ ভাবে নির্দেশ কেন দেওয়া হলো না সঞ্জয় রাই কে জেরা করার বা তদন্তের অসঙ্গতি চিহ্নিত করে সেখানে আরও প্রয়োজনীয় তদন্ত করার। বিচারকের পর্যবেক্ষণ দেখে আমরা আশান্বিত হতেই পারি, কিন্তু অর্ডার কপি তে তার প্রতিফলন না থাকলে আসলে কার্যত কোনো পরিবর্তন হয় না অবস্থার।
তবে গত ৯ই ফেব্রুয়ারি মহিলা চিকিৎসক প্রতিনিধিদের সাক্ষরনামা জমা দেওয়ার পর হাইকোর্ট এর নতুন বেঞ্চ যে গুরুত্বসহকারে
অভয়া মামলাকে দেখছে এবং তদন্তে গতির সঞ্চার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দীর্ঘকালীন প্রতিবাদেরই ফলশ্রুতি। WBJDF ভয় পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার মঞ্চ নয়; প্রতিটি অন্যায় আর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার রন্ধ্রে থাকা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের এই সোচ্চার লড়াই জারি থাকবে।
10/03/2026
Amplify. 📣
𝙎𝙚𝙡𝙚𝙘𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙍𝙪𝙡𝙚𝙨, 𝙎𝙚𝙡𝙚𝙘𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙍𝙚𝙬𝙖𝙧𝙙𝙨: 𝙒𝙝𝙚𝙣 𝙋𝙤𝙬𝙚𝙧 𝘿𝙚𝙘𝙞𝙙𝙚𝙨 𝙋𝙤𝙨𝙩𝙞𝙣𝙜𝙨!
Tufail Reza Choudhury is a name long associated with intimidation and threat culture within medical campuses in West Bengal. An undergraduate from Malda Medical College, he built a reputation as one of the central figures behind the culture of coercion and political muscle on campus. Stories of his activities still circulate widely in the corridors there. He is also the son of a notorious ruling party leader from Malda, though it is his own notoriety within the campus ecosystem that made him widely known.
At the time of the Abhaya incident, he was a Diploma Postgraduate Trainee in Orthopedics at Kolkata Medical College.
What followed after 9 August 2024 was striking. For nearly three months he was effectively missing from duty, absent from campus, hospital and hostel alike. Though, to be fair, even before that he was rarely seen on regular duty, protected as he was by strong political patronage.
The last confirmed sighting of him was on 9 August at RG Kar Medical College.
That day, when Abhaya’s body was being surrounded by the Sandip Ghosh network and its loyalists, several individuals from different medical colleges across the state appeared there with remarkable speed. Even before the junior doctors of RG Kar could gather after hearing the news, this group had already arrived. Among them were figures like Abhik, Birupaksha and Tufail Reza Choudhury.
Later, Swasthya Bhavan offered a curious explanation. According to their dubious claim, many of these individuals were already at R.G.kar for an "Independence Day parade rehearsal" and rushed to the spot receiving the news. Tufail, we are told, was one of the organisers of that programme.
Why revisit this today?
Because the recently imposed Senior Resident SOP, widely criticised as illegal and undemocratic, is now revealing its real purpose.
The posting list of diploma-qualified Senior Residents shows 49 specialists from departments like Gynecology, Orthopedics, Anesthesia and Ophthalmology being sent to district hospitals, super-speciality facilities and even rural hospitals, often without the infrastructure or departments necessary for their training. Not a single one among them has been posted to a medical college or teaching institute.
Except one. Tufail Reza Choudhury, who alone received a Senior Resident posting at Malda Medical College.
What exceptional merit separates him from the other 48 specialists hardly requires explanation. The intention behind this SOP crafted at Swasthya Bhavan now stands exposed.
Preparations are already underway to challenge this unethical SOP and these arbitrary postings legally. But if citizens, doctors and all people of conscience do not raise their voices together in anger and protest, the consequence will be clear.
This ecosystem of intimidation and threat culture will only strengthen further. And in its shadow, many more Abhayas will remain vulnerable.
{Please Don't react 'angry'. It'll supress the reach as per algorithm rule. 'Share' for passing the information to more people}
10/03/2026
"রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!"
তুফায়েল রেজা চৌধুরী, মালদার কুখ্যাত তৃণ নেতার ততোধিক কুখ্যাত ছেলে। আন্ডার গ্রাজুয়েট মালদা মেডিকেল কলেজ থেকে, সেখানকার থ্রেট কালচারের কিং পিন। কলেজের আনাচে কানাচে এখনও তার কুকর্মের কাহিনী অনুরণিত হয়।
এবার আসা যাক, অভয়ার ঘটনায় তার কী ভূমিকা ছিল সে প্রসঙ্গে। সেই সময় সে কলকাতা মেডিকেল কলেজে অর্থোপেডিক বিভাগের ডিপ্লোমা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি।
হঠাৎ ৯ই আগস্ট,২০২৪ এর পর থেকে দীর্ঘ তিনমাস নিখোঁজ। ডিউটিতে নেই,( অবশ্য তার আগেও প্রভাবশালী 'ক্যাচ' থাকার কারণে ডিউটিতে কমই পাওয়া যেত তাকে) নেই কলেজ ক্যাম্পাসে, হাসপাতালে, হোস্টেলে - কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় নি।
শেষ তাকে দেখা গেছিল ৯ই আগষ্ট আর জি কর মেডিকেল কলেজে। সন্দীপ ঘোষ বাহিনীর যে মাফিয়ারা ঘিরে রেখেছিল হতভাগ্য অভয়ার মৃতদেহ, অভীক বিরূপাক্ষ সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের মেডিকেল কলেজ থেকে জাদুমন্ত্রবলে যারা আর জি করে পৌঁছে গেছিল, আর জি করের জুনিয়র ডাক্তাররা খবর পেয়ে জড়ো হওয়ার আগেই, তার মধ্যেই ছিল এই তুফায়েল। কীভাবে পৌঁছে গেছিল সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে স্বাস্থ্যভবনের এক চমকপ্রদ অ্যালিবাই সামনে এসে, বলা হয় স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতির জন্য নাকি এই গোটা থ্রেট কালচার মাফিয়া গ্যাং নাকি ওইদিন ময়দানে প্যারেড প্র্যাকটিস করতে এসেছিল, (ছবি ১) সেখান থেকে খবর পেয়েই সকলে আর জি কর পৌঁছায় বাকি কেউ জানার আগেই! এই তুফায়েল নাকি ছিল সেই প্যারেড প্রোগ্রামের অন্যতম আয়োজক! এতদূর পড়ে অনেকের প্রশ্ন জাগবে কেন এত ইতিহাসের অবতারণা?
অবতারণা এই কারণে যে আপনারা সকলেই সিনিয়র রেসিডেন্টদের নতুন বেআইনি, অগণতান্ত্রিক SOP ও তাকে কার্যকরী করে ভয়ানক স্বৈরতান্ত্রিক ও টার্গেটেড প্রতিহিংসামূলক পোস্টিং সম্পর্কে অবগত। সেই SOP এর আসল উদ্দেশ্য ধীরে ধীরে পর্দার আড়াল থেকে প্রকাশ্যে আসছে! আসলে যে বেছে বেছে থ্রেট কালচারের কিংপিন দের আবার স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে সে তো ইতিমধ্যে দেখেছিলাম সাসপেন্ডেড বিরূপাক্ষ বিশ্বাস কে এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখে। ( যদিও প্রবল জনরোষে সেই নোটিশ আপাতত স্থগিত রয়েছে। ) এবার আরো নির্লজ্জ নগ্ন ক্ষমতা প্রদর্শন শুরু হল এই সিনিয়র রেসিডেন্ট দের SOP ও পোস্টিং এর জায়গায় যার উদাহরণ হচ্ছে এই তুফায়েল।
কীভাবে? ছবি ২ দেখুন। এটি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা পাশ করে যে সিনিয়র রেসিডেন্টরা পোস্টিং পেলেন তার লিস্ট। গাইনি, অর্থোপেডিক, এনেস্থেসিয়া, অপথ্যালমোলজি সহ সমস্ত বিষয়ের স্পেশালিস্ট ডাক্তার দের ৪৯ জনের প্রত্যেককে কোনো না কোনো জেলা হাসপাতাল, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল , এবং বহুজনকে গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে (যেখানে ডিপার্টমেন্ট তো দূর, অপারেশন থিয়েটার অবধি নেই!)- কাউকে কোনো মেডিকেল কলেজ বা টিচিং ইনস্টিটিউট এ পোস্টিং দেওয়া হয়নি!
কিন্তু এই নিয়মের একটিমাত্র উজ্বল ব্যতিক্রম এই তুফায়েল রেজা চৌধুরী। আবার কোনো বিশেষ দক্ষতায় ৪৯ জনের মধ্যে বিশেষ ভাবে নির্বাচিত হয়ে একমাত্র সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে মালদা মেডিকেল কলেজে পোস্টিং পেয়েছে! কোন দক্ষতার অধিকারী হয়ে সে বাকি ৪৮ জনের থেকে আলাদা প্রমাণিত হয়ে স্পেশালি এই পোস্টিং পেল সেটা বুঝতে কোনো রকেট সায়েন্স বুঝতে হয় না, এবং কী উদ্দেশ্যে এই SOP স্বাস্থ্য ভবন বানিয়েছে সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে!
এবার প্রশ্ন হল, এই অনৈতিক পোস্টিং ও SOP এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই এর প্রস্তুতি তো চলছেই কিন্তু আমরা মনে করি বিচারব্যবস্থার যে চিত্র আমরা এতদিনে দেখতে পাচ্ছি, তাতে সমস্ত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ যদি একসাথে প্রতিবাদে রাগে ক্ষোভে গর্জে উঠতে না পারে, তাহলে এই শ্বাপদদের রাজত্ব ই প্রতিষ্ঠিত হবে, আর তাদের দাঁতে নখে ছিন্নভিন্ন হবে আরো হাজার হাজার অভয়া!
(Via WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front )
05/03/2026
প্রতিবাদে সোচ্চার হোন!
সরকারি হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় খুন ও ধর্ষিতা হওয়া সহকর্মীর মৃত্যুর প্রেক্ষিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর ফ্রন্ট যে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করেছিল তাতে আমরা দেখেছিলাম স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভগ্নদশা ও পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি। আর তার প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবন সাফাই অভিযান করা হয়েছিল ২০২৪ সালে, তারপর দীর্ঘ প্রায় এক বছর পরে প্রতিহিংসার এক নগ্ন প্রতিচ্ছবি আমরা আগেই দেখেছি।
নতুন পাশ করা সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারদের পোস্টিং প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে আটকে রেখে কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই নিজেদের ক্ষমতা বলে নতুন নিয়োগ পদ্ধতি সৃষ্টি করে আরও বিভ্রান্তিকর ভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করল স্বাস্থ্য দপ্তর।
এই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াতে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর এবং অনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের ইঙ্গিত রয়েছে যা আমরা আগেও তুলে ধরেছি:
প্রথমত, স্বাস্থ্য দপ্তরের দুটি ছুটির দিন পেরিয়ে হঠাৎ করে তাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে আসার আগেই লোকমুখে পোস্টিং এর তালিকা বিভিন্ন সূত্রে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যেখানে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিংকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে নিজেদের ইচ্ছেমতো, স্বাস্থ্য দপ্তর এই বন্ডেড SR দের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টিং দিয়েছে। মেধাকে সম্পূর্ণরূপে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কেবলমাত্র নিজেদের ক্ষমতা প্রকাশ করাই স্বাস্থ্য দপ্তরের মূল লক্ষ্য বলে আমরা মনে করছি। এবং এই পোস্টিং তিন বছরের জন্য স্থায়ী না আবার পরিবর্তন হবে এবং হলেও কিসের ভিত্তিতে, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
দ্বিতীয়তঃ, আরজিকর আন্দোলনের আন্দোলনকারী ডাক্তারদের হেনস্তা করবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বিশেষ বিশেষ কিছু জায়গা চিহ্নিত করে পাঠানো হয়েছে যেখানে পাশ করা বিশেষজ্ঞ ছাত্রদের কাজের কোন অবকাশ নেই শুধুমাত্র পরিকাঠামোর অভাবে।
তৃতীয়ত একথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া দরকার পশ্চিমবঙ্গের কোন স্থানেই বিশেষজ্ঞ পাস করা ছাত্র চিকিৎসকদের কাজ করতে অসুবিধা নেই কিন্তু একজন ক্যান্সার চিকিৎসককে যদি একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয় যেখানে ক্যান্সার চিকিৎসার কোন পরিকাঠামোই নেই, সেখানে তার মেধা কে অবমাননা করা হবে বলেই আমরা মনে করছি। সেই জায়গায় স্বাস্থ্য দপ্তর যদি GDMO ডাক্তার সাথে অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়াদ্বারা সম্পন্ন করে পাঠায় তাহলে সেখানে সাধারণ গ্রামীণ মানুষদের অনেক বেশি উপকার হবে বলে আমরা মনে করি।
গতবছর আসফাকুল্লাহ নাইয়া, দেবাশিস হালদার এবং অনিকেত মাহাতো র অনৈতিক পোস্টিং নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার কালিমা লেগেছে স্বাস্থ্যদপ্তরের গায়ে।
তাই ছাত্রদের অনৈতিকভাবে তুঘলকি প্রক্রিয়ায় এই ধরনের এইরূপ অনৈতিক পোস্টিং এর উত্তর খুঁজতে আগামীকাল ৬ মার্চ, ২০২৬ স্বাস্থ্য ভবন যাওয়া হবে, দুপুর ১২টায়। দিকে দিকে সরকার তার ক্ষমতা বলে মেধা কে চূর্ণ করা ও তার সাথে প্রতিবাদে গর্জে ওঠা কণ্ঠ গুলোকে স্তব্ধ করার নোংরা খেলায় মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে । তাই হাতে হাত রেখে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাথে প্রতিবাদে সামিল হোন ও বৃহত্তর আন্দোলনে আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠুন!