Edu Care

Edu Care শিক্ষণীয় তথ্য/ভিডিও পেতে ফলো করে সাথে থাকুন। ❤️
(4)

11/09/2026

এক খোদা, এক নেতা এক জাতিই ইরানের বিজয়ের পথ।
ইনশাআল্লাহ ইরান জয়ী হবেই।

10/09/2026

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পবিত্র কাজ, চারপাশে নীরবতা, আর সেই বরকতময় মুহূর্তে এই বোন সবার সামনে কালেমা শাহাদা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন।
আলহামদুলিল্লাহ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের স্কুলশিক্ষক ছায়েদ উল্লাহর পরিবারে উচ্চশিক্ষার গল্পটা একটু আলাদা। একে একে তাঁর ছয় সন্তানই পড়ার সুযো...
10/09/2026

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের স্কুলশিক্ষক ছায়েদ উল্লাহর পরিবারে উচ্চশিক্ষার গল্পটা একটু আলাদা। একে একে তাঁর ছয় সন্তানই পড়ার সুযোগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ছোট ছেলে আরফাত হোসেন ‘এ’ ইউনিটের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর পূর্ণ হয়েছে পরিবারের এই অনন্য অর্জন।

একই পরিবারের ছয় সন্তানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ঘটনা বাংলাদেশে বিরল। সন্তানদের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, শিক্ষার প্রতি পরিবারের দৃঢ় অঙ্গীকার এবং সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও বাবার নিরন্তর ত্যাগ।

ছায়েদ উল্লাহ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার দক্ষিণ ওয়াপদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩০ বছর শিক্ষকতা করেছেন। সেখান থেকেই অবসর নেন তিনি। শিক্ষকের বেতনই ছিল পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে গিয়ে একসময় তাঁকে পারিবারিক সম্পত্তিরও কিছু অংশ বিক্রি করতে হয়েছে। তবে সন্তানদের শিক্ষার জন্য করা সেই ত্যাগই এখন তাঁর পরিবারের সবচেয়ে বড় অর্জনের গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু হয় বড় ছেলে শামসুল আলম দিপুর মাধ্যমে। ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন তিনি। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করার পর ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এরপর ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে ভর্তি হন দ্বিতীয় ছেলে শাজাহান সিরাজ আল মামুন। ২০১৬ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। বর্তমানে কর্মসংস্থান ব্যাংকের হাজীগঞ্জ শাখায় সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত।

তৃতীয় ছেলে আশরাফুল ইসলাম শহীদ পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে। সেখান থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক শাখায় সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

চতুর্থ ছেলে শরীফুল ইসলাম বিজয়ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। তিনি ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বর্তমানে বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পরিবারের একমাত্র মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি ওমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে অধ্যয়নরত। আর সর্বশেষ এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ছোট ছেলে আরফাত হোসেন। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি হয়ে তিনিও এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছয় সন্তানের শিক্ষাজীবনের এই ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে ছিল ছায়েদ উল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী শামীমা বেগমের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা। সন্তানদের শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করানো নয়, প্রত্যেককে নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখেছেন তাঁরা। সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যেও পড়াশোনাকে পরিবারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

২০২২ সালে এই পরিবারের পাঁচ সন্তানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। তখনও এটি ছিল ব্যতিক্রমী এক শিক্ষাসাফল্যের গল্প। তিন বছর পর ছোট ছেলে আরফাতের ভর্তির মধ্য দিয়ে সেই গল্প পেল নতুন মাত্রা—এখন একই পরিবারের ছয় সন্তানই দেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বা সাবেক শিক্ষার্থী।

এই পরিবারের গল্প শুধু ছয়টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সাফল্যের গল্প নয়। এটি একজন সাধারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের দীর্ঘ কর্মজীবন, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক ত্যাগ এবং শিক্ষাকে জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে দেখার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

কমলনগরের এই পরিবার দেখিয়ে দিয়েছে, বড় স্বপ্ন দেখার জন্য সবসময় বড় আর্থিক সামর্থ্য প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন সন্তানদের প্রতি আস্থা, শিক্ষার প্রতি অটুট বিশ্বাস এবং সেই স্বপ্ন পূরণে বছরের পর বছর ধরে করা নিরলস চেষ্টা। ছায়েদ উল্লাহর পরিবারে সেই চেষ্টার ফল এখন ছয়টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্পে দৃশ্যমান।

10/09/2026

নাতির ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বদলে গেছে দাদার মন, মৃত্যুশয্যায় ১০৫ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করলেন দাদা। মাশাল্লাহ।
দাদার জন্য সবাই দোয়া করবেন!

09/09/2026

দীর্ঘ ৩০ বছরের লড়াই শেষে ৫২ বছর বয়সে এমবিবিএস পাস করেছেন ডা. মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় এক শিক্ষক তাকে বলেছিলেন, ‘৫০০ বছরেও পারবি না।’

এরপর প্রাতিষ্ঠানিক বাধা, বারবার অকৃতকার্য হওয়া এবং বাবা-স্ত্রীকে হারানোর শোকেও তিনি হাল ছাড়েননি। ২০২২ সালে আবার পড়াশোনা শুরু করে শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন পূরণ করেন ড. হাবিবুল্লাহ।

09/09/2026

হাসপাতালে গেলেই রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং টেস্ট দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয় এর বি'রুদ্ধে ক'ঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে! "মাহমুদা হাকিম"
উনার কথা কি ঠিক নাকি?

চার দশক আগের একটি ছবি। ছবির সাতজনই সহোদর। আশি ও নব্বইয়ের দশকে তাঁরা পড়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। কুড়িগ্রামের মতো শিক্ষ...
09/09/2026

চার দশক আগের একটি ছবি। ছবির সাতজনই সহোদর। আশি ও নব্বইয়ের দশকে তাঁরা পড়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। কুড়িগ্রামের মতো শিক্ষা ও অর্থনীতিতে পিছিয়ে থাকা একটি জনপদে, যখন মেয়েদের উচ্চশিক্ষার পথও ছিল নানা সামাজিক বাধায় সংকুচিত, তখন একই পরিবারের ছয় কন্যা ও এক পুত্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার গল্পটি ছিল ব্যতিক্রমী। সেই গল্পের নেপথ্যে ছিলেন ডা. সোহরাব আলী ও হুরমান নেছা।

চার দশক আগের ছবিটি দেখলে প্রথমে চোখে পড়ে সাতটি মুখ। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে-বসে থাকা ভাই-বোনদের মুখে তখন তারুণ্যের ছাপ। ছবিটি এখন পুরোনো, সময় বদলে গেছে, বদলে গেছে তাঁদের জীবনের অনেক কিছু। কিন্তু ছবিটির দিকে তাকালে একটি বিষয় আজও স্পষ্ট—এই সাতজনের স্বপ্নের ঠিকানা ছিল একই।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে তাঁরা একে একে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন। কেউ পড়েছেন বিজ্ঞান, কেউ বাংলা, কেউ মনোবিজ্ঞান, কেউ হিসাববিজ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষ করে তাঁরা ছড়িয়ে পড়েছেন শিক্ষকতা, অধ্যাপনা ও বেসরকারি উন্নয়নমূলক কাজের নানা ক্ষেত্রে।

তবে তাঁদের গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরের নয়; বরং তারও আগে। কারণ তাঁরা এসেছিলেন কুড়িগ্রাম থেকে—তৎকালীন সময়ে শিক্ষা ও অর্থনীতিতে দেশের পিছিয়ে থাকা জনপদগুলোর একটি। আর সাতজনের মধ্যে ছয়জনই ছিলেন মেয়ে।

সেই সময়ে একটি মেয়েকে উচ্চশিক্ষার জন্য দূরের শহরে পাঠানোই অনেক পরিবারের কাছে ছিল বড় সিদ্ধান্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা তো আরও দূরের বিষয়। সামাজিক রক্ষণশীলতা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা—সবকিছু মিলিয়ে মেয়েদের শিক্ষাজীবন অনেক সময় কলেজের গণ্ডি পেরোতে পারত না।

সেই বাস্তবতার মধ্যেই ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ডা. সোহরাব আলী ও হুরমান নেছা।

তাঁরা বিশ্বাস করেছিলেন, সন্তান ছেলে হোক কিংবা মেয়ে—তার সামনে উচ্চশিক্ষার দরজা খোলা থাকা উচিত। সামর্থ্য সীমিত ছিল, কিন্তু স্বপ্নের সীমা ছিল না। কুসংস্কার ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে তাঁরা সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলেন।

একজন-দুজন নয়, সাতজনকেই।

সাত ভাই-বোনের শিক্ষাযাত্রার দিকে তাকালে পরিবারের সেই সিদ্ধান্তের গভীরতা আরও বোঝা যায়।

ছবিতে দাঁড়িয়ে বাঁ দিকে থাকা হালিমা খাতুন পড়েছেন বোটানি। পরবর্তী সময়ে কারমাইকেল কলেজে শিক্ষকতা করেছেন এবং সেখান থেকেই অবসর নিয়েছেন। তাঁর পাশের সাইদা খাতুনের বিষয় ছিল বাংলা। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শিক্ষকতা করেছেন এবং শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবসরে গেছেন।

ডানে থাকা সালমা খাতুন পড়েছেন মনোবিজ্ঞান। তিনিও শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করেছেন।

ছবিতে বসে থাকা চারজনের শিক্ষাজীবনও সমান বৈচিত্র্যময়।

শামসুন নাহের রেশমা পড়েছেন পদার্থবিজ্ঞান। সাইদুল ইসলাম বাবু পড়েছেন গণিত। নাজমুন নাহের সুইটির বিষয় ছিল বাংলা সাহিত্য। আর কামরু নাহের রুমা পড়েছেন হিসাববিজ্ঞান। তাঁদের কর্মজীবনও বিস্তৃত হয়েছে অধ্যাপনা, শিক্ষকতা ও বেসরকারি সাহায্য সংস্থার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে।

অর্থাৎ, একই পরিবারের সাত সন্তান—সাতটি ভিন্ন বিষয়, ভিন্ন পেশা, ভিন্ন কর্মজীবন। কিন্তু তাঁদের জীবনের ভিত তৈরি হয়েছিল একই জায়গায়—শিক্ষা।

এই পরিবারের গল্পকে শুধু সাতজন ভাই-বোনের সাফল্য দিয়ে ব্যাখ্যা করলে হয়তো পুরো বিষয়টি ধরা পড়বে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি সময়ের সামাজিক বাস্তবতা।

আজকের দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের উপস্থিতি স্বাভাবিক দৃশ্য। কিন্তু চার দশক আগে কুড়িগ্রামের একটি পরিবার থেকে একসঙ্গে ছয় মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া ছিল সহজ কোনো ঘটনা নয়। তখন উচ্চশিক্ষা ছিল অনেক পরিবারের কাছে ছেলেদের জন্য বেশি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ে, সংসার কিংবা সামাজিক নানা প্রত্যাশা শিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত।

সেই জায়গায় সোহরাব আলী ও হুরমান নেছার সিদ্ধান্ত ছিল ভবিষ্যৎমুখী।

তাঁরা হয়তো তখন জানতেন না, তাঁদের সন্তানদের ছবি একদিন চার দশক পর ফিরে তাকানোর মতো একটি গল্প হয়ে উঠবে। জানতেন না, তাঁদের পরিবারের শিক্ষার সিদ্ধান্ত একটি জনপদের সামাজিক পরিবর্তনের গল্পের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে যাবে।

কিন্তু তাঁরা একটি বিষয় বুঝেছিলেন—একটি সন্তানকে শিক্ষিত করার অর্থ শুধু তার নিজের জীবন বদলে দেওয়া নয়; তার মাধ্যমে একটি পরিবার, এমনকি একটি সমাজও বদলে যেতে পারে।

সাত ভাই-বোনের জীবন যেন সেই বিশ্বাসেরই প্রতিফলন।

তাঁদের কেউ শিক্ষক হয়েছেন, কেউ প্রধান শিক্ষক, কেউ অধ্যাপনায় যুক্ত হয়েছেন, কেউ কাজ করেছেন উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানে। তাঁদের কর্মজীবনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা আবারও ফিরে গেছে মানুষের কাছে।

এক প্রজন্ম তাঁদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছিল। পরের প্রজন্ম সেই শিক্ষাকে পেশা ও সামাজিক দায়িত্বের মাধ্যমে অন্যদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

কুড়িগ্রামের মতো জনপদে শিক্ষার প্রসারে এমন পরিবারগুলোর অবদান তাই শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের হিসাব দিয়ে মাপা যায় না। তাঁরা নিজেদের ঘরের ভেতর থেকেই শিক্ষার পক্ষে একটি অবস্থান তৈরি করেছিলেন। সেই অবস্থান হয়তো অনেক নীরব ছিল, কোনো ব্যানার বা স্লোগান ছিল না; কিন্তু তার প্রভাব ছিল দীর্ঘস্থায়ী।

চার দশক আগের ছবিতে তাই শুধু সাতজন তরুণ-তরুণীকে দেখা যায় না। দেখা যায় একটি সময়কে। দেখা যায় একটি পরিবারের সাহসী সিদ্ধান্তকে। দেখা যায় এমন এক বাবা-মাকে, যাঁরা সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও সন্তানের স্বপ্নকে সীমাবদ্ধ করেননি।

আর সবচেয়ে বড় করে দেখা যায়—একটি পরিবারের ছয় কন্যা ও এক পুত্রের শিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্য।

কুড়িগ্রামের মাটি থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকে শিক্ষকতা, অধ্যাপনা ও মানুষের সেবায় ছড়িয়ে পড়া জীবন।

ছবিটি চার দশকের পুরোনো। কিন্তু ছবির গল্পটি আজও নতুন।

কারণ সময় বদলালেও একটি সত্য বদলায়নি—একটি পরিবার যখন শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন তার প্রভাব শুধু একটি প্রজন্মে থেমে থাকে না।

09/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ

08/09/2026

মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের স্নাতক শিক্ষার পুরো খরচ দেবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় তালাপতির সরকার "আলহামদুলিল্লাহ

Address

University Of Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Edu Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed school/college?

Share