Learning with Samy

  • Home
  • Learning with Samy

Learning with Samy সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
৪৩তম বিসিএস (প্রশাসন)

11/12/2025

04/01/2025

1. Those who work with their hands only, called "Laborers"
2. Those who work with hands and intellect are called "Artisans"
3. And those who work with hand, intellect and soul are "Creators".

Now you are in the above three categories; Which task did you put in which tribe and the result you got, is it correct!? Why didn't it happen and what needed to happen etc. review yourself and move quickly on the right path because the current image of your actions is who you are today!!!

১. যারা কেবল হাত দিয়ে কাজ করে তারা শ্রমিক!
২. যারা হাত এবং মেধা খরচা করে কাজ করে তারা কারিগর!!
৩. আর যারা হাত, মেধা এবং আত্মার দরদ দিয়ে কাজ করেন তারা সৃষ্টিকর্তা অথাৎ কাজগুলো সৃষ্টির আনন্দ নিয়ে চমৎকার ভাবে সম্পাদন করেন।।।

এবার আপনি নিজেকে উপরোক্ত তিন ক্যাটাগরির; কোন কোন কাজ কোন গোত্রে রেখে করেছন এবং ফলাফল যা পেয়েছেন, সঠিক হয়েছে কিনা!? কেন হয়নি এবং কি হওয়া প্রয়োজন ছিল ইত্যাদি নিজে নিজেকে নিয়েই পর্যালোচনা করে সঠিক রাস্তায় দ্রুত চলে যান কারণ আপনার কৃত কর্মের বর্তমান চিত্রই আজকের আপনি!!!

20/12/2024

#উৎসর্গ #হেলালহাফিজ
"হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি নয়তো গিয়েছি হেরে,
থাক না ধ্রুপদী অস্পষ্টতা কে কাকে গেলাম ছেড়ে!"

হেলাল হাফিজ। কবি। একটিমাত্র বই লিখেছেন পুরোটা জীবনে (পরবর্তী বইটি এর বর্ধিত সংস্করণ মাত্র, এবং, দীর্ঘ ৩৪ বছর পরের তৃতীয়টিকে বলা যায় অণুকাব্য-সংকলন)। ছাপ্পান্নটি কবিতায় গড়া ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত বইটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি পঠিত কাব্যগ্রন্থ, আজও। বইটি তিনি হৃদয়ে ক্ষত ধরে লিখেছিলেন। বইটির অধিকাংশ পঙক্তি লাখেলাখে বাঙালি তরুণতরুণীর মুখস্থ। কেন? বিরহী হেলাল হাফিজ জীবনে আর বিয়েই করলেন না বলে? না। কবিতাগুলোর প্রতিটি বর্ণের ভিতরে, তাঁর হেলেনের জন্য মেখে থাকা হৃদয়ের দাগ গেঁথে দিতে, পেরেছিলেন বলেই। অন্য ঘরে বিয়ে হয়ে যাওয়া হেলেনকে, তাঁর স্বামী যখন, হেলাল হাফিজের 'যে জলে আগুন জ্বলে' কাব্যগ্রন্থটির উৎসর্গ অংশটি দেখালেন, বুকের ভিতরটা মুচড়ে উঠেছিলো তরুণীর! সেই-যে তাঁর মস্তিষ্কে সমস্যা দেখা দিলো, মারা গেলেন সেভাবেই, পায়ে শেকল পরা অবস্থায়, হেলেন। বাংলা সাহিত্য কাঁপিয়ে দেওয়া বইটির উৎসর্গপত্রে লিখা আছে, কেবল, একটি নীলাভ অক্ষর─ 'হেলেন'। মানুষের বুকের ভিতরের দাগ বড্ড দুখী। বড্ড দুখী। দাগটির নাম─ ভালোবাসা।

"ইচ্ছে ছিল তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো,
ইচ্ছে ছিল তোমাকেই সুখের পতাকা করে
শান্তির কপোত করে হৃদয়ে ওড়াবো।

ইচ্ছে ছিল সুনিপুণ মেকাপ-ম্যানের মতো সূর্যালোকে কেবল সাজাবো,
তিমিরের সারাবেলা
পৌরুষের প্রেম দিয়ে তোমাকে বাজাবো, আহা তুমুল বাজাবো!

ইচ্ছে ছিল নদীর বক্ষ থেকে জলে-জলে শব্দ তুলে
রাখবো তোমার লাজুক দুই চঞ্চুতে,
জন্মাবধি আমার শীতল চোখ
তাপ নেবে তোমার দু’চোখের।

ইচ্ছে ছিল রাজা হবো─
তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো,
আজ দেখি─
রাজ্য আছে
রাজা আছে
ইচ্ছে আছে,
শুধু তুমি অন্য ঘরে।"
─ 'ইচ্ছে ছিল' (যে জলে আগুন জ্বলে, ১৯৮৬)

বলছিলাম 'যে জলে আগুন জ্বলে' নিয়ে। বাংলায় এমন কোনো সাহিত্যপ্রেমী নেই, যিনি এ-গ্রন্থের অন্তত একটি ছত্র আওড়াননি জীবনে! যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রেমাঙ্গন, আটপৌরে উঠোন থেকে প্রেয়সীর দীর্ঘশ্বাস, সাম্রাজ্যবাদ থেকে সাম্যবাদ, কী নেই এ-কবিতাগুলোর ছত্রে-ছত্রে!

'নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়' কবিতার─ "এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।" কিংবা, 'ব্যবধান' কবিতার─ "অতো বেশি নিকটে এসো না, তুমি পুড়ে যাবে!" 'হৃদয়ের ঋণ' কবিতার─ "আমার জীবন ভালোবাসাহীন গেলে, কলঙ্ক হবে কলঙ্ক হবে তোর।' অথবা, 'অশ্লীল সভ্যতা' নামক মাত্র ৬ শব্দের অপূর্ব পুরো কবিতাটি: "নিউট্রন বোমা বোঝো, মানুষ বোঝো না!" 'অমীমাংসিত সন্ধি' কবিতাটিতে পাবেন অদ্ভুত অবসেশনে নারীপ্রেম! যদি বিস্ময়কর একটি হৃদয়ভাঙা কবিতা পড়তে চান, নির্দ্বিধায় ডুবে যান উপরোল্লিখিত 'ইচ্ছে ছিল' কবিতাটায়। যদি আমৃত্যু মনে রাখার মতো একটি কবিতা পড়তে চান, 'প্রস্থান' কবিতাটি একবার পড়ুন জীবনে─

"এখন তুমি কোথায় আছ কেমন আছ, পত্র দিয়ো৷
এক বিকেলে মেলায় কেনা খামখেয়ালী তাল পাখাটা
খুব নিশীথে তোমার হাতে কেমন আছে, পত্র দিয়ো৷
ক্যালেন্ডারের কোন্ পাতাটা আমার মতো খুব ব্যথিত
ডাগর চোখে তাকিয়ে থাকে তোমার দিকে, পত্র দিয়ো৷
কোন্ কথাটা অষ্টপ্রহর কেবল বাজে মনের কানে
কোন্ স্মৃতিটা উস্কানি দেয় ভাসতে বলে প্রেমের বানে
পত্র দিয়ো, পত্র দিয়ো৷

আর না-হলে যত্ন করে ভুলেই যেয়ো, আপত্তি নেই৷
গিয়ে থাকলে আমার গেছে, কার কী তাতে?
আমি না-হয় ভালোবেসেই ভুল করেছি ভুল করেছি,
নষ্ট ফুলের পরাগ মেখে
পাঁচ দুপুরের নির্জনতা খুন করেছি, কী আসে যায়?
এক জীবনে কতোটা আর নষ্ট হবে,
এক মানবী কতোটা আর কষ্ট দেবে!"
─ 'প্রস্থান' (যে জলে আগুন জ্বলে, ১৯৮৬)

আপনি হৃৎমন্থনে বিবশ হয়ে যেতে চাইলে পড়তে পারেন নিম্নোল্লিখিত 'যাতায়াত' কবিতাটি─

"কেউ জানে না আমার কেন এমন হলো!
কেন আমার দিন কাটে না রাত কাটে না,
রাত কাটে তো ভোর দেখি না,
কেন আমার হাতের মাঝে হাত থাকে না, কেউ জানে না!

নষ্ট রাখীর কষ্ট নিয়ে অতোটা পথ একলা এলাম,
পেছন থেকে কেউ বলেনি─ করুণ পথিক
দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিয়ো;
কেই বলেনি─ ভালো থেকো সুখেই থেকো।
যুগল চোখের জলের ভাষায় আসার সময় কেউ বলেনি─
মাথার কসম আবার এসো।

জন্মাবধি ভেতরে এক রঙিন পাখি কেঁদেই গেলো,
শুনলো না কেউ ধ্রুপদী ডাক;
চৈত্রাগুনে জ্বলে গেলো আমার বুকের গেরস্থালি,
বললো না কেউ─ তরুণ তাপস এই নে চারু শীতল কলস।
লণ্ডভণ্ড হয়ে গেলাম, তবু এলাম।

ক্যাঙ্গারু তার শাবক নিয়ে যেমন করে বিপদ পেরোয়
আমিও ঠিক তেমনি করে সভ্যতা আর শুভ্রতাকে বুকে নিয়েই দুঃসময়ে এতোটা পথ একলা এলাম শুশ্রূষাহীন।
কেউ ডাকেনি তবু এলাম, বলতে এলাম─ ভালোবাসি।"
─ 'যাতায়াত' (যে জলে আগুন জ্বলে, ১৯৮৬)

যদি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর কবিতায় ঋদ্ধ হতে চান, পড়ুন 'ফেরিঅলা'─

"কষ্ট নেবে কষ্ট?
হরেক রকম কষ্ট আছে,
কষ্ট নেবে কষ্ট!

লাল কষ্ট, নীল কষ্ট, কাঁচা হলুদ রঙের কষ্ট,
পাথর চাপা সবুজ ঘাসের সাদা কষ্ট,
আলোর মাঝে কালোর কষ্ট,
‘মাল্টি-কালার’ কষ্ট আছে,
কষ্ট নেবে কষ্ট?

ঘরের কষ্ট, পরের কষ্ট, পাখি এবং পাতার কষ্ট,
দাড়ির কষ্ট,
চোখের বুকের নখের কষ্ট,
একটি মানুষ খুব নীরবে নষ্ট হবার কষ্ট আছে,
কষ্ট নেবে কষ্ট?

প্রেমের কষ্ট, ঘৃণার কষ্ট, নদী এবং নারীর কষ্ট,
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট,
ভুল রমণী ভালোবাসার
ভুল নেতাদের জনসভার
হাইড্রোজনে দুইটি জোকার নষ্ট হবার কষ্ট আছে,
কষ্ট নেবে কষ্ট?

দিনের কষ্ট, রাতের কষ্ট,
পথের এবং পায়ের কষ্ট,
অসাধারণ করুণ চারু কষ্ট, ফেরিঅলার কষ্ট,
কষ্ট নেবে কষ্ট?

আর কে দেবে আমি ছাড়া আসল শোভন কষ্ট,
কার পুড়েছে জন্ম থেকে কপাল এমন,
আমার মতো ক’জনের আর সব হয়েছে নষ্ট,
আর কে দেবে আমার মতো হৃষ্টপুষ্ট কষ্ট!"
─ 'ফেরিঅলা' (যে জলে আগুন জ্বলে, ১৯৮৬)

যুদ্ধ-পরবর্তী গণতন্ত্রে, প্রবঞ্চিত সাম্যবাদের জন্য আকুতি পাবেন আপনি 'একটি পতাকা পেলে' কবিতাটিতে─

"কথা ছিল একটি পতাকা পেলে
আমি আর লিখবো না বেদনার অঙ্কুরিত কষ্টের কবিতা।
কথা ছিল একটি পতাকা পেলে
ভজন গায়িকা সেই সন্ন্যাসিনী সবিতা মিস্ট্রেস
ব্যর্থ চল্লিশে বসে বলবেন─ ’পেয়েছি, পেয়েছি!’
কথা ছিল একটি পতাকা পেলে
পাতা কুড়োনির মেয়ে শীতের সকালে
ওম নেবে জাতীয় সংগীত শুনে পাতার মর্মরে।
কথা ছিল একটি পতাকা পেলে
ভূমিহীন মনুমিয়া গাইবে তৃপ্তির গান জ্যৈষ্ঠে-বোশেখে,
বাঁচবে যুদ্ধের শিশু সসম্মানে সাদা দুধে-ভাতে।
কথা ছিল একটি পতাকা পেলে
আমাদের সব দুঃখ জমা দেবো যৌথ-খামারে,
সম্মিলিত বৈজ্ঞানিক চাষাবাদে সমান সুখের ভাগ
সকলেই নিয়ে যাবো নিজের সংসারে।"
─ 'একটি পতাকা পেলে' (যে জলে আগুন জ্বলে, ১৯৮৬)

হেলাল হাফিজ বলেছিলেন, "'যে জলে আগুন জ্বলে' লিখে আমি আর কোনো কবিতা লিখিনি একটিই কারণে─ আমি প্রায় নিশ্চিত ছিলাম, এমন কবিতা আমি লিখতে পারবো না আর কখনোই।"

প্রিয় হেলেন, একটি মানুষ, আপনাকে ভুলতে পারলেন না তাঁর ইহজনমে, আপনি কি জানেন? হেলেন, আজ, বেলা ২:৪০ মিনিটে, ঢাকার পিজি হাসপাতালে এই জনম ত্যাগ করলেন, আপনার হেলাল। আপনাদের দেখা হোক ওইপারে, আপনাদের অন্তত একটিবার দেখা হোক জীবনের ওইপারে।

ওপারে ভালো থাকুন হেলেনের হেলাল।

হায়! "দুঃখের আরেক নাম হেলাল হাফিজ।"

#কে_কাকে_গেলাম_ছেড়ে

কবিতা: একটি পতাকা পেলেকবি: হেলাল হাফিজ (১৯৪৮-২০২৪)
16/12/2024

কবিতা: একটি পতাকা পেলে
কবি: হেলাল হাফিজ (১৯৪৮-২০২৪)

হেলাল হাফিজের স্কুলজীবনে হেলেনের সাথে প্রেম হয়, তারা ছিলেন প্রতিবেশী। দীর্ঘ প্রেমের পর দুই পরিবারে ঘটনাটি জানাজানি হয়। হ...
15/12/2024

হেলাল হাফিজের স্কুলজীবনে হেলেনের সাথে প্রেম হয়, তারা ছিলেন প্রতিবেশী। দীর্ঘ প্রেমের পর দুই পরিবারে ঘটনাটি জানাজানি হয়। হেলেনের বাবা ছিলেন দারোগা আর হেলাল হাফিজের বাবা স্কুলশিক্ষক। হেলাল হাফিজের বাবা দারোগার মেয়ের সাথে ছেলের বিয়ে দিতে চাননি, এ নিয়ে দুই পরিবারে বিরোধ ঘটে এবং হেলাল হাফিজ হেলেনকে বিয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা বললে হেলেনও নির্বিকার থাকেন। পরে হেলেনের বিয়ে হয় ঢাকার একটি সিনেমা হলের (সম্ভবত মুন সিনেমা হল) মালিকের সাথে।

সেই বিয়ের পর কবি নাকি দশ-বারো দিন কোনো কথা বলতে পারেননি, বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। হেলেনের বিয়ের পর কবির পরিবার তাকে বিয়ের জন্য পীড়াপীড়ি করতে থাকে। একদিন তারা একটি মেয়ের ছবি দেখিয়ে তার কাছে জানতে চায়, মেয়ে পছন্দ হয়েছে কি না। কবি উত্তরে বলেছিলেন, মেয়েটি দেখতে তার মায়ের মতো। এরপর পরিবারের লোকজন লজ্জায় আর কখনো তাকে বিয়ের কথা বলেনি। আমৃত্যু তিনি বিয়ে না করে হেলেনকে ভালোবেসে নিঃসঙ্গ জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন।

আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জীবনে এমন সাহসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রায় অসম্ভব। বিয়ে না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি কখনো হেলেনকে দোষ দিতেন না, এমনকি হেলেনের প্রসঙ্গও আনতেন না। তিনি বলতেন, “আমি কাউকে বিয়ে করিনি—এমনটা ঠিক নয়। বরং কেউ আমাকে বিয়ে করেনি—এমনও হতে পারে।”

হেলেনের বিয়ের পরে তীব্র দুঃখ বুকে চেপে নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় পাড়ি জমান হেলাল হাফিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে লেখাপড়াও করেছেন। ব্যতিক্রমী ও সহজবোধ্য কবিতা লেখার ফলে তার খ্যাতি ক্যাম্পাস থেকে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ল দেশব্যাপী। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তার আলোড়ন-সৃষ্টিকারী কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে'।

হেলেনের স্বামী বইমেলা থেকে অন্যান্য বইয়ের পাশাপাশি 'যে জলে আগুন জ্বলে' বইটিও কিনে বাসায় নিয়ে যান। হেলেন যখন দেখতে পেলেন বইটির পুরোটা জুড়ে বিধৃত আছে হেলেন-হেলাল প্রেমউপাখ্যান, আছে হেলালের কষ্টের ইতিবৃত্ত আর হেলেনের জন্য হেলালের শব্দে-শব্দে নিঃশব্দ হাহাকার; তখন ক্রমশ তার মস্তিষ্কবিকৃতি ঘটে, তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। হেলেনের স্বামী দেশে-বিদেশে হেলেনের উচ্চচিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও হেলেন আর ভারসাম্য ফিরে পাননি। একপর্যায়ে স্বামীর কাছ থেকে হেলেন তালাকপ্রাপ্ত হন। হেলেন এখন নেত্রকোনায় আছেন। এখন তিনি বদ্ধ-উন্মাদ। নেহাল হাফিজের ভাষ্যমতে— হেলেনকে এখন শেকল পরিয়ে ঘরে বেঁধে রাখতে হয়, ঘুম পাড়িয়ে রাখতে হয় ওষুধ খাইয়ে; অন্যথায় তিনি ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করেন। [হেলাল হেলেনের মর্মান্তিক গল্পের তথ্যসূত্রঃ কবি আখতারুজ্জামান আজাদ]

আমরা মনে করি, কবিদের জীবন নারীবেষ্টিত হয়ে থাকে। কিন্তু সব সময় আমাদের ধারণা সত্য হয় না। রূপবতী মেয়েরা কবিতার প্রেমে পড়ে, এলোমেলো অগোছালো কবির প্রেমে নয়।

হেলাল হাফিজ একজনকেই ভালোবেসে সারাজীবন নিঃসঙ্গ জীবন কাটিয়েছেন। নিঃসঙ্গতাই ছিল তার প্রিয়। কবির জীবনে একটি মাত্র মৌলিক কাব্যগ্রন্থ "যে জলে আগুন জ্বলে" প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। এরপর তিনি আর কোনো বই প্রকাশ করেননি। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, “প্রথম বইয়ের জনপ্রিয়তা আমার লেখা বন্ধ করে দিয়েছে। জীবনের সব অনুভূতিই এই বইয়ে দিয়েছি। এরপর লিখলে যদি আগের মতো জনপ্রিয় না হয়, তা আমি সহ্য করতে পারব না।”

আমার মনে হয়, এই "যে জলে আগুন জ্বলে" কাব্যগ্রন্থটি শুধুই হেলাল হাফিজের নয়, বরং সকল প্রেমিক হৃদয়ের মনের অব্যক্ত কথার সমন্বয়।

“যে জলে আগুন জ্বলে” কাব্যের ৬২ কিংবা ৬৪ কবিতার প্রতিটি আমাকে প্রবল ভাবে প্রভাবিত করেছিল।

হেলাল হাফিজের সাথে আমার প্রথম পরিচয়, প্রিন্স মাহমুদের সুরে বের করা “এখনো দুচোখে বন‍্যা” এলবাম থেকে। সেই এলবামের কাভারে প্রিন্স মাহমুদ, হেলাল হাফিজের একটা কবিতার নিচের অংশটুকু জুড়ে দিয়েছিলেন। কবিতাটি ছিল:

আমি কি নিজেই কোন দূর দ্বীপবাসী এক আলাদা মানুষ? নাকি বাধ্যতামূলক আজ আমার প্রস্থান,
তবে কি বিজয়ী হবে সভ্যতার অশ্লীল স্লোগান?

আমি তো গিয়েছি জেনে প্রণয়ের দারুণ আকালে
নীল নীল বনভূমি ভেতরে জন্মালে
কেউ কেউ চলে যায়, চলে যেতে হয়
অবলীলাক্রমে কেউ বেছে নেয় পৃথক প্লাবন,
কেউ কেউ এইভাবে চলে যায় বুকে নিয়ে ব্যাকুল আগুন।

আমার কী এসে যাবে, কিছু মৌল ব্যবধান ভালোবেসে
জীবন উড়ালে একা প্রিয়তম দ্বীপের উদ্দেশ্যে।

নষ্ট লগ্ন গেলে তুমিই তো দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে
সুকঠিন কংক্রিটে জীবনের বাকি পথ হেঁটে যেতে যেতে
বারবার থেমে যাবে জানি
‘আমি' ভেবে একে-তাকে দেখে।
তুমিই তো অসময়ে অন্ধকারে
অন্তরের আরতির ঘৃতের আগুনে পুড়বে নির্জনে।

আমাকে পাবে না খুঁজে, কেঁদে-কেটে, মামুলী ফাল্‌গুনে।
আমার কী এসে যাবে

হেলাল হাফিজ অত‍্যন্ত শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় কবি। লিখেছেন কম। প্রেম করেছেন জীবনভর। আলস‍্যে কাটিয়ছেন। সংসার করেননি কখনো। নিঃসঙ্গ অবস্থায় চিরতরে বিদায় নিলেন দ্রোহ ও প্রেমের কবি খ্যাত কবি হেলাল হাফিজ (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

- বিদায় হে চিরকুমার কবি।
🖊️🖊️🖊️

দোকানের নামের সাথে “মেসার্স” অথবা “ট্রেডার্স” কেন লেখা থাকে?মেসার্স: 'মেসার্স' ইংরেজি শব্দটি সাধারণত বিভিন্ন বাণিজ্যিক প...
09/12/2024

দোকানের নামের সাথে “মেসার্স” অথবা “ট্রেডার্স” কেন লেখা থাকে?

মেসার্স: 'মেসার্স' ইংরেজি শব্দটি সাধারণত বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নামের আগে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। কিন্তু এই শব্দটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয় আমাদের দেশে। অজ্ঞতা এবং অসচেতনতার কারণেই এটা হয়ে থাকে।

'মেসার্স’ শব্দটি ইংরেজি ‘মিস্টার’ শব্দের বহুবচন। সুতরাং যেসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নাম কোনো মানুষের নামে এবং তার সঙ্গে অন্য আরো মানুষের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ করে (যেমন ‘আলম অ্যান্ড ব্রাদার্স’ বা ‘গণেশ অ্যান্ড কম্পানি’), সেসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নামের ক্ষেত্রে ‘মেসার্স’ শব্দটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে যেসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নাম কোনো মানুষের নামে নয় (যেমন ‘কর্ণফুলী ট্রেডার্স’ বা ‘সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস’), সেসব প্রতিষ্ঠানের নামের আগে ‘মেসার্স’ শব্দটির ব্যবহার সঠিক নয়।

আবার আমরা যেমন নিজেরা নিজেদের নাম বলার ক্ষেত্রে ‘মিস্টার’, ‘জনাব’ বা ‘শ্রী’ বলি না (উদাহরণস্বরূপ কারো নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি যেমন নিজের নাম ‘আমার নাম মিস্টার নূরুল আলম’ বা ‘আমার নাম শ্রী মোহন লাল মহাজন’ বলেন না), বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ‘মেসার্স’ শব্দটির ব্যবহার অনুরূপ হওয়া উচিত। অর্থাৎ কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নাম (আলম অ্যান্ড ব্যাদার্স বা ‘গণেশ অ্যান্ড কম্পানি’ হলেও নিজে ‘মেসার্স’ শব্দটি ব্যবহার করা যাবে না (যেমন সাইন বোর্ডে, লেটার হেডে, বিভিন্ন লাইসেন্সে ইত্যাদি)। এই ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্দেশ্য করে বাইরে থেকে কেউ যখন যোগাযোগ করবেন (যেমন চিঠি বা ই-মেলের মাধ্যমে), তখন তাঁরা লিখবেন ‘মেসার্স আলম অ্যান্ড ব্রাদার্স’ বা ‘মেসার্স গণেশ অ্যান্ড কম্পানি’। এটাই অভিপ্রেত এবং শোভনীয়।

আবার ‘মিস্টার’ শব্দটি পুংলিঙ্গ এবং ‘মেসার্স’ শব্দটি তার বহুবচন হলেও কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নামে, কোনো স্ত্রীলোকের নামে হলে এবং তার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে (যেমন ‘নাসিমা অ্যান্ড ব্রাদার্স’), উপরিউক্ত নিয়মে এই ক্ষেত্রেও ‘মেসার্স’ শব্দটি ব্যবহার করা যায়।

ব্রাদার্স: ইংরেজি Brothers এর বাংলা ( বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে) অর্থ হল পেশা, সমিতিভুক্ত ব্যক্তিবর্গ।

ট্রেডার্স : ইংরেজি Trade শব্দের বাংলা অর্থ ব্যবসায় এবং ট্রেডার্স এর অর্থ ব্যবসায়ী ( বহুবচন)।

07/12/2024
🔴 গল্পে গল্পে শিখুন মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর বঙ্গ মিয়ার ছিলো এগারো সন্তান। সবচেয়ে বড় মেয়ে পাবর্তীকে উঁচু ঘরে বিয়ে দিলেন। ...
07/12/2024

🔴 গল্পে গল্পে শিখুন মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর

বঙ্গ মিয়ার ছিলো এগারো সন্তান। সবচেয়ে বড় মেয়ে পাবর্তীকে উঁচু ঘরে বিয়ে দিলেন। ২য় ও ৩য় সন্তানগুলো একটু ‘কু’ তাই তাদেরকে থিতু করলেন কুমিল্লায়। তা বঙ্গ মিয়া একদিন দুই মেয়ের বাড়িতে বেড়ানো শেষে ৪ নম্বর ছেলেটার কর্মস্থল সিলেটে গেলেন চা খেতে, চা খাওয়া শেষে ছোট ছেলেটা ৫ম ভাইয়ের অফিসওটাও সিলেটে বেড়াতে যেতে অনুরোধ করলো।

বঙ্গমিয়া একদম ক্ষেপে গিয়ে বলল ‘হামাক বেক্কল পানু?’ একচর মারবো ৬ টা দাঁত ফেলে দিব, দাঁত গিয়ে রংপুরে পড়বে।

ছোট ছেলে হেসে বলল ভালই তো আসার সাথে (৭) রাজশাহী থেকে আম নিয়ে আসব। শুধু কি তাই ? সাথে কুষ্টিয়া থেকে ৮ প্যাকেট তিলের খাজাও নিয়ে আসব!

বঙ্গ মিয়া তো আরো ক্ষেপে বললেন - আর আসার দরকার নয় (৯) বরিশাল চলে যাও। হাসতে হাসতে ছোট ছেলে বলল বাবা দেশে (১০) তো নৌকার অভাব নাই, চাইলেই যেতে পারি কিন্তু !

হ যাবিই তো, তুরার ১১ টার জ্বালায় কুইট্টালতাম (ময়মনসিংহ) মুঞ্চায়।
গল্পটা কোড। নিজের মত করে সাঁজিয়ে নিতে পারেন।
(সংগৃহীত)

বিঃ দ্রঃ অনেকে পোস্টটি না পড়েই কমেন্ট করেন।তাদের জন্য বলছিঃ ১০ নং হচ্ছে নৌ সেক্টর। নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না ১০ নং নৌ সেক্টরে।

Handnote 7th position- BCS Administration (43 BCS)
29/11/2024

Handnote
7th position- BCS Administration (43 BCS)

একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প:একবার এক ব্যবসায়ীর অনেক টাকা লস হয়েছে হয়েছিল এবং তিনি অনেক লোনের মধ্যে জর্জরিত হয়ে গিয়েছিল...
18/11/2024

একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প:

একবার এক ব্যবসায়ীর অনেক টাকা লস হয়েছে হয়েছিল এবং তিনি অনেক লোনের মধ্যে জর্জরিত হয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে বের হয়ে আসা একদম অসম্ভব বলতে প্রায়।
ওই ব্যবসায়ীর নিজের উপর থেকে এবং তার ব্যবসার উপর থেকে পুরোপুরি বিশ্বাস উঠে গিয়েছে।

একদিন সে অনেক উদাসীন হয়ে একটি রেলওয়ে স্টেশনে বসে ছিলেন, তখনই কোর্ট টাই পড়া এক বৃদ্ধ লোক এসে তার কাছে জিজ্ঞাসা করল যে আপনার কি হয়েছে?

সেই বিজনেসম্যান ওই বৃদ্ধ লোককে পুরো কাহিনী শোনালেন এবং কিছুক্ষণ পর ওই বৃদ্ধ লোক পকেট থেকে একটি চেক বের করে ৫০ লক্ষ টাকার চেক লিখে ওই ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দিলেন এবং বললেন এটি তখনই ডিপোজিট করবেন যখন আপনার কাছে সকল আশা ভরসা এবং সকল রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে।

তখন সেই বিজনেসম্যান বাসায় গিয়ে ওই চেকটি ভালোভাবে তার ব্যক্তিগত আলমারিতে রেখে দিয়েছিলেন। তার কাছে টাকা এসেছিল এই ভরসায় সে পরের দিন থেকে খুব ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে কাজ করা শুরু করলেন তার বিজনেসের জন্য।

কিছু সময় পর অবাক করা ঘটনা ঘটলো, এই ব্যবসায়ী ওই শহরের সবথেকে শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন হয়ে গেলেন। তারপর একদিন হঠাৎ তার চেকটির কথা মনে পড়ল এবং সেই চেক নিয়ে ওই বৃদ্ধ ব্যক্তিকে খোঁজার জন্য রেলওয়ে স্টেশনে গেলেন।

সেই স্টেশনে গিয়ে তিনি জানতে পারলেন, ওই বৃদ্ধ লোকটি কোন শিল্পপতি বা বড়লোক কেউ ছিলেন না। বরঞ্চ কোর্ট টাই পড়া একজন পাগল ব্যক্তি ছিলেন, যাকেই দেখতেন তাকেই এরকম করে চেক বিলি করে বেড়াতেন। এটা শোনার পর ওই বিজনেসম্যান হতবাক হয়ে গেলেন।

তারপর ওই বিজনেসম্যান বুঝতে পারলেন যে, নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে কত কিছুই না তৈরি করা যায়। আমাদের দরকার শুধুমাত্র সাপোর্টের।

তাই আল্লাহ ও নিজের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে কাজ করুন নিজের সফলতা নিজেই গড়ুন🙏

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learning with Samy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share