Bdwriter forum

Bdwriter forum

Share

বাংলা সাহিত্য ও সাহিত্যিকদের নিয়ে লেখা ও সমসাময়িক ভাবনা।

10/04/2025

আরণ্যক : এক প্রকৃতিমুগ্ধ ও ইতিহাস-অনুভবী মানুষের ডায়েরি

আজ থেকে ৮০ বছরেরও আগে, ১৯৩৯ সালে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরণ্যক উপন্যাসটি লিখেছিলেন। উপন্যাসের শুরুতে বিভূতিভূষণ একটি দু-পাতার ভূমিকা বা প্রস্তাবনা লিখেছেন, তারপর মূল উপন্যাসটি ১৮টি পরিচ্ছেদে লেখা হয়েছে।
শুরুতে দেখা যায় এই উপন্যাসের কথক সত্যচরণ (যিনি আসলে বিভূতিভূষণ নিজেই) বেকার। কলকাতা শহরে সে কাজ খুঁজছে। এরপর সে এক বন্ধুর মাধ্যমে চাকরি পায় একটি জমিদারি ব্যবসায়, ঝাড়খণ্ডের একটি জঙ্গল এলাকায়। কাজটি হলো, এক জমিদারের অধীন জঙ্গলে প্রজা জোগাড় করে তাদের জমি বিক্রি, ইজারা দেওয়া ইত্যাদি। প্রথমে অচেনা পরিবেশ ও মানুষের মধ্যে নিঃসঙ্গতা অনুভব করলেও শহুরে সত্যচরণের ক্রমশ জঙ্গল ভালো লাগতে লাগল।
তিনি লেখেন, ‘দিন যতই যাইতে লাগিল, জঙ্গলের মোহ ততই আমাকে ক্রমে পাইয়া বসিল।’ কলকাতার মতো আধুনিক শহরে কাটানো একজন মানুষ জঙ্গল সম্বন্ধে লেখেন, ‘জীবনের বেশিরভাগ সময় কলিকাতায় কাটাইয়াছি। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গ, লাইব্রেরী, থিয়েটার, সিনেমা, গানের আড্ডা, এসব ভিন্ন জীবন কল্পনা করতে পারি না। এই অবস্থায় চাকরির কয়েকটি টাকার খাতিরে যেখানে আসিয়া পড়িলাম, এত নির্জন স্থানের কল্পনা কোনদিন করি নাই।’
প্রথম যখন এই নির্জন স্থানে এলেন তখন পাঠক তার বর্ণনা পেলেন এভাবে – ‘রেল লাইনের দু-ধারে মটর-ক্ষেত। শীতল সান্ধ্য-বাতাসে তাজা মটর শাকের স্নিগ্ধ সুগন্ধে কেমন মনে হইল যে-জীবন আরম্ভ করিতে যাইতেছি তাহা বড় নির্জন হইবে। এই শীতের সন্ধ্যা যেমন নির্জন, যেমন এই উদার প্রান্তর ও ওই দূরের নীল বর্ণ বনশ্রেণী’।
[দুই]
‘আরণ্যক’ ভ্রমণকাহিনি বা ঠিক ডায়েরি নয়। কিন্তু উপন্যাসটির স্থানে স্থানে কখনো সেরকমই লাগে।
উপন্যাসের চরিত্রবিন্যাস প্রথাগত কাঠামোর মতো। চরিত্রগুলি নাটকের মঞ্চে আসে যেন অরণ্যজীবনের কোনো খবর বা ঘটনা বলতে ও লেখকও ক্রমশ সেই ঘটনার মধ্যে জড়িয়ে পড়েন, যা উপন্যাসে রং ভরে দেয় ও জঙ্গলের রহস্যময় পরিবেশের মধ্যে বৈচিত্র্য তৈরি করে। বিভূতিভূষণের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সরলতা। জীবনের সহজ-সাধারণ অভিজ্ঞতার সহজ-সরল কথক তিনি।
উপন্যাসটি জুড়ে আছে অরণ্যজীবনের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে এক মুগ্ধতা। একজন শহুরে মানুষ হলেও সহজভাবে বিশ্বাস করেন এই অঞ্চলের মানুষের লৌকিক ও অলৌকিক গল্পগুলিকে। অনেক জায়গায় এই মুগ্ধতা অলৌকিকতা তৈরি করে। খানিকটা উপন্যাসের খাতিরে পাঠকের কথা মাথায় রেখে তিনি তাকে গল্পের অংশ করে নেন। যেমন বন্য মহিষের দেবতা ‘টাড়বাড়ো’র কথা, একজন মহিলার রূপ বদলে কখনো ‘ককুর’-এ পরিণত হওয়ার কথা বা রাতে জঙ্গলের মধ্যে হ্রদ ‘সরস্বতী কূণ্ডী’র কাছে পরীদের স্নান করার ঘটনা ইত্যাদি।
এ সম্বন্ধে তিনি অষ্টম পরিচ্ছেদে লেখেন, ‘সেদিন আমার সত্যই মনে হইয়াছিল এখানে মায়াবিনী বনদেবীরা গভীর রাত্রে জ্যোৎস্নাস্নাত হ্রদের জলে জলকেলি করিতে নামে। চারিধারে নীরব নিস্তব্ধ – পূর্বতীরের ঘন বনে কেবল শৃগালের ডাক শোনা যাইতেছিল।’
তাই তিনি এমন ঘটনা বা ‘চরিত্র’ নিয়ে আসেন যারা প্রকৃতি ও উপন্যাসের সঙ্গে মিশে থাকে ও আরণ্যক পরিবেশের সঙ্গে মানানসই হয়ে যায়।
এরকম একটি ‘চরিত্র’ হলো ‘যুগলপ্রসাদ’। যুগলপ্রসাদ সম্বন্ধে তিনি লেখেন, ‘লোকটার উদ্দেশ্য বুঝিয়া তাহার উপর আমার শ্রদ্ধা হইল। লোকটা সম্পূর্ণ বিনাস্বার্থে একটা বিস্তৃত বন্যভূমির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করিবার জন্য নিজের পয়সা ও সময় ব্যয় করিতেছে, যে বনে তাহার নিজের ভূস্বত্ব কিছুই নাই – কি অদ্ভুত লোকটা।’
পঞ্চদশ পরিচ্ছেদে তিনি এ-সম্বন্ধে লেখেন ‘এই অপূর্ব নিভৃত সৌন্দর্যভূমি যুগলপ্রসাদের স্বহস্তে রোপিত নানা জাতীয় বন্য ফুলে ও লতায় সজ্জিত হইয়া আরও সুন্দর হইয়া উঠিয়াছে। সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে স্বরস্বতী হ্রদ ও তাহার তীরবর্তী বনানীর মত সৌন্দর্যভূমি খুব বেশি নাই – এ নিঃসন্দেহে বলিতে পারি।’

[তিন]
বিভূতিভূষণের সৌন্দর্য-মুগ্ধতার উদাহরণ ছড়িয়ে আছে এই উপন্যাসের বিভিন্ন স্থানে।
উপন্যাসটির পঞ্চম পরিচ্ছেদে আছে একবার ফাল্গুন মাসে হোলির সময় সত্যচরণকে কাছারিবাড়ি থেকে প্রায় দশ ক্রোশ দূরে একটি গ্রামে যেতে হয়। সেই গ্রামে একটি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামে যাওয়ার পথে একটি জঙ্গল ও জনশূন্য জায়গা পড়ে। মেলা দেখে আসার পথে বেলা পড়ে আসে। কিন্তু সত্যচরণ কাছারিবাড়ি ফেরার জন্য উদ্যমী হয়। তখন তাকে রাতে জঙ্গলপথ ধরে ফেরার আসন্ন বিপদ সম্বন্ধে সবাই সাবধান করে। কিন্তু সে তা না মেনে চলে আসে।
জঙ্গলের রাতের সৌন্দর্যের হাতছানি সে উপেক্ষা করতে পারে না।
এ সম্বন্ধে বিভূতিভূষণ লেখেন, ‘এ বাসন্তী পূর্ণিমার পরিপূর্ণ জ্যোৎস্নারাত্রে জনহীন পাহাড়-জঙ্গলের পথে একা ঘোড়ায় চড়িয়া যাওয়ার প্রলোভন আমার কাছে দুর্দমনীয় হইয়া উঠিল।’
সত্যচরণ যখন রাতে জঙ্গলের পথ ধরে কাছারিবাড়ি ফিরছে সেই অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে পঞ্চম পরিচ্ছেদে পরে ঔপন্যাসিক লেখেন, ‘এই মুক্ত জ্যোৎস্নাশুভ্র বনপ্রান্তরের মধ্যে দিয়ে যাইতে যাইতে ভাবিতেছিলাম, এ এক আলাদা জীবন, যারা ঘরের দেওয়ালের মধ্যে আবদ্ধ থাকিতে ভালবাসে না, সংসার করা যাদের রক্তে নাই, সেই সব বারমুখো, খাপছাড়া প্রকৃতির মানুষের পক্ষে এমন জীবনই তো কাম্য। কলিকাতা হইতে প্রথম প্রথম আসিয়া এখানকার এই ভীষণ নির্জনতা ও সম্পূর্ণ জীবনযাত্রা কি অসহ্য হইয়াছিল, কিন্তু এখন আমার মনে হয় এ-ই ভাল।’
জঙ্গলের সৌন্দর্যের আলাদা আলাদা রূপ প্রত্যক্ষ করার জন্য তিনি ব্যাকুল হয়ে ওঠেন উপন্যাসের বিভিন্ন জায়গায়।
তাই পঞ্চম পরিচ্ছেদে জঙ্গলে বৃষ্টির বর্ণনা দিচ্ছেন ও শেষে লিখছেন, ‘মাইলের পর মাইলব্যাপী কাশ ও ঝাউ বন বর্ষার জলে ভিজিতেছে, আমার আপিস ঘরের বারান্দায় চেয়ার পাতিয়া বসিয়া দেখিতাম, আমার সামনে কাশবনের মধ্যে একটা বনঝাউের ডালে একটা সঙ্গীহারা ঘুঘু বসিয়া অঝোরে ভিজিতেছে।’ তারপর লেখেন, ‘এমনদিনে আপিস-ঘরে বসিয়া দিন কাটানো আমার পক্ষে কিন্তু অসম্ভব হইয়া উঠিত। ঘোড়ার জিন কষিয়া বর্ষাতি চাপাইয়া বাহির হইয়া পড়িতাম। সে কি মুক্তি! কি উদ্দাম জীবনানন্দ!’
অষ্টম পরিচ্ছেদে তিনি আরেক রূপ সম্বন্ধে তাঁর উপলব্ধির কথা লিখছেন, ‘গভীর রাত্রে ঘরের বাহিরে একা আসিয়া দাঁড়াইয়া দেখিয়াছি, অন্ধকার প্রান্তরের অথবা ছায়াহীন ধুধু জ্যোৎস্না-ভরা রাত্রির রূপ। তার সৌন্দর্যে পাগল হইতে হয় – একটুও বাড়াইয়া বলিতেছি না – আমার মনে হয় দুর্বলচিত্ত মানুষ যাহারা, তাহাদের পক্ষে সে-রূপ না দেখাই ভাল, সর্বনাশী রূপ সে, সকলের পক্ষে তার টাল সামলানো বড় কঠিন।’
এরপর একাদশ পরিচ্ছেদে আছে – ‘এক এক জায়গায় ফাঁকা জঙ্গলের দিকে বনের কি অনুপম শোভা! কি এক ধরনের থোকা থোকা সাদা ফুল সারা বনের মাথা আলো করিয়া ফুটিয়া আছে ছায়াগহন অপরাহ্ণের নীল আকাশের তলে। মানুষের চোখের আড়ালে সভ্য জগতের সীমা হইতে বহুদূরে এত সৌন্দর্য কার জন্য যে সাজানো।’
এরকম তিনি দ্বাদশ পরিচ্ছেদে রাত্রির বর্ণনা দিয়ে লিখছেন, ‘রাত্রি গভীর। একা প্রান্তর বাহিয়া আসিতেছি। জ্যোৎস্না অস্ত গিয়াছে। কোন দিকে আলো দেখা যায় না, এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা – এ যেন পৃথিবী হইতে জনহীন কোন অজানা গ্রহলোকে নির্বাসিত হইয়াছে – দিগন্তরেখায় জ¦লজ¦লে বৃশ্চিকরাশি উদিত হইতেছে, মাথার উপর অন্ধকার আকাশে অগণিত দ্যুতিলোক, নিম্নে লবটুলিয়া বইহারের নিস্তব্ধ অরণ্য, ক্ষীণ নক্ষত্রালোকে পাতলা অন্ধকারে বনঝাউয়ের শীর্ষ দেখা যাইতেছে – দূরে কোথায় শিয়ালের দল প্রহর ঘোষণা করিল – আরও দূরে মোহনপুরা রিজার্ভ ফরেস্টের সীমারেখা অন্ধকারে দীর্ঘ কালোপাহাড়ের মত দেখাইতেছে – অন্য কোন শব্দ নাই, কেবল একধরনের পতঙ্গের একঘেয়ে একটানা কি-র-র-র শব্দ ছাড়া; কান পাতিয়া ভাল করিয়া শুনিলে ঐ শব্দের সঙ্গে মিশানো আরও দু-তিনটে পতঙ্গের আওয়াজ শোনা যাইবে। কি অদ্ভুত রোমান্স এই মুক্ত জীবনে, প্রকৃতির সহিত ঘনিষ্ঠ নিবিড় পরিচয়ের সে কি আনন্দ!’

[চার]
উপন্যাসে বিভূতিভূষণের সৌন্দর্য-মুগ্ধতার সঙ্গে তাঁর স্মৃতিকাতরতাও মিশে যায়, আর তার সঙ্গে জুড়ে যায় এক কল্পনার জগৎও।
অষ্টম পরিচ্ছেদে আছে, ‘এক-এক দিন বাংলা দেশে ফিরিবার জন্য মন হাঁপাইয়া উঠিত, বাংলা দেশের পল্লীর সে সুমধুর বসন্ত কল্পনায় দেখিতাম, মনে পড়িত বাঁধানো পুকুরঘাটে স্নানান্তে আর্দ্রবস্ত্রে গমনরতা কোন তরুণী বধূর ছবি। মাঠের ধারে ফতফোটা ঘেঁটুবন, বাতাবিলেবুর ফুলের সুগন্ধে মোহময় ঘনছায়া ভরা অপরাহ্ণ।’
সেরকম অষ্টম পরিচ্ছেদে এক জায়গায় লেখেন, ‘অনেকদিন পর যখন এই মুক্ত জীবন ত্যাগ করিয়া সংসারে প্রবেশ করি, তখন কলিকাতা শহরের ক্ষুদ্র গলির বাসাবাড়িতে বসিয়া স্ত্রীর সেলাইয়ের কল চালনার শব্দ শুনিতে শুনিতে অবসর-দিনের দুপুরে কতবার এই রাত্রির কথা, এই অপূর্ব আনন্দের কথা, এই জ্যোৎস্নামাখা রহস্যময় বনশ্রীর কথা, শেষ রাত্রের চাঁদ ডোবা অন্ধকার পাহাড়ের উপর শুভ্রকাণ্ড গলগোলি গাছের কথা, শুকনো কাশ-জঙ্গলের সোঁদা সোঁদা তাজা গন্ধের কথা ভাবিয়াছি। কতবার কল্পনায় আবার ঘোড়ায় চড়িয়া জ্যোৎস্নারাত্রে পূর্ণিয়া গিয়াছি।’

[পাঁচ]
উপন্যাসের কয়েক স্থানে সত্যচরণ বা বিভূতিভূষণের ইতিহাস-চেতনাও মিলে যায়।
দ্বাদশ পরিচ্ছেদে আছে, ‘পূর্বদিকের পাহাড়ের গায়ে একটা প্রকাণ্ড গুহা। গুহার মুখে প্রাচীন ঝাঁপালো বটগাছ। দিনরাত শন শন করে। দুপুর রোদে নীল আকাশের তলায় এই জনহীন বন্য উপত্যকা ও গুহা বহু প্রাচীন যুগের ছবি মনে আনে, যে-যুগে আদিম জাতির রাজাদের হয়ত রাজপ্রাসাদ ছিল এই গুহাটা, যেমন রাজা দোবরু পান্নার পূর্বপুরুষদের আবাস-গুহা। গুহার দেওয়ালে একস্থানে কতকগুলো কি খোদাই করা ছিল, সম্ভবত কোন ছবি – এখন বড়ই অস্পষ্ট, ভালো বোঝা যায় না। কত বন্য আদিম নরনারীর হাস্য-কলধ্বনি, কত সুখদুঃখ-বর্বর সমাজের অত্যাচারের কত নয়নজলের অলিখিত ইতিহাস এই গুহার মাটিতে, বাতাসে, পাষাণ প্রাচীরের মধ্যে লেখা আছে – ভাবিতে বেশ লাগে।’
ষোড়শ পরিচ্ছেদে আছে, ‘যুগলপ্রসাদ বলিল – বাবুজী, একটা গুহা আছে পাহাড়ের মধ্যে জঙ্গলে – তার গায়ে সব ছবি আঁকা আছে – কতকাল কেউ জানে না, সেটাই খুঁজছি। হয়ত বা প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের হাতে আঁকা বা খোদাই করা ছবি গুহার কঠিন পাথরের গায়ে! পৃথিবীর ইতিহাসের লক্ষ্য লক্ষ্য বৎসরের যবনিকা এই মুহূর্তে অপসারিত হইয়া সময়ের উজানে কোথায় লইয়া গিয়া ফেলিবে আমাদের!’
এছাড়া একাদশ পরিচ্ছেদে সাঁওতাল রাজা দোবরু পান্নার পূর্বপুরুষদের সমাধিস্থান ও দুর্গপ্রাসাদ দেখে সত্যচরণের কি ঐতিহাসিক উপলব্ধি হয়েছিল তা পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে বাঙালি পাঠকেরা জেনেছেন উপন্যাসটি প্রকাশিত হওয়ার পর, এত বছর ধরে। এই অনুভবের গভীরতাই বিভূতিভূষণকে আলাদা করেছে তাঁর সমকালীন অন্য লেখকদের থেকে।

[ছয়]

উপন্যাসের শেষে দেখা যায় সত্যচরণকে এই জমিদারির অধীন জমিগুলি বিক্রির বন্দোবস্ত করতে হচ্ছে, কিন্তু এই কাজটি তার মতো জঙ্গলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ মানুষের পক্ষে করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
পঞ্চদশ পরিচ্ছেদে বিভূতিভূষণ এ-সমন্ধে লেখেন, ‘চাকুরীর খাতিরে মনিবের স্বার্থরক্ষার জন্য সব জমিতেই প্রজাবিলি করিয়াছি বটে কিন্তু যুগলপ্রসাদের হাতে সাজানো সরস্বতী-তীরের অপূর্ব বনকুঞ্জ কিছুতেই প্রাণ ধরিয়া বন্দোবস্ত করিতে পারি নাই। কতবার দলে দলে প্রজারা আসিয়াছে চাহিয়াছে, কারণ একে ঐ জমি খুব উর্বরা, তাহার উপর নিকটে জল থাকায় মকাই প্রভৃতি ফসল ভালো জন্মাইবে; কিন্তু আমি রাজী হই নাই।’
তবে তাঁকে যে সৌন্দর্যে ভরা বিস্তৃত অরণ্যের এই জমি শেষমেশ বন্দোবস্ত করতে হয়, তার জন্য তিনি অনুতপ্ত মনে লেখেন, ‘হে অরণ্যানীর আদিম দেবতারা, ক্ষমা করিও আমায়। বিস্মৃতপ্রায় অতীতের যে নাড়া ও লবটুলিয়ার অরণ্য-প্রান্তর আমার হাতেই নষ্ট হইয়াছিল, সরস্বতী হ্রদের সে অপূর্ব বনানী, তাহাদের স্মৃতি স্বপ্নের মত আসিয়া মাঝে মাঝে মনকে উদাস করে।’
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন প্রকৃতিবাদী মানুষ। এক বিস্তৃত সৌন্দর্যে ভরা প্রকৃতির মধ্যে মানুষের বিচিত্র অবস্থান দেখানোই তাঁর এই উপন্যাসের মূল দর্শন।

*(লেখা: অর্ণব মিত্র)

10/04/2025

পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছো?

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসটি পড়া থাকুক বা না থাকুক, উপন্যাসের একটি লাইন অনেকেরই জানা। 'পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছো?' নবকুমার সহযাত্রীদের রান্নাবান্নার সহযোগিতা করার জন্য বনে গিয়েছিল। তার ফিরে আসার দেরি দেখে সহযাত্রীরা ভেবেছিল, নবকুমারকে বাঘে খেয়েছে। তারা নদীর ধারের নির্জন বনে নবকুমারকে রেখে বাড়ি ফিরেছিল। আর নবকুমার বনে বনে ঘুরতে ঘুরতে সহসা এ প্রশ্নের মুখে পড়েছিল যে, সে পথ হারিয়েছে কি-না? প্রশ্ন করেছিল কপালকুণ্ডলা, উপন্যাসের নায়িকা। এই প্রশ্নের পর নবকুমারের জীবন ও 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস উভয়ের মোড় ঘুরে গিয়েছিল। কিন্তু সে কাহিনীর পিছু ধাওয়া করা এখন আমাদের উদ্দেশ্য নয়। পথিকের পথ হারানোর এই কৌতুক ও শ্লেষপূর্ণ বাক্য কেন আমাদের সমাজে এত জনপ্রিয় হলো সেটাই প্রকারান্তরে আমাদের জিজ্ঞাস্য। বাঙালির সমাজ-ইতিহাস গভীর অভিনিবেশ সহকারে পর্যালোচনা করেন তাদের অনেকেই বলেন, বাঙালি পথহারা। অর্থাৎ যে পথে এই জাতির চলার কথা ছিল সে পথে তারা এগিয়ে যেতে পারেনি। কি রাষ্ট্রে, কি রাজনীতিতে, কি ব্যবসায়, কি শিল্পায়নে, কি সাহিত্যে বাঙালির নাকি প্রভূত উন্নতি করার কথা ছিল। কিন্তু বাঙালি তেমন কিছু করতে পারেনি। আজকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক জাতির বাঙালির চেয়ে কম সম্ভাবনা ও মেধা নিয়ে উন্নতির শিখরে পেঁৗছে গেছে। কিন্তু বাঙালির ভাগ্য যে লাউ সেই কদুই রয়ে গেছে। কারণ, আমরা নাকি পথভ্রষ্ট। ভুল পথে এগোতে গিয়ে সহসা থমকে পেছনে ফিরে কেঁচে গণ্ডূষ করাই নাকি আমাদের রীতি। বাংলাদেশ আকারে ছোট। এখানে শহর হোক কি গ্রাম সেখানে পথ হারিয়ে ফেলা বড় কষ্টকর। নিতান্তই শিশু ও ভুলোমন না হলে বাংলাদেশে কোথাও পথ হারানো কষ্টের কাজ। তারপরও 'পথহারা পথিক' আমাদের প্রিয় শব্দবন্ধ। আমাদের কত কবিতা গানে যে পথ হারানোর কথা আছে সে নিয়ে বিশাল গবেষণা হতে পারে। অনেকের মনে পড়বে কবি রবীন্দ্রনাথের গানের সেই বাণী_ 'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি/ সন্ধ্যাবেলার চামেলি গো/সকাল বেলার মলি্লকা/আমায় চেন কী?' পথিক নিজেই বলছেন এখানে যে, তিনি পথ হারিয়েছেন। কিন্তু পথ খোঁজার কোনো চেষ্টা নেই, তিনি বরং মলি্লকা-চামেলিরা তাকে চিনতে পারল কি-না এ নিয়েই চিন্তিত। বেশ বোঝা যাচ্ছে, পথ হারানো আমাদের কাছে কতটা প্রার্থিত, কতটা আয়াসসাধ্য এবং কত রোমান্টিক ব্যাপার। কেউ কেউ বলেন, বাঙালির যৌথ অবচেতনার ভেতরই নাকি পথ হারানোর ব্যাপারটি কাজ করে। জাতিগতভাবে পথ হারাবার কোনো সমাধান নেই, ফলে ব্যক্তিগতভাবে পথ হারাতেই আমাদের আনন্দ। আমাদের মহাজনরা যে পথে পথ হারিয়েছেন, সে পথেই পথ হারাতে পেরে আমরাও খুশি। কিন্তু মহাজনরা যদি শুনতেন যে, বাঙালির অন্যতম বৃহত্তম নগরী ঢাকায় পথ নিজেই হারাতে বসেছে, তবে কী ভাবতেন? সোমবারের সমকালে সচিত্র একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পথিকের পথ দখল হয়ে গেছে। কোথাও গাড়ি পার্কিং, কোথাও হকার, কোথাও নর্দমা, কোথাও ডাস্টবিন। কত কি যে পথিকের পথ দখল করে বসে আছে! এ শহরে কেউ যদি হেঁটে গন্তব্যে পেঁৗছাতে চায় তবে সে কাজ যে কতটা ক্লেশকর হবে তা একবার পথে নামলেই বোঝা যায়। শহরে সত্যি পায়ে চলার পথ নেই। গাড়ি চলার পথ কি আছে? সে প্রশ্নের সুরাহা করতে হলে আরও বড় আলোচনা ফাঁদতে হবে। পত্রিকায় ইদানীং কিছু লেখা চোখে পড়ল, তাতে লেখক বলছেন, ঢাকায় সাইকেল চালাবার ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এমন দখল হওয়া রাস্তায় বসে সাইকেল চালানোর চিন্তা_ ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতো ঘটনাই বটে। বাংলার পথিক এতদিনে এসে পথ হারাইয়াছে, এই ঢাকা শহরে। আগে পথ ছিল, পথিক পথে দিকদিশা হারাইতো। আমাদের মহাজনরা তাকেই বলতেন পথ হারানো। এখন পথিক সত্যই পথ হারাইয়াছে। কিন্তু মহাজনরা
নাই, এ হারানো সংবাদ নিয়া
কে লিখিবে?

*(Courtesy: blogger.com)

13/07/2022

আজকের সবচেয়ে বড়সড় চাঁদ!


~P.C: Science Bee

10/07/2022

Science Carnival ❤
New Journey!
Learn Science with fun😁
Stay with us

CEO,SCIENCE CARNIVAL
(A.K.S)

10/07/2022

ঈদ মোবারক!
Science fact পেইজের সকল ফলোয়ারদের জানাই ইদের শুভেচ্ছা!

10/07/2021

নিকোলা টেসলা-০১

১৮৫৬ সালের ১০ জুলাই, এক ভয়াল ঝড়বৃষ্টি আর বজ্রপাতের রাতে টেসলার জন্ম। পরিবেশের ভয়াবহতা দেখে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধাত্রী বলেছিলো, “এ বাচ্চা হবে অন্ধকারের সন্তান” কিন্তু সদ্যোজাত টেসলার ফুটফুটে মুখটার দিকে তাকিয়ে তার মা বলেছিলেন, “না, এ হবে আলোর সন্তান।” প্রকৃতই এই সন্তান পরিণতকালে গোটা বিশ্বে আলো ছড়িয়ে দিয়েছিলো।টেসলার জন্ম বর্তমান ক্রোয়েশিয়ার মিলজান নামক স্থানে।বাবা ছিলেন একজন ধর্মযাজক। নানাও ছিলেন তাই। ৫ ভাই বোনের মধ্যে ছিলেন চতুর্থ। বড় ভাই মারা গিয়েছিলেন ঘোড়া থেকে পড়ে গিয়ে। তার বাবার ইচ্ছে ছিল নিকোলা-ও বড় হয়ে প্রিস্ট হবে তার মত। ছোট থেকেই তাকে সেটা নিয়ে চাপ দিতেন। কিন্তু নিকোলা সেটা চাইতেন না, একদমই না।১৮৬১-তে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন নিকোলা, শেখেন জার্মান ভাষা, গণিত আর ধর্মতত্ত্ব। ১৮৭০ সাল। ক্রোয়েশিয়ার এক স্কুলে ম্যাথ ক্লাস চলছে।আজকের টপিক ইন্টিগ্রেশন। বেশ কটা ক্লাসের পর আজকে কঠিন কঠিন ইন্টিগ্রেশন শুরু।

বোর্ডে কতগুলো অঙ্ক লিখে টিচার ফিরলেন সবাই অঙ্ক করছে কিনা দেখতে। সবাই মনোযোগ দিয়ে করছে। কিন্তু একজন বসেই আছে। স্যার তার দিকে এগিয়ে গেলেন। “তুমি কেন করছ না?” ১৪ বছরের সেই ছেলেটা বোর্ডের সবগুলো অংকের উত্তর বলে গেল।স্যার ভাবলেন ছেলেটা উত্তর হয়ত মুখস্ত করে এসেছে। তিনি বানিয়ে কয়েকটা দিলেন। ছেলেটা এবারও সবগুলোর নির্ভুল উত্তর বলে দিল! একবারও খাতা কলম হাতে নিল না। টিচার বুঝতে পারলেন, এইছেলে ভয়ঙ্কর মেধাবী। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর মেধাবীকে আমরা ছোটবেলা থেকে চিনে আসি না। যতটা না চিনি নিউটন আইন্সটাইন কিংবা টমাস আলভা এডিসনকে।চার বছরের পড়া তিন বছরেই শেষ করে গ্র্যাজুয়েট করে ফেললেন তিনি ১৮৭৩ এ। সে বছরই ফিরে গেলেন নিজের গ্রামে। এসে কলেরার প্রকোপে পড়লেন। খুব ভয়ংকর অবস্থা। নয় মাস ছিলেন শয্যাশায়ী।কয়েকবার মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন।নিকোলার বাবা অসহায় হয়ে তাকে কথা দিলেন, সুস্থ হলে তাকে সবচেয়ে ভাল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে পড়তে পাঠাবেন। আর বলবেন না যাজক হতে। টেসলা সুস্থ হয়ে উঠলেন এক সময়।

১৮৭৪ সালে নিকোলা আর্মিতে ভর্তি হওয়া থেকে বাঁচতে পালিয়ে গেলেন। পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরলেন। টেসলা পরে বলেছিলেন,প্রকৃতির সাথে এই নৈকট্যটা অনেক দরকার ছিল তার। বসে বসে মার্ক টোয়েন পড়তেন তিনি। ১৮৭৫ এ টেসলা ভর্তি হলেন অস্ট্রিয়ান পলিটেকনিকে। তাঁর স্বপ্ন। ফার্স্ট ইয়ারে তিনি একটা লেকচারও মিস করেন নি। সবগুলোতে ছিল হায়েস্ট গ্রেড। ডিনের থেকে লেটার পেয়েছিলেন তার বাবা, “আপনার ছেলে প্রথম শ্রেণির স্টার।”প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে রাত ১১টা (২০ ঘণ্টা) পর্যন্ত টানা খাটতেন তিনি। কোন ছুটির দিনও বিশ্রাম নিতেন না। ১৮৭৯ তে বাবা মারা যাবার পর বাবার পুরনো চিঠি ঘাটতে গিয়ে দেখলেন সেখানে তার প্রফেসরদের কাছ থেকে চিঠি আছে, “আপনার ছেলেকে এখুনি স্কুল থেকে সরিয়ে নিন। নাহলে খাটতে খাটতে মারাই যাবে।”সেকেন্ড ইয়ারে “কমুটেটর দরকার কি দরকার না” সেটা নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন প্রফেসরের সাথে। সে বছরই জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন নিকোলা আর স্কলারশিপ বাতিল হয়ে যায় তার। থার্ড ইয়ারে তিনি তার সব সম্পদ জুয়ায় উড়িয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন। কিন্তু জুয়া খেলেই সব আবার earn back করেন। পরে তার বিলিয়ার্ড খেলার নেশা ধরল।এক্সাম টাইম আসার পর, টেসলা আবিষ্কার করলেন তিনি কিছুই পড়েন নি। তিনি পিএল বাড়াতে চাইলেন। কিন্তু তার দাবি অগ্রাহ্য করা হল। তিনি গ্র্যাজুয়েট করতেই পারলেন না। লাস্ট সেমিস্টারের কোন গ্রেডই তার ভাগ্যে জুটল না। হয়ে গেলেন একজন ড্রপ-আউট।

তথ্যঃ https://www.smithsonianmag.com/.../the-rise-and-fall-of.../
https://livescience.com/45950-nikola-tesla-biography.html

11/06/2021

আইনস্টাইন এর সমস্যা!!

এই সমস্যার লেখক আলবার্ট আইনস্টাইন যিনি বলেছেন পৃথিবীর 98 % মানুষ এর সমাধান করতে পারে না ।

তথ্য:
1. । 5 টি বাড়ি (একটি রাস্তা বরাবর) 5 টি ভিন্ন রঙে:
নীল 💙, সবুজ 💚, লাল ❤️, সাদা ⚪ এবং হলুদ 💛
2. । প্রতিটি বাড়িতে একটি ভিন্ন জাতীয়তার ব্যক্তি বাস করে:
ব্রিট 🇬🇧, ডেন 🇩🇰, জার্মান 🇩🇪, নরওয়েজিয়ান 🇳🇴 এবং সুইড 🇸🇪
3. এই 5 জন মালুরা
একটি নির্দিষ্ট পানীয় পান করুন:
বিয়ার 🍺, কফি ☕, মিল্ক 🍼, চা 🥃 এবং পানি 🥛,
একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বিড়ি ধূমপান করুন 🚬:
ব্লু মাস্টার, ডানহিল, পাল মল, প্রিন্স এবং মিশ্রণ,
এবং একটি নির্দিষ্ট পোষা প্রাণী রাখুন:
বিড়াল 🐈, পাখি 🐦, কুকুর 🐕, মাছ 🐟 এবং ঘোড়া 🐎
4. ¨ মালুদের একই পোষা প্রাণী, একই ব্র্যান্ডের বিড়ি ধূমপান করুন, অথবা একই পানীয় পান করুন ।
ইঙ্গিত:
---------
1. । ব্রিট একটি লাল বাড়িতে বাস করে ।
2. সুইড কুকুরকে পোষা প্রাণী হিসেবে রাখে ।
3. দ্য ডেন চা পান করে ।
4. । হোয়াইট হাউসের বামে সবুজ হাউজ (এর পাশে).
5. গ্রিন হাউস কর্তা কফি পান করেন ।
6. । যে ব্যক্তি পাল মল ধূমপান করে সে পাখি ।
7. হলুদ বাড়ির কর্তা ডানহিল ধূমপান করেন ।
8. । কেন্দ্রে ঘরে বসবাসকারী ব্যক্তি দুগ্ধ পান করে ।
9. নরওয়েজিয়ান প্রথম বাড়িতে বাস করে ।
10. যে ব্যক্তি মিশ্রণ করে সে তার পাশে থাকে যে বিড়াল রাখে ।
11. যে ব্যক্তি ঘোড়া রাখে তার পাশে থাকে যে ডানহিল ধূমপান করে ।
12. যে কর্তা ব্লু মাস্টার পান করে বিয়ার পান করেন ।
13. জার্মান রাজকুমার ধূমপান করে ।
14. । নীল বাড়ির পাশে নরওয়েজিয়ান বাস করে ।
15. যে ব্যক্তি মিশ্রণ করে তার একজন প্রতিবেশী আছে যে পানি পান করে ।
প্রশ্ন হল: মাছ রাখে কে?

Photos from Bdwriter forum's post 30/05/2021

বিশ্বের দুই বৃহৎ টেক জায়ান্ট #গুগল ও #আমাজন বাংলাদেশে ব্যাবসা করার জন্য রেজিস্ট্রেশন নিয়েছে। এতে তারা এদেশ থেকে প্রাপ্ত আয়ের ১৫% ভ্যাট সরকারকে দিবে। সেই সাথে তাদের টোটাল টার্নওভার ও অন্যান্য ফিনান্সিয়াল হিসাব ও প্রতি বছর সাবমিট করবে।

এতে করে দেশের টেকনোলজি ফিল্ডে ব্যপক অগ্রগতি হবে এবং দেশের ইঞ্জিনিয়ারদের কর্মক্ষেত্র সম্প্রসারণ হবে! শুভকামনা বাংলাদেশ!

25/04/2021

Like & Follow Our Official FB page; Science fact

Photos from Bdwriter forum's post 08/04/2021

আপনি কি জানেন?🤔
পেঙ্গুইন ডিম পাড়ার পর সেই ডিম না ফোটা অবধি নিজের পায়ের উপর রাখে। কারন,ডিম বরফে ছোঁয়া লাগলে আর বাচ্চা ফুটবে না!!
এছাড়া পেঙ্গুইনের ডিম অন্য পাখিদের থেকে আলাদা।অন্যান্য পাখিদের ডিমের সাদা অংশটি ঘোলা হয় কিন্তু পেঙ্গুইনের একদম স্বচ্ছ কাচের মতো হয়।
Like & Follow our page;Science fact

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Rajshahi