একটা সিগারেট জ্বালাও ও প্রিয়তমা। হিরো আলম 😂😁
A.H.Shuvo
আসসালামু আলাইকুম �
26/07/2023
আপনাকে যদি বলি বর্তমান দুনিয়ায় সবচেয়ে আনলাকি বা খাঁটি বাংলায় বললে হতভাগা ফুটবলার নেইমার তাহলে কেউ কেউ হয়তো মেনে নিবেন আবার কেউ কেউ হেসে উড়িয়ে দিবেন, আরেকটু বাড়িয়ে যদি বলি বর্তমানে যাদের নিয়ে আলোচনা হয় তাদের মধ্যে নেইমার সবচেয়ে লয়াল ফুটবলার এবং দলের জন্য নেইমার-ই সবচেয়ে সেক্রিফাইস করা ফুটবলার তাহলে আপনি মেনে নিবেন? আপনি নেইমারের সবচেয়ে বড় ফ্যান হলেও বিষয়টা মেনে নিতে কিছু সময় ভাবতে হতে পারে আর যারা সমালোচক তারা তো ভ্রু কুচকে উল্টো আমাকে পাগল বলে ঠাট্টা তামাশা করবে। তবে যা যা বললাম তা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, আমি বিশ্বাস করি বলেই যে আমার মতের সাথে আপনাদের মতামত মিলে যাবে তা কিন্তু নয়। তবে কথাগুলো যেহেতু আমি বলেছি তাই এর ব্যাখ্যা দিতে আমি বাধ্য। একটু চেষ্টা করি,
প্রথমত নেইমারকে যে হতভাগা বললাম তার প্রধান কারণ যে ইনজুরি তা মনে হয় না বিশেষ করে উল্লেখ করতে হবে। নেইমারের বর্তমান বয়স ৩১ যেখানে তার নামের পাশে আছে ৭০৮টা ম্যাচ, ৪৩৪টা গোল আর ২৪৮টা এসিস্ট। এবার একটু ইনজুরির কারণে মিস করা ম্যাচের দিকে তাকাই, নেইমার তার ক্যারিয়ারে জাতীয় দল ও ক্লাবের হয় শুধুমাত্র ইনজুরির কারণে ম্যাচ মিস করেছেন ১৯৭ টা যা একবিংশ শতাব্দীতে সর্বোচ্চ। যাদের আমরা সেরা মানি তারা তাদের গোটা ক্যারিয়ারে ৪০-৫০টার বেশি ম্যাচ ইনজুরির কারণে মিস করেনি এবং এক পরিসংখ্যানের মতে ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে খেলা খেলোয়াড়রা পুরো ক্যারিয়ারে গড়ে ৩৫টি ম্যাচ ইনজুরির কারণে মিস করে। সেখানে নেইমারের ইতি মধ্যে ইনজুরির কারণে মিস করা ম্যাচের সংখ্যা গড় অপেক্ষা ১৬৭টি বেশি।
আবার একজন ফুটবলারের প্রাইম টাইম ধরা হয় ২২ থেকে ৩২ বছর বয়সকে এবং নেইমারের ইনজুরিগুলো হয়েছে ঠিক এই সময়ের মধ্যেই। তাহলে একবার ভাবুন, যে খেলোয়াড় এতো ইনজুরির মধ্যেও ৭০৮ ম্যাচে ৪৩৪ গোল আর ২৪৮ এসিস্ট করে সে তার প্রাইম টাইমে আরো ২০০ ম্যাচ খেলতে পারলে গোল সংখ্যা কোথায় নিয়ে যেতো? তর্কের জন্য যদি ধরে নি আরো ২০০ ম্যাচে নেইমার ১০০ গোল আর ৫০ টা এসিস্ট করতো তাহলে পরিসংখ্যানটা দাঁড়ায় ৯০৮ ম্যাচ ৫৪৩ গোল, ২৯৮ এসিস্ট, মোট গোলে অবদান ৮৪১! আবার মেডিকেলের ভাষায় একজন খেলোয়াড় যখন ইনজুরি থেকে মাঠে ফেরে তখন তার ছন্দ ফিরে পেতে কমপক্ষে ৫-৬ ম্যাচ সময় লাগে, আর নেইমার যেহেতু বারবার ইনজুরিতে পড়েছেন তাই তার মাঝে ফিরে এসে ভয়টা কাজ করা নিজেকে গুটিয়ে রাখার ম্যাচের সংখ্যা আরো বেশিই হওয়ার কথা, এমনকি ইনজুরি থেকে ফিরে নেইমার বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছেন শেষ ১০/১৫ মিনিট। এই হিসাবটাও কাউন্ট করলে নেইমারের বর্তমান গোলে অবদানের সংখ্যাটা ৯০০ অতিক্রম করতো। এই পরিসংখ্যান নামের পাশে থাকলে দুই দিন পর পর যে বেটার দ্যান নেইমারের আগমন হয়, তাদের খুঁজে পাওয়া যেতো? অন্তত এই জেনারেশনের সেরা তিনে নেইমারকে নেইমারের সবচেয়ে বড় হেটার রাখতে বাধ্য হতো।
শুধু গোলে অবদানের হিসাব না, এই ইনজুরি যদি না হতো তাহলে নামের পাশে ব্যক্তিগত ও দলীয় বেশকিছু অর্জনও থাকতো। এই ইনজুরি প্রতিটা বিশ্বকাপের আগে ফিরেছে, ক্লাবের বড় ম্যাচের আগে ফিরেছে, এমনকি যেবার ব্রাজিল কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হলো সেবারও এই ইনজুরির কারণে নেইমার ছিলেন না দলে। বড় টুর্নামেন্টগুলোতে ইনজুরি না এলে কে জানে, যে দলীয় বা ব্যক্তিগত অর্জনের কারণে নেইমারকে তুচ্ছ ভাবা হয় সেই অর্জনও হয়তো এতোদিনে নেইমারের পায়ে হুমড়ি খেয়ে পড়তো!
ইনজুরি ছাড়াও একটা কারণ আছে নেইমারের গোল সংখ্যা কম হওয়ার, সেটার সাথে আবার জড়িত সেক্রিফাইস করার ব্যাপারটা। পেশাদার ফুটবলে নেইমারের পথচলা শুরু একজন উইংগার হিসেবে এবং উইংগার নেইমার কতোটা ভয়ংকর তা তো গোটা ফুটবল দুনিয়াই জানে। পিএসজিতে আসার পর উনাই এমেরি নেইমারকে উইংগার হিসেবে খেলালেও টমাস টুখেল এসে নেইমারকে ব্যবহার করতে চাইলেন মিডফিল্ডার হিসাবে কারণ দলে নাই প্লেমেকার। আপনার নামের পাশে ফরোয়ার্ড, মেসি-রোনালদোর সাথে হয় আপনার তুলনা সেই আপনি নিজের পজিশন ছেড়ে দিবে দলের স্বার্থে, পারবেন? নেইমারের সেই সেক্রিফাইসটা করলেন এবং এখন পর্যন্ত সেই রোলেই আছেন। শুধু কি ক্লাব? যে নেইমার জাতীয় দলে করতেন গোলের পর গোল সেই নেইমারের পায়ে নেই গোল, কেনো? সেই একই গল্প, কখনো এভারটন, কখনো ভিনি, কখনো রদ্রিগোর জন্য জাতীয় দলেও সেই ২০১৯ থেকে খেলে যাচ্ছেন মিডফিল্ডার হিসেবে। ফলাফল? নামের পাশে গোল নাই আর মিডিয়ার চোখে ফুরিয়ে যাওয়া নেইমার, ফুটবল ভক্তদের চোখে উদাসীন নেইমার আর ফ্যানদের কাছে আক্ষেপের নেইমার কিন্তু নেইমারের এই আত্মত্যাগের গল্পটা কয়জন বোঝার চেষ্টা করেছি?
শেষ করি লয়ালিটির প্রসঙ্গ দিয়ে। লয়ালিটি আর ভালোবাসা একে অপরের সাথে জড়িত। টট্টি থেকে রেউস আজ পর্যন্ত লয়ালিটির যতো উদাহরণ দিবেন সবক্ষেত্রেই দেখবেন ভালোবাসা এসেছে ভক্তদের কাছ থেকে, কিন্তু নেইমারের বেলায় কি হচ্ছে? অনেকেই বলেন নেইমার বার্সা ছেড়ে বার্সার সাথে প্রতারণা করেছেন, কিন্তু বার্সার প্রতি নেইমার ভালোবাসা কোনোদিন কমেছে? বার্সা ফ্যানরা তার জার্সিতে আগুন দিলো, কতোসব ট্রল করলো, সাপ-লোভি বললো কিন্তু সেই ক্লাবে নেইমার আজও আসেন দলের সাফল্য উদযাপন করতে, বার্সায় আগুন লাগার খবরে মাঠেই ছোট্ট শিশুর মতো কান্না করাকেই তো বলে ভালোবাসা।
আবার এই প্যারিসে এসে নেইমার যতোটা ভালোবাসা পেয়েছেন তার থেকে বেশি পেয়েছেন অপমান, প্যারিসিয়ানদের আচরণ এতোই জঘন্য ছিলো যে তারা নেইমারের পরিবারকেও ছাড়েনি। কিন্তু এই অপমানগুলো করা হলো কেনো? একটা কারণ আছে যেটার জন্য প্যারিসিয়ানদের ক্ষোভ যথার্থ বলে মনে করেন নেইমার এবং সেটি হলো বার্সায় ফিরে আসতে চাওয়া, এই কারণে নেইমার সরাসরি তাদের কাছে ভুল স্বীকারও করেছেন। বাকি কারণগুলো? যে ইনজুরিতে নেই নিজের হাত সেই ইনজুরির কারণে হয়েছে অপমান, দল হারলে এক নেইমার হয়েছেন টার্গেট, এমনকি সতীর্থের ভুলের কারণে নেইমারের বাড়ির সামনে নেইমারকে নিয়ে হয়েছে অশালীন স্লোগান। শুধু কি তাই? টিম ম্যানেজমেন্টও বারবার আংগুল তুলেছে নেইমারের দিকে! এতো কিছুর পরও কেনো ক্লাবে পড়ে থাকা? এমনতো না তাকে কেউ চাইছে না, নেইমারের সাবেক এজেন্ট উইগার রিভেইরীর মতে ২০১৯ সালে নেইমারের জন্য ৩০০ মিলিয়ন ইউরো অফার করেছিলো রিয়াল মাদ্রিদ, চেলসি তো চাচ্ছে সেই কবে থেকে, গুঞ্জন ছিলো ম্যানইউ, ম্যানসিটি নিয়েও কিন্তু যে ক্লাবে আসার পর থেকেই অপমান, সাথে ইনজুরি সেই ক্লাবে নেইমার কেনো থেকে গেলেন? ঐ যে ক্লাবটাকে ভালোবেসে ফেলা, ক্লাবকে সর্বোচ্চ সাফল্য এনে দেয়ার স্বপ্ন বা জেদটা ধরে এগিয়ে যাওয়া। সবাই যেখানে ভক্তদের ভালোবাসার টানে লয়ালিটি দেখায় সেখানে নেইমার অযৌক্তিক অপমান হজম করেও কাটিয়ে দিচ্ছেন ৭টা বছর, যে ভালোবাসা না পেয়েও ক্লাবকে সর্বোচ্চ সাফল্য এনে দিকে মাটি কামড়ে পড়ে থাকে তাকে সবচেয়ে লয়াল খেলোয়াড় বলা কি খুব বড় অন্যায়?
@.....
৭কেজি ওজনের বিশাল মাছ ধরা😍
25/07/2023
জোনাকিরা ও খেলা করে, নিস্তব্ধতার মাঝে....😊
🔰 স্বপ্ন যাদের মেডিকেল🔰
🔴 মেডিকেলের প্রশ্ন সহজ হয়। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে হয়ে অনেকেই খুশিতে বগল বাজায়। ৮০ বা ৯০ এর নিচে মার্ক পাবেই না। রেজাল্টে এদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায় না।
🤔 কারণ কী?
- প্রশ্ন আসলেই সহজ। তাহলে কেন ভুল হয়? কারণ প্রশ্ন বেসিক থেকে আসে। যার যত বেসিক তার কনফিডেন্স তত বেশি। তার প্রশ্ন কারেক্ট করার পরিমাণও তত বেশি।
শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগালেই হবে না। পুরো ব্যাপারে দক্ষতা জরুরি। টার্গেট যদি জাতীয় মেধায় ফার্স্ট না হওয়ার প্ল্যান থাকে তবে মেডিকেলে চান্স পেলেও অনেক পেছনে যেতে হবে। টার্গেট হবে- জাতীয় মেধায় ফার্স্ট হবো। এই টার্গেট ছাড়া পড়ো না।
🔴 আগে থেকে বায়োলজিতে দক্ষতা কম ছিলো? কম জানতে? সমস্যা কী?
-চার মাস দীর্ঘ সময়। তিন মাস দীর্ঘ সময়। ঠিকঠাক দিকনির্দেশনা মানলে, প্রতিদিন প্রতিদিনের পড়া কমপ্লিট করলে আর চিন্তা নাই। শূন্য থেকেও টপে আসা পসিবল। এমনই হয়। এজন্যই দেখবে তুলনামূলকভাবে গ্রামের ছেলেরা, দরিদ্র ছেলেরা (যারা ঠিকঠাক পড়ার সুযোগ পায়নি) মেধা তালিকায় টপে চলে আসে। কেন? কারণ এরা এই সময়টা সবচেয়ে ভালোভাবে স্পেন্ড করে। এদের হারানোর কিছু নাই। এরা স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যা করতে হয় সব করে।
🔴 এর সাথে যুক্ত করতে হবে সর্বাধিক প্রশ্ন সলভ করা।
এতবেশি প্রশ্ন সলভ করে যেন মনে হয়- বাংলাদেশে তোমার চেয়ে কেউ বেশি প্রশ্ন সলভ করেনি। সেরা ফলাফলের কনফিডেন্স পেতে হলে প্রশ্ন সলভের দিকে নজর দিতে হবে।
যেখানেই কোচিং করো- নিজের কোয়ালিটির সাথে কম্প্রোমাইজ করবে না। যেখানেই প্রাইভেট পড়ো, নিজের লাভের সাথে কম্প্রোমাইজ করবে না। কচ্ছপের মতো লেগে থাকবে। সেরা হতেই হবে। এর বাইরে কোনো কথা নাই। আফসোস যেন করতে না হয়- আরেকটু ভালো করে পড়লে মেডিকেলে চান্স পেতাম কিংবা আরেকটু কৌশুলি হলে টপলিস্টে চলে আসতাম।
🔴 জীবন একটা, সুযোগ একবারই। ট্রেন স্টেশনে থামার আগেই উঠে পড়তে হবে। পরের ট্রেন কবে আসবে, আদৌ আসবে কী না কে জানে!!
শুভ কামনা রইলো 💞💞
দেখা হবে বিজয়ে
❤️🩹.
স্বপ্ন পূরণের অঙ্গিকার নামায় আবদ্ধ 🥰🤲🤲
26/07/2023