Al Madani Academy

  • Home
  • Al Madani Academy

Al Madani Academy Quran teaching with tazweed and islamic masail aqaid and performing salah with total dua

আলহামদুলিল্লাহ! অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আকিনুর ইসলাম মণ্ডল আমাদের আল-মাদানী একাডেমির ১৫তম শিক্ষার্থী হিসেবে ভর...
14/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ! অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আকিনুর ইসলাম মণ্ডল আমাদের আল-মাদানী একাডেমির ১৫তম শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হয়েছে।

📖 আমরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আকিনুরকে কুরআনের নূরে আলোকিত করেন, সহীহভাবে কুরআন তিলাওয়াত করার তাওফীক দান করেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দান করেন। আমীন।

আপনিও বা আপনার সন্তানকে ঘরে বসেই অভিজ্ঞ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে অনলাইনে কুরআন শিক্ষা দিন।

✅ নূরানী কায়েদা
✅ সহীহ তাজবীদসহ কুরআন শিক্ষা
✅ হিফজুল কুরআন
✅ ইসলামিক স্টাডিজ
✅ ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা

📞 যোগাযোগ: +91 90852 93487

“তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।” (সহীহ বুখারী)

াদানী_একাডেমি #অনলাইন_কুরআন_শিক্ষা #কুরআন_শিক্ষা #তাজবীদ #হিফজ #ইসলামিক_শিক্ষা #স্বাগতম #নতুন_শিক্ষার্থী

13/07/2026

Learn Quran online



12/07/2026

অনেক মানুষ মনে করেন, কালো বিড়াল যদি গাড়ি, মোটরসাইকেল, সাইকেল বা অন্য কোনো যানবাহনের সামনে দিয়ে রাস্তা পার হয়, তাহলে অমঙ্গল বা মুসিবত নেমে আসে। কিন্তু ইসলামে এ ধরনের বিশ্বাসের কোনো ভিত্তি নেই।

মুসিবত, কল্যাণ, লাভ-ক্ষতি—সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছা পরীক্ষা করেন, যাকে ইচ্ছা নিরাপদ রাখেন। কোনো বিড়াল, পাখি বা অন্য কোনো সৃষ্টির নিজের থেকে অমঙ্গল বা মুসিবত আনার ক্ষমতা নেই।

তাই এ ধরনের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। আমাদের বিশ্বাস হতে হবে একমাত্র আল্লাহর ওপর। তাঁরই ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) করব এবং জেনে রাখব, তাঁর ইচ্ছা ছাড়া কোনো বিপদ বা কল্যাণ আমাদের কাছে আসে না।


#6

10/07/2026

একবার কল্পনা করুন এমন একটি জায়গার কথা, যেখানে নেই কোনো দুঃখ, নেই কোনো ভয়, নেই কোনো রোগ, নেই কোনো মৃত্যু। যেখানে যা ইচ্ছা, তাই পাওয়া যাবে। এটাই হলো আল্লাহ তাআলার প্রতিশ্রুত জান্নাত।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“তাদের জন্য সেখানে রয়েছে যা কিছু তারা চাইবে, আর আমার কাছে রয়েছে তারও অধিক।”
— (সূরা ক্বাফ, ৫০:৩৫)

জান্নাতের নদীগুলো প্রবাহিত হবে স্বচ্ছ পানি, দুধ, মধু ও সুস্বাদু পানীয় দিয়ে। সেখানে থাকবে মনোমুগ্ধকর বাগান, চিরস্থায়ী শান্তি এবং এমন নিয়ামত, যা কোনো চোখ কখনো দেখেনি, কোনো কান কখনো শোনেনি, আর কোনো মানুষের হৃদয়ে কখনো কল্পনাও আসেনি।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“জান্নাতে এমন নিয়ামত রয়েছে, যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের অন্তরে কখনো কল্পনাও জাগেনি।”
— সহীহ আল-বুখারী, সহীহ মুসলিম

কিন্তু জান্নাত লাভের জন্য প্রয়োজন ঈমান, আল্লাহর আনুগত্য, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, সৎকর্ম, হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং মানুষের প্রতি উত্তম আচরণ।

এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আখিরাত চিরস্থায়ী। তাই আসুন, আমরা এমন জীবন গড়ি, যাতে আল্লাহ আমাদের জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন।

হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে হেফাজত করুন। আমীন।



08/07/2026

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টির মধ্যে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে।”

পিতা-মাতা আমাদের জন্য অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। তাই তাঁদের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বলা, তাঁদের সেবা করা, তাঁদের জন্য দোয়া করা এবং কখনো কষ্ট না দেওয়া একজন মুসলিমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

আজ থেকেই সংকল্প করি—পিতা-মাতার মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করব এবং তাঁদের জন্য দোয়া করব।

হে আল্লাহ! আমাদের পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন, তাঁদের প্রতি রহম করুন এবং তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।




08/07/2026

যখন তুরস্কের প্রতিনিধি দল ইরানের তেহরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সামনে উপস্থিত হয়, তখন -এর ৯৫ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, যার বাংলা অর্থ:

"মুমিনদের মধ্যে যারা (জিহাদে অংশগ্রহণ না করে) ঘরে বসে থাকে—তবে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম তারা ব্যতীত—এবং যারা আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে, তারা সমান নয়। আল্লাহ ধন-সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রামকারীদেরকে ঘরে বসে থাকা লোকদের ওপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। যদিও আল্লাহ প্রত্যেকের জন্যই কল্যাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবুও আল্লাহ সংগ্রামকারীদেরকে ঘরে বসে থাকা লোকদের তুলনায় মহাপুরস্কারে বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন।"

বাকি দেশগুলোর জন্য যে কুরআনের আয়াতটি তিলাওয়াত করা হয়েছিল, তার সহজ বাংলা তর্জমা ও ব্যাখ্যা জানতে আমাদের পেজটি ফলো করুন।


07/07/2026

ভারতের রাজনৈতিক প্রতিনিধিদল যখন ইরানের তেহরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সামনে উপস্থিত হয়, তখন সূরা আল-আহযাব এর ১ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়েছিল, যার বাংলা অর্থ:

"হে নবী! আপনি আল্লাহকে ভয় করুন (তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করুন) এবং কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করবেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।"

আর ভারতের ধর্মগুরুগণ যখন ইরানের তেহরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সামনে উপস্থিত হন, তখন সূরা আলে ইমরান এর ১৩৯ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়েছিল, যার বাংলা অর্থ:

"তোমরা দুর্বল হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা সত্যিকার মুমিন হও, তবে তোমরাই সমুন্নত (বিজয়ী) হবে।"

06/07/2026

সৌদি প্রতিনিধিদল যখন ইরানের তেহরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়, তখন ইরানের পক্ষ থেকে পবিত্র কোরআনের যে আয়াতটি তিলাওয়াত করা হয়েছিল, সেটি ছিল সুরা আলে ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত।

আয়াতটির বাংলা অর্থ:

“নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য একটি নিদর্শন ছিল সেই দুই দলের মধ্যে, যারা মুখোমুখি হয়েছিল। একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল, আর অন্যদল ছিল কাফির। তারা নিজেদের চোখে মুসলিমদেরকে নিজেদের দ্বিগুণ দেখছিল। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাঁর সাহায্যের মাধ্যমে শক্তিশালী করেন। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে দৃষ্টিশক্তিসম্পন্নদের জন্য শিক্ষা।” (সুরা আলে ইমরান: ১৩)

05/07/2026

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়, কিছু মানুষ ইরানিদের—অর্থাৎ শিয়াদের—সমষ্টিগতভাবে “কাফির” বলে ঘোষণা করছেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তো কাউকে “কাফির” বা “মুসলিম” ঘোষণা করার ঠিকাদারি কোনো ব্যক্তিকে দেননি।

তাহলে মানুষ এত সহজে এই ফয়সালা করে কীভাবে? বিশেষ করে কিছু গোষ্ঠী এমনভাবে উঠেপড়ে লেগেছে, যেন আল্লাহ তাআলা তাদেরই দায়িত্ব দিয়েছেন—দুনিয়ায় কে কাফির আর কে মুসলিম, সেটা প্রচার করে বেড়ানোর।

ইসলামে কাউকে কাফির ঘোষণা করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তাই আবেগ, বিদ্বেষ বা সামাজিক মাধ্যমের তর্ক-বিতর্কের ভিত্তিতে নয়; বরং জ্ঞান, প্রমাণ ও আল্লাহভীতির সঙ্গে কথা বলা উচিত।





05/07/2026

না কোনো ভাবুকি, না কোনো কূটনৈতিক কৌশল, না কোনো পৰিকল্পনা, না কোনো দ্বিপাক্ষিক সংলাপ, না অস্ত্ৰৰ ঝনঝননি, না কোনো মহৰা, না কোনো মক ড্ৰিল। পৱিত্ৰ কোৰআনৰ মাত্ৰ এটা আয়াতে বহুত কথা কৈ গ'ল আৰু ইৰানে যেন বহু কথা বুজাই দিলে। তাৰ ওপৰত আটাইতকৈ ডাঙৰ কথা হ'ল, শোকস্তব্ধ পৰিৱেশত, শোকাকুল বিশ্ব নেতৃত্বৰ সন্মুখত এই আয়াতৰ জৰিয়তে ইৰানে এক মুহূৰ্ততে নিজৰ শৌৰ্য, সাহস, ঈমান আৰু তাকৱাৰ পৰিচয় দি ক্ষমতাধৰ আগ্ৰাসীসকলৰ দাম্ভিকতাৰ ফানুচ চুপচে পেলাই দিলে। লগতে তেওঁলোকৰ দোসৰ, তাবেদাৰ আৰু মুনাফিকসকলকো উন্মোচিত কৰি দিলে।

শোকাকুল পৰিৱেশ। ৰাষ্ট্ৰীয় মৰ্যাদাৰে ইৰানৰ সৰ্বোচ্চ ধৰ্মীয় নেতাৰ অন্ত্যেষ্টিক্ৰিয়া অনুষ্ঠান। লাখ লাখ শোকাহত মানুহৰ উপস্থিতি। লগতে বিভিন্ন দেশৰ প্ৰতিনিধি দলে শেষ শ্ৰদ্ধাঞ্জলি জনাই আছিল। এটা দেশৰ প্ৰতিনিধি দল কফিনৰ সন্মুখত থিয় হোৱাৰ লগে লগে পৱিত্ৰ কোৰআনৰ এটা আয়াত তিলাৱতৰ ধ্বনি মাইকত ভাঁহি আহিছিল।

#সৌদি আৰবৰ প্ৰতিনিধি দল যেতিয়া উপস্থিত হ’ল, তেতিয়া তেওঁলোকে সূৰা আলে-ইমৰানৰ ১৩ নম্বৰ আয়াত তিলাওয়াত কৰিলে:
"قَدْ كَانَ لَكُمْ آيَةٌ فِي فِئَتَيْنِ الْتَقَتَا..."

#তোমালোকৰ বাবে অৱশ্যই নিদৰ্শন আছে সেই দুটা দলৰ মাজত, যিসকলে পৰস্পৰ প্ৰতিদ্বন্দ্বী হিচাপে ৰণক্ষেত্ৰত থিয় হৈছিল (বদৰ প্ৰান্তৰত)। এটা দলে আল্লাহৰ পথত যুদ্ধ কৰিছিল আৰু আনটো দল আছিল কাফিৰ। কাফিৰ সকলে মুছলমান সকলক প্ৰকাশ্য চকুৰে দ্বিগুণ দেখা পাইছিল। আল্লাহে যাক ইচ্ছা কৰে তেওঁক নিজৰ সহায়ৰ দ্বাৰা শক্তিশালী কৰি থাকে। নিশ্চয় ইয়াত দৃষ্টিশীল সকলৰ বাবে শিক্ষা আছে।”

#বাস্তৱত সাম্প্ৰতিক সময়ত যেতিয়া দুটা দলৰ সৈন্যই পৰস্পৰ যুদ্ধ কৰিছিল, য’ত এটা দল আছিল মুছলমান আৰু আনটো দল আছিল কাফিৰ, তাত মুছলমান সৈন্য দলৰ পক্ষত থিয় নহৈ বৰঞ্চ নিস্তব্ধ হৈ থকা, বা সেই কাফিৰ সৈন্য দলকেই সহযোগিতা কৰা সৌদি শাসক সকলৰ ভূমিকাক ইয়াতকৈ সুন্দৰ ভাৱে তুলি ধৰা আৰু সম্ভৱ নাছিল।


Address

Mayerchar Nayeralga
NJ
MAYERCHAR

Telephone

+19085293487

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Madani Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Al Madani Academy:

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share