শোনা যায়, চে গুয়েভারাকে যখন তার আস্তানা থেকে বিশ্বাসঘাতক এক রাখালের সহযোগীতায় ধরা হয়, তখন এক সৈনিক বিস্ময়ে সেই রাখালকে প্রশ্ন করেছিল
“কীভাবে তুমি এমন একজন মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারলে,যিনি সারা জীবন তোমার অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন?
রাখাল নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল—
“তার যুদ্ধ আমার ভেড়াগুলোকে ভয় পাইয়ে দিত।
এর বহু বছর আগে মিশরে মহান সেনানায়ক মোহাম্মদ করীম নেপোলিয়নের ফরাসি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
শেষ পর্যন্ত তিনি বন্দি হলেন এবং আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিল।
কিন্তু নেপোলিয়ন তাঁকে ডেকে বলল—
“আমি এমন একজন বীরকে হত্যা করতে চাই না, যিনি সাহসের সঙ্গে নিজের মাতৃভূমি রক্ষা করেছেন। ইতিহাস যেন আমাকে বীর-ঘাতক হিসেবে না চেনে। তাই আমি তোমাকে ক্ষমা করব, যদি তুমি আমার সেনাদের ক্ষতির জন্য দশ হাজার স্বর্ণমুদ্রা ক্ষতিপূরণ দিতে পারো।”
করীম হেসে উত্তর দিলেন—
“আমার কাছে এত অর্থ নেই। তবে ব্যবসায়ীরা আমাকে এক লক্ষেরও বেশি স্বর্ণমুদ্রা ধার দিয়েছে।”
নেপোলিয়ন তাঁকে কিছু সময় দিল। এবং করীমকে শৃঙ্খলিত অবস্থায় সৈন্যদের পাহারায় বাজারে আনা হলো, আশায় যে যাদের জন্য তিনি জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, তারা এগিয়ে আসবে।
কিন্তু কোনো ব্যবসায়ী সাহায্যের হাত বাড়াল না। বরং তারা অভিযোগ করল যে আলেকজান্দ্রিয়ার ধ্বংস ও তাদের দুর্দশার জন্য করীমই দায়ী।
মনোবল ভেঙে যাওয়া করীম নেপোলিয়নের কাছে ফিরে গেলেন। তখন নেপোলিয়ন বলল—
“আমি তোমাকে হত্যা করব না এজন্য যে তুমি আমাদের বিরুদ্ধে লড়েছ, বরং এজন্য যে তুমি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছ এক কাপুরুষ জাতির জন্য, যারা স্বাধীনতার চেয়ে ব্যবসাকে বেশি ভালোবাসে।”
মোহাম্মদ রশীদ রিদা এ ঘটনার সারমর্ম এভাবেই ব্যক্ত করেছিলেন—
“যে মানুষ অজ্ঞ জনগণের জন্য দাঁড়ায়, সে যেন অন্ধদের পথ দেখাতে নিজের শরীরকে আগুনে জ্বালিয়ে দেয়।
আমরাও সেইরকম হতভাগ্য অকৃতজ্ঞ জাতি।
🌴
English Language Club
if you want something,work for it�
আমদের প্রধান স্বভাব হওয়া দরকার চুপ থাকা এবং যখন কথা বলবো তখন উপকারী কথাই বলবো ইনশাআল্লাহ্।
চার্জ দিচ্ছেন না কিন্তু চার্জার প্লাগে লাগানো। শুধু এ জন্যই ঢাকা শহরে দিনে ৭০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ অপচয় হয়। এই তথ্য কি আপনি জানতেন?
৪ কোটি মানুষের (জি, সংখ্যাটা এখন ৪ কোটিই) ঢাকা শহরে দেড় কোটি ফোন ব্যবহার করা হয়। বেশি ওয়াটের স্মার্টফোন চার্জার থেকে শুরু করে সাধারণ ফোনের চার্জার ধরে গড় করলাম।
প্রতিটি মোবাইল চার্জার চার্জিং অবস্থায় না থাকার পরও ঘণ্টায় গড়ে ০.২ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে। দিনে ধরলাম ৪ ঘণ্টা চার্জ দেই। গড়ে ধরলাম ২০ ঘণ্টা অলস পড়ে থাকে। দেড় কোটি চার্জার দিনে অপচয় ৬০ হাজার ইউনিট।
ঢাকা শহরে ৫ লাখ বিদ্যুৎ চালিত রিকসা। মানহীন এর চার্জারগুলো ১-৩ ওয়াট বিদ্যুৎ অপচয় করে। গড়ে ধরলাম ২ ওয়াট। রিকসা ১০-১২ ঘণ্টার মতো চার্জে থাকলে। মিনিমাম ধরলাম ১০ ঘণ্টা অলস বসে থাকে। প্রতিদিন অপচয় ১০ হাজার ইউনিট।
গড়ে ১০ টাকা প্রতি ইউনিট ধরলে বছরে ফোন চার্জার অপচয় করে ২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
বছরে রিকসার চার্জার অপচয় করে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
কেবল ফোন ও রিকসার চার্জার প্লাগে লাগিয়ে রাখার কারণে অপচয় ২৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা
এই টাকায়--
• উপজেলা পর্যায়ের ১০০ বেডের ১০০টি হাসপাতালের বিদ্যুৎ খরচ দেওয়া যায়।
• প্রায় ১০ থেকে ২০ হাজার স্কুলের এক বছরের বিদ্যুৎ খরচ মেটানো সম্ভব ১ বছরের বিদ্যুৎ খরচ মেটানো সম্ভব।
• একটি উপজেলার হাজার হাজার ঘরে কয়েক মাস বিনামূল্যে আলো জ্বালানো সম্ভব।
কিছু করতে হবে না। জাস্ট চার্জ শেষে সুইচ অফ করে দিতে হবে।
অপচয়ের আরও অনেক উদাহরণ আছে। চার্জার শুধু প্লাগে লাগিয়ে রাখার কারণে বিদ্যুৎ খায়, অনেকে হয়তো জানেন না। অফিসে-দোকানে অনেক ল্যাপটপ, পিসিও প্লাগে লাগিয়ে রাখেন। আমি জাস্ট একটা আনুমানিক হিসাব দিলাম।
বিদ্যুৎ নানাভাবে অপচয় হয় চোখের সামনে। এটা হয় আড়ালে, অজান্তে। যতভাবে সম্ভব, আমাদের বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ করতে হবে। সামনে কঠিন দিন আসছে।
আসুন ছোট ছোট অভ্যাসগত পরিবর্তনে বড় পরিমাণে বিদ্যুৎ বাঁচাই।
03/25/2026
ফেরিতে ওঠার সময় গাড়িতে থাইকেন না।
পাম্পে গ্যাস নেয়ার সময় গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াবেন।
লেভেল ক্রসিং এর উপর গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত নেমে যাবেন।
ট্রেনের ছাদে উঠবেন না।
লাফ দিয়ে লঞ্চ ধরার চেষ্টা করবেন না।
অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালাবেন না।
মহাসড়কে ছোট গাড়ি নিয়ে উঠবেন না।
আল্লাহ সবাইরে নিরাপদে রাখুক। এবারের ঈদটা একটা ট্রমা হয়ে গেলো জনগণ আর সরকার উভয়ের জন্যই.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
New York, NY
00000000