I N S P I R a T I O N

I N S P I R a T I O N

Share

Islamic Education

12/27/2025

নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং। যার উচ্চতা শুনলেই গা শিউরে ওঠে। সেই বিল্ডিংয়ের ৮৬ তলা থেকে কেউ যদি নি/চে ঝাঁ/প দেয়, তার বাঁ/চার সম্ভাবনা কতটুকু? শূন্য, তাই তো?

১৯৭৯ সালের ২রা ডিসেম্বর। এলভিটা অ্যাডামস নামের ২৯ বছর বয়সী এক নারী চরম ডিপ্রেশন থেকে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের ৮৬ তলার ছাদ থে/কে নি/চে ঝাঁ/প দেন। পকেটে মাত্র ১০০ ডলার আর ঋণের বোঝা নিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

কিন্তু অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravity) যখন তাকে নিচে টানছিল, ঠিক তখনই ঘটে পদার্থবিজ্ঞানের এক ঘটনা।

উঁচু দালানের আশেপাশে বাতাসের গতিবেগ বা ‘Wind Tunnel Effect’ অনেক বেশি থাকে। সেদিন বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার। তিনি যখ/ন লা/ফ দেন, প্রবল বাতাসের ঝাপটা তাকে সোজা নিচে পড়তে না দিয়ে ধাক্কা মেরে আবার বিল্ডিংয়ের দিকেই ঠেলে দেয়।

ফলাফল? প্রায় ১০০০ ফুট নিচে রাস্তায় না পড়ে, তিনি আছ/ড়ে পড়েন মাত্র ১০ ফুট নিচে— অর্থাৎ ৮৫ তলার কার্নিশে!

ফ্রাঙ্ক ক্লার্ক নামের এক সিকিউরিটি গার্ড জানালার পাশে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। তিনি দ্রুত জানালা খুলে দেখেন এলভিটা সেখানে পড়ে আছেন। তিনি বেঁ/চে ছিলেন, শুধু কোমরের হা/ড় (Pelvis) ভে/ঙে গিয়েছিল।

কখনো কখনো জীবন এভাবেই ‘সেকেন্ড চান্স’ দেয়, একদম অপ্রত্যাশিতভাবে।

হতাশা বা খারাপ সময় চিরস্থায়ী নয়, সবর করুন।

© FactCheck /History /EmpireStateBuilding /Miracle /LifeStory

07/23/2025
04/22/2025

"বাবা মায়ের ব্যক্তিত্বেই গড়ে সন্তানের ভাগ্য।"

যে বাবা মায়ের সম্পর্ক যত সুমধুর মজবুত,সেই সন্তানের ভবিষ্যৎ তত সুন্দর।যে বাবা মা ব্যক্তি হিসেবে যতটা শালীন,ব্যক্তিত্ববান তাদের সন্তান ততটাই উন্নত মানসিকতা,চরিত্রবান এবং সুন্দর ব্যক্তিত্বর অধিকারী হয়ে গড়ে উঠে।

বাচ্চারা অনুকরণ অনুশীলন প্রিয় হয়।আর তাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক তাদের বাবা মা।সন্তান তার বাচন ভঙ্গি কাজ করার কৌশল সব কিছুই শিখে বাবা মায়ের কাছে।বাবা মায়ের আচরন এর প্রভাব সন্তানের ব্যক্তিত্বের ওপরে প্রধান প্রভাব বিস্তার করে।
বাবা মা একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল,বিনয়ী যত্নশীল,তারা কতটা নীতিবান সামাজিক তা একজন সন্তানের ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।

যদি কোন সন্তান দেখে তার বাবা মা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত,তাদের বাচন ভঙ্গি অশালীন সন্তান এর মাঝেও সেই আচরন প্রভাব বিস্তার করে।আস্তে আস্তে সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হতে শুরু করে।অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়।সামাজিক আচরন সৌজন্যতা থেকে দূরে সরে যায়।
সন্তানকে শুধু দামী পোশাক বিলাসবহুল জীবন যাপনে অবভস্ত্য করলেই সে ভদ্র সভ্য হবেনা।সে তাই করবে যা তার বাবা মাকে সে করতে দেখবে।সে যদি দেখে তার বাবা মা সবার সাথে উচ্চ্যবাচ্য করে,অভদ্রতা করে,উদারতা নেই,অন্যের কাছে সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে কিন্তু নিজে কাউকে সাহায্য করেনা,তাহলে সন্তান তাই শিখবে।স্বার্থপর হয়ে গড়ে উঠবে।

আপনি নিজে সি'গারেট খেয়ে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান নে*শা থেকে বিরত থাকবে।আপনি নিজে দ্বিচারিতা করে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান চরিত্রবান হবে।কারন বাবা মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাঝে প্রকাশ পাবেই।সন্তান বাবা মাকে দেখেই শেখে।আপনার ব্যক্তিত্ব আপনার সন্তানের ভাগ্য গড়বে।

জানেন তো গোবরে সবসময় পদ্মফুল ফোটেনা।তাই ভাববেন না আপনি খা'রাপ তবুও সন্তান ভালো চরিত্রের হবে।

সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে বড় নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শিখালেন কিন্তু মনুষ্যত্ব শিখালেন না।তাহলে শেষ জীবনে বিপদ আপনারই হবে।আপনি অসুস্থ হলে সন্তান ডাক্তার নয় উকিল ডাকবে আপনার সম্পত্তির ভাগাভাগি করতে।

আপনার নৈতিকতা নির্ধারন করবে আপনার সন্তান শেষ বয়সে আপনার সেবা করবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে।

"সন্তানকে অফিসার বানানোর আগে মানুষ বানান,যেনো অসুস্থ হলে ডাক্তার ডাকে উকিল নয়।"

#সংগৃহীত

04/15/2025

অপমানকারীদের মুখ বন্ধ করার উপায় কী?

আপনার চারপাশে নিশ্চয়ই এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা সুযোগ পেলেই অপমান করে, খোঁচা দেয়, বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।

হয়তো অফিসের সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন, পরিচিত কেউ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করা কিছু লোক— এমন মানুষ সব জায়গায় আছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, আপনি কীভাবে এসব সামলাবেন?

রাগ দেখাবেন? পাল্টা অপমান করবেন? নাকি চুপ করে সব সহ্য করবেন?

না, এসবের কোনোটাই সঠিক পথ নয়।

বরং নিচের স্টেপগুলো ফলো করেন— দেখবেন, এসব লোক আপনাকে অপমান করার সাহস পাবে না!

১. চুপ থাকুন, কিন্তু দুর্বল হয়ে নয়!

কেউ অপমান করলেই তড়িঘড়ি করে প্রতিক্রিয়া দেখানোর দরকার নেই। কারণ যারা অপমান করে, তারা চায় আপনি রেগে যান, ভেতরে কষ্ট পান। আপনার প্রতিক্রিয়া তাদের কাছে বিনোদন। কিন্তু আপনি যদি ঠান্ডা থাকেন, তারা হতাশ হবে।

এটা ঠিক চুপ থাকলেই যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, তা নয়। তবে নীরবতা অনেক সময় কথার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়।

ধরুন, কেউ বলল—
“তুমি তো জীবনে কিছুই করতে পারবে না!”

আপনি ঠান্ডা মাথায় তাকিয়ে থাকুন। মুচকি হাসুন। একটুও প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। বিশ্বাস করুন, সে নিজেই অস্বস্তিতে পড়ে যাবে।

২. অপমানের কথাকে শক্তিতে পরিণত করুন

অনেক বড় বড় মানুষ জীবনে অনেক অপমান সহ্য করেছে। কিন্তু তারাই আবার সবাইকে চমকে দিয়ে সফল হয়েছে।

ধরুন, কেউ আপনাকে বলল—
“তুমি তো একদমই স্মার্ট না!”

আপনার উত্তর হতে পারে—
“ঠিকই বলছেন! তবে চেষ্টায় আছি, একদিন স্মার্ট হয়ে যাবো আপনার মতো। দোয়া কইরেন প্লিজ। ”

কেউ যদি বলে—
“এই কাজ তোমার দ্বারা হবে না!”

আপনি ভাবতে পারেন, “সত্যিই কি হবে না? নাকি এই লোকটাই ভয় পাচ্ছে যে আমি সফল হয়ে যাব?”

জীবনে বড় কিছু করতে চাইলে অপমানকে জ্বালানির মতো ব্যবহার করুন।

যখনই কেউ ছোট করবে, মনে মনে বলুন— “দেখে নিস! একদিন তোকে ভুল প্রমাণ করবো।”

৩. প্রতিউত্তর দিন, তবে বুদ্ধিমানের মতো

সব সময় চুপ থাকাও ঠিক নয়। কখনো কখনো এমন উত্তর দিতে হয়, যাতে সামনের মানুষ বুঝে যায় যে আপনাকে অপমান করা সহজ হবে না।

যদি কেউ আপনাকে খোঁচা দিয়ে বলে—
“তোমার কাজকর্ম সব বাজে!”

আপনার উত্তর হতে পারে—
“সত‍্যি? তাহলে তো তুমি নিশ্চয়ই জানো কীভাবে আরও ভালো করে এটা করা যায়? প্লিজ, শিখায়া দাও!”

এভাবে বললে, অপমানকারীর আসল জায়গাটা বেরিয়ে আসবে। কারণ তারা কেবল মজা পেতে চায়, কিন্তু গঠনমূলক কিছু বলতে চায় না।

৪. দূরত্ব বজায় রাখুন – সবার কথা শুনতে হবে না!

সব মানুষের কথা শোনার দরকার নেই। বিশেষ করে যারা আপনাকে শুধু নিচু দেখাতে চায়, তাদের কথা শোনা মানেই নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করা।

যদি দেখেন, কোনো একজন মানুষ সবসময় আপনাকে ছোট করে কথা বলে, তাহলে তার থেকে নিজেকে দূরত্বে রাখুন।

তার কথাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজে ফোকাস করুন।

সফল মানুষরা কখনোই সবার মতামত নিয়ে মাথা ঘামায় না।

তারা শুধু গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কথা শোনে।

তাই নিজের মধ‍্যেও সে অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

৫. নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলুন, যাতে কেউ আপনাকে ছোট করতে না পারে

সবচেয়ে ভালো প্রতিশোধ হলো— নিজেকে এতটা শক্তিশালী বানিয়ে ফেলা যে অপমানকারীরা একদিন আপনার প্রশংসা করতে বাধ্য হয়।

যদি কেউ বলে— “তুমি তো কিছুই জানো না!”
আপনি ভাববেন, “সত্যিই তো, আমি কি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি? না তো।”

যখন আপনি নিজের দক্ষতা, জ্ঞান, এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াবেন, তখন আর কেউ আপনাকে ছোট করতে পারবে না।

৬. নিজের আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন – আপনি কার কথা শুনবেন, সেটা বেছে নিন

অনেকেই বলবে, “এটা করো না, ওটা করো না, তুমি পারবে না!” কিন্তু যারা প্রকৃতপক্ষে আপনার ভালো চায়, তারা বলবে— “চেষ্টা করো, আমি পাশে আছি!”

তাই ভাবুন, আপনি কাদের কথা শুনবেন?

যারা আপনাকে টেনে নিচে নামাতে চায়, নাকি যারা আপনাকে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়?

যাদের কথা আপনাকে শক্তি দেয়, কেবল তাদের কথাই শুনুন।

বাকিদের বাদ দিন।

অপমানকে ভয় পাবেন না। এটাকে নিজের শক্তি বানান। যারা আপনাকে ছোট করতে চায়, তারা নিজেরাই জীবনে কিছু করতে পারেনি।

আপনি নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকুন।

সফল হয়ে উঠুন।

দেখবেন, একদিন তারাই আপনাকে সম্মান করবে।

আর যদি না-ও করে, তাতে কিছু যায় আসে না।

কারণ তখন আপনি এত বড় হয়ে যাবেন যে, তাদের কথার আর কোনো মূল্যই থাকবে না!
- copy

11/13/2024

মাঝে মধ্যে খুব সূক্ষ্ম ভাবে বুঝে উঠি
আসলে আমি কিছুর যোগ্যই না।
অহেতুক পৃথিবীতে একটা বিশেষ জায়গা জুড়ে আছি। আর হ্যাঁ আমার এই থাকাটা আমার কাছে অভিশাপ মনে হচ্ছে।

10/25/2024

প্রিয় মানুষটির অতীত বর্তমান ভবিষ্যতের সব গোনাহ মাফ করে দিও মাবূদ।
বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সব বিপদ গোনাহ দূর করে দিও।তাকে সব সময় ভালো রেখো মাবূদ। আপনিতো জানেন তিনি ভালো থাকলে আমিও ভালো থাকি।

Want your school to be the top-listed School/college in Manhattan?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


East Village
Manhattan, NY
01831848273