Navid Saleh

Navid Saleh

Share

I dream of a more livable world for everyone. I write, I teach, and I build engineering solutions to make that dream come true.

"Heal the world, make it a better place..."

11/21/2025

ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি শুরু হলে

মাটিতে সিজদার ভঙ্গিতে বসুন
মাথা হেলমেট সদৃশ কিছু বা হাত দিয়ে ঢাকুন
শক্ত তবে লম্বায় খাটো কোনো কিছু (যেমন ভারী টেবিল) অবলম্বন করুন

--একটি ব্যাগ রেডি করুন আপনার ৭ দিনের ঔষধ, পানি ও খাবার সমেত
--ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি শুরু হলে বাড়ির ভেতরের দিকের কোনো জানালাহীন ঘরে বা বহুতল ভবনের সিঁড়ির নিচে অবস্থান নিতে পারেন
--বাড়ির ভেতর কাঁচযুক্ত কোনো জানালার কাছে বা দেয়ালে ঝোলানো ফ্রেমের কাছে থাকবেন না
--ভারী আসবাব, যেমন আলমারী বা বইয়ের সেল্ফ থেকে দূরে থাকুন
--বাড়িতে কোনো ভেতরের ঘর বা সিঁড়ি না থাকলে শেষ অবলম্বন হিসেবে দরোজার নিচে দাঁড়াতে পারেন

PC: California Earthquake Shakeout

11/06/2025

ADHD: অস্বাভাবিকতা, না নিউরো ডাইভারজেন্স? শিক্ষক হিসেবে আমার করণীয় কী?

10/01/2025

আমরা জীবনের কোন পৌনঃপুনিকতায় বন্দী?

জীবন একটি বৃহত্তর প্রাপ্তির জন্যে অতিবাহিত করা কী বাঞ্চনীয়, যেখানে পৌঁছলে মানবমনে কাঙ্খিত পর্বতশৃঙ্গ জয় করার মতো পরমানন্দ অনুভূত হবে? অর্থাৎ মনে হবে, যে বেঁচে থাকবার যে লক্ষ্য আমি নির্ধারণ করেছিলাম তা আজ অর্জিত হলো। নাকি সেই শৃঙ্গে আরোহন করেই তার মনে হবে এই এক্জিলিয়ারেটিং যাত্রা আরেকবার যে আয়োজন করতেই হয়! এমন পৌনঃপুনিকতাকে নীটশে বলছেন "ইটারনাল রেকারেন্স" বা অন্তহীন পুনরাবৃত্তি। তিনি একটি থট এক্সপেরিমেন্ট করে এই দার্শনিক তত্ত্বটি দাঁড় করান। তিনি বলছেন যে কেমন হতো যদি একটি মানব জীবন জন্মেই অবগত হতো যে যাপিত জীবনের প্রতিটি কাজ, প্রতিটি অকাজ, প্রতিটি শ্রমঘন সময়, প্রতিটি অলস প্রহর একইভাবে ফিরে আসবে আগামী জীবনে, অনন্তকাল ধরে। অর্থাৎ এজকন নির্বান্ধব, বন্ধুহীন থাকবেন আজীবন, আর একজন সফল প্রেমিক, প্রেমিকার বাহুপাশে, অনন্তকাল! একজন খুনী, খুন করেই চলবেন, একজন সাধু রত থাকবেন আমৃত্যু সাধনায়, এমনকি তাদের পরজন্মেও। এই পৌনঃপুনিকতার তত্ত্বে যদি বিশ্বাস করি তবে এই জীবনে ভালো কাজ, শ্রমঘন কাজ, বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করতে আমরা উৎসাহী হবই। নীটশে বলছেন যে এভাবেই আমরা আলিঙ্গন করবো অদৃষ্টকে, অর্থ্যাৎ "আমোর ফাতি"-কে।

নীটশের এই তত্ত্বটি আমার বিশেষ পছন্দের। তবে হঠাৎ এর সমান্তরাল একটি ধারণার কথা মনে পড়ে গেল স্যামুয়েল বেকেটের "ওয়েটিং ফর গোডো" নাটকের কথা ভেবে। নাটকটিতে বেকেট এমনি একটি পুনরাবৃত্তির অবতারণা করেছেন ভ্লাদিমির আর এস্ট্রাগনের ভেতর। এই দুই বন্ধু গোডো নামের এক কাল্পনিক চরিত্রের আগমন অপেক্ষায় রত। সময় ক্ষেপন করতে তারা নানা তর্ক, বিতন্ডা, স্মৃতিঃচারণ ইত্যাদিতে জড়িয়ে যায়। তবে গোডো আর আসে না। দ্বিতীয় অংকেও এই একই পুনরাবৃত্তি। তবে এই কাল্পনিক গোডো কী বা কে, তা পাঠকের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন বেকেট। কিন্তু এই পুনঃপুনিকতা যে স্বেচ্ছায় আলিঙ্গন করেনি ভ্লাদিমির আর এস্ট্রাগন, তা বলা যেতে পারে। অর্থাৎ, এটি অনেকটা আরোপিত বন্দিদশা।

জীবন কী তবে নীটশের স্বেচ্ছা পৌনঃপুনিকতার আবাহন না বেকেটের বন্দী পুনরাবৃত্তির দীর্ঘশ্বাস? আমি বিশ্বাস করি যে এই বারংবারতাকে সত্য ধরে নিয়ে লক্ষ্য-নির্দিষ্ট পথে হাঁটাই হয়ত উত্তম। কে জানে, হয়তো অনন্তকাল ধরে এই জীবন বারবার যাপন করতে হবে আমাকে! আমার জীবনে হয়তো দেখা মিলবে সে কাঙ্খিত গোডোর!

Classic Science Videos Carl Sagan Explains the Drake Equation 09/16/2025

এই মহাবিশ্বে কি মানব সভ্যতাই একমাত্র বুদ্ধিদীপ্ত, প্রযুক্তিগত দিক থেকে অগ্রসর সভ্যতা? হয়তো তাই! 3IATLAS কি কেবল একটি পাথর খন্ড না অন্য কোনো উন্নত সভ্যতা সৃষ্ট মহাকাশযান? এর উত্তর আমরা আগামী মাসের শেষ নাগাদ মঙ্গল গ্রহ থেকে কিছুটা আর আগামী এপ্রিলে জুপিটার থেকে হয়তো জানবো। তবে, এই চিরন্তন প্রশ্নের সহজ উত্তর আমার জানার আগ্রহ বরাবরই ছিল। বিখ্যাত মহাকাশ বিজ্ঞানী কার্ল সেগান ড্রেক ইকুয়েশন ব্যবহার করে বলছেন, পৃথিবী সহ হয়তো এর সংখ্যা ১০-১০ লাখ। কেনো বলছেন শুনুন:

Classic Science Videos Carl Sagan Explains the Drake Equation This a collection of classic science videos I had on an old HDD that i thought might be interesting for some guys out there. There are some interesting short...

09/15/2025

শতবর্ষী হতে কে না চায়? চিরযুবা থাকতে কার না সাধ হয়? নতুন গবেষণা জানাচ্ছে যে মিষ্টান্ন বার্ধক্যের পেছনের কারণ। স্টিভেন বার্টলেটের সাথে জৈবরসায়নবিদ জেসি ইন্সস্পের এই সাক্ষাৎকারটি বদলে দিতে পারে আমাদের জীবন। অনুগ্রহ করে তাঁর বই পড়তে পারেন আর শুনতে পারেন এই পডকাস্টটি।

https://youtu.be/DnEJrgc1BCk?si=GZ2WvPPW7ZCOdavO

07/25/2025

পুরস্কার বা অর্জন আর তিরস্কার বা ব্যর্থতার মাঝের ফাইনলাইন

একসময় কৃষিকাজের প্রবৃদ্ধির জন্যে পাখির বিষ্টা থেকে সৃষ্ট গুয়ানো সংগ্রহ করতো যুক্তরাষ্ট্র। ১৮৫৬ সালের গুয়ানো আইল্যান্ড এক্ট-এর আওতায় এমনিভাবে তৈরী করা হয়েছে অসংখ্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও ক্যারিবীয় দ্বীপ-টেরিটরি। এর কয়েক দশকের ভেতর জার্মান বিজ্ঞানী ফ্রিটজ হাবার আবিষ্কার করেন নাইট্রোজেন থেকে এমোনিয়া তৈরির রাসায়নিক প্রক্রিয়া। ১৯১৩ সালে, যে বছর রবিঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পান, সে বছরই ফ্রিটজ হাবার রসায়নে নোবেল যেতেন এমোনিয়া তৈরির এই প্রক্রিয়ার জন্যে। হাবারের এই অর্জন এনেছিল কৃষি-বিপ্লব আর রবিঠাকুরের অর্জন বাংলাকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল একটি অনন্য সংস্কৃতির ধারক হিসেবে। আমাদের পতাকা গেড়েছিল বৈশ্বিক বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনে।

এই দুই মনীষীর জীবনপথে তফাৎ দেখা যেতে ধরলো নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির পরের বছর গুলোতে। ১৯১৫ সালেই হাবার আবিষ্কার করলেন ক্লোরিন গ্যাসের সামরিক ব্যবহার। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি এই বিষাক্ত গ্যাস রাসায়নিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে প্রায় ৯০,০০০ হত্যার দায়ে পড়েছিল। হাবার এতে বিচলিত হয়েছিলেন বলে মনে হয় না। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জিকলন-বি হাবারের রাসায়নিক পদ্ধতির একটি এক্সটেনশন ছিল, যা হিটলার ব্যবহার করেছিলেন গ্যাস চেম্বারে। তবে হাবারের স্ত্রী ক্লারা ইমারহোয়ার, যিনি রসায়নে জার্মানির প্রথম মহিলা ডক্টরেট ছিলেন, তিনি আত্মহত্যা করেন, স্বামীর এই নৈতিক অবক্ষয়কে মেনে না নিতে পেরে। অন্যদিকে, নোবেল জয়ের ৮ বছরের মাথায় কবিগুরু প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। একজন নোবেলজয়ী হয়ে দাঁড়ালেন ইতিহাসের চরম ঘৃণিত ব্যক্তিদের অন্যতম আর আরেকজন অমর হয়ে রইলেন নিজ ভাষাভাষী মানুষের মাঝে।

পুরস্কার অর্জন কঠিন। তবে এই অর্জন পর্বতের চুড়ায় উঠবার মতো। এই আরোহনের পর দায়িত্ব নিতে হয়, হতে হয় মানবিক। ভুল করার মার্জিন তখন প্রায় অদৃশ্য হয়ে পড়ে। একটুকু ভুলেই সেই পুরস্কৃত মানুষটি তিরস্কৃত, ধিকৃত হয়ে পড়তে পারেন। মর্যাদার সুউচ্চ আসন থেকে ভূপাতিত হতে পারেন অশ্রদ্ধার আবর্জনায়। যে মানুষ অনেক বড় হয়, তার কাছে সাধারণের প্রত্যাশা যদি অতিরঞ্জিতও হয়, তবুও সেই আকাঙ্খায় অন্যায় দেখিনা। বড় মানুষটির দায়িত্বহীনতাই বরং তখন ভীষণভাবে অগ্রহণযোগ্য হয়ে পড়ে। তবুও পুরস্কার আর তিরস্কারের মাঝের এই ফাইনলাইনকে ভুলে যায় মানুষ; অনেক বড় মানুষও।

07/15/2025

ইম্পস্টার সিন্ড্রোম: একটি কলোনিয়াল লেগাসি

এমনটি কি কখনও হয়েছে যে একটি কাজের জন্যে চরমভাবে অপ্রস্তুত, অযোগ্য মনে হয়েছে নিজেকে? মনে হয়েছে, যে আপনার যে যোগ্যতা নেই আপনি তা দাবী করে চলেছেন, আপনার যা প্রাপ্য নয় তা আপনাকে দেয়া হচ্ছে? এমন ভাবনাকে বলা হয়ে থাকে ইম্পস্টার সিন্ড্রোম। এই অনুভূতি আপনাকে নিজের কাজ থেকে, কাজের গন্ডি থেকে ধীরে ধীরে সরিয়ে দেবে। নিজেকে দুর্বল করে উপস্থাপন করবে কর্মক্ষেত্রে, সমাজে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এই সিন্ড্রোমের উৎস কী বা করা?

ইম্পস্টার সিন্ড্রোমের এই মনস্তাত্ত্বিক স্থিতির কথা ১৯৭৮ সালে প্রথম পল ক্ল্যান্স এবং সুজান আইমস নামের দুজন সাইকোলজিস্ট চিহ্নিত করেন। তাঁরা উচ্চপদধারী নারীদের ভেতর এই অনুভূতি লক্ষ্য করেন। একে তাঁরা "ইম্পস্টার ফেনোমেনা" বলে আখ্যা দেন সে সময়। তাঁরা বলেন যে কিছু বিশেষ পারিবারিক অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তীতে, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক স্টেরিওটাইপিং এর পেছনে দায়ী।

একটু ভেবে দেখুন, বাংলাদেশের, সত্যি বলতে উপমহাদেশের অধিকাংশ মানুষই কী একজন শ্বেতাঙ্গকে দেখলে, তার ভাষা শুনলে, কিংবা তার সাথে কর্মক্ষেত্রে অবস্থান করলে নিজেকে সেই ব্যক্তির চেয়ে অযোগ্য মনে করে না? আমরা ইংরেজীতে কথা বলতে পারলে নিজেকে বেশী যোগ্য বলে ধরে নেই; ইংরেজি গান শুনলে, হলিউডের ছবি কিংবা তার অভিনেতা-নির্দেশকের নাম জানলে নিজেকে চৌকষ মনে করি। ইম্পস্টার সিন্ড্রোম তাই নারীদের ভেতরই প্রবল, এটি আমাদের সমাজে খাটে না। ভিনদেশি যে কোনো মানুষের সামনে আমরা প্রায় সকলে এই সিন্ড্রোমে ভুগি; কেউ কম কেউবা বেশি।

এর কারণ হয়ত আমাদের ঔপনিবেশিক অতীত। নোবেলজয়ী সাহিত্যিক আব্দুলরাজ্জাক গুরনাহ তাঁর "বাই দা সি" উপন্যাসে উপনিবেশকারীদের একটি চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলছেন, উপনিবেশ যারা তৈরী করে তাদের চরিত্রে এক অদ্ভুত রকমের কনফিডেন্স লক্ষ্য করা যায়। একটি অচেনা দেশে, অজানা ভাষাভাষীর মানুষের সাথে প্রথম পরিচয় থেকেই এরা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করতে থাকে। তারা কিন্তু সেই দেশটি সম্পর্কে বা সেই মানুষের সংস্কৃতি সম্পর্কে তখনো তেমন কিছুই জেনে ওঠেনি। অথচ, নিজেদের ভাষায় তারা দিব্যি কথা বলে চলে, নিজেদের পোশাক, খাবার, প্রযুক্তির বড়াই করতে থাকে। তারা নিয়ে আসে নিজস্ব ভাষা, সাহিত্য, সংগীত, এমনকি সুগন্ধি পর্যন্ত। চাপিয়ে দেয় স্থানীয়দের ওপর। দাবী করতে শুরু করে যে উপনিবেশ গড়তে দেয়া যেন স্থানীয়দের দায়িত্ব। স্থানীয়রা এতে অনেক লাভবান হবে। আমাদের কিসে ভালো তা আমাদের চেয়ে তারাই যেন বেশি ভালো বোঝে! অনেকটা মধ্যপ্রাচ্যে রিভিয়েরা বানাবার মতো। ব্রিটিশরা তো এমনটিই করেছিল। স্প্যানিশ কনকিস্তাদর এভাবেই মেস্কিকোর টিনোচটিটলান দখল করেছিল।

আমরা তাই আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান করে নিয়ে আসি কোনো শ্বেতাঙ্গকে। দেশীয় ক্রীড়া দলের কোচ হিসেবে আমদানি করি একজন ফিরিঙ্গিকে। প্রবাসে যখন কাজ করতে যাই, তখন কেমন যেন ন্যুজ্ব হয়ে চলি। শ্বেতাঙ্গ সহর্মীকে তুষ্ট করাতেই যেন রয়েছে আমাদের আগামীর চাবি। কী অদ্ভুত এই সমাজ, কী বিচিত্র আমাদের চিন্তা-চেতনা!

নিজের যোগ্যতার বাইরে, আদতে কোনো কিছুই মানুষকে সামনে এগিয়ে নেয় না। আমরা উপনিবেশের অভিজ্ঞতাকে যতদিন ঝেড়ে ফেলতে না পারবো, ততদিন এই ইম্পস্টার সিন্ড্রোমের হাত থেকে রক্ষা নেই। এ চিন্তা ইংরেজী বিদ্বেষ নয়, এ ভাবনা গ্লোবাল হবার পরিপন্থী নয়; বরং এই অনুভূতি নিজের ক্ষমতা, নিজের ইতিহাস ও অভিজ্ঞতার ওপর বিশ্বাস রাখার প্রশিক্ষণ।

Want your school to be the top-listed School/college in Austin?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Austin, TX