Edu-quiz

Edu-quiz

Share

We are here providing you online educational resources

Photos from Edu-quiz's post 22/01/2024

♀️বই পোকাদের জন্য সুখবর! এবার আপনার মোবাইলকে বানিয়ে ফেলুন লাইব্রেরী। আমরা সংগ্রহ করেছি ১০,০০০+ পিডিএফ বুক। যে বই গুলোর ফিজিক্যাল বই কিনতে হলে আপনাকে প্রচুর অর্থ ব্যায় করতে হবে । আমাদের সংগ্রহে রয়েছে বিভিন্ন ক্যাটগরির ১০,০০০+ বই। যেমনঃ মোটিভিশন, সাহিত্য, ইসলাম, বায়োগ্রাফি, ইতিহাস, স্কিল ডেভেলপমেন্ট সহ ইত্যাদি।
⭕ এই অফার আজকেই শেষ। তাই আর দেরি না করে এখনই লুফে নিন মাত্র 99/-টাকায় ১০,০০০+ বই।
📂মোটিভিশনাল অনুবাদ বুক -১৫০+
1. The One Minute Manager by Ken Blanchard and Spencer Johnson
2. Think and Grow Rich By Napoleon Hill (থিংক অ্যান্ড গ্রো রিচ)
3. The Power of Your Subconscious Mind by Joseph Murphy
4. Warren Buffett's Management Secrets Proven Tools for Personal and Business Success
5. Who Moved My Cheese by Spencer Johnson
6. The Art of Thinking Clearly by Rolf Dobelli
7. Rich Dad Poor Dad by Robert T. Kiyosaki
8. The 5 Second Rule by Mel Robbins
9. The 7 Habits of Highly Effective Teens by Sean Covey
10. Zero to One by Blake Masters and Peter Thiel
11. Body Language by Allan Pease
12. You Can Win by Shiv Khera
13. Eat That Frog by Brian Tracy
14. The Business School by Robert Kiyosaki
15. The Monk Who Sold His Ferrari by Robin Sharma
16. Peramoy Life-er Paracetamol By Jhankar Mahbub (প্যারাময় লাইফের প্যারাসিটামল - ঝংকার মাহবুব)
17. Ajker Neta Shofol Netritter Shoto Koushol (আজকের নেতা সফল নেতৃত্বের শত কৌশল)
18. Career Bikosh*to Jiboner Dar (ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার )
19. না বলতে শিখুন
20. The Miracle Morning By Hal Elrod (দ্য মিরাকল মর্নিং)
21. Time Management By Brian Tracy (টাইম ম্যানেজমেন্ট)
22. Road To Success By Satyajit Chakraborty (রোড টু সাক্সেস : বাংলাদেশের প্রথম ক্যারিয়ার বিষয়ক মোটিভেশনাল বই - সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী)
23. ডেল কার্নেগী মোট বই- ০৮টি
24. মোটিভিশনাল (ইংরেজি) ১০ টি সহ আর বিভিন্ন বই।
📂 সাহিত্য ক্যাটাগরিঃ
১। আবুল হাসান- ৫
২। আবুল মনসুর আহমেদ-৩
৩। আহমেদ সফা-১০
৪। আহসান হাবিব-২
৫। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস-৪
৬। আল মাহমুদ-৪
৭। আনিসুল হক-২৩
৮। আরিফ আজাদ-৪
৯। আসপূর্না দেবী- ৩৯
১০। বাংলা কমিক- ৯৩
১১। বিনয় বসু- ১৭
১২। বঙ্কিম চন্দ্র-১৯
১৩। বেগম রোকেয়া- ৫
১৪। বিভূতিভুষন বন্দোপাধ্যায়-২৮
১৫। বিমল কার-৩৭
১৬। বিমল মিত্র- ৩০
১৭। বুদ্ধদেব গুহ- ৫৮
১৮। দেবাশীষ রয়- ১১
১৯। ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়-৪
২০। জি এইস হাবিব-১
২১। হেমন্দ্র কুমার-৬২
২২। হেনরি রাইডার- ৩৩
২৩। হুমাযুন আহমেদ- ২৫৬
২৪। হুমায়ুন আযাদ- ২১
২৫। ইমদাদুল হক মিলন- ৩১
২৬। জাহানারা ইমাম- ১
২৫। জসিম উদ্দিন- ৭
২৬। জিবনান্দ দাষ- ৬
২৭। কালী প্রসন্ন সিংহ- ১৫
২৮। কাশেম বিন আবু বক্কর- ১৪
২৯। কাজী নজরূল- ২৫
৩০। স্বাধীনতার যুদ্ধ- ১৪
৩১। মহাস্বেতা দেবী- ২৫
৩২। মানিক বন্ধোপাধ্যায়- ৫৭
৩৩। মাসুদ রানা- ৩১১
৩৪। মাইকেল মধুসুধন- ১০
৩৫। মীর মশাররফ -৩
৩৬। জাফর ইকবাল- ১২৮
৩৭। মুনীর চৌধুরী-৫
৩৮। নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়- ৩০
৩৯। নারায়ন শ্যানাল- ২৪
৪০। নাসরীন জাহান-৬
৪১। নীহারি রঞ্জন গুপ্ত-২৮
৪২। নিমাই ভট্রাচারয- ৩৫
৪৩। প্রমথ চৌধুরী-৪
৪৪। প্রেমেন্দ্র মিত্র-১৪
৪৫। প্রনব ভট্র-৪
৪৬। প্রনেন্দ্র -৮
৪৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-৫৪
৪৮। শমরেস বসু-৬৫
৪৯। শমরেশ মজুমদার ৭২
৫০। শরৎ চন্দ্র-৩২
৫১। শার্লক হোমস-৪
৫২। শেক্সপিয়ার-৩৮
৫৩। সত্যজিত রয়- ২৮
৫৪। সিবরাম চক্রবর্তী- ৮
৫৫। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়-৭৯
৫৬। সুকুমার রায়-১৩
৫৭। সুমন্ত আসলাম- ৩৩
৫৮। সুচিত্রা ভট্রাচারয- ১৪
৫৯। সুকান্ত ভট্রাচারয- ১৬
৬০। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-১৪৩
৬১। সুস্মিতা বন্দোপাধ্যায়-২
৬২। সৈয়দ মুজতবা আলী-৩৩
৬৩। সৈয়দ মুজতবা সিরাজ- ৪৭
৬৪। সৈয়দ শামসুল হক-১৫
৬৫। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-৫
৬৬। তারাসংকর বন্দোপাধ্যায়- ৫৪
৬৭। তিন গোয়েন্দা -১০৫
৬৮। ভ্রমন কাহীনি-৫
৬৯। জহির রায়হান-৯
৭০। বায়োগ্রাফি- ০৮
৭১। সত্যজিত রায়- ৪২
৭২। হ্যারিপটার সিরিজ অল (বাংলা)
৭৩। শেক্সপিয়ার – ৩৮
৭৪। SIDNY SHELDON – ০৮
৭৫। ইতিহাস বিষয়ক- ১২
৭৬।শার্লক হোমস সকল বই
৭৭। ডান ব্রাউন (বাংলা)- ৭
৭৮। বায়োগ্রাফি- ১০
৭৯।স্কিল ডেভেলপমেন্ট- ১৪
📂ইসলামিক বুকস মোট- ২০০০+
📋আল-কুরআন বিষয়ক+ তাফসির- ১০০+
📋আল হাদিস বিষয়ক- ৩০০+
📋ইসলামিক ইতিহাস বিষয়ক-১০০+
📋ইসলামি সাহিত্য-৫০০+
📋অন্যান্য ক্যাটাগরি- ১০০০+

02/09/2023

If you look at the letter “F” on your Fila shoes, you will notice that there is some irregularity in the stitching. This is perfectly normal on all original Fila shoes. What is not normal is for the letter “F” to be really sharp on the top two edges. On the fake shoes, these edges almost touch the square surrounding the logo, which should not be the case.
Next, look at the details of the toe cap, especially the holes in the front. There should be the same distance between each hole, but if not, you probably bought a fake pair of sneakers.
In addition, the heel logo may be completely different. On the original sneakers, that logo is the same as the one on the tongue.

08/05/2023

এক‌ই স্থান, এক‌ই টাইম
12 টি ছবি তে 12 মাসের সূর্যের অবস্থান

সংগৃহীত

05/04/2023

আমাদের ছোট নদী,
সংকলিত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে।
পার হয়ে যায় গোরু, পার হয় গাড়ি,
দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার পাড়ি।

চিক্ চিক্ করে বালি, কোথা নাই কাদা,
একধারে কাশবন ফুলে ফুলে সাদা।
কিচিমিচি করে সেথা শালিকের ঝাঁক,
রাতে ওঠে থেকে থেকে শেয়ালের হাঁক।

আর-পারে আমবন তালবন চলে,
গাঁয়ের বামুন পাড়া তারি ছায়াতলে।
তীরে তীরে ছেলে মেয়ে নাইবার কালে
গামছায় জল ভরি গায়ে তারা ঢালে।

সকালে বিকালে কভু নাওয়া হলে পরে
আঁচল ছাঁকিয়া তারা ছোটো মাছ ধরে।
বালি দিয়ে মাজে থালা, ঘটিগুলি মাজে,
বধূরা কাপড় কেচে যায় গৃহকাজে।

আষাঢ়ে বাদল নামে, নদী ভর ভর
মাতিয়া ছুটিয়া চলে ধারা খরতর।
মহাবেগে কলকল কোলাহল ওঠে,
ঘোলা জলে পাকগুলি ঘুরে ঘুরে ছোটে।
দুই কূলে বনে বনে পড়ে যায় সাড়া,
বরষার উৎসবে জেগে ওঠে পাড়া।।

04/04/2023

#পাছে #লোকে #কিছু #বলে
করিতে পারি না কাজ
সদা ভয় সদা লাজ
সংশয়ে সংকল্প সদা টলে –
পাছে লোকে কিছু বলে।
আড়ালে আড়ালে থাকি
নীরবে আপনা ঢাকি,
সম্মুখে চরণ নাহি চলে
পাছে লোকে কিছু বলে।
হৃদয়ে বুদবুদ মত
উঠে চিন্তা শুভ্র কত,
মিশে যায় হৃদয়ের তলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
কাঁদে প্রাণ যবে আঁখি
সযতনে শুকায়ে রাখি;-
নিরমল নয়নের জলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
একটি স্নেহের কথা
প্রশমিতে পারে ব্যথা –
চলে যাই উপেক্ষার ছলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
মহৎ উদ্দেশ্য যবে,
এক সাথে মিলে সবে,
পারি না মিলিতে সেই দলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
বিধাতা দেছেন প্রাণ
থাকি সদা ম্রিয়মাণ;
শক্তি মরে ভীতির কবলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।

02/04/2023

#প্রভাতী
ভোর হলো দোর খোলো
খুকুমণি ওঠ রে!
ঐ ডাকে যুঁই-শাখে
ফুল-খুকি ছোটরে!
রবি মামা দেয় হামা
গায়ে রাঙা জামা ঐ,
দারোয়ান গায় গান
শোন ঐ, রামা হৈ!’
ত্যাজি নীড় করে ভিড়
ওড়ে পাখি আকাশে
এন্তার গান তার
ভাসে ভোর বাতাসে।
চুলবুল বুলবুল
শিস্ দেয় পুষ্পে,
এইবার এইবার
খুকুমণি উঠবে!
খুলি হাল তুলি পাল
ঐ তরী চললো,
এইবার এইবার
খুকু চোখ খুললো।
আলসে নয় সে
ওঠে রোজ সকালে
রোজ তাই চাঁদা ভাই
টিপ দেয় কপালে।
উঠলো ছুটলো ওই
খোকা খুকি সব,
”উঠেছে আগে কে”
ঐ শোনো কলরব।
নাই রাত মুখ হাত
ধোও, খুকু জাগো রে!
জয়গানে ভগবানে
তুষি’ বর মাগো রে।

01/04/2023

#আমার #পণ
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে।
ভাইবোন সকলেরে যেন ভালোবাসি,
এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি।
ভালো ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা,
পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা।
সুখী যেন নাহি হই আর কারও দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দিই ফাঁকি।
ঝগড়া না করি যেন কভু কারও সনে,
সকালে উঠিয়া আমি বলি মনে মনে।

31/03/2023

#ছুটি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
#মেঘের #কোলে #রোদ #হেসেছে,
বাদল গেছে টুটি,
আজ আমাদের ছুটি, ও ভাই,
আজ আমাদের ছুটি।।
কী করি আজ ভেবে না পাই,
পথ হারিয়ে কোন্‌ বনে যাই,
কোন্‌ মাঠে যে ছুটে বেড়াই,
সকল ছেলে জুটি।।
কেয়াপাতায় নৌকো গড়ে’
সাজিয়ে দেব ফুলে,
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেবো,
চলবে দুলে দুলে।
রাখাল ছেলের সঙ্গে ধেনু
চরাব আজ বাজিয়ে বেণু,
মাখব গায়ে ফুলের রেণু
চাঁপার বনে লুটি।
আজ আমাদের ছুটি, ও ভাই,
আজ আমাদের ছুটি।।

31/03/2023

#সংকল্প
কাজী নজরুল ইসলাম
থাকব না’ক বদ্ধ ঘরে
দেখব এবার জগৎটাকে
কেমন করে ঘুরছে মানুষ
যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে।

দেশ হতে দেশ দেশান্তরে
ছুটছে তারা কেমন করে,
কিসের নেশায় কেমন করে
মরছে যে বীর লাখে লাখে।
কিসের আশায় করছে তারা
বরণ মরণ যন্ত্রণাকে।

কেমন করে বীর ডুবুরি
সিন্ধু সেঁচে মুক্তা আনে,
কেমন করে দুঃসাহসী
চলছে উড়ে স্বর্গপানে।

হাউই চড়ে চায় যেতে কে
চন্দ্রলোকের অচিনপুরে,
শুনব আমি, ইঙ্গিতে কোন
মঙ্গল হতে আসছে উড়ে।

পাতাল ফেড়ে নামব আমি
উঠব আমি আকাশ ফুঁড়ে,
বিশ্বজগৎ দেখব আমি
আপন হাতের মুঠোয় পুরে

31/03/2023

কবর
জসীম উদ্‌দীন

এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।

বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে!
হেস না­ হেস না­ শোন দাদু, সেই তামাক মাজন পেয়ে,
দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে!
নথ নেড়ে নেড়ে কহিত হাসিয়া, এতদিন পরে এলে,
পথ পানে চেয়ে আমি যে হেথায় কেঁদে মরি আঁখিজলে।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়,
কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝঝুম নিরালায়!
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়,
আমার দাদীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়।

তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি
যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি,
গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি সারা দিনরাত জাগি।
এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে,
গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।
মাটিরে আমি যে বড় ভালবাসি, মাটিতে মিশায়ে বুক,
আয়-আয় দাদু, গলাগলি ধরি কেঁদে যদি হয় সুখ।

এইখানে তোর বাপজি ঘুমায়, এইখানে তোর মা,
কাঁদছিস তুই? কী করিব দাদু! পরাণ যে মানে না।
সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে কহিল আমারে ডাকি,
বা-জান, আমার শরীর আজিকে কী যে করে থাকি থাকি।
ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে কহিলাম বাছা শোও,
সেই শোওয়া তার শেষ শোওয়া হবে তাহা কী জানিত কেউ?
গোরের কাফনে সাজায়ে তাহারে চলিলাম যবে বয়ে,
তুমি যে কহিলা বা-জানরে মোর কোথা যাও দাদু লয়ে?
তোমার কথার উত্তর দিতে কথা থেমে গেল মুখে,
সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে কেঁদে ফিরে গেল দুখে!

তোমার বাপের লাঙল-জোয়াল দুহাতে জঢ়ায়ে ধরি,
তোমার মায়ে যে কতই কাঁদিতে সারা দিনমান ভরি।
গাছের পাতার সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক।
আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি,
হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি।
গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা,
চোখের জলের গহীন সায়রে ডুবায়ে সকল গাঁ।

ঊদাসিনী সেই পল্লী-বালার নয়নের জল বুঝি,
কবর দেশের আন্ধারে ঘরে পথ পেয়েছিল খুজি।
তাই জীবনের প্রথম বেলায় ডাকিয়া আনিল সাঁঝ,
হায় অভাগিনী আপনি পরিল মরণ-বিষের তাজ।
মরিবার কালে তোরে কাছে ডেকে কহিল, বাছারে যাই,
বড় ব্যথা র’ল, দুনিয়াতে তোর মা বলিতে কেহ নাই;
দুলাল আমার, যাদুরে আমার, লক্ষী আমার ওরে,
কত ব্যথা মোর আমি জানি বাছা ছাড়িয়া যাইতে তোরে।
ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গন্ড ভিজায়ে নয়ন­জলে,
কী জানি আশিস করে গেল তোরে মরণ­ব্যথার ছলে।

ক্ষণপরে মোরে ডাকিয়া কহিল­ আমার কবর গায়
স্বামীর মাথার মাথালখানিরে ঝুলাইয়া দিও বায়।
সেই যে মাথাল পচিয়া গলিয়া মিশেছে মাটির সনে,
পরাণের ব্যথা মরে নাকো সে যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
জোড়মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু­ছায়,
গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়।
জোনকি­মেয়েরা সারারাত জাগি জ্বালাইয়া দেয় আলো,
ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নূপুর কত যেন বেসে ভালো।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, রহমান খোদা! আয়;
ভেস্ত নসিব করিও আজিকে আমার বাপ ও মায়!

এখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,
বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।
এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে,
হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।
খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন কাল এসে
দুদিনের তরে নিয়ে যায় মোরে বাপের বাড়ির দেশে।
শ্বশুর তাহার কশাই চামার, চাহে কি ছাড়িয়া দিতে
অনেক কহিয়া সেবার তাহারে আনিলাম এক শীতে।
সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে ফোটে না সেথায় হাসি,
কালো দুটি চোখে রহিয়া রহিয়া অশ্রু উঠিছে ভাসি।
বাপের মায়ের কবরে বসিয়া কাঁদিয়া কাটাত দিন,
কে জানিত হায়, তাহারও পরাণে বাজিবে মরণ­বীণ!
কী জানি পচানো জ্বরেতে ধরিল আর উঠিল না ফিরে,
এইখানে তারে কবর দিয়েছি দেখে যাও দাদু! ধীরে।

ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনীরে বাসে নাই কেহ ভালো,
কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে বুনো ঘাসগুলি কালো।
বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁদে মরে রাতদিন,
পাতায় পাতায় কেঁপে উঠে যেন তারি বেদনার বীণ।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়।
আমার বু­জীর তরেতে যেন গো বেস্ত নসিব হয়।

হেথায় ঘুমায় তোর ছোট ফুপু, সাত বছরের মেয়ে,
রামধনু বুঝি নেমে এসেছিল ভেস্তের দ্বার বেয়ে।
ছোট বয়সেই মায়েরে হারায়ে কী জানি ভাবিত সদা,
অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা!
ফুলের মতন মুখখানি তার দেখিতাম যবে চেয়ে,
তোমার দাদির ছবিখানি মোর হদয়ে উঠিত ছেয়ে।
বুকেতে তাহারে জড়ায়ে ধরিয়া কেঁদে হইতাম সারা,
রঙিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা।

একদিন গেনু গজনার হাটে তাহারে রাখিয়া ঘরে,
ফিরে এসে দেখি সোনার প্রতিমা লুটায় পথের পরে।
সেই সোনামুখ গোলগাল হাত সকলি তেমন আছে।
কী জানি সাপের দংশন পেয়ে মা আমার চলে গেছে।
আপন হস্তে সোনার প্রতিমা কবরে দিলাম গাড়ি,
দাদু! ধর­ধর­ বুক ফেটে যায়, আর বুঝি নাহি পারি।
এইখানে এই কবরের পাশে আরও কাছে আয় দাদু,
কথা কস নাকো, জাগিয়া উটিবে ঘুম­ভোলা মোর যাদু।
আস্তে আস্তে খুঁড়ে দেখ দেখি কঠিন মাটির তলে,

ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিয়ে ঘন আবিরের রাগে,
অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।
মজিদ হইতে আযান হাঁকিছে বড় সুকরুণ সুরে,
মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দূরে।
জোড়হাত দাদু মোনাজাত কর, আয় খোদা! রহমান।
ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যু­ব্যথিত প্রাণ।

31/03/2023

#পারিব #না
পারিব না এ কথাটি বলিও না আর
কেন পারিবে না তাহা ভাব এক বার,
পাঁচ জনে পারে যাহা,
তুমিও পারিবে তাহা,
পার কি না পার কর যতন আবার
এক বারে না পারিলে দেখ শত বার৷
পারিব না বলে মুখ করিও না ভার,
ও কথাটি মুখে যেন না শুনি তোমার,
অলস অবোধ যারা
কিছুই পারে না তারা,
তোমায় তো দেখি না ক তাদের আকার
তবে কেন পারিব না বল বার বার?
জলে না নামিলে কেহ শিখে না সাঁতার
হাঁটিতে শিখে না কেহ না খেয়ে আছাড়,
সাঁতার শিখিতে হলে
আগে তবে নাম জলে,
আছাড়ে করিয়া হেলা, হাঁট বার বার
পারিব বলিয়া সুখে হও আগুসার

31/03/2023

রাখাল ছেলে
জসীম উদ্‌দীন---রাখালী (কাব্যগ্রন্থ)

“রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! বারেক ফিরে চাও,
বাঁকা গাঁয়ের পথটি বেয়ে কোথায় চলে যাও?”

ওই যে দেখ নীল-নোয়ান সবুজ ঘেরা গাঁ,
কলার পাতা দোলায় চামর শিশির ধোয়ায় পা,
সেথায় আছে ছোট কুটির সোনার পাতায় ছাওয়া,
সাঁঝ-আকাশের ছড়িয়ে-পড়া আবীর রঙে নাওয়া,
সেই ঘরেতে একলা বসে ডাকছে আমার মা-
সেথায় যাব, ও ভাই এবার আমায় ছাড় না।”

“রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! আবার কোথা ধাও,
পুব আকাশে ছাড়ল সবে রঙিন মেঘের নাও।”

“ঘুম হতে আজ জেগেই দেখি শিশির-ঝরা ঘাসে,
সারা রাতের স্বপন আমার মিঠেল রোদে হাসে।
আমার সাথে করতো খেলা প্রভাত হাওয়া, ভাই,
সরষে ফুলের পাঁপড়ি নাড়ি ডাকছে মোরে তাই।
চলতে পথে মটরশুঁটি জড়িয়ে দুখান পা,
বলছে ডেকে, ‘গাঁয়ের রাখাল একটু খেলে যা।’
সারা মাঠের ডাক এসেছে, খেলতে হবে ভাই।
সাঁঝের বেলা কইব কথা এখন তবে যাই।’

“রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! সারাটা দিন খেলা,
এ যে বড় বাড়াবাড়ি, কাজ আছে যে মেলা।”

কাজের কথা জানিনে ভাই, লাঙল দিয়ে খেলি
নিড়িয়ে দেই ধানের ক্ষেতের সবুজ রঙের চেলী।
সরিষে বালা নুইয়ে গলা হলদে হওয়ার সুখে।
মটর বোনের ঘোমটা খুলে চুমু দিয়ে যায় মুখে।
ঝাউয়ের ঝাড়ে বাজায় বাঁশী পউষ-পাগল বুড়ী,
আমরা সেথা চষতে লাঙল মুশীদা-গান জুড়ি।
খেলা মোদের গান গাওয়া ভাই, খেলা-লাঙল-চষা,
সারাটা দিন খেলতে জানি, জানিই নেক বসা’।

Want your school to be the top-listed School/college in Singapore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Singapore