ইসলামের বাণী-Islamer Bani

ইসলামের বাণী-Islamer Bani ইসলামের বাণী ইসলামের কথা ইসলামের পথে ?

লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও আমলসমূহ:‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা...
06/04/2024

লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও আমলসমূহ:

‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। তাই এই রাতটি মুসলমানদের জন্য ভাগ্য রজনী হিসেবে সম্মানিত।

শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদাপূর্ণ রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। লাইলাতুল কদরের রাত হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম রাত।

পবিত্র কুরআনুল কারিম নাযিলের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই রাতকে হাজারের মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ উত্তম ও মহা সম্মানিত রাত হিসেবে আমারদের জন্য দান করেছেন। প্রতিবছর রমজান মাসের শেষ দশকের রাতগুলোর মধ্যে কোনো এক বিজোড় রাত হলো ভাগ্য নির্ধারণ বা লাইলাতুল কদরের রাত।

যে রাতে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহতায়ালা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামকে সমভিব্যহারে অবতরণ করেন; তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা বা ফজর পর্যন্ত। (আল কুরআন, সুরা-৯৭ [২৫] আল কদর)

রমজান মাস পবিত্র কুরআন নাযিলের মাস। শবে কদর কুরআন নাযিলের রাত। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ফেরেশতাদের সরদার হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে রাহমতুল্লিল আলামিন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল করেন।

এ কারণে আল্লাহ তায়ালা এ রাতের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ রাতে মহান আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মাদিকে হাজার মাসের ইবাদত-বন্দেগি ও আমলের সমান সাওয়াব দান করে। কুরআনুল কারিমের অন্য স্থানে এ রাতটিকে বরকতময় রাত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন- হা-মীম। শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। আমি একে (কুরআন) এক বরকতময় রাতে নাজিল করেছি। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরকৃত হয়। আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা দুখান : আয়াত ১-৬)

কুরআন নাযিলের কারণে মর্যাদার এ রাতের কথা উল্লেখ করার পর যে মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে সে মাসের কথাও আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে উল্লেখ করেছেন এভাবে-

আল্লাহ তায়ালা বলেন: ‘রমজান মাস! এমন একটি মাস যে মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে মানবের মুক্তির দিশারি ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে। ’ (সুরা-২ আল বাকারা, আয়াত: ১৮৫)।

সুতরাং লাইলাতুল ক্বদরের রাতে আল্লাহর ওইসব বান্দারা সবচেয়ে বেশি সম্মানিত ও মর্যাদার অধিকারী হবেন, যাদের সঙ্গে কুরআনের সম্পর্ক বেশি। যিনি কুরআন-সুন্নাহর আলোকেই নিজের জীবন পরিচালিত করবেন। বাস্তবজীবনে কোরআন-সুন্নাহর আমলে সাজাবেন জীবন। আর তারাই হবেন সফল।

রমজানের শেষ দশদিনের যেকোনো বেজোড় রাতে লাইলাতুলকদর তালাশ করা যায়, অর্থাৎ ২১,২৩,২৫,২৭,২৯ রমজান দিবাগত রাতগুলো। তবে অনেক আলেমদের গবেষণা ও ব্যাখ্যায় এবং বুজুর্গানেদ্বীনের মতে ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ সাতাশ তারিখে পবিত্র শবে কদরের অন্যতম সম্ভাব্য রাত।

মর্যাদার এ রাত পেলে মুমিন বান্দা আল্লাহর কাছে কী প্রার্থনা করবেন? কী চাইবেন? এ সম্পর্কে হাদিসের একটি বর্ণনা এভাবে এসেছে- হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলে দিন, আমি লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে তা জানতে পারি, তাতে আমি কী (দোয়া) পড়বো?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে-

উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুয়্যুন; তুহিব্বুল আ'ফওয়া; ফা'ফু আ'ন্নী।’

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

লাইলাতুল কদরের মর্যাদা

লাইলাতুল কদরের মর্যাদা এত বেশি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ রাতটি পাওয়ার জন্য শেষ দশকে আজীবন ইতেকাফ করেছেন।

উম্মতে মুহাম্মদীর উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমি কদরের রাতের সন্ধানে (রমজানের) প্রথম ১০ দিন ইতিকাফ করলাম। এরপর ইতিকাফ করলাম মধ্যবর্তী ১০ দিন। তারপর আমার প্রতি ওহি নাযিল করে জানানো হলো যে, তা শেষ ১০ দিনে রয়েছে। সুতরাং তোমাদের যে ইতিকাফ পছন্দ করবে, সে যেন ইতিকাফ করে। তারপর মানুষ (সাহাবায়ে কেরাম) তাঁর সঙ্গে ইতেকাফে শরিক হয়।’ (মুসলিম শরীফ)

কদর রাতের ফজিলত

মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হওয়ার কারণে অন্যসব মাসের চেয়ে রমজান মাস বেশি ফজিলত ও বরকতময় হয়েছে। আর রমজানের রাতগুলোর মধ্যে কোরআন নাযিলের রাত লাইলাতুল ক্বদর সবচেয়ে তাৎপর্যমণ্ডিত একটি রাত।

এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি একে নাযিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জান ক্বদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সূরা: কদর, আয়াত: ১-৩)।

এ আয়াতের ব্যাখায় মুফাসসিরকুল শিরোমণি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘এ রাতের ইবাদত অন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম’। (তানবিরুল মিকবাস মিন তাফসিরে ইবনে আব্বাসঃ ৬৫৪ পৃষ্ঠা)।

তাবেয়ি মুজাহিদ (র.) বলেন, এর ভাবার্থ হলো, ‘এ রাতের ইবাদত, তেলাওয়াত, দরুদ কিয়াম ও অন্যান্য আমল হাজার মাস ইবাদতের চেয়েও উত্তম। ’

মুফাসসিররা এমনই ব্যাখ্যা করেছেন। আর এটিই সঠিক ব্যাখ্যা। (ইবনে কাসির: ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

শবে কদরের আমল

সুতরাং লাইলাতুল কদর পেলে এ আমল ও দোয়া রাত অতিবাহিত করা জরুরি। তা হলো-

১. নফল নামাজ পড়া।

২. মসজিদে ঢুকেই ২ রাকাত (দুখুলিল মাসজিদ) নামাজ পড়া।

৩. দুই দুই রাকাত করে (মাগরিবের পর ৬ রাকাত) আউওয়াবিনের নামাজ পড়া।

৪. রাতে তারাবির নামাজ পড়া।

৫. শেষ রাতে সাহরির আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।

৬. সম্ভব হলে সালাতুত তাসবিহ পড়া।

৬. সম্ভব হলে তাওবার নামাজ পড়া।

৭. সম্ভব হলে সালাতুল হাজাত পড়া।

৮. সম্ভব হলে সালাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল নামাজ বেশি বেশি পড়া।

৯. কুরআন তেলাওয়াত করা। সুরা কদর, সুরা দুখান, সুরা মুয্যাম্মিল, সুরা মুদ্দাসির, সুরা ইয়াসিন, সুরা ত্বহা, সুরা আর-রাহমান, সুরা ওয়াকিয়া, সুরা মুলক, সুরা কুরাইশ এবং ৪ কুল পড়া।

১০. দরূদ শরিফ পড়া।

১১. তাওবাহ-ইসতেগফার পড়া। সাইয়্যেদুল ইসতেগফার পড়া।

১১. জিকির-আজকার করা।

১২. কুরআন-সুন্নায় বর্ণিত দোয়াপড়া।

১৩. পরিবার পরিজন, বাবা-মা ও মৃতদের জন্য দোয়া করা, কবর জেয়ারত করা।

১৪. বেশি বেশি দান-সদকা করা।

28/03/2023

সেহরি ও ইফতার এ আমরা যে সকল ভূল করি...!

22/03/2023

Alhamdulillah

27/02/2023

- আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি...?
#ইসলাম #ইসলামিক #ইসলামের_বাণী #আল্লাহ

অধিকাংশের দোহাই দেওয়া এসমাজের লোকদের একটা রোগে পরিনত হয়েছে। যেমন কেউ কেউ বলে এত লোক, এত হুজুর সবাই কী ভুল করে? কিছু ইসল...
02/08/2022

অধিকাংশের দোহাই দেওয়া এসমাজের লোকদের একটা রোগে পরিনত হয়েছে। যেমন কেউ কেউ বলে এত লোক, এত হুজুর সবাই কী ভুল করে? কিছু ইসলামী দলতো তো বার বার ধোঁকা দেখেও অধিকাংশের রায় নিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চান।

অথচ তারা একটু ভেবে দেখে না এটা একটা প্রহসন, শয়তানের হাতিয়ার। আল্লাহ তা’আলার আইনের কথা যারা বলে তারা আল্লাহ্‌র দেখানো আইনের বিরুদ্ধে চলে! দেখুন অধিকাংশ সম্পর্কে আল্লাহ পাকের একটা আয়াতই যথেষ্ট ছিল। তথাপিও কথাটা কুরআন ঘুরে ঘুরে বলে তবুও আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।

১। অধিকাংশই বিশ্বাস করে না। (২/সূরা আল বাক্বারাহ, ১০০)

২। মানুষের মধ্যে অধিকাংশই নাফরমান। (৫/সূরা আল মায়েদা, ৪৯)

৩। তাদের অধিকাংশেরই বিবেক বুদ্ধি নেই। (৫/সূরা মায়েদাহ, ১০৩)

৪। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। (৬/সূরা আল আনআম, ৩৭)

৫। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মূর্খ। (৬/সূরা আল আনআম, ১১১)

৭। আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবেন না। (৭/সূরা আল আ’রাফ, ১৭)

৮। আর তাদের অধিকাংশ লোককেই আমি প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নকারীরূপে পাইনি; বরং তাদের অধিকাংশকে পেয়েছি হুকুম অমান্যকারী। (৭/সূরা আল আ’রাফ, ১০২)

৯। অধিকাংশই জানে না। (৭/সূরা আল আ’রাফ, ১৩১)

১০। কিন্তু তাদের অধিকাংশই সে বিষয়ে অবহিত নয়। (৮/সূরা আল আনফাল, ৩৪)

১১। তাদের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী। (৯/সূরা আত তাওবাহ, ৮)

১২। তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোনো কাজেই আসে না।

১৩। বরং তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না; অতএব তারা টালবাহানা করে। (২১/সূরা আম্বিয়া, ২৪)

১৪। তাদের অধিকাংশ সত্যকে অপছন্দ করে। (২৩/সূরা আল মুমিনূন, ৭০)

১৫। আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ শোনে অথবা বোঝে? তারা তো চতুস্পদ জন্তুর মত; বরং আরও পথভ্রান্ত। (২৫/সূরা আল ফুরকান, ৪৪)

১৬। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়। (২৬/সূরা আশ শো’আরা, ৮)

১৭। তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী। (২৬/সূরা আশ শো’আরা, ২২৩)

১৮। তাদের অধিকাংশই জানে না। (২৭/সূরা নমল, ৬১)

১৯। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। (২৮/সূরা আল কাসাস, ৫৭)

২০। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বোঝে না। (২৯/সূরা আল আনকাবুত, ৬৩)

২১। তাদের অধিকাংশই জ্ঞান রাখে না। (৩০/আর রূম, ৬)

২২। তাদের অধিকাংশই জ্ঞান রাখে না। (৩১/সূরা লোকমান, ২৫)

২৩। তাদের অধিকাংশের জন্যে শাস্তির বিষয় অবধারিত হয়েছে। সুতরাং তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না। (৩৬/সূরা ইয়াসীন, ৭)

২৪। তাদের পূর্বেও অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হয়েছিল। (৩৭/সূরা আস সাফফাত, ৭১)

২৫। অতঃপর তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তারা শুনে না। (৪১/সূরা হামীম সেজদাহ, ৪)

২৬। আমি তোমাদের কাছে সত্যধর্ম পৌঁছিয়েছি; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যধর্মে নিস্পৃহ! (৪৩/সূরা যুখরুফ, ৭৮)

২৭। আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, অতঃপর মৃত্যু দেন, অতঃপর তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না। (৪৫/সূরা আল জাসিয়া, ২৬)

২৮। অধিকাংশই অবুঝ। (৪৯/সূরা আল হুজরাত, ৪)

২৯। সুতরাং, আপনি কি মনে করেন তাদের অধিকাংশ শুনে অথবা বুঝে? তারা চতুষ্পদ জন্তুর মতো বরং আরও পথভ্রান্ত। (২৫:৪৪)

৩০। অধিকাংশই জানে না। (৩৪:২৮,৩৬)

৩১। তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর। তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ। (সূরা আল আ’রাফ:১৭৯)

৩২। বস্তুত তারা অধিকাংশই অনুমানের উপর চলে। (১০:৩৬)

৩৩। তারা আল্লাহর আয়াতকে বানচাল করার চেষ্টা করে। (সাবা ৫)

৩৪। তারা আল্লাহর আয়াত নিয়ে বিতর্ক করে (৪০:৩৫,৫৬)

৩৫। কাফেররাই আল্লাহর আয়াত নিয়ে বিতর্ক করে। (৪০:৪)

৩৬। অধিকাংশ আল্লাহকে বিশ্বাস করে কিন্তু সাথে শিরিকও করে। (সূরা ইউসুফ- ১০৬)

৩৭। সুতরাং অধিকাংশের কথা মতো চলো তা হলে তারা তুমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে ফেলবে। (সূরা আনআম- ১১৬)

৩৮। এরাই তারা যারা কুরআনকে প্রলাপ সাব্যস্ত করেছে ফুরকান ৩০। (সূরা ইউনুস/১০, ৩৬)

৩৯। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না। (১২/সূরা ইউসুফ, ২১)

৪০। অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত ব্যাপার সম্পর্কে অবগত নয়। (১২/সূরা ইউসুফ, ৬৮)

৪১। আপনি যতই চান না কেন, অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়। (১২/সূরা ইউসুফ, ১০৩)

৪২। অধিকাংশ মানুষ আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে। (১২/সূরা ইউসুফ, ১০৬)

৪৩। অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না। (১৩/সূরা রাদ, ১)

৪৪। তারা আল্লাহর অনুগ্রহ চিনে, এরপর অস্বীকার করে এবং তাদের অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ। (১৬/সূরা নাহল, ৮৩)

৪৫। তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না। (১৬/সূরা নাহল, ১০১)

৪৬। কিন্তু অধিকাংশ লোক অস্বীকার না করে থাকেনি। (১৭/সূরা বনী ইসরাঈল, ৮৯)

লেখক : মুরাদ বিন আমজাদ

23/07/2022

ইসলামে সালাম দেওয়ার একটাই পদ্ধতি। সেটা হচ্ছে মুখে সালাম দেওয়া। কেননা, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, السَّلَامُ قَبْلَ الْكَلَامِ সবধরণের কথার আগে সালামের ব্যবহার হবে। (তিরমিযি ২৬৯৯)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, لا تأذنوا لمن لا يبدأ بالسلام যে ব্যক্তি সালাম দিয়ে কথা শুরু করে না, তোমরা তাকে কথা বলার অনুমতি দিয়ো না। (মুসনাদ আবু ইয়া’লা ১৮০৯)

ইসলামে পা ধরে বা অন্য কোনো উপায়ে সালাম দেওয়ার কোনো বিধান নেই। পা ধরে সালাম দেওয়া ইসলামি পদ্ধতি নয়। ইসলাম এই সালাম আমাদের শিক্ষা দেয় নি। এটা স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি কিংবা বাবা-মা কারো জন্যই জায়েজ নেই। সবাইকে মুখেই সালাম দেওয়ার নিয়ম ইসলাম জায়েয করেছে।

23/07/2022
22/07/2022

ইসলাম (আরবি: الإسلام‎‎‎) শব্দটি এসেছে আরবি س-ل-م থেকে যার দু'টি অর্থ।

শান্তি

আত্মসমর্পণ করা।

বলা হয় ইসলাম হলো শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এক ও অদ্বিতীয় মহাপ্রতিপালক (আল্লাহ)-এর সমীপে সার্বিক দিক থেকে আত্মসমর্পণ করা।

সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বলা যায়:- ইসলাম সত্য ও ন্যায়বিচারের ধর্ম।

20/07/2022

ঘুমানোর আগে মহানবী সাঃ যে আমলটি করতেন।
#ইসলাম

19/07/2022

Address

Singapore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামের বাণী-Islamer Bani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category