15/06/2024
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির I
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD Rasel, Education Website, .
15/06/2024
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির I
একদিন নবী করিম (সাঃ)এর একজন সাহাবী মারা গেলেন
রাসূল পাক (সাঃ) উনার জানাজা পড়ালেন I তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেন I সবার সাথে আমাদের নবী করিমও (সাঃ)হেঁটে হেঁটে আসলেন I
দুই জন সাহাবী কবর খুঁড়তে শুরু করলেন I
সবাই মৃত দেহকে ঘিরে বসে আছেন I
কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন I
সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতি I
নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন একটু পর সবার দিকে তাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
"তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয় ?"
সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীজি কে বললেন,
-ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমাদেরকে বলুন I
নবীজি একটু চুপ করে থাকলেন I সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেন I মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাঁদের জানা ছিল না I আজ সেটা নবীজির মুখে শুনবেন I কত বড় সৌভাগ্য I শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীজির কাছে এসে বসলেন I
তিনি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন
তারপর তিনি গল্পের মত করে বলতে শুরু করলেনI
"শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায় I কিন্তু যে বিশ্বাসী ও ভালো মানুষ তাকে মৃত্যুর ফেরেস্তা হাসি মুখে সালাম দেন I তাকে অভয় দেন এবং মাথার পাশে এসে ধীরে ও যত্ন করে বসেন I তারপর মৃত প্রায় মানুষটির দিকে তাকিয়ে বলেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! তুমি তোমার পালনকর্তার ক্ষমা ও ভালোবাসা গ্রহণ করো এবং এই দেহ থেকে বের হয়ে আসোI
মুমিনের আত্মা যখন বের হয়ে আসে তখন সে কোন ধরণের ব্যথা ও বেদনা অনুভব করে না I
নবী আরো একটু ভালো করে উদাহরণ দিয়ে বললেন,
-মনে করো একটা পানির জগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর উপর থেকে এক ফোঁটা পানি যেমন নিঃশব্দে উপর থেকে নিচে নেমে আসে ঠিক তেমনি নীরবে ও কষ্ট ছাড়াই আত্মাটি তার দেহ থেকে বের হয়ে আসেI
সেই সময় দুই জন অন্য ফেরেস্তা বেহেস্ত থেকে খুব সুগন্ধি মাখানো একটা নরম সুতার সাদা চাদর নিয়ে আসেন এবং তারা আত্মাটিকে সেই চাদরে আবৃত করে আকাশের দিকে নিয়ে যান I
তারা যখন আকাশে পৌঁছেন তখন অন্য ফেরেস্তারা সেই আত্মাটিকে দেখার জন্য এগিয়ে আসেনI
কাছে এসে সবাই বলেন,
সুবহানাল্লাহ ! কত সুন্দর আত্মা, কি সুন্দর তার ঘ্রান !
তারপর সবাই জানতে চান,
-এই আত্মাটি কার ?
উত্তরে আত্মা বহন কারী ফেরেস্তারা বলেন,
-উনি হলেন, "ফুলান ইবনে ফুলান"
(নবী আরবিতে বলেছেন, বাংলায় হলো, "অমুকের সন্তান অমুক" )
বাকি ফেরেস্তা গন তখন আত্মাটিকে সালাম দেয়, তারপর আবার জিজ্ঞেস করে,
-উনি কি করেছেন ? উনার আত্মায় এতো সুঘ্রাণ কেন ?
আত্মা বহন কারী ফেরেস্তা গন তখন বলেন,
-আমরা শুনেছি মানুষজন নিচে বলা-বলি করছে, উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, আল্লাহর ভালো বান্দা, অনেক দয়ালু, মানুষের অনেক উপকার করেছেন I
এতটুকু বলার পর নবী একটু থামলেন I
তারপর সবার দিকে ভালো করে দৃষ্টি দিয়ে, উনার কণ্ঠটা একটু বাড়িয়ে বললেন,
এই কারণেই বলছি, সাবধান ! তোমরা কিন্তু মানুষের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে না I
তুমি মারা যাওয়ার পর মানুষ তোমার সম্পর্কে যা যা বলবে, এই আত্মা বহন কারী ফেরেস্তারাও আকাশে গিয়ে ঠিক একই কথা অন্যদেরকে বলবেI
এই কথা বলে তিনি আবার একটু চুপ করলেন, কবরটার দিকে দৃষ্টি দিলেন I
আবার বলতে শুরু করলেন I
এই সময় মানুষ যখন পৃথিবীতে মৃত দেহকে কবর দেয়ার জন্য গোসল দিয়ে প্রস্তুত করবে তখন আল্লাহ তা'আলা আত্মা বহন কারী ফেরেশতাদেরকে বলবেন, "যাও , এখন তোমরা আবার এই আত্মাকে তার শরীরে দিয়ে আসো, মানুষকে আমি মাটি থেকে বানিয়েছি, মাটির দেহেই তার আত্মাকে আবার রেখে আসো I সময় হলে তাকে আমি আবার পুনরায় জীবন দিবো I"
তারপর মৃতদেহকে কবরে রেখে যাওয়ার পর দুই জন ফেরেস্তা আসবেন I তাদের নাম মুনকার ও নাকির I
তারা মৃতের সৃষ্টিকর্তা, তার ধর্ম ও নবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন I
মুনকার নাকির চলে যাওয়ার পর,
আত্মাটি আবার অন্ধকার কবরে একাকী হয়ে যাবে I
সে এক ধরণের অজানা আশংকায় অপেক্ষা করবে I কোথায় আছে ? কি করবে ? এক অনিশ্চয়তা এসে তাকে ঘিরে ধরবে I
এমন সময় সে দেখবে, খুব সুন্দর একজন তার কবরে তার সাথে দেখা করতে এসেছেন I
তাঁকে দেখার পর আত্মাটি ভীষণ মুগ্ধ হবে I এতো মায়াবী ও সুন্দর তার চেহারা, সে জীবনে কোন দিন দেখেনি I
আত্মাটি তাকে দেখে জিজ্ঞেস করবে,
-তুমি কে ?
সেই লোকটি বলবে,
-আমি তোমার জন্য অনেক বড় সু- সংবাদ নিয়ে এসেছি, তুমি দুনিয়ার পরীক্ষায় উর্তীর্ণ হয়েছো, তোমার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের ব্যবস্থা করেছেন, তুমি কি সেটা একটু দেখতে চাও?
আত্মাটি ভীষণ খুশি হয়ে বলবে,
-অবশ্যই আমি দেখতে চাই, আমাকে একটু জান্নাত দেখাও I
লোকটি বলবে,
-তোমার ডান দিকে তাকাও I
আত্মাটি ডানে তাকিয়ে দেখবে কবরের দেয়ালটি সেখানে আর নেই I সেই দেয়ালের দরজা দিয়ে অনেক দূরে সুন্দর বেহেস্ত দেখা যাচ্ছে I
বেহেস্তের এই রূপ দেখে আত্মাটি অনেক মুগ্ধ হবে ও প্রশান্তি লাভ করবে I
এবং সেখানে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করবে,
-আমি সেখানে কখন যাবো ? কিভাবে যাবো ?
লোকটি মৃদু হেসে বলবেন,
- যখন সময় হবে, তখনই তুমি সেখানে যাবে ও থাকবেI আপাততঃ শেষ দিবস পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে I ভয় পেও নাI আমি তোমার সাথেই আছি I তোমাকে আমি সেই দিন পর্যন্ত সঙ্গ দিবো I
আত্মাটি তখন তাকে আবারো জিজ্ঞেস করবে,
-কিন্তু তুমি কে ?
তখন লোকটি বলবে,
-আমি তোমার এতদিনের আমল, পৃথিবীতে তোমার সব ভালো কাজের, তোমার সব পুণ্যের রূপ আমি, আজ তুমি আমাকে একজন সঙ্গীর মত করে দেখছো I আমাকে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্যই এখানে পাঠিয়েছেন I
এই কথা বলে, লোকটি আত্মাটির উপর যত্ন করে হাত বুলিয়ে দিবেন
এবং বলবেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! এখন তুমি শান্তিতে ঘুমাও I নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নাও I
এই কথা বলার পর, আত্মাটি এক নজরে বেহেস্তের দিকে তাঁকিয়ে থাকবে এবং একসময় এই তাকানো অবস্থায় গভীর প্রশান্তিতে ঘুমিয়ে পড়বে I
নবীজি এতটুকু বলে আবার একটু থামলেনI
সাহাবীরা তখন গায়ের কাপড় দিয়ে ভেজা চোখ মুছলেন I
(বুখারী ও মুসনাদের দুইটি হাদিস অবলম্বনে)
আল্লাহ আমাদের পবিত্র আত্মা হওয়ার তাওফিক দান করুন.........আমীন।
©️
10/04/2024
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। পরিবার বিহীন ১৫ তম বছরের ঈদ সিঙ্গাপুরে।
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।
22/10/2022
স্বল্প মজুরি, বিনিময়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম- এ কারণে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের বেশ কদর রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৫ লাখ জনশক্তি রপ্তানি করে থাকে। জনশক্তি রপ্তানিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার মালয়েশিয়া। এরপরই উঠে আসে সিঙ্গাপুরের নাম। প্রতি বছর গড়ে ৩০-৪০ হাজার জনশক্তি রপ্তানি হয় দেশটিতে। ভবন নির্মানসহ বিভিন্ন কারিগরি ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বেশ কদর রয়েছে সিঙ্গাপুরে। তবে এসব কাজ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তার ওপর নিম্নমানের জীবনযাপন, তুলনা মুলক কম মজুরি আর চাকরি হারানোর বিড়ম্বনা তো আছেই।
সম্প্রতি দুটি মানবাধিকার সংস্থা সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছে জাতিসংঘে। এক প্রতিবেদনে সংস্থা দুটি অভিযোগ করে, বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ সিঙ্গাপুরে আজও কিভাবে অবহেলিত শ্রমিকরা। সিঙ্গাপুরে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক চীনের। প্রায় দুই লাখ শ্রমিক কাজ করে সেখানে। এছাড়া ভারত, ভুটান এবং বাংলাদেশের শ্রমিকদের সংখ্যাও কম না। তবে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক কম মজুরিতে কাজ করছে বাংলাদেশ থেকে আসা শ্রমিকরা। যেখানে ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশের শ্রমিকরা পাচ্ছেন মাসে দুই থেকে চার হাজার সিঙ্গাপুর ডলার। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিকরা পাচ্ছেন মাত্র ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার। আবার কাজের ক্ষেত্রেও অন্যান্য দেশের শ্রমিকদের চেয়ে বাড়তি কাজ করতে হচ্ছে বাংলাদেশিদের। আন্তর্জাতিক শ্রম আইনে দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের সময় নির্ধারিত থাকলেও, বিদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সে নিয়মের তোয়াক্কা করে না সিঙ্গাপুরের কোম্পানিগুলো। গড়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা কাজ করানোর অভিযোগ আছে বেশকিছু কোম্পানির বিরুদ্ধে। তবে এজন্য অধিকাংশ কোম্পানি ওভার টাইম বা বাড়তি মজুরি দেয় না। আর অনিয়মের সেই দৌঁড়ে সব চেয়ে এগিয়ে নির্মান কোম্পানিগুলো।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংস্থা আইএলও’র মতে সিঙ্গাপুরে প্রায় ১৩ লাখ বিদেশি কর্মরত আছেন। এরমধ্যে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বেশ বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। তবে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর দিন কাটে নিদারুন কষ্টে। নিম্নমানের বাসস্থান আর খাদ্য সংকটের মধ্যে অমানবিক পরিশ্রম করতে হয় তাদের। আইএলও’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪ লাখ মানুষ কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমান। এদের অনেকেই দেশে ফিরে আসেন শুধুমাত্র কর্মপরিবেশ অনুকূলে না থাকায়। একটি বেসরকারি সংস্থার তথ্যমতে গত বছর সরকারিভাবে ও বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশি সিঙ্গাপুর গেছেন। এদের অনেকেরই অবস্থা বেশ নাজুক। চুক্তি অনুযায়ী এজেন্ট কোম্পানিগুলোকে সাড়ে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে তাদের। এরপরও প্রতিমাসে মজুরির একটি অংশ ওই এজেন্ট কোম্পানির অ্যাকাউন্টে জমা করতে হয়। তাছাড়া কোম্পানিগুলোর অধিনেই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে নিম্নমানের খাবার আর বাসস্থান জুটেছে অনেকের ভাগ্যে। প্রতিবাদ করলে চাকরি হারানোর ভয় ভীতির পাশাপাশি চলে শারিরিক নির্যাতন। বিভিন্ন সময় সিঙ্গাপুর থেকে আসা শ্রমিকদের অনেকেই অভিযোগ করেন, চুক্তি শেষ হলেও জোর করে তাদের আটকে রাখা হতো। বড় বড় দালানগুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে বাধ্য করা হতো তাদের। এ বিষয়ে নিজ দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। উল্টো অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে সিঙ্গাপুরের কারাগারে।
তার ওপর সম্প্রতি, মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর সঙ্গে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত কয়েকজন বাঙ্গালির যোগযোগের অভিযোগ নিয়ে আরও বিড়ম্বনায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা। দেশটির পুলিশের নানাভাবে হয়রানির সঙ্গে দেশি দালালদের উৎপাতে ওষ্ঠাগত তাদের জীবন। এরমাঝেও অনেকে আবার দূতাবাসের সহযোগিতায় ফিরে এসছেন নিজ দেশে। তবে সে সংখ্যা খুব বেশি নয়। সম্প্রতি জাতিসংঘ সিঙ্গাপুরে নির্যাতিত শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানায়। তবে বিষয়টি নিয়ে সরকারের তেমন কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
যদিও সরকারের একটু উদ্যোগই পারে অসহায় এ মানুষগুলোর জীবনের দুঃস্বপ্ন মুছে দিয়ে কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণে।তবে, প্রবাসীদের প্রতি এমন উদাসিনতায় একটি প্রশ্ন বার বারই উঠে আসে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, অক্লান্ত পরিশ্রম করে- দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বড় একটা অংশ পূরণে ভুমিকা রাখেন যে মানুষগুলো, তাদের প্রতি কি কোন দায়বদ্ধতা নেই আমাদের?
02/07/2017
16/10/2016