Our BISCR

Our BISCR Our glorious School

25/08/2026

জেদ্দা স্কুলে এক সরকারদলীয় বিওডি মেম্বার নাকি স্কুলে কাফালা বহির্ভূত শিক্ষক-কর্মচারি কর্মরত থাকার অজুহাতে নিজে মক্তব আমল ডেকে এনে ৭০ হাজার রিয়াল জরিমানা করিয়েছে!! বাহ বাঙালী বাহ!

সৌদিতে প্রত্যেক কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে ২/৪ জন ফ্রী ভিসার লোক থাকেই। প্রতিষ্ঠানগুলো নিতাকাত, কাফালা জনিত সমস্যা কিংবা ইকামা ফি সাশ্রয়ের জন্য ফ্রী ভিসার লোক রাখে।

কিন্তু আমরা এমন এক আত্মঘাতি জাতি ভিন্নমত হলে তার জীবনকে নরক বানাতে পিছপা হইনা।

এমন জানোয়ার শুধু জেদ্দাতে নয়, সর্বত্র ভুরি ভুরি।

Late update অবশেষে প্রিন্সিপাল মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সকল শিক্ষক-কর্মচারির ইকামা নবায়ন সম্ভব হয়েছে এবং সবাই যথারীতি ...
26/07/2026

Late update
অবশেষে প্রিন্সিপাল মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সকল শিক্ষক-কর্মচারির ইকামা নবায়ন সম্ভব হয়েছে এবং সবাই যথারীতি দেশে যেতে পেরেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ।

23/07/2026

Biscr Corruption এর অপপ্রচার ষড়যন্ত্র চক্রান্ত থামছেই না!

BISCR corruption সংশ্লিষ্ট দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য প্রমাণ ভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর তারা বেসামাল আচরণ শুরু করেছে। তারা কখনো সাবেক কোনো বিওডি মেম্বার কখনো একজন শিক্ষক আবার কখনো আন্দাজে কোনো স্টুডেন্টকে এই পেজের এডমিন বলে অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ছে। যদিও এই পেজে প্রচারিত সকল পোস্ট ততথ্যভিত্তিক এবং প্রামাণ্য। তারা এই পেজের যৌক্তিক পোস্টগুলো যুক্তি প্রমাণ দিয়ে খন্ডন না করে বখাটেপনা গালিগালাজ এবং মিথ্যাচার করে কম্যুনিটিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে।

সর্বশেষ স্কুলের সম্মানিত এডমিন স্টাফকে জড়িয়ে তারা আরেকটি নাটক মঞ্চায়ন শুরু করেছে, যার কোনোই ভিত্তি নেই। সংশ্লিষ্টদের মতে পোস্টকৃত ছবিগুলো তার ফেজবুক বা হোয়াটসএপ থেকে নেয়া এবং এডিট করা। স্কুলের অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষসহ বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিদের বিতর্কিত করার মতই এটা আরেকটা নোংরা খেলা।

আমরা অত্যন্ত দব্যার্থহীন ভাষায় বলতে চাই, এই পেজের এডমিন প্যানেলে স্কুল কর্মরত কারও সংশ্লিষ্টতা নেই, এটা স্কুলের শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সমন্বিত পেজ। এই পেজ কখনোই কোনো মিথ্যা বানোয়াট কিংবা অযৌক্তিক কন্টেন্ট প্রচার করেনা। এডমিন প্যানেলের কাছে অনেকের বিষয়ে প্রমাণিত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু ব্যক্তি বিশেষের সম্মান বিবেচনায় সেসব প্রচার থেকে বিরত থেকেছে কারণ আফটার অল সবাই একই কম্যুনিটির মানুষ।

বাংলা স্কুল হতে বরখাস্তকৃত বখাটে আলমামুন প্রসঙ্গ - প্রথম পর্বআলমামুনকে শিক্ষক না বলে টোকাই বখাটে কিংবা গ্যাংস্টার বলাই ভ...
16/07/2026

বাংলা স্কুল হতে বরখাস্তকৃত বখাটে আলমামুন প্রসঙ্গ - প্রথম পর্ব

আলমামুনকে শিক্ষক না বলে টোকাই বখাটে কিংবা গ্যাংস্টার বলাই ভালো। তার চলন বলন শব্দ চয়ন এবং চিন্তা কোনো কিছুই শিক্ষকসূলভ নয়। শিক্ষকদের মধ্যে যে আদর্শিক চিন্তা, ভদ্রোচিত ব্যবহার এবং অভিজাত ব্যক্তিত্ব থাকে, আলমামুনের মধ্যে তার ছিঁটেফোটাও নেই। সে আপাদমস্তক একজন গ্যাংস্টার, সাইবার সন্ত্রাসী এবং ছিঁচকে মাস্তান। গত ২/৩ বছরে স্কুলের অভ্যন্তরে যে সকল ঘটন-অঘটন ঘটেছে তার সবকিছুর নেপথ্য নায়ক আলমামুন নামক এই বখাটে।

সূত্রমতে, স্কুল পাড়ায় থাকার সুবাধে আলমামুন স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকের সাথে উদ্দেশ্যমূলক সখ্যতা গড়ে তোলে। তার মধ্য হতে যারা তার কাছে প্রাইভেট পড়ে অথবা যে কোনো কারণে স্কুলের প্রতি বিরূপ ভাবাপন্ন (মাদক বা অসদাচরণের দায়ে বহিস্কৃত, নকল বা বিশৃঙ্খলার দায়ে তিরস্কৃত) তাদের কে হাত করে নানান পরিকল্পনা সাজায়, কিভাবে স্কুলে যে কোনো ধরণের অঘটন ঘটানো যায় কিংবা বিশেষ বিশেষ শিক্ষকদের ফাঁদে ফেলে তাদের এবং স্কুলের দূর্ণাম রটানো যায়। এই সমগ্র পরিকল্পনাগুলোর প্রচ্ছন্ন আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা হলো সদ্য বহিস্কৃত এসএমসির চেয়ারম্যান রোকন এবং তাদের গ্যাং রফিক, সেলিম, আবুবকর গং কারণ নির্বাচন পূর্ববর্তী স্কুল বা স্কুলের বিওডি'র বিরুদ্ধে যেসব দুর্ণাম রটানো হয়েছে তার প্রত্যক্ষ বেনিফিশিয়ারি তারা, তারাই এসব ইস্যুকে পুঁজি করে সাবেক বিওডি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তুলতো এবং স্কুলের অভ্যন্তরে এসে বিশৃঙ্খলা করতো। এরাই আলমামুনসহ পারস্পরিক যোগসাজশে গত দুই বছর ধরে স্কুলের বিরুদ্ধে সাইবার সন্ত্রাস চালিয়েছে, যদিও উথ্থাপিত কোনো অভিযোগেরই কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত হাজির করতে পারেনি।

তার ষড়যন্ত্রে সংঘটিত অঘটনের মধ্যে আর্টস অ্যান্ড ক্রাফ্টসের শাহীন স্যারের ঘটনাটি অন্যতম। এই ঘটনাটি একদমই সাজানো ঘটনা, কারণ ভিক্টিম মেয়েটি দীর্ঘ্যদিন ধরে আলমামুনের কাছে প্রাইভেট পড়ে, তার পরিকল্পনাতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, যাতে বিওডি কর্তৃক নিয়োগকৃত নতুন শিক্ষকদের খারাপ ভাবে চিত্রিত করা যায়।

জানা গেছে, আলমামুন আরও কিছু শিক্ষকের চরিত্রে কালিমা লেপনের চেস্টা করেছিল তম্মোধ্যে গণিতের নতুন শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম স্যার, ভাইস প্রিন্সিপাল কাওসার স্যার, মাফি স্যার, আনোয়ার স্যার এবং প্রিন্সিপাল অন্যতম। সে ভেবেছিল কোনো ভাবে কাওসার বা আব্দুল কাইয়ুম স্যারকে সরাতে পারলে সে আবার পূনরায় স্কুলে প্রবেশ করতে পারবে কিন্তু তাদেরকে কোনো ফাঁদে ফালানো সম্ভব হয়নি। মাফি স্যারকে বিতর্কিত করা, অধ্যক্ষের ব্যাটমিন্টন খেলা নিয়ে তিলকে তাল করা; এই সবকিছুর পেছনে রয়েছে আলমামুনের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র।

সর্বশেষ মেয়েলি ঘটনার জেরে নিরাপদে দেশে পাঠানোর শর্তে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষগণ শাহীন স্যার হতে জোরপূর্বক ৩০ হাজার রিয়াল হাতিয়ে নেয়ার এক আষাঢ়ে গল্প তৈরি করে এই আলমামুন এবং এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পত্রও সে নিজ হাতে ড্রাফট করে শাহীন স্যারকে পাঠায় যেনো সে দূতাবাসসহ বিভিন্ন জায়গায় এটা পাঠাতে পারে। তার ধারণা ছিলো এধরণের মারাত্মক অভিযোগ দায়ের করলেই সংশ্লিষ্টদের চাকরি চলে যাবে এবং সে অনায়াসেই স্কুলে ঢুকে পড়বে, কিন্তু মাসিক ২৩০০ রিয়াল বেতনে মাত্র ১১ মাস কাজ করা একটা লোক ৩০ হাজার রিয়াল কোথায় পেলো এই প্রশ্নে তাদের মিথ্যাচার ধরা পড়ে যায় এবং আলমামুন -বক্কর গংদের ষড়যন্ত্র মাঠে মারা যায়।

(আরও ভয়ংকর তথ্য আসছে আগামি পর্বে)

16/07/2026

বাংলা স্কুলের বয়োজৈষ্ঠ প্রিন্সিপালের একটি ভিডিও নিয়ে কিছু বখাটের বখাটেপনা অনলাইনে দেখা যাচ্ছে। এটা তাদের অসুস্থ নোংরা মানসিকতার বহি:প্রকাশ। কারো মানসিকতা কতটা কুতসিত হলে একটি মামুলি বিষয়কে এতটা জঘন্য ভাবে উপস্থাপন করতে পারে এটা তার প্রমাণ। এবিষয়ে আমাদের পর্যবেক্ষণ হলো:

১) তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং একজন বয়োজৈষ্ঠ ব্যক্তি। দেশের প্রায় সকল উল্লেখযোগ্য ক্যাডেট কলেজে ৩০ বছর সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেছেন এবং সর্বশেষ তিনি ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে শিক্ষকতা অবস্থায় অত্র স্কুলে যোগদান করেছেন। যে বা যারা প্রতিহিংসামূলক ভাবে তার বিরুদ্ধে এসব কুতসা রটাচ্ছে, তারা তার কর্মস্থলগুলোর ঝাড়ুদার হবারও যোগ্যতা রাখেনা।

২) অধ্যক্ষ মহোদয় তার সন্তানতুল্য স্নেহবৎসল শিক্ষার্থীদের অনুরোধে তাদের অনুপ্রেরণা দিতে খেলেছেন এবং তা ছিলো কয়েক সেকেন্ড মাত্র এবং তা প্রকাশ্য দিবালোকে জনসমক্ষে।

৩) যে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে সেটা স্কুলের স্পোর্টস সপ্তাহ চলাকালীন সময়ের। একই দিন একই সময়ে সেখানে আরও শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের একাধিক টিম খেলায় অংশ নিয়েছে, এটা স্রেফ অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল। তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে ছোটো বড় সবার মেশার চেষ্টা করেন, শিক্ষার্থীরা তার আন্তরিক ব্যবহারের কারণে প্রচন্ড রকম পছন্দ করে, এটাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৪) কিন্তু অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভিডিও না দিয়ে শুধুমাত্র অধ্যক্ষের কাটপিস ভিডিও দিয়ে যা করা হচ্ছে তা উদ্দেশ্যমূলক এবং হতে পারে বিশেষ কারো পরিকল্পনাতেই তাকে বিতর্কিত করতেই এই ভিডিও করা হয়েছে।

৫) তাছাড়া এ ঘটনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো শিক্ষার্থী কিংবা তার অভিভাবক কোথাও কোনো অভিযোগ করেননি, কারণ এটা ছিল স্বতস্ফুর্ত সাধারণ একটা বিষয়। কিন্তু যে বা যারা এটা নিয়ে নোংরামি করছে তাতে বরং তাদের নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য এবং কদর্য চরিত্রই ফুটে উঠেছে।

তবে আমরা মনে করিনা কাজটি উচিত হয়েছে, তিনি না খেললেই ভালো করতেন, তিনি হয়তো বুঝতে পারেননি যে ক্যাডেট কলেজের পরিবেশ আর এখানকার পরিবেশ এক নয়।

সর্বোপরি গত ২ বছর ধরে Biscr Corruption পেজে যেভাবে স্কুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অতিরঞ্জিত অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তাতে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেনা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কম্যিউনিটির এই প্রতিষ্ঠানটি। তাদের এহেন আত্মঘাতী অপপ্রচারের কারণে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে, যার মূল্য দিতে হবে পুরো কম্যুনিটিকে।

ব্রেকিং নিউজ !!!সৌদি শিক্ষা মন্ত্রনালয় গত ১২ জুলাই ২০২৬ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রোকুনুজ্জামানের বিওডি ভেঙ্গে দিয়েছে। মন্ত...
15/07/2026

ব্রেকিং নিউজ !!!

সৌদি শিক্ষা মন্ত্রনালয় গত ১২ জুলাই ২০২৬ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রোকুনুজ্জামানের বিওডি ভেঙ্গে দিয়েছে। মন্ত্রনালয়ের নিয়মানুযায়ি এখন থেকে প্রিন্সিপালের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি আরেকটি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তিকালীন দায়িত্ব পালন করবেন।

রোকুনুজ্জান চলে গেছে কিন্তু মাত্র ৩ মাসে তার ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণ, প্রতিহিংসাপরায়ণতা, স্বেচ্চাচারিতা, দুর্ব্যবহার, অবৈধ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং শিক্ষকদের মধ্যে প্রকাশ্য স্বপক্ষ-বিপক্ষ দ্বন্ধ তৈরি করে স্কুলের যে ক্ষতি করেছে তা অপূরণীয়।

জানা গেছে তার অপর সদস্য তাসনিয়া বেলাল একজন মহিলা হলেও তার আচার-ব্যবহারে নম্রতা ভদ্রতার লেশ মাত্রও ছিলোনা। তারা ভেবেই নিয়েছিল বিওডি মানেই দারোগাগিরী কর্তৃত্বপরায়ণতা, যাকে তাকে ধমকানো আর শাসানো আর শিক্ষকদের কর্মকান্ডে হস্তক্ষেপ এবং অযাচিত খবরদারি।

এই ভদ্রমহিলার পাবলিক বক্তৃতার একটি অডিও টেপ আমাদের হাতে এসেছে। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক ঘন্টা ৬ মিনিটের দীর্ঘ্য বক্তৃতায় সে প্রিন্সিপালের উপর যেভাবে চড়াও হয়েছে, তা সভ্যতা ভব্যতার সকল সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এধরণের আচরণ কেবল বস্তির কোনো ঝগড়াটে মহিলার সাথেই মানায়।

সর্বশেষ আমরা আশাকরি প্রিন্সিপাল মহোদয় সকল শিক্ষক-কর্মচারিদের আস্থায় নিয়ে মিলে মিশে নিরপেক্ষতার সাথে শুধুমাত্র স্কুলের কল্যাণে স্কুলের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজ করবেন, শিক্ষকদের ইকামা নবায়নে জোর প্রচেস্টা চালাবেন এবং রোকুনুজ্জামানের অবৈধ পর্ষদের গৃহীত শিক্ষক বরখাস্তসহ অন্যান্য অন্যায় অযৌক্তিক প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্তগুলো পূনঃবিবেচনা করেবেন।

সবার জন্য অনিশেষ শুভকামনা।

12/07/2026

"কথিত অভিজ্ঞ শিক্ষকরা টিউশন পড়াতে পড়াতে স্কুলে আসে এবং ক্লাসে না পড়িয়ে টিউশন পড়াতে পড়াতে বাসায় যায়"
অসাধারণ বলেছেন ভাই।
(ইনবক্স)

বাংলা স্কুলের শিক্ষকদের আহাজারি- ৩(৬ জন শিক্ষক কর্মচারী বরখাস্ত)বাংলা স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয়েছে, ছুটি শুরু হলেও ই...
12/07/2026

বাংলা স্কুলের শিক্ষকদের আহাজারি- ৩
(৬ জন শিক্ষক কর্মচারী বরখাস্ত)

বাংলা স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয়েছে, ছুটি শুরু হলেও ইকামা রিনিউ না করার ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা দেশে যেতে পারছেন না এবার। তার উপর ৬ জন শিক্ষক_কর্মচারীকে ছুটির দিনই চাকুরিচ্যুত করে "ভাত দেবার মুরোদ নেই কিল মারার ঘোসাই" এর ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে রোকুনুজ্জামানের অবৈধ পর্ষদ এবং অত্যন্ত চতুরতার সাথে প্রতারণামূলক ভাবে এই ৬জন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের নোটিশ দিয়ে তাদের প্রাপ্য ৬০ দিনের পেইড নোটিশ পিরিয়ড হতে বঞ্চিত করা হয়েছে। এখন কেউ যদি সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতে তাদের এই অবৈধ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ারম্যানগিরী একদম ছুটে যাবে।

তাছাড়া যে সকল বুড়ো ভাম গত ২ বছর ধরে সাবেক শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা দেয়নি বলে জনাব শোয়েব-আমিনুল হুদার পর্ষদের বিরুদ্ধে কুতসা রটিয়েছিল (যদিও সেটা সর্বৈব মিথ্যা এবং বানোয়াট), এখন ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারীগণ এই অন্যায়ের বিরুদ্ধেও তাদের প্রতিবাদ দেখতে চায়, কারণ এই ৬ জনকে অত্যন্ত অন্যায়ভাবে তাদের প্রাপ্য নোটিশ পিরিয়ড দেয়া হয়নি।

বর্তমান এসএমসি শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি গ্রুপিং তৈরির পাশাপাশি একে একে ভালো ভালো শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বরখাস্ত করে তাদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে। প্রতিহিংসাটা কি? তা হলো সে শিক্ষকগুলো সাবেক বিওডির সময় নিয়োগকৃত এবং প্রিন্সিপালের আস্থাভাজন, সুতরাং তাদের রাখা যাবেনা। যে কোনো ছুতো ধরে তাদের বরখাস্ত করতে হবে।

৬ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ববরখাস্তকৃত শিক্ষকগণ হলেন:

১) মিসেস জান্নাতুল ফেরদৌস
-ইনি মাদার কেয়ার শিক্ষিকা। ছোট বাচ্চাদেরকে মায়ের মত করে যত্ন করে পড়ান, হাতে ধরে লিখতে শিখান, টিফিন খাইয়ে দেন। শ্রেণি কক্ষে সদা তৎপর থাকার দরুন তিনি সহ:কোর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন বেশ কিছুদিন। তার বিশেষ গুণ হলো তিনি আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটস বিষয়ে পারদর্শী। গোলাম ফারুক সাহেবের বিদায় এবং সর্বশেষ শাহীন স্যারের অব্যাহতির পরও আর্টসের শিক্ষকের অভাব পূরণ করেছেন যিনি তিনি এই সভ্য শান্ত ধীরস্থির জান্নাতুল ফেরদৌস ম্যাম। এই ম্যাডামকে বাদ দেয়া হয়েছে স্কুলের আর্থিক টানাপোড়েনের অযুহাতে, অথচ তার বেতন মাত্র ১৮০০ রিয়াল। আসলে মূল কারণ হলো তিনি সাবেক বিওডির সময়ে নিয়োগকৃত এবং প্রিন্সিপাল সাহেব টিচার্স মিটিংয়ে ২/১ বার তার কর্ম তৎপরতার প্রশংসা করেছিলেন। ব্যাস, যিনি প্রিন্সিপালের আস্থাভাজন তার স্কুলে চাকরি করার অধিকার নাই। কিন্তু স্কুলে আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটের বিকল্প কোনো শিক্ষক নাই।

২) ইতি ম্যাডাম
ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং এ মাস্টার্স করা এই ম্যাডামকে মাদার কেয়ার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি মাদার কেয়ারের পাশাপাশি এসএসসি/ এইচএসসি ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং পড়ান। তাকে সিনিয়র শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ না দিয়ে মাদার কেয়ার হিসেবে নিয়োগ দেয়ার উদ্দেশ্য ছিলো অল্প বেতনে কাজ করানো। তিনি ভিজিট ভিসায় সৌদিতে আসলেও চাকরিতে পার্মানেন্ট করার শর্তে বিপুল অর্থ ব্যয় করে ইকামা বানিয়ে স্থায়ী হয়েছেন। তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে স্কুলের আর্থিক অসংগতির কথা বলে, অথচ তার বেতনও ১৮০০ রিয়াল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এখন স্কুলে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং পড়ানোর কোনো শিক্ষক নেই।

৩) গাউসুল আজম মাফি:
এই মাফি স্যারকে নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। অত্যন্ত সুকৌশলে প্ল্যান করে একজন সহজ সরল প্রতিভাবান মানুষকে ভিলেন বানিয়ে দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মোটা দাগে চক্রান্ত করেছে সদ্য সাবেক একজন ম্যডাম এবং সাবেক শিক্ষক আল মামুন। (অবশ্য আল মামুনকে শিক্ষক না বলে বখাটে কিংবা গ্যাংস্টার বলাই যুক্তিযুক্ত, তার অপকর্মগুলো প্রমাণসহ লিখতে গেলে আলাদা কয়েকটা পোস্ট লিখতে হবে)।

মাফি স্যারের মধ্যে ভুল থাকতে পারে, তিনি অতি আবেগী হতে পারেন কিন্তু শ্রেণি কক্ষে কিংবা শ্রেণী কক্ষের বাইরে কিংবা একটা প্রোগ্রামকে বাস্তবায়নের জন্য তিনি যে পরিশ্রম করেন তা অতুলনীয়। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য তিনি যে অমানুষিক শ্রম দিয়েছেন বাংলা স্কুল সেই ঋণ কখনোই শোধ করতে পারবেনা। তাঁর ছোঁয়ায় স্কুলের প্রতিটি অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত এবং উপভোগ্য হয়ে উঠে। তাকে বাদ দেয়া হলো কেন? কারণ স্কুলের আর্থিক সংকট এবং উনার ইকামা নাই তিনি অবৈধ। আরে ব্যাটা রোকুনুজ্জামানের এসএমসি'ই তো অবৈধ, তার সিদ্ধান্তগুলোও অবৈধ। আর ক্লাসে পড়াতে কি ইকামা লাগে? ক্লাসে পড়াতে লাগে যোগ্যতা৷ রিয়াদ শহরে লাখো ইকামাধারী পাওয়া যাবে কিন্তু মাফি হবার যোগ্যতা আছে কয় জনের? স্কুলের ইতিহাসে কেউ কি কখনো দেখেছে জাওয়াযাত কিংবা মক্তব আমল এসে কারও ইকামা চেক করতে কিংবা ইকামা না থাকার দরুন জরিমানা করতে? কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এগুলো চেক করা হয়না, ইকামা ভিজিট ভিসা হলো অজুহাত। স্কুলে বাংলা শিক্ষকের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও তাকে বরখাস্ত করা হলো কেন? তার দোষ হলো তিনিও সাবেক বিওডির আমলে নিয়োগকৃত এবং প্রিন্সিপালের আস্থাভাজন।

৪) আনোয়ার হোসেন

জনাব আনোয়ার হোসেন নবাগত শিক্ষকদের একজন। তিনি আইসিটি এবং ম্যানেজমেন্টে উচ্চতর ডিগ্রিধারী। তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল আইসিটির পাশাপাশি উপরের ক্লাসগুলোতে ম্যানেজমেন্ট পড়ানোর জন্য। উল্লেখ্য জনাব শোয়েব - আমিনুল হুদার পর্ষদ কারো চেহারা কিংবা সুপারিশ দেখে কাউকে চাকরি দেয়নি, স্বজনপ্রীতির তো প্রশ্নই আসেনা। একথা একদম চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলা যায়। আলাদা আলাদা সাব্জেক্ট স্পেশালিষ্টের সমন্বয়ে ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করে প্রায় ২৫০ জন প্রার্থীর মধ্য হতে লিখিত- ভাইভা এবং ক্লাস ডেমোন্সট্রেশন নিয়ে নতুন শিক্ষকগুলো নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। আগের মতো একঝাঁক বরিশাল কিংবা একঝাঁক রাজশাহী গ্রুপকে ঢালাওভাবে চাকরি দেয়া হয়নি এবার। যারাই চাকরি পেয়েছেন সবাই ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নিজ নিজ মেধার গুনে পেয়েছেন।

এদের কাজ করার সুযোগ দিলে স্কুলের পড়াশোনার মান বাড়তো, তথাকথিত অভিজ্ঞ শিক্ষক নামক টিউশনবাজদের হাত থেকে ছাত্র এবং অভিভাবকরা পরিত্রাণ পেতো। যতদূর জানা গেছে সাবেক বিওডির উদ্দেশ্যই ছিল টিউশনবাজদের জায়গায় নতুন শিক্ষকদের নিয়োগ দিয়ে ক্লাসের অভ্যন্তরে পড়াশোনার মান বৃদ্ধি করা, কারণ কথিত অভিজ্ঞ শিক্ষকরা টিউশন পড়াতে পড়াতে স্কুলে আসে এবং ক্লাসে না পড়িয়ে স্কুল থেকে বের হয়ে টিউশন পড়াতে পড়াতে বাসায় যায়।

আনোয়ার স্যারকে অব্যাহতি দেবার আরেকটা কারণ যেটা জানা যায় তাহলো আমির স্যার নামক টিকটকার এবং লিপি নামক দুতিয়াল নোংরা মহিলাকে রক্ষা করা। এই দুই জনই আইসিটির শিক্ষক এবং দুই জনেরই শ্রেণি কার্যক্রম একদম তলানিতে থাকার কারণে সাবেক বিওডি নতুন আইসিটির টিচার নিয়োগ দেয়। সুতরাং আনোয়ার স্যারকে বাদ না দিলে এই দুই জনের চাকরি ঝুঁকিতে থাকে! এই দুই অথর্বকে বাদ দেয়া অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত হলেও রোকুনুজ্জামানের বিওডি বাদ দেবেনা কারণ এই দুইজন শিক্ষক গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে রোকুনুজ্জামানের বখাটে টিমকে অনেক সহায়তা করেছে এবং এখনো করছে। যদিও তারা জানে শিক্ষক হিসেবে এই দুই জন বর্তমানে স্কুলের সেরা অথর্ব এবং এদের বেতনও বেশি। কিন্তু তাদেরকে সেভ করার জন্য নবাগত শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। স্কুলের আর্থিক অসংগতি অজুহাত মাত্র। বরং আর্থিক কৃচ্ছতা সাধনের জন্য লিপি, আমির এবং ফ্যাসিবাদের আইকন খাদেম আলীকেই বরখাস্ত করাই বেশি যুক্তিযুক্ত ছিলো এবং তাতে দীগুন টাকা সাশ্রয় হতো।

লিপি এবং আমির হোসেন কোন মানের টিচার?

সূত্র মতে লিপি ম্যাডাম আইসিটির ছাত্র নন, তিনি আইসিটি পড়েনইনি এবং এবিষয়ে তার কোনো ডিগ্রিই নেই। কিন্তু অবাক কান্ড হলো তিনি আইসিটির প্রভাষক সেজে বসে আছেন এবং এ বিষয়ে কারো কোনো বিকার নাই। তিনি নিজ বাসায় দিব্যি কোচিং সেন্টার খুলে সব বিষয়ে জ্ঞান দান করছেন এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তি না হবার কুমন্ত্রনা দিয়ে তাদের এবং স্কুলের সর্বনাশ করে চলেছেন।

আর আমির হোসেন স্যার একজন টিচার কাম টিকটকার। তিনি কোনো এক অখ্যাত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ডিগ্রিধারী, শ্রেণি কক্ষে পড়ালেখার চেয়ে মোবাইলে সময় দেন বেশি। আইসিটির গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল অংশগুলো ক্লাসে না পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশনে বাধ্য করেন। জানা যায় সর্বশেষ গৃহীত শ্রেণি কার্যক্রম মূল্যায়ন অনুযায়ী তার অবস্থান ছিলো একদম সর্বনিন্নে। ২০২৪ সালে এসএসসি এইচএসসি'র শিক্ষার্থীরা তাকে স্বেচ্চায় অবমূল্যায়ন করে তার পরিবর্তে নতুন টিচার দাবি করেছিল, সেই রেকর্ড স্কুলে এখনো সংরক্ষিত আছে। তবুও তাদের চাকরি যাবেনা কারণ বর্তমান বিওডির উদ্দেশ্য স্কুলের পড়াশোনার মান বৃদ্ধি না, নিজেদের বিদ্ধেষ প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা।
স্কুলের সচেতন অভিভাবকদের মতে জনাব শোয়েব এবং আমিনুল হুদার পর্ষদ তাদের সময়ে পুর্বেকার পর্ষদ মোস্তাক-রফিকদের নামে কখনোই কোনো সভা-সমাবেশে দুর্নাম বা সমালোচনা করেনি, বরং তাদের প্রশংসা করেছে। যদিও ১৭ লক্ষ রিয়াল ঋণের বোঝা, ঘুষের বিনিময়ে স্কুলের দুই নাম্বার লাইসেন্স বানানো এবং স্কুলের সোয়া লক্ষ রিয়াল মক্তবে আমলে জমা না দিয়ে ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ইকামা মালগী লাগানোর দায়সহ তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য প্রমাণিত অভিযোগ আছে, যা দিয়ে তাদের হেনস্থা করা যেতো। কিন্তু বর্তমান পর্ষদ বিগত ৩/৪ মাসে স্কুলের ভেতরে বাইরে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে যেভাবে সাবেকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অজুহাতে জিঘাংসা আর বিষদগার করেছে, তা স্কুলের ৪০ বছরের ইতিহাসে বিরল।

রোকুনুজ্জামানের অবৈধ বিওডি আসলে কি চায়?

তারা স্কুলের মানোন্নয়ন চায়না, তাদের উদ্দেশ্য প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা। তারা সাবেক বিওডির নিয়োগকৃত কিংবা প্রিন্সিপালের অনুগত কাউকেই স্কুলে রাখতে চায় না। প্রিন্সিপালের অনুগতদের বাদ দিয়ে এবং কিছু টিউশনবাজকে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে ক্ষেপিয়ে দিয়ে, বিশেষ বিশেষ শিক্ষক-শিক্ষিকা দিয়ে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অপবাদ দিয়ে তাকে চাকরিচ্যুত করে তারা স্কুলটাকে একটা ভেড়ার খামার বানাতে চায়। সেখানে শুধু ভেড়ারাই রাজত্ব করবে আর তারা হবে ভেড়াদের রাজা।

মুরুব্বিদের পরামর্শে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ারের সার্টিফিকেট কেলেংকারির বিষয়টি আপাতত: অফ রাখছি।তবে এবার স্কুল হতে Rafiqul এর কম্পি...
05/07/2026

মুরুব্বিদের পরামর্শে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ারের সার্টিফিকেট কেলেংকারির বিষয়টি আপাতত: অফ রাখছি।

তবে এবার স্কুল হতে Rafiqul এর কম্পিউটার চুরি এবং অর্থ আত্মসাতের খতিয়ান ফাঁস করবো। তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো নাকি সত্য না! কারা নাকি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে!

চুরিতো চুরি আবার সিনা জুরি। লজ্জাহীন বিবেকহীন সমাজের এই ঘৃণ্য কীটগুলোকে লজ্জা দেবে সাধ্য কার?

জনাব মোহাম্মদ শোয়েব এবং জনাব আমিনুল হুদার বিষয়ে রোকুনুজ্জামান গংদের উষ্মার কারণ হলো তারা কেন ২/৪ মিলিয়ন রিয়াল জমা রেখে আ...
05/07/2026

জনাব মোহাম্মদ শোয়েব এবং জনাব আমিনুল হুদার বিষয়ে রোকুনুজ্জামান গংদের উষ্মার কারণ হলো তারা কেন ২/৪ মিলিয়ন রিয়াল জমা রেখে আসেনি, যাতে তারা পা দুলিয়ে দুলিয়ে ব্রুস্টেড চিবাতে পারতো।

আসলে জনাব শোয়েবের পর্ষদ কি করেছে?

- তারা মোস্তাক-রফিকদের আমলের বকেয়া বাড়ী ভাড়া পরিশোধ করেছে।
- শিক্ষকদের ইকামা ও টিকেট বাবদ বকেয়া টাকা পরিশোধ করেছে।
- শিক্ষকদের করোনাকালীন সময়ের বকেয়া বেতন পরিশোধ করেছে।
- স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছে, যা এ যাবৎ কালে কখনোই হয়নি।
- প্রায় ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে পূর্ণাঙ্গ ইএসবিসহ (সার্ভিস বেনেফিট) সসম্মানে বিদায় দিয়েছে।
- নিয়মিত প্রতি মাসের ১ তারিখে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দিয়েছে।
- অগ্রীম ইকামা নবায়ন করেছে এবং অগ্রীম বেতনসহ শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়মিত ছুটিতে যাবার ব্যবস্থা করেছে।
- ফ্রী ভিসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে মাসিক বেতনের সাথে ইকামার ফিঃ প্রদান চালু করেছে।
তারা ২০২২ সালের আগস্ট মাসে ১৭ লক্ষ রিয়াল দায়-দেনা এবং মাত্র ৮১ হাজার রিয়াল ব্যালেন্স নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল এবং সর্বশেষ ৩১ মার্চ ২০২৬ সালে দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় স্কুলে ৪৬০,০০০ রিয়াল ফান্ড রেখে এসেছে। কিন্তু কোথাও ১ রিয়াল ঋণ করেনি।

তারা ঋণ করে ঘি খায়নি। স্কুলের ইনকাম বাড়িয়েছে এবং সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্কুলকে স্বাবলম্বি করেছে।

এখন কেউ যদি নিজেদের অযোগ্যতা - অদক্ষতার কারণে স্কুলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়, তার দায়-দায়িত্ব তাদের নিজের, অন্য কারো নয়।

Address

Riyadh
Riyadh
11462

Telephone

+8801818000256

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Our BISCR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category