Savaggers

Savaggers

Share

আসসালামু আলাইকুম

15/03/2026

❗ সুদ নিয়ে পড়তে গিয়ে একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় আবিষ্কার করলাম।

ইহু'দীরা কখনো একে অপরের কাছ থেকে সুদ খায় না!

যদিও আদিকাল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুদখো'র ইহু'দীরাই।

ওদের ধর্মগ্রন্থ তোরাহে বলা আছে—এক ইহু'দীর জন্য অপর ইহু'দীকে সুদে ঋণ দেয়া জায়েয নেই। খুব কঠোরভাবে মানে ওরা এই নির্দেশনা।

তাহলে ইস'রায়েলে ব্যাংকগুলো চলে কীভাবে? লোন নেয় না ইস'রায়েলীরা?

নেয়। তবে সেটা প্রায় হুবহু আমাদের মুসলমানদের 'মুদারাবা' পদ্ধতির মতো করে!

মানে, ব্যাংক গ্রহীতাকে টাকা দিবে, একরকম তার ব্যবসায়িক পার্টনার হয়ে। টাকাটা মূলত বিনিয়োগ করবে ব্যাংক তার ব্যবসায়।

ব্যবসায় লাভ হলে ব্যাংককে সে ইন্টারেস্ট দিবে। আর লস হলে আদালতে তা প্রমাণ করে সে ঋণ মওকুফ করিয়ে নিবে।

ঋণের এই বিশেষ পদ্ধতিকে ওরা বলে হেটার ইসকা (Heter Yiska)।

অথচ এই সুদের মাধ্যমেই আজকে ৭৬ বছর যাবত গো'লাম বানিয়ে রেখেছে ওরা আমাদের!

ব্যাপারটা ভয়'ঙ্কর না?

27/02/2026

দ্য ডিসেন্ট এর ‘মিডিয়া ওয়াচ’ প্রতিবেদনটি বিস্তারিত কমেন্টে দেয়া লিংক থেকে...

27/02/2026

দাবিকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে রূপগঞ্জে এক প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবন থেকে রডসহ বিভিন্ন সামগ্রী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের আউখাব এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মাসুদুর রহমান মাসুদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী বাছেদ মিয়া বহু বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি ও তাঁর পরিবার আগে কুমিল্লায় থাকতেন। নিজ এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে সম্প্রতি তিনি আউখাব এলাকায় জমি কিনে ভবন নির্মাণকাজ শুরু করেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরা সেখানে নির্মাণকাজ তদারকি করছিলেন। তাদের কাছে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত মাসুদুর রহমান মাসুদ, তাঁর বড় ভাই সাদিকুল ইসলাম সাদিক এবং ছোট ভাই মাসুম আহমেদ মাসুমসহ কয়েকজন সহযোগী দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রবাসীর স্ত্রী সাদিয়া আফরিন বলেন, আমরা এখানে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ শুরু করার পর থেকেই মাসুদ ও তাঁর সহযোগীরা দুই লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন। জাতীয় নির্বাচনের সময় তারা কোনো ঝামেলা করেনি। কিন্তু নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের লোকজন এসে ভবন নির্মাণের জন্য আনা রডসহ নির্মাণসামগ্রী অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

— সমকাল

26/02/2026

অক্টোবর ২১,২০২৫ এর ছবিটা লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তিস্তা চর এলাকার।

অসুস্থ মাকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে কাঁধে তুলে নিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত বালুচর আর ভাঙা পথে ছুটে চলছেন দুই যুবক। মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুরু হয় তাদের এই জীবন বাঁচানোর লড়াই। রাস্তার অভাবে গাড়ি তো দূরে থাক, এমনকি হেঁটে চলাও যেখানে দুরূহ। সেখানে একমাত্র ভরসা নিজেদের সন্তানের কাঁধ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তা চরের বাসিন্দা এক বৃদ্ধা হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। চরাঞ্চলে দ্রুত চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এবং হাসপাতাল বহুদূরে হওয়ায় দুই ছেলে নিরুপায় হয়ে নিজেদের কাঁধকেই অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে নেন। বালুচর উপেক্ষা করে হাসপাতাল পৌঁছানোর জন্য সঙ্গে সঙ্গেই তারা প্রায় কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ মাকে কাঁধে করে পাড়ি দিতে শুরু করেন।

এই ছবিটা দৈনিক ইনকিলাব আর দৈনিক নয়া দিগন্ত ছাড়া তেমন কোন মূলধারার গণমাধ্যমে পাবেন না।

আর দ্বিতীয় ছবিটা সচিবালয় থেকে ওসমানী মিলনায়তন ( ৫ মিনিটের রাস্তা) প্রধানমন্ত্রী এবং তার কন্যার হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য।
যা আজকের দিনে দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম থেকে শুরু করে অনলাইন নিউজ সবখানেই ব্রেকিং নিউজ।

26/02/2026

Testicular Pain এর কারণে রোজা রাখতে পারিনি আজ। কিন্তু ভার্সিটির ক্লাস থাকার কারনে তবুও বাধ্য হয়ে বের হয়েছি। গরমকাল তাই স্বাভাবিক ভাবে কিছুটা ঝুলে আছে তার উপর আবার টেস্টিকুলার পেইনের যে ব্যাথা! যা শুধুমাত্র পুরুষ জাতিই বুঝবে। ঝাঁকিতে ব্যাথা অনুভব হয় তাই হেঁটেই যাচ্ছিলাম।

বল দুটোয় ব্যাথায় টন টন করছে, গলা শুকিয়ে আসছে। রাস্তার পাশেই দেখি একটা টং দোকান খোলা। মামাকে বললাম এক বোতল পানি দিতে৷ এক ঢোক পানি মুখে দিতেই এক বোরখা পরা মহিলা ছুটে এসে আমার গালে থাপ্পড় দেয়। হাত থেকে পানির বোতলটা ছিটকে পড়ে যায় দূরে। পাশ থেকে এক হিজাবী মহিলা দেখে হাসতে শুরু করলো, বললো ঠিকই করছেন রমজান মাসে সাত সকালে রাস্তাঘাটে খাওয়া শুরু করছে। আমি জাস্ট হতবাক। এটাই কি আমার দেশ! স্বাধীনতা বলে কি কিছুই নেই এই দেশে। অসুস্থ মানুষরাও কি তাদের জন্য রোজা রাখবে এখন। ধর্ম কি আমাদের এই শিক্ষা দেয়।এদেশে কি পুরুষরা কোথাও নিরাপদ নয়? পুরুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করাটাই কি অপরাধ। আমি কিভাবে বলবো তাদের যে আমার টেস্টিকুলার পেইন..

- সুমন আহমাদ

26/02/2026

অবৈধ ড্রেজিং ও নদী ভাঙ্গন নিয়ে রিপোর্ট করায় ফরিদপুরের সন্ত্রাসীরা হ্যামার দিয়ে পিটিয়ে ৪হাত পা ভেঙে দেয় স্থানীয় সাংবাদিক সাজ্জাদের।
গত ৮মাস পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখনো সে উঠে দাড়াতে পারছে না। তার ডান হাতের আঙ্গুল এমন ভাবে ভেঙ্গেছে যে সে আর কোনদিন কলম ধরতে পারবেনা। পরিবার নিয়ে ফরিদপুর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকা শহরে।
মজার ব্যাপার হচ্ছে সেই সন্ত্রসীরা এখনো প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে, পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি।নিবে কিভাবে খোদ পুলিশের লোকজন এই ঘটনার সাথে জড়িত। জানাগেছে, পশ্চিম খাবাশপুর মিয়া পাড়ার রাজীব মিয়া, সজিব মিয়া, পলাশ, সোর্স লিটন, বালুমহলের লোকজন ও পুলিশের ২কর্মকর্তা এই হামলায় জড়িত।
তাদের সন্ত্রাসীরা এখন তার শিশু বাচ্চাকে মেরে ফেলায় হুমকি দিচ্ছে।
ফরিপুরে অবৈধ ড্রেজিং এর ফলে মাইলের পর মাইল ভিটে বাড়ি প্রতি বছর চলেযায় নদী গর্ভে, মানুষ হয় নি:স্ব। আর এ নিয়ে কেউ নিউজ করলে পরিনতি হয় এমন। অনুসন্ধানে অনেক প্রভাবশালীদের নাম বেড়িয়ে আসছে।

বাহ, এইতো দেশ, এইতো সাংবাদিকতা।
হে রাস্ট্র তোমারা আর কত নির্লজ্জ হবে?
যে দেশে সাংবাদিকের চার হাত পা ভেঙে দেয়া হয় সেই দেশে নাকি গণতন্ত্রের ৪র্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতা।
ওয়াও।।
বিস্তারিত রিপোর্ট আসছে... এটিএন বাংলায়।

-আলী আসগর ইমন

25/02/2026

আমি স্তব্ধ!!! এটা মসজিদের দ্বিতীয় তলা। মাওনাতে ৫ই আগস্ট বিজিবি এতটাই বেপরোয়া হয়ে ওঠে যে এই মসজিদেও গুলি ছোড়ে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, গ্লাস ভেদ করে বুলেট মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করেছে। আর সেই বুলেটই শহীদ হাফেজ মাজিদুল ইসলামের পেটে বিদ্ধ হয়।

মসজিদের টাইলসের ওপরেই লুটিয়ে পড়েন মাজিদুল ইসলাম। মাত্র এক সপ্তাহ হলো তিনি এই মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। রক্তে ভেসে যায় মসজিদের দ্বিতীয় তলার টাইলস।

আপনি চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন, মসজিদে গুলি ছোড়া হয়েছে, আর সেই বুলেট মসজিদের ভেতরে থাকা মুয়াজ্জিনের পেটে বিদ্ধ হয়েছে। মুয়াজ্জিন সাহেব, হাফেজ মাজিদুল ইসলাম, শহীদ হয়েছেন।

শহীদ হাফেজ মাজিদুল ইসলাম কতটা কষ্ট পেয়ে শহীদ হয়েছেন, তার ইতিহাস আমি আপনাদের সামনে কিছুদিন আগে তুলে ধরেছি।

দুঃখজনকভাবে, এই মসজিদের ঘটনা সম্পর্কে এখনো কেউ জানতে পারেনি। তাই কোনো মিডিয়া এখানে আসেনি। যে সকল মিডিয়া ভাইয়েরা এই পোস্টটি দেখবেন, আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনারা নিজ চোখে এসে দেখে যান এবং জাতিকে দেখান।

ঠিকানা: ওয়াপদার মোড় থেকে সামনে রঙ্গীপাড়া বাজারে ঢুকতেই বাইতুল আমান জামে মসজিদ, গাজীপুর।

25/02/2026

১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে প্রাথমিকসহ সব স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও অপহরণটা হয়েছে ২৪ তারিখ ক্লাস শেষে ফেরার পথে।

23/02/2026

আইরনিক একটা হট তথ্য হচ্ছে তথাকথিত ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গুলির সরাসরি নির্দেশদাতা পুলিশ আফিসার সৈয়দ মোঃ ইদ্রিস আমার মোটামুটি নিকট আত্মীয়ও হয় । উনার বাড়ি চট্টগ্রামে আমাদের ঠিক পার্শ্ববর্তী গ্রাম সৈয়দপুরে এবং একই ইউনিয়নে।

উনি আমাদের বাড়ির সৈয়দ আমিনুল হক জেঠার আপন ফুফাতো বোনের ছেলে।

কথিত ভাষা আন্দোলনের বছরে উনি ঢাকা জেলা পুলিশের এসপি ছিলেন। ঐ সময়ে ঢাকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষার পুরো দায়িত্ব উনার উপরেই ছিল।

জাস্টিস এলিসের নেতৃত্বে পাকিস্তান সরকারের ভাষা আন্দোলন ঘটনার উপর গঠিত তদন্ত রিপোর্টেও গুলির সরাসরি নির্দেশদাতা হিসেবে উনার নাম উল্লেখ করা হয়েছে । ইদ্রিস সাহেব পরবর্তীতে উভয় পাকিস্তানের পুলিশের আইজি হিসেবে ১৯৬৫-৬৯ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাক্তিগত আলাপে বন্ধু মহল এবং নিকট আত্মীয়দের কাছেও উনি শেখ মুজিবকে অসংখ্যবার পিটানোর কথা নাকি প্রায় বলতেন।

অত্যন্ত মেধাবী ইদ্রিস সাহেব পুরা পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিলেন ।

আইজি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে উনি আমাদের এলাকা চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর অসংখ্য লোককে পুলিশ অফিসার হিসেবে চাকরি দেন । এমনকি জাসদ নেতা মরহুম মাঈনুদ্দিন খান বাদলের বাবার অত পড়ালেখা ছিলো না, কিন্তু ইদ্রিস সাহেব উনাকেও পুলিশের এএসপি বানিয়ে দেন।

৭১ সালে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে আজাদী রক্ষার লড়াইকে সমর্থন করেন। ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর ১৯৭২ সালে শেখ মুজিব তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেন । এরপর উনি দেশ ছেড়ে লন্ডন চলে যান। আমৃত্যু তিনি পরিবার সহ লন্ডনে বসবাস করেন।

মাঝে মধ্যে দেশে আসলে উনি বিএনপি নেতা মোরশেদ খানের বাসা এভন হাইটসেই থাকতেন সব সময় ।

আইজি ইদ্রিস সাহেবের স্ত্রী কিন্তু সাধারণ কোন গৃহবধূ ছিলেন না । এই মহিলার বাবা ছিলেন বৃটিশ ভারতের পুলিশের আইজি। এ আর শামসুদ্দোহা এই মহিলার ভাই ছিলেন । যিনি ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। যার নেতৃত্বে ওআইসি সম্মেলন হয় বাংলাদেশে ।

উনার এক ছেলে ইকবাল ইদ্রিস, মেয়ে ফিরোজা লোদি। মেয়েকে পাকিস্তানের লোদি পরিবারে বিয়ে দেন তিনি। ওনার মেয়ের জামাই পাকিস্তানের চিফ সেক্রেটারি ছিলেন।

উনার ছেলে ইকবাল ইদ্রিস আর শাহ আজিজুর রহমান জাতিসংঘের অধিবেশনে পাকিস্তানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। ঐ কারণে শেখ মুজিব শাহ আজিজুর রহমানের পাশাপাশি তাঁর নাগরিকত্বও বাতিল করে দেন। এখনও তিনি মাঝে মধ্যে দেশে আসেন বৃটিশ পাসপোর্ট নিয়ে।

১৯৯৯ সালে আইজি ইদ্রিস সাহেবের ইন্তেকাল হলে উনার লাশ যখন দেশে আনা হয় । তার লাশ গ্রহণ করতে যান মির্জা সালমান ইস্পাহানী ও তার পরিবার, শিল্পপতি একে খানের পরিবার এবং বিএনপি নেতা মোরশেদ খান ছিলেন তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে।

জানাজা শেষে উনাকে আমাদের পার্শ্ববর্তী সৈয়দপুর গ্রামের নিজ বাড়ীতেই দাফন করা হয় ।

এত লম্বা ইতিহাস বলার পর এখন আমার হট কোয়েশ্চেন হচ্ছে, কথিত ভাষা আন্দোলনের বছরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দিন, যিনি ছিলেন বাঙালি । পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন, ইনিও ছিলেন বাঙালি । আন্দোলনে গুলির সরাসরি নির্দেশদাতা পুলিশের আইজি মোঃ ইদ্রিস, ইনিও বাঙালি ।

ক্ষমতা, নেতৃত্ব, কতৃত্ব সবকিছুই ছিল বাঙালির হাতে, তাহলে দোষটা এবং গালিটা পাকিস্তানীদের দেওয়ার কারণ কি ভাই ? বুঝিয়ে বলেন।

23/02/2026

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের পরিবর্তে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। গত রবিবার আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের কথা জানান। ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান এবং অনুসন্ধানী মাধ্যম 'দ্য ডিসেন্ট' এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির সম্ভাবনা রয়েছে। আমিনুল ইসলাম পূর্বে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাতা দুর্নীতির মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন; যে মামলায় তিনি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন।

বর্তমানে আইসিটি জুলাই ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারী ও পথচারীদের হত্যাকাণ্ড ও আহতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগ রাজনীতিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা পরিচালনা করছে। ওই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটেই শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। ট্রাইব্যুনাল ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত গুমের ঘটনাসংশ্লিষ্ট মামলাও পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত তিনটি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে।

Source: Ittefaq | The Dissent

21/02/2026

প্রতিবছর রমজান আসলেই কিছু স্ক্রিপ্টেড গল্প ভাইরাল হয়।

একধরনের স্ট্যাটাস দেখবেন "আমি বাসা থেকে পানির বোতল আনতে ভুলে গেছিলাম রাস্তায় কোন দোকান ই খোলা নেই! এদেশে কি অন্য ধর্মের লোক বাস করে না? পানিটাও খেতে পারতেছি না"

আবার দেখবেন "সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলাম, হাতে একটা চিপসের প্যাকেট, এক দাড়ি টুপি পরা
মুরুব্বি এসে বলতেছে রোজা রাখতে পারিস না বেলাজ, নির্লজ্জ বেহায়া মেয়ে কোথাকার! আমি ভয়ে কান্না করে দিছি।

আরও দেখবেন "রিক্সা দিয়ে যাচ্ছিলাম পিছন থেকে এক হুজুর এসে বলতেছে রমজান মাস পর্দা করতে পারিস না! আমি আর আমার ছোট বোন একদম ট্রমাটাইজ হয়ে গিয়েছি"

প্রতিবছর রমজানেই এমন গল্পের জন্য অপেক্ষা করি,
আশা করি এবারও তারা নিরাশ করবে না।

20/02/2026

Fact: আফগানিস্তানে খুনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
Headline: আফগানিস্তানে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত মারার বৈধতা দিয়েছে তালেবান।

Fact: আফগানিস্তানে যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
Headline: সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকলে ধর্ষণ বৈধ করেছে তালেবান।

Fact: আফগানিস্তানে চার হাজার বামপন্থী-নাস্তিকদের বই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যার মধ্যে অল্প কয়েকটি বই নারী লিঙ্গের লেখা।
Headline: আফগানিস্তানে নারীদের বই নিষিদ্ধ করলো তালেবান।

Fact: স্বামী শর্তযুক্ত** প্রহার করার সময় স্ত্রীর গায়ে জখম হলে কিংবা হাড় ভেঙ্গে গেলে তাকে কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
Headline: হাড় না ভাঙ্গা পর্যন্ত কিংবা জখম না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীকে মারার বৈধতা দিয়েছে তালেবান।

Fact: নির্ধারিত শাস্তি নয়, এমন ক্ষেত্রে সামাজিক মর্যাদা অনুযায়ী শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করবে কাজি।
Headline: দাসপ্রথা ফেরালো তালেবান, নারীদের অবস্থা শোচনীয়।

Fact: ভূমিকম্পে আফগানিস্তানের কুনা অঞ্চলে চিকিৎসাসেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ছিলো ঘরে অবস্থাতরত মহিলারা।
Headline: ভূমিকম্পে নারীদের অবহেলা করছে তালেবান।

Fact: স্বামীর অবাধ্য হয়ে স্ত্রী অন্যত্র চলে গেলে, তারপর স্বামীর অনুরোধেও যদি না আসে, কিংবা তার সাথের অন্য কেউ যদি সেই স্ত্রীকে স্বামীর বাড়ি যেতে বাধা দেয়, তারা অপরাধী বলে গণ্য হবে।
Headline: স্বামীকে না জানিয়ে আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গেলে জেল খাটতে হবে আফগানিস্তানে।

Fact: প্রাথমিকের পর মেয়েদের সহশিক্ষা নিষিদ্ধ। সম্পূর্ণ আলাদা না হওয়া পর্যন্ত ওইমেন-অনলি মেডিকেল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে। এ ছাড়াও কওমী মিডিয়াম চালু রয়েছে।
Headline: আফগানিস্তানে নারী-শিক্ষা নিষিদ্ধ করলো তালেবান।

এভাবেই বৈশ্বিক প্রোপাগান্ডা চলে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে।
কিন্তু আবার সেখানে যাওয়া ভ্লগারদের ক্যামেরায় উঠে ভিন্ন দৃশ্যপট, Seal on Tour, Harray Jaggard, Arab Uncut এই ট্রাভেলারদের ক্যামেরায় Fact গুলোই উঠে আসছে আফগানিস্তানের সামাজিক দৃশ্যপটের।

Want your school to be the top-listed School/college in Riyadh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Riyadh