পাহাড়-সম আমল করেও যে দেউলিয়া হয়ে যাবে!
যার ধন-সম্পদ নেই, সে দরিদ্র নয়। বরং পরকালে যে নিজের সব আমল হারিয়ে দেউলিয়া হয়ে পড়বে, সেই প্রকৃত দরিদ্র। কে এই দূর্ভাগা। কীভাবেই বা তার সব আমল বৃথা যাবে?
Sajjad Younus
A Student of Islamic Sciences. Interested in all field of Islamic knowledge.
07/02/2025
তোমার ছবির ধ্যানে, প্রিয়, দৃষ্টি আমার পলক-হারা।
তোমার ঘরে যাওয়ার যে-পথ, পা চলে না সে-পথ ছাড়া।
হায়, দুনিয়ায় সবার চোখে নিদ্রা নামে দিব্য সুখে,
আমার চোখেই নেই কি গো ঘুম দগ্ধ হল নয়ন-তারা॥
নজরুল
29/01/2025
হযরত থানবীর রাজনৈতিক চিন্তাধারা
বাড়াবাড়ি খুব জঘণ্য একটি বিষয়। বহু জাতি ধ্বংস হয়েছে এই দোষটির অভিশাপে। যে কোনো বিষয়ে হতে পারে এই প্রান্তিকতা-বাড়াবাড়ি। ব্যক্তিজীবন থেকে রাজনীতি পর্যন্ত সবকিছুতেই। হিজরী সন চৌদ্দ শতাব্দিতে খোদ ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন মহলে রাজনীতি নিয়ে শুরু হয় এক আজব প্রান্তিকতা। ঠিক সেই সময় দুই প্রান্তের মধ্যমপথটি বের করতে মাঠে এলেন হযরত আশরাফ আলী থানবী রহ.। তাঁর নামই তাঁর পরিচয়। তিনি তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য ও রচনায় রাজনীতি বিষয়ে ইসলামী শরীয়ার আলোকে নিজের চিন্তাধারা জানির সামনে তুলে ধরেন। হযরত এই রাজনৈতিক চিন্তাধারার সারাংশ তুলে ধরেছেন শায়খ মুফতি তকী উসমানী হাফিজাহুল্লাহ তার 'হাকিমুল উম্মত কে সিয়াসি আফকার' নামক পুস্তিকায়।
এই পুস্তিকাটির অনুবাদ করেছেন সুসাহিত্যিক মুহাম্মদ যাইনুল আবেদীন। এই বইটির আলোকে আজকের লেখাটি তৈরি করা হয়েছে।
হযরত থানবীর রাজনৈতিক চিন্তাধারা বাড়াবাড়ি খুব জঘণ্য একটি বিষয়। বহু জাতি ধ্বংস হয়েছে এই দোষটির অভিশাপে। যে কোনো বিষয়ে হতে পারে এই প্রান্তিকতা-বাড়া.....
27/01/2025
বই পড়ার গুরুত্ব
বইয়ের গুরুত্ব মানব জীবনে অপরিসীম। বই শুধু জ্ঞান অর্জন ও আত্মোন্নতি মাধ্যম নয়, বরং মানুষের মানসিক ও সামাজিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগেও বই পড়ার গুরুত্ব কমেনি, বরং এটি আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। মানব জীবনে বইয়ের উপকারিতা কম নয়। বই মানব-মনের খাবার। চিন্তার খোরাক। এটি আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবনকে উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বইয়ের মাধ্যমে আমরা শুধু জ্ঞান অর্জন করি না, বরং মানসিক শান্তি, সৃজনশীলতা এবং শক্তিশালী চরিত্র গঠন করি, যা আমাদের জীবনে সফলতা এবং পূর্ণতা আনতে সাহায্য করে। নিচে কয়েকটি উপকারিতার দিকে ইঙ্গিত করা হলো-
১. জ্ঞান বৃদ্ধি: ভালো বই আমাদের চিন্তাভাবনার পরিসর প্রসারিত করে। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন বিজ্ঞান, সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে নতুন জ্ঞান অর্জন করতে সাহায্য করে। বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টি বিস্তৃত করে।
২। চরিত্র উন্নয়নে ভূমিকা রাখেঃ ভালো ও নৈতিক বই ব্যক্তির চরিত্র উন্নয়ন করতে সাহায্য করে।
৩. ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন: বই পড়া আমাদের শব্দভাণ্ডার, ব্যাকরণ, এবং লেখনীর শৈলীকে উন্নত করতে সহায়ক।
৪. ক্রিটিক্যাল থিংকিং : বই পড়া আমাদের চিন্তাভাবনাকে গভীরতর এবং বিশ্লেষণাত্মক করে তোলে। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা ঘটনা বা বিষয়গুলিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করতে শিখি। আর এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও শক্তিশালী করে।
৫. মানসিক চাপ কমানো
৬. পেশাগত সফলতা অর্জন: বই আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার তালিম দেয়। পেশাগত জীবনে যুক্তি এবং কৌশলগত চিন্তা উন্নত করতে সহায়তা করে, যা কর্মজীবনে সফল হবার অন্যতম সহায়ক ।
বইয়ের এছাড়া আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে। টার্গেট ঠিক করে বই পড় পড়া, পড়ার সময় সচেতন একাগ্র থাকলে এই উপকারিতা অর্জন হবে ইনশাআল্লাহ।
Sajjad Younus
26/01/2025
অভিনব শিক্ষা-শহরে কিছুক্ষণ ।।১।। হযরতের সাক্ষাৎ ছিলো কয়েক মিনিটের । কিন্তু প্রশান্তির পরশ হৃদয় ছুঁয়ে গেলো। বিদায় যত কষ্টের হোক তা মানুষকে ম.....
26/01/2025
কাতার সফরের দিনলিপ-২
কাতার সফরের অন্যতম অর্জনঃ শায়খ সাজ্জাদ নোমানীর স্মৃতিমধুর সাক্ষাৎ ।।১।। ১০ জানুয়ারি ২০২৪। বুধবারের সুন্দর একটি সকালে রওয়ানা দিয়েছিলাম প্রিয় শহর দোহার উদ্দেশে। চার দিনের এই সংক্ষ....
26/01/2025
কাতার সফরের দিনলিপি-১
সন্ধ্যাকালে কাতার প্রবেশ ।।১।। মাগরিবের আগে কাতার বর্ডারে প্রবেশ করলাম। পুরো দিনের ক্লান্তি শেষে সূর্য তখন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। আরব স....
26/01/2025
বুদ্ধিমান ব্যক্তি তার জীবনকে চিন্তা-ভাবনার ভিত্তিতে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করে। সে যদি দরিদ্র হয়, তবে কষ্ট করে উপার্জন করে। মানুষের কাছে মাথা নত না করতে হয়। মানুষের কাছে ঋণ করে না। জীবনের সম্পর্কগুলো সীমিত রাখে। তার আত্মমর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখে। তৃপ্তির সাথে জীবনযাপন করে।
অন্যদিকে, যদি সে ধনী হয়, তবে অর্থব্যয়ের ক্ষেত্রে সে সতর্ক থাকে। কারণ কখনও কখনও কষ্টের সময় আসতে পারে এবং তার জন্য আবার মানুষের কাছে দয়াপ্রার্থনা করতে হতে পারে। হিসেব ছাড়া অর্থ ব্যয় করা বা অন্যদের দেখানোর জন্য, কিংবা গর্ব করার জন্য খরচ করা, নিজ ভাগ্যকেই খারাপ করে তুলতে পারে। তার এমন আচরণে সে বদ নজরেরও শিকার হতে পারে।
সুতরাং, সঠিকভাবে জীবন পরিচালনার জন্য মধ্যপন্থা অবলম্বন করা খুব জরুরী। সাথে সাথে নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে প্রকাশ করাও উচিত নয়।
ইবনুল জাওযী রহ. বলেন- স্ত্রীকে নিজের সম্পদের পরিমান জানিয়ে দেওয়া গলদ। কারণ- যদি সম্পদ কম হয়, তাহলে স্বামী ছোট হয়ে গেলো। আর যদি বেশি হয়, তাহলে পোষাক-আষাক ও স্বর্ণালঙ্কার বেশি তলব করবে। তেমনিভাবে সন্তানদেরও জানানো উচিত না।"
আমরা কি প্রতিদিন একটু একটু করে রবের নিকটবর্তী হচ্ছি, নাকি দিন দিন তাঁর থেকে দূরে সরে যাচ্ছি? সময় ফুরাবার আগে হিসাবটা করা দরকার।
Click here to claim your Sponsored Listing.