Islam Speak The Truth - ইসলাম সত্যের কথা বলে

Islam Speak The Truth - ইসলাম সত্যের কথা বলে "Bismi'llahir Rahmani'r Raheem (In the name of Allah, The Most Gracious, The Most Merciful)"

❖।❖ সুরা ফাতিহা ❖।❖

► যার মাধ্যমে কোন বিষয়ের সূচনা করা হয়, কোন বিষয় আরম্ভ করা হয়, কোন কাজের উদ্বোধন করা হয়, কোন গ্রন্থের সূচনা করা হয়, আরবী ভাষায় তাকেই 'ফাতিহা' বলে। এই সুরার মাধ্যমেই কোরআন আরম্ভ হয়, এ জন্য এই সুরাকে 'ফাতেহাতুল কোরআন' বা, 'উম্মুল কুরআন' বলা হয়।

► সুরা ফাতিহা হলো কোরআনের সারাংশ। সম্পূর্ণ কোরআনের মধ্যে
যেসব বিষয় আলোচনা করা হয়েছে, সে আলোচনার বিষয়বস্তু সুরা আল-ফাতিহার সাতটি আয়াতের মধ্যে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। গোটা কোরআনে যা পাওয়া যাবে, এই সুরা ফাতিহাকে বিশ্লেষণ করলে তাই পাওয়া যাবে।

► আল-ফাতিহা (বাংলা অনুবাদ):

'পরম করুণাময় ও অত্যন্ত দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি'
১। সকল প্রশংসা সৃষ্ট-জগতসমূহের পালনকর্তা আল্লাহর ।
২। যিনি অত্যন্ত মেহেরবান ও দয়ালু ।
৩। যিনি বিচারদিনের মালিক ।
৪। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি ।
৫। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও ।
৬। সেসমস্ত লোকের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ ।
৭। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গযব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট ।

► এ সুরার অসীম গুরুত্বের কারণে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেকোন সালাতে সুরা ফাতিহা পাঠ করাকে অপরিহার্য করেছেন। নামাযে কোরআন পাঠ করা ফরজ- এ সুরা পাঠ করলেই সে ফরজ আদায় হয়ে যায়।

22/10/2025

গাজীপুরে হেফাজতের কমিটি আছে, খেলাফতের কমিটি আছে, জমিয়তের কমিটি আছে, কোন ইসলামী দলটা আছে যার কমিটি গাজীপুরে নেই? এই ইস্যুতে ওদের ভূমিকা কী? একটা বিবৃতি পর্যন্ত দেয়ার সময় ওরা পায়না? Ataur Rahman Bikrompuri সেই সুদূর যশোর থেকে গাজীপুরে এসে বিষয়টি নিয়ে সাহসী ভূমিকা রাখতে পারলে স্বয়ং গাজীপুরের রাজনৈতিক দলগুলো এড়িয়ে যাচ্ছে কেন? তারা কেন বিক্রমপুরীর সঙ্গ দিচ্ছে না? এই মুসলিম মেয়েটি কি তাদের বোন না? অসহায় এই পরিবার কি মুসলিম না? তাদের কী ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার নেই?

08/09/2025
নূরা পাগলা----সদ্য স্বাধীন দেশে  নূরা পাগলা তখন বিএ পরীক্ষা দেওয়া এক ফ্রাস্ট্রেটেড যুবক। হাইকোর্টের মাজারে বেশির ভাগ সময়...
08/09/2025

নূরা পাগলা----

সদ্য স্বাধীন দেশে নূরা পাগলা তখন বিএ পরীক্ষা দেওয়া এক ফ্রাস্ট্রেটেড যুবক। হাইকোর্টের মাজারে বেশির ভাগ সময় কাটে। মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। কিন্তু সার্টিফিকেট নেই। থিতু হোননি কোথাও। মাজারে মাজারে আড্ডা দিতেন, সেসময় বেশ কিছু কাউয়ালি গান করতে তাকে দেখা যেতো। সেসবের বেশিরভাগই রাসুল বন্দনা। একটু পাগল টাইপের ছিলেন।

সেই হাইকোর্টের মাজারেই পপ সম্রাট আজম খান প্রথম দেখেন তাকে। ততোদিনে আজম খান । এরপরই একটা গান করেন,

হাইকোর্টের মাজারে কত ফকির ঘোরে
কয়জন আর আসল ফকির?
প্রেমের বাজারে কত প্রেমিক ঘোরে
কয়জন আর আসল প্রেমিক?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রী তাকে বিয়ে করেছিলেন। বাসা ভাড়া করে থাকতেন রামপুরায়। তখনই একটু আধ্যাত্মিক কথাবার্তায় তার একদল ভক্ত জুটে যায়।

তিনি বোহেমিয়ানই ছিলেন। একটা সময় তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান বিদেশে। সেই থেকে বেশিরভাগ সময় কাটতো হাইকোর্টের মাজারে। বিচিত্রা তাকে ও আজম খানকে নিয়ে একটা কাভার স্টোরি করেছিল।
দুজনেই দুজন সম্পর্কে বলেছিলেন।

মতলবের বেলতলিতে সোলায়মান শাহ লেংটার মেলার সময় বিরাট এক আস্তানায় তার মজমা বসত। তার শিষ্যদের কয়েকজন দুই ঊরুতে দুইটা ছুরি গেঁথে হেঁটে বেড়াতেন, কারও বাহুতেও ছুরি গাঁথা থাকত। এটা তার বিশেষ একটা রীতি। এছাড়াও তাকে নিয়ে অনেক গুঞ্জন রয়েছে। সত্যমিথ্যা আবিস্কৃত হয়নি। কেউ বলেন তিনি গুপ্তচর ছিলেন। কেউ বলেন, না , তা নয়, আসলেই ফকির ঘরানার।

এতো কথা বলার কারণ, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার সাথে এই নূরা পাগলাকে একভেবে অনেকে দেখলাম পোস্ট দিচ্ছেন । কেউ কেউ ভাবছেন সাপ্তাহিক বিচিত্রার কাভার স্টোরিতে ঠাঁই পাওয়া নূরা পাগলা সেই রাজবাড়ির গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলাই। কিন্তু ঘটনা সত্য নয়। একবারেই মিথ্যা ।

এই নূরা পাগলা , যার কথা বলছি, তিনি অন্যজন।


মারা গেছেন বহু আগেই। ও আচ্ছা , হোসাইন মুহম্মদ এরশাদও এই নূরা পাগলার কাছে যেতেন মাঝেমধ্যে। বেশ প্রভাবশালীই ছিলেন নূরা পাগলা।

তিনি এতো মিথের মতো ছিলেন , যে, ঢাবিতে পড়ার সময় আমরা অনেকেই তাকে দেখতে গেছি।

উনাকে নিয়া একটা ছবি হইছে মনা পাগ্লা।

** কিন্তু এভাবে লাস পুরানু ঠিক হয় নাই।

সাপ্তাহিক বিচিত্রার কাভার স্টোরির প্রচ্ছদ সংযুক্ত করা হলো :

‘ছোট্ট আমির’ তীব্র রোদে দীর্ঘ ১২ কিলোমিটার হেঁটে এসেছিল ত্রাণ-সহায়তার আশায়... হায়েনার বাচ্চারা কেরে নিল তার প্রান।
01/08/2025

‘ছোট্ট আমির’ তীব্র রোদে দীর্ঘ ১২ কিলোমিটার হেঁটে এসেছিল ত্রাণ-সহায়তার আশায়... হায়েনার বাচ্চারা কেরে নিল তার প্রান।

30/06/2025

হঠাৎ করে নিজেকে গুছাতে অনিহা
চুল-নখ কাটা ভালো লাগে না, ব্রাশ করতে মন চায় না, গোসল করাও বিরক্তিকর লাগে?
নিজেকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আগ্রহ চলে যাচ্ছে?

⚠️ এটা খবিস জ্বীনের আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ!

23/06/2025

হামলায় কাঁপছে ইরান; নারী-শিশুর আর্তনাদে ভারি আকাশ-বাতাস

ইহুদি শত্রু একটি বড় ভুল করেছে, বড় অপরাধ করেছে; তাকে শাস্তি দিতে হবে এবং তাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে; এখনই তাকে শাস্তি দেয়...
23/06/2025

ইহুদি শত্রু একটি বড় ভুল করেছে, বড় অপরাধ করেছে; তাকে শাস্তি দিতে হবে এবং তাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে; এখনই তাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

হযরত আয়েশা বিনতে আবু বকর সিদ্দিক (রা.)(উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা.)🕊️ পরিচিতি • পুরো নাম: আয়েশা বিনতে আবু বকর সিদ্দিক (রা.)...
23/06/2025

হযরত আয়েশা বিনতে আবু বকর সিদ্দিক (রা.)
(উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা.)

🕊️ পরিচিতি

• পুরো নাম: আয়েশা বিনতে আবু বকর সিদ্দিক (রা.)

• পিতাঃ আবু বকর সিদ্দিক (রা.) — প্রথম খলিফা এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ঘনিষ্ঠ সহচর

• মাতাঃ উম্মে রুমান (রা.)

• উপাধিঃ সিদ্দিকা, উম্মুল মুমিনীন (বিশ্বাসীদের মাতা)

• জন্মঃ মক্কা শরীফ, হিজরতের কয়েক বছর আগে (অনুমান ৬১৩ খ্রিষ্টাব্দ)

📜 বিয়ে ও জীবন

• হযরত আয়েশা (রা.) ছিলেন নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয়তমা স্ত্রীদের একজন।

• তাঁর সাথে রাসূল (সা.)-এর বিয়ে হয় অল্প বয়সে, তবে বৈবাহিক সহবাস ঘটে মদিনায় হিজরতের পর।

• তিনি ছিলেন রাসূল (সা.)-এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, বিদুষী এবং বিশ্বস্ত স্ত্রী।

📖 জ্ঞান ও হাদীস

• হযরত আয়েশা (রা.) ইসলামের ইতিহাসে অন্যতম বড় হাদীস বর্ণনাকারী।

• তাঁর কাছ থেকে প্রায় ২,২০০+ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

• তিনি কুরআনের তাফসীর, হাদীস, ফিকহ এবং আরবি সাহিত্যের অসাধারণ জ্ঞান রাখতেন।

• সাহাবীরা প্রায়ই তাঁর কাছে বিভিন্ন মাসলা বা দ্বীনি ব্যাখ্যার জন্য আসতেন।

⚖️ ইফক‑ঘটনা (অপবাদ)

• একবার সফরের সময় আয়েশা (রা.)-কে কেন্দ্র করে মুনাফিকরা অপবাদ ছড়ায়, যাকে ইফকের ঘটনা বলা হয়।

• এই ঘটনায় তাঁর নির্দোষিতার ঘোষণা আসে কোরআনের সূরা নূরের আয়াতে (সূরা নূর ২৪:১১-২৬)।

• এটি ইসলামের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা তাঁর মর্যাদা ও সততা প্রতিষ্ঠা করে।

(বিস্তারিত নিচে দেখুন :::::::::)

🏛️ জামাল যুদ্ধ

• হযরত উসমান (রা.) হত্যাকাণ্ডের পর তৈরি হওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতায় আয়েশা (রা.) জড়িত হন।

• তিনি হক ও ন্যায়ের জন্য বের হয়েছিলেন, যা পরে জামাল যুদ্ধ নামে পরিচিত।

• যদিও তিনি যুদ্ধ চাননি, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে জড়িয়ে পড়েন।

📅 ইন্তেকাল

• আয়েশা (রা.) ৫৮ হিজরিতে, মদিনায় ইন্তেকাল করেন।

• তাঁকে জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

• ইন্তেকালের সময় তাঁর বয়স ছিল প্রায় ৬৫-৬৬ বছর।

🌟 বিশেষ অবদান

✅ সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারী নারী সাহাবী
✅ ইসলামী নারীদের জন্য শিক্ষার আদর্শ
✅ সাহাবীদের মধ্যে অন্যতম বিদুষী নারী
✅ রাজনৈতিক বিষয়ে প্রজ্ঞা প্রদর্শন
✅ কোরআনের ব্যাখ্যা এবং নবীর জীবন থেকে শিক্ষা প্রদান।

@@@ ইফক-এর ঘটনা (حادثة الإفك) — হযরত আয়েশা (রা.)-কে অপবাদ দেওয়ার ঘটনা _---------------

📌 সংক্ষিপ্ত ভূমিকা

ইসলামের ইতিহাসে অন্যতম বেদনাদায়ক এবং শিক্ষণীয় ঘটনা হলো ইফক-এর ঘটনা, যেখানে মুনাফিকরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হযরত আয়েশা (রা.)-এর চরিত্রহানির চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাটি ৬ষ্ঠ হিজরিতে ঘটে, বনু মুস্তালিকের অভিযানের সময়।

⚔️ ঘটনার পটভূমি

• নবী মুহাম্মদ (সা.) বনু মুস্তালিক গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালান।

• সফরের সময় রাসূল (সা.) স্ত্রীদের মধ্য থেকে আয়েশা (রা.)-কে সাথে নিয়েছিলেন।

• বিজয়ের পর মুসলিম বাহিনী ফিরে আসছিল। আয়েশা (রা.) তখন অসুস্থ ছিলেন।

🎗️ মূল ঘটনা

1. বিশ্রামের সময় হারিয়ে যাওয়া:
এক জায়গায় বিশ্রাম নেওয়ার পর আয়েশা (রা.) প্রয়োজনীয় কাজের জন্য বাইরে যান। ফেরার পথে বুঝতে পারেন, তাঁর হার (গলার হার) পড়ে গেছে। হার খুঁজতে গিয়ে তিনি দেরি করেন।

2. কাফেলা অগ্রসর:
তাঁকে হাওদাজ (ঢাকা বসার পালকি)-তে উঠানো হয়, তবে আয়েশা (রা.) তখন সেখানে ছিলেন না। কাফেলার লোকজন ভেবেছিল, তিনি হাওদাজেই আছেন এবং কাফেলা রওনা দেয়।

3. সফওয়ান ইবনে মু‘আত্তাল (রা.)-এর সহায়তা:
হার খুঁজে না পেয়ে আয়েশা (রা.) আগের জায়গায় বসে থাকেন। সাহাবি সফওয়ান ইবনে মু‘আত্তাল (রা.) পরে সেখানে এসে তাঁকে দেখে চিনতে পারেন এবং উটের মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে আসেন।

4. মুনাফিকদের অপপ্রচার:
এ দৃশ্য দেখেই মুনাফিকদের নেতা আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সলূল মিথ্যা অপবাদ ছড়ায় যে আয়েশা (রা.) এবং সফওয়ান (রা.)-এর মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে — যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল।

💔 নবী (সা.)-এর মন খারাপ

• আয়েশা (রা.) কিছুকাল অসুস্থ থাকেন এবং অপবাদ শুনে খুব কষ্ট পান।

• নবী মুহাম্মদ (সা.) দুঃখিত হন, তবে বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরেন।

• সাহাবিরা দ্বিধায় পড়ে যায়, কারো পক্ষেই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব ছিল না।

📖 আল্লাহর পক্ষ থেকে আয়াত নাজিল

অবশেষে, সূরা নূর (২৪:১১-২৬) নাজিল হয়, যেখানে পরিষ্কারভাবে আয়েশা (রা.)-এর নির্দোষিতার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে আল্লাহ বলেন:

“যারা অপবাদ এনেছে, তারা তোমাদের মধ্যেরই একটি দল। তোমরা একে নিজেদের জন্য খারাপ মনে করো না; বরং এটা তোমাদের জন্য কল্যাণ…”
(সূরা নূর ২৪:১১)

এ আয়াতের মাধ্যমে:
✅ আয়েশা (রা.)-এর পূর্ণ নির্দোষতা প্রতিষ্ঠিত হয়
✅ মুনাফিকদের মুখোশ উন্মোচিত হয়
✅ অপবাদ দাতাদের জন্য কঠিন শাস্তির বিধান আসে

(নিচে আরো আয়াত দেখুন)

⚖️ শিক্ষা ও বার্তা

✔️ অপবাদ ছড়ানো ইসলামে ভয়াবহ গুনাহ

✔️ নির্দোষ ব্যক্তির সম্মান রক্ষা করা ঈমানের অংশ

✔️ ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর ভরসার পরিণতি সর্বদা কল্যাণকর

✔️ কোনো কথা শুনেই বিশ্বাস করা উচিত নয়, যাচাই করা ফরজ

🌟 ইফকের ঘটনার গুরুত্ব

• এটা শুধু আয়েশা (রা.)-এর নয়, বরং ইসলামের সম্মান ও সততার বিজয়।

• ইসলামী সমাজে গুজব, অপবাদ ছড়ানোর পরিণতি কত ভয়াবহ হতে পারে তা এই ঘটনায় পরিষ্কার হয়েছে।

• কোরআনের ঐ আয়াত আজও মুসলিম সমাজের নৈতিকতা রক্ষার মূল নীতির অংশ।

📖 সূরা নূর: আয়াত ১১ - ২৬

বাংলা অনুবাদ: (মুহিউদ্দীন খান অনুবাদ অনুসারে)

আয়াত ১১:
যারা অপবাদ এনেছে, তারা তোমাদের মধ্য থেকে একটি দল। তোমরা একে নিজেদের জন্য খারাপ মনে করো না; বরং এটা তোমাদের জন্য ভাল। তাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে যা সে উপার্জন করেছে, আর তাদের মধ্য থেকে যে প্রধান ছিল তার জন্য রয়েছে মহা শাস্তি।

আয়াত ১২:
তোমরা যখন এ অপবাদ শুনলে, তখন মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা কেন নিজেদের সম্পর্কে ভাল ধারণা করল না এবং বলল না, ‘এটা তো সুস্পষ্ট মিথ্যা।’

আয়াত ১৩:
তারা কেন এ বিষয়ে চারজন সাক্ষী আনলো না? তারা যেহেতু সাক্ষী আনতে পারেনি, সেহেতু তারা আল্লাহর দৃষ্টিতে মিথ্যাবাদী।

আয়াত ১৪:
যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা তোমাদের উপর না থাকত, দুনিয়া ও আখেরাতে তোমাদের উপর কঠিন শাস্তি হতো, কারণ তোমরা এ বিষয়ে প্রবেশ করেছ।

আয়াত ১৫:
যখন তোমরা একে মুখে মুখে ছড়িয়ে দিলে এবং তোমাদের মুখে এমন কিছু বলে দিলে, যার সম্পর্কে তোমাদের কোনো জ্ঞান ছিল না; তোমরা মনে করেছিলে এটা তুচ্ছ ব্যাপার, অথচ আল্লাহর কাছে এটা খুবই বড় ব্যাপার।

আয়াত ১৬:
তোমরা যখন এটা শুনলে, তখন কেন বললে না, ‘এ কথা আমাদের বলা উচিত নয়; মহান আল্লাহ, এটা তো বড় অপবাদ।’

আয়াত ১৭:
আল্লাহ তোমাদের শিক্ষা দেন, ভবিষ্যতে এমন কাজ কখনো করো না, যদি তোমরা ঈমানদার হও।

আয়াত ১৮:
আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর বিধান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আয়াত ১৯:
যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রচার করতে পছন্দ করে, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।

আয়াত ২০:
যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা তোমাদের উপর না থাকত, তাহলে তোমরা কঠিন বিপদের মধ্যে পড়তে। আল্লাহ তো পরম দয়ালু, পরম করুণাময়।

আয়াত ২১:
হে মুমিনগণ! শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, সে তো অশ্লীলতা ও অসৎ কাজের নির্দেশ দেয়। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা তোমাদের উপর না থাকত, তবে তোমাদের কেউই কখনো পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আয়াত ২২:
তোমাদের মধ্যে যারা ধন-সম্পদের মালিক এবং ক্ষমতাবান, তারা যেন শপথ না করে যে, তারা আত্মীয়-স্বজন, দরিদ্র ও আল্লাহর পথে হিজরতকারী লোকদের কিছুই দেবে না। তাদের উচিত ক্ষমা করা এবং উপেক্ষা করা। তোমরা কি চাও না যে, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন? আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আয়াত ২৩:
যারা সতী-সাধ্বী, নিরপরাধ, বিশ্বাসী নারীদেরকে অপবাদ দেয়, তারা দুনিয়া ও আখেরাতে অভিশপ্ত, এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।

আয়াত ২৪:
যেদিন তাদের জিহ্বা, হাত ও পা তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে তাদের কাজের ব্যাপারে।

আয়াত ২৫:
সেদিন আল্লাহ তাদের পূর্ণ প্রতিফল দেবেন, যা তারা উপার্জন করেছে, এবং তারা বুঝতে পারবে, আল্লাহই হলেন প্রকৃত সত্য।

আয়াত ২৬:
অশুচিত নারীরা অশুচিত পুরুষদের জন্য এবং অশুচিত পুরুষরা অশুচিত নারীদের জন্য। আর পবিত্র নারীরা পবিত্র পুরুষদের জন্য এবং পবিত্র পুরুষরা পবিত্র নারীদের জন্য। এদের প্রতি যে অপবাদ দেয়া হয়, তা থেকে তারা মুক্ত। এদের জন্য রয়েছে ক্ষমা এবং সম্মানজনক জীবনোপকরণ।



🏛️ এই আয়াতগুলোর মূল শিক্ষা:

✔️ গুজব ও অপবাদ ছড়ানো কঠিন অপরাধ

✔️ প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী মনে করা হারাম

✔️ সতীত্ব ও চরিত্র রক্ষা করা ঈমানের অঙ্গ

✔️ মুমিনদের উচিত, একে অন্যের সম্পর্কে ভাল ধারণা পোষণ করা

✔️ আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দোষতার ঘোষণা হচ্ছে চূড়ান্ত সত্য

✨ শেষ কথা

হযরত আয়েশা (রা.) শুধু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর স্ত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন ইসলামের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যাঁর জ্ঞান, সততা এবং ইসলামের প্রতি অবদান আজও মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুপ্রেরণা।

গাজা উপত্যকায় তীব্র খাদ্যসংকটের মধ্যে নতুন করে মানবিক সাহায্য বিতরণের সময় একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৯ মে) ক...
30/05/2025

গাজা উপত্যকায় তীব্র খাদ্যসংকটের মধ্যে নতুন করে মানবিক সাহায্য বিতরণের সময় একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৯ মে) কেন্দ্রীয় গাজায় একটি নবনির্মিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে বিস্ফোরণ হয়, যেখানে শত শত ফিলিস্তিনি খাবারের জন্য জড়ো হয়েছিলেন। একই দিনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭০ জন।

খবরে জানা যায়, কেন্দ্রীয় গাজার খান ইউনিসে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত Gaza Humanitarian Foundation-এর ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে এই বিস্ফোরণ ঘটে। ত্রাণ পাওয়ার আশায় জড়ো হওয়া ক্ষুধার্ত মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা।

জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, “ক্ষুধা প্রতিরোধের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।” তারা বলছে, খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার অভাবে গাজাবাসীদের জীবন এখন মৃত্যুর দোলনায়।

এদিন গাজার গাজা সিটির আস-সারায়া জংশনের কাছে ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হন ৯ জন। এছাড়া সারা গাজায় বিভিন্ন হামলায় মোট ৭০ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৪,২৪৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,২৩,৪৯২ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে, গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তুপের নিচে এখনও হাজার হাজার নিখোঁজ ব্যক্তি রয়েছেন এবং এ পর্যন্ত প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৬১,৭০০ ছাড়িয়ে গেছে।

ইসরায়েলি সরকার সম্প্রতি পশ্চিম তীরে একসঙ্গে ২২টি অবৈধ ইহুদি বসতি অনুমোদন দিয়েছে, যা ইতিহাসে একবারে সর্ববৃহৎ অনুমোদন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই সহিংসতাকে “মানবতাবিরোধী এবং অমানবিক আচরণ” হিসেবে আখ্যায়িত করছে। তারা বলছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের মৌলিক মানবিক অধিকার লঙ্ঘন করছে—বিশেষ করে খাদ্য, পানি ও আশ্রয়ের অধিকারে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১,১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি বন্দী হন। সেই ঘটনার পর থেকেই ইসরায়েল গাজার ওপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, যা এখন চরম মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হয়েছে।

সুত্র - আলজাজিরা

বীরযোদ্ধা হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি - সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও ঈদে মিলাদুননবী পালনের গুরুত্ব।১০৯৯ সনে ইংরেজ, ফ...
30/05/2025

বীরযোদ্ধা হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি - সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও ঈদে মিলাদুননবী পালনের গুরুত্ব।

১০৯৯ সনে ইংরেজ, ফ্রেঞ্চ ও জার্মান শক্তি একত্রে মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাস শরীফ দখল করে নেয়। মুসলিম জাতির বীর যোদ্ধা হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি এমন একটি সময়ে আসেন (১১৩৮-১১৯৩ সন) যখন মুসলিম জাতি দ্বিধাবিভক্ত।

কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার জন্য যে মনোবল তথা শক্তি দরকার সেটা নাই। এর উপরে ইরাকের খলিফার নৈতিক অধঃপতনের কারণে মুসলিম জাতির তখন টালমাটাল অবস্থা। এমন সময় হযরত সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আগমন।

তিনি চিন্তা করলেন-“এমন একটা কিছু করা দরকার, যার মাধ্যমে মুসলিম জাতির ঈমানি চেতনা ‍বৃদ্ধি পাবে এবং মুসলমানরা কাফিরদের বিরুদ্ধে লড়াই করার মনোবল অর্জন করতে পারবে।”

তখন হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহির বোন জামাই এবং ন্যায় পরায়ন ও তাকওয়াধারী বাদশাহ মালিক মুজাফফর রহমতুল্লাহি হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে একটি বুদ্ধি দিলেন। বললেন-, সালাতানাতের পক্ষ থেকেই ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করার জন্য।

এতে মানুষের মধ্যে ঈমানি চেতনা বৃদ্ধি পাবে এবং মুসলমানরা কাফিরদের বিরুদ্ধে শক্ত জবাব দিতে পারবে। হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি বিষয়টি গ্রহণ করলেন এবং হজ্জে আগত হাজী সাহেবদের জানিয়ে দিলেন তারা যেন এ বছর থেকে সবাই একত্রে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করে (৫৭৯ হিজরী/১১৮৩ সন)।

এর পরের বছর (৫৮০হিজরী/১১৮৪ সন) হযরত সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সালতানাতের পক্ষ থেকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার সহিত ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়োজন করলেন।

এ সময় তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন, এরমধ্যে ছিলো নবীজির জীবনী লেখনি এবং নাত শরীফ রচনা প্রতিযোগীতা। এ প্রতিযোগীতায় শায়েখ জাফর আল লায়তানি প্রথম পুরষ্কার লাভ করেন।

নবীজির বিলাদত দিবস বা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার সহিত পালন করার কারণে মুসলমানদের মধ্যে ঈমানী চেতনা ফিরে আসে এবং মুসলমানরা কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আত্মিক শক্তি লাভ করেন।

দেখা যায় মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই (৫৮৩হিজরী/১১৮৭ সন) মুসলমানরা কাফিরদের পরাজিত করে জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সুবহানাল্লাহ।

উল্লেখ্য ঐ সময় সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি মুসলিম সালতানাত যতদূর বিস্তৃতি ছিলো সব অঞ্চলেই ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সরকারিভাবে পালন শুরু করা হয়।

বর্তমানে মুসলিম দেশগুলোতে যে সরকারিভাবে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন হচ্ছে সেটাও ঐ অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায়ই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Address

Badr Hunain

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam Speak The Truth - ইসলাম সত্যের কথা বলে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share