Be'sat e Khoon

Be'sat e Khoon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Be'sat e Khoon, Educational Research Center, masuma e Qom shrine, Qom.

"The movement of 'Be'sat e Khoon' aims to raise public awareness about the message of the Prophet's mission and the continuation of his path through shedding 72 and even more bloods."

ইমাম হাসান আসকারি (আ.)-এর দৃষ্টিতে শিয়াইমাম হাসান আসকারি (আ.)-এর দৃষ্টিতে, শুধু নিজেকে ‘শিয়া’ বলে পরিচয় দিলেই কেউ প্রকৃত...
18/08/2026

ইমাম হাসান আসকারি (আ.)-এর দৃষ্টিতে শিয়া

ইমাম হাসান আসকারি (আ.)-এর দৃষ্টিতে, শুধু নিজেকে ‘শিয়া’ বলে পরিচয় দিলেই কেউ প্রকৃত শিয়া হয়ে যায় না। বরং প্রকৃত শিয়ার বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি যার মধ্যে রয়েছে, সেই ব্যক্তিই প্রকৃত শিয়া।

প্রকৃত শিয়া হলো সেই ব্যক্তি, যে তার ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মতো মানুষের এবং বিশেষ করে মুমিন ভাইদের সেবা করার ক্ষেত্রে সক্রিয় ও আন্তরিক থাকে এবং আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ মেনে চলে।

ইমাম হাসান আসকারি (আ.) শিয়ার পরিচয় সম্পর্কে অত্যন্ত সুন্দরভাবে বলেছেন:

«شيعة علي هم الذين يؤثرون إخوانهم على أنفسهم ولو كان بهم خصاصة، وهم الذين لا يراهم الله حيث نهاهم ولا يفقدهم حيث أمرهم، وشيعة علي هم الذين يقتدون بعلي في إكرام إخوانهم المؤمنين»

“আলীর শিয়ারা হলো তারা, যারা নিজেদের অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ভাইদেরকে নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয়। তারা এমন লোক, যাদের আল্লাহ তাঁর নিষেধকৃত স্থানে দেখতে পান না এবং তাঁর আদেশকৃত স্থানে তাদের অনুপস্থিতও দেখতে পান না। আর আলীর শিয়ারা হলো তারা, যারা তাদের মুমিন ভাইদের সম্মান করার ক্ষেত্রে আলীর অনুসরণ করে।”

অন্যদিকে, শিয়াদের আলামতের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন:

«علامات المؤمنين خمس: صلاةُ الإحدى والخمسين، وزيارةُ الأربعين، والتختّمُ في اليمين، وتعفيرُ الجبين، والجهرُ ببسم الله الرحمن الرحيم»

“মুমিনদের নিদর্শন পাঁচটি জিনিসে রয়েছে:"

১. প্রতিদিন ৫১ রাকাত নামাজ আদায় করা।
২. ইমাম হুসাইন (আ.)-এর জিয়ারতে আরবাঈন প্রতি দিন পাঠ করা।
৩. ডান হাতে আংটি পরা।
৪. সিজদায় কপাল মাটিতে রাখা।
৫. নামাজে ‘بسم الله الرحمن الرحيم’ উচ্চস্বরে পাঠ করা।”

এখানে ৫১ রাকাত বলতে ১৭ রাকাত ফরজ নামাজ এবং ৩৪ রাকাত নফল নামাজ বোঝানো হয়েছে।

উৎস:
১. মীযানুল হিকমাহ, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ২৩১।
২. বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৯৫, পৃষ্ঠা ৩৪৮।


#ইমাম_হাসান_আসকারি #ইসলাম #হাদীস #কুরআন

⁉️ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকাল, নাকি শাহাদাত?🟢 রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষেত্রে ‘ইন্তেকাল’ শব্দটি ব্যবহার করার ফলে অধিকাং...
12/08/2026

⁉️ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকাল, নাকি শাহাদাত?

🟢 রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষেত্রে ‘ইন্তেকাল’ শব্দটি ব্যবহার করার ফলে অধিকাংশ মানুষ তাঁর ওফাতকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মনে করতে শুরু করেছে।

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মজলুমিয়তের একটি দিক, যা আজও অব্যাহত রয়েছে, তা হলো তাঁর শাহাদাতের বিষয়টি। শিয়া ও সুন্নি উভয় সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য বিভিন্ন সূত্র ও গ্রন্থে এ বিষয়ে বর্ণনা পাওয়া যায়। এসব বর্ণনার ভিত্তিতে তাঁর শাহাদাতের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তাঁর জন্য ‘ইন্তেকাল’ শব্দটি বারংবার ব্যবহারের কারণে অধিকাংশ মানুষ তাঁর মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে ধারণা করে। ফলে ‘শাহাদাত’ শব্দটি শুনলে অনেকেই বিস্মিত হন।

কুরআনে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শাহাদাতের উল্লেখ

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে তাঁর নবীর নিহত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন, যাতে কেউ মনে না করে যে কোনো নবী বা রাসূলের শাহাদাত অসম্ভব।

﴿وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ أَفَإِنْ مَاتَ أَوْ قُتِلَ انْقَلَبْتُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ﴾

সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৪৪

"আর মুহাম্মাদ কেবল একজন রাসূল। তার পূর্বে নিশ্চয় অনেক রাসূল বিগত হয়েছে। যদি সে মারা যায় অথবা তাকে হত্যা করা হয়, তবে তোমরা কি তোমাদের পেছনে ফিরে যাবে ?”

অর্থাৎ, আয়াতটি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর স্বাভাবিক মৃত্যুর সম্ভাবনার পাশাপাশি নিহত হওয়ার সম্ভাবনাকেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে।

শিয়া সূত্রসমূহে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শাহাদাত

শিয়া গ্রন্থসমূহে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শাহাদাতের বিষয়টি কখনো ইঙ্গিতের মাধ্যমে এবং কখনো সরাসরি বর্ণিত হয়েছে।

‘কিফায়াতুল আসার’ এবং ‘ইসবাতুল হুদাত’-এ বর্ণিত হয়েছে যে, আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী (আ.)-এর শাহাদাতের পর ইমাম হাসান (আ.) গোর্রা খুতবাতে উল্লেখ করেন:

“রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর আহলে বাইতের মধ্য থেকে নির্বাচিত বারোজন ইমামের হাতে ইমামতের দায়িত্ব থাকবে। আমাদের মধ্য থেকে এমন কেউ নেই, যাকে হয় বিষপ্রয়োগ অথবা হত্যা করা হবে।”

এই বর্ণনার ভিত্তিতে বলা হয় যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর নিজের এবং তাঁর আহলে বাইতের সদস্যদের মৃত্যুকে সাধারণ ও স্বাভাবিক মৃত্যুকে অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে ইমাম হাসান (আ.) তাঁর পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেছেন:

“আমি বিষপ্রয়োগে নিহত হব, যেমনটি রাসূলুল্লাহ (সা.) বিষপ্রয়োগের মাধ্যমে শাহাদাত বরণ করেছেন।”¹
শেখ মুফীদ ও শেখ তূসীর হযরত মুহাম্মদ সা.শাহাদাত সম্পর্কিত বক্তব্য

প্রখ্যাত শিয়া আলেম শেখ মুফীদ রা. উল্লেখ করেছেন যে:

“রাসূলুল্লাহ (সা.) দশম হিজরির ২৮ সফর, ৬৩ বছর বয়সে মদিনা মুনাওয়ারায় বিষপ্রয়োগের কারণে শাহাদাত বরণ করেন।”
এছাড়াও শিয়া জগতের অন্যতম বিশিষ্ট চিন্তাবিদ শেখ তূসী রা. লিখেছেন:

“রাসূলুল্লাহ (সা.) দশম হিজরির সফর মাসের শেষ হওয়ার দুই রাত আগে বিষপ্রয়োগের কারণে ইন্তেকাল করেন।”

আল্লামা হিল্লী ও আল্লামা মাজলিসীর দৃষ্টিতে:

প্রখ্যাত শিয়া আলেম আল্লামা হিল্লী-ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বিষপ্রয়োগের মাধ্যমে শাহাদাতের কথা উল্লেখ করেছেন।
আর আল্লামা মাজলিসী উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শাহাদাত একাদশ হিজরিতে সংঘটিত হয়েছিল।

আহলে সুন্নাততের সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শাহাদাতের উল্লেখ

🔹 শা‘বী ও ইবনে মাসউদ

আল-মুস্তাদরাক আল ওয়াসায়েল-এ হাকিম নিশাপুরী শা‘বী থেকে একটি বক্তব্য বর্ণনা করেছেন। শা‘বী বলেছেন:

“আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বিষপ্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছিল।”
এছাড়াও ইবনে মাসউদ রা.-এর কাছ থেকেও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিহত হওয়ার বিষয়টি সমর্থনকারী বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে।

সহীহ বুখারীতে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বিষের কষ্টের উল্লেখ

‘আল-মাজদা ফিল আনসাব’-এ ইবনে সা‘দ থেকে এমন একটি বর্ণনা পাওয়া যায় যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ৬৩ বছর বয়সে বিষপ্রয়োগের পর ইন্তেকাল করেন।

এছাড়া সুন্নিদের অন্যতম প্রসিদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য গ্রন্থ সহীহ বুখারী-তেও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের শেষ সময়ে দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা ও তীব্র কষ্টের উল্লেখ রয়েছে।

এক বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর পূর্বে গ্রহণ করা বিষের প্রভাব সম্পর্কে বলেন যে, তিনি যেন অনুভব করছেন তাঁর হৃদয়ের প্রধান ধমনী সেই বিষের কারণে কেটে যাচ্ছে।

খায়বারে বিষপ্রয়োগের ঘটনা

একটি প্রসিদ্ধ বর্ণনা হলো, খায়বারের যুদ্ধে এক ইহুদি নারী রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বিষপ্রয়োগ করেছিলেন। বর্ণনা অনুযায়ী, সেই বিষের প্রভাব পরবর্তী সময়েও তাঁর শরীরে বিদ্যমান ছিল এবং শেষ পর্যন্ত সেই বিষের প্রভাবে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

সূত্র:
১-১.ইসবাতুল হুদাত, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ১৫০, হাদিস ১২।
২.আল-খারায়িজ ওয়াল-জারায়িহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৪১, হাদিস ৭।
৩. বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৪৪, পৃষ্ঠা ১৫৩।
৪.মুসনাদুল ইমাম আল-মুজতবা (আ.), পৃষ্ঠা ১২৩, হাদিস ৩৪।
৫.মুনতাহাল আমাল, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৬৮।


#রাসূলুল্লাহ #শাহাদাত #ইসলাম #কুরআন #হাদিস

আশুরার উম্মাহ, প্রেরিত উম্মাহপৃথিবী আজ ক্লান্ত...ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বৈষম্য সৃষ্টি করা ব্যবস্থায় ক্লান্ত। স...
05/07/2026

আশুরার উম্মাহ, প্রেরিত উম্মাহ

পৃথিবী আজ ক্লান্ত...

ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বৈষম্য সৃষ্টি করা ব্যবস্থায় ক্লান্ত। স্বাধীনতার স্লোগান দিয়ে যুদ্ধ ও শোষণ উপহার দেওয়া শক্তিগুলোর প্রতি ক্লান্ত। আজকের মানুষ, সচেতনভাবে বা অচেতনভাবে, এমন এক ঐশী নেতৃত্ব এবং এমন একক পতাকার সন্ধান করছে, যা মানবজাতিকে প্রকৃত মুক্তির পথে পরিচালিত করবে।

কিন্তু বিশ্বের নেতৃত্ব শুধু দাবির মাধ্যমে অর্জিত হয় না; এর জন্য যোগ্যতা প্রয়োজন।

উম্মাহর নেতৃত্বের সেই যোগ্যতা শুরু হয় আশুরার শিক্ষা থেকে। ইমাম হুসাইন (আ.) চিরদিনের জন্য সত্য ও মিথ্যার মানদণ্ড স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সেই মানদণ্ড হলো মর্যাদা, দূরদৃষ্টি (বাসীরাত), অবিচলতা, ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং আল্লাহর পথে আত্মত্যাগ।

এই কারণেই, যারা নিজেদের হুসাইনি বলে পরিচয় দিই, তাদের দায়িত্ব শুধু আশুরার শোক পালন করা নয়; বরং ‘আশুরার উম্মাহ’ গড়ে তোলা। এমন একটি উম্মাহ, যারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আশুরার আদর্শ বাস্তবায়ন করবে এবং অন্যান্য জাতির জন্য অনুসরণীয় আদর্শে পরিণত হবে।

যদি এমন একটি উম্মাহ গড়ে ওঠে, তবে তাদের দায়িত্ব শুধু নিজেদের সংশোধনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং তারা অন্য জাতি ও সমাজের হাত ধরবে, তাদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেবে, সত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এবং স্বাধীনতাকামী জাতিগুলোকে ন্যায় ও তাওহীদের পতাকাতলে একত্রিত করবে। এটাই হলো প্রেরিত উম্মাহ। এমন এক উম্মাহ, যারা আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, বরং মানবজাতিকে সৎপথে পরিচালনার দায়িত্ব অনুভব করে।

শিয়া আকীদা অনুযায়ী, যত বেশি এই জাগরণ বিস্তৃত হবে এবং যত বেশি জাতি সত্য ও ন্যায় গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হবে, ততই ইমাম মাহদী (আ.)-এর বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব গ্রহণের পরিবেশ সুদৃঢ় হবে। তাঁর আবির্ভাব শুধু নিষ্ক্রিয়ভাবে অপেক্ষা করার বিষয় নয়; বরং এর জন্য প্রয়োজন প্রস্তুত সমাজ এবং দায়িত্বশীল উম্মাহ।

আজ আমাদের দায়িত্ব শুধু আশুরার শোক পালন করা নয়; বরং আশুরার উম্মাহ গড়ে তোলা। এমন একটি উম্মাহ, যারা মজলুমের আশ্রয়স্থল হবে, জাতিগুলোকে জাগ্রত করবে এবং ইমাম মাহদী (আ.)-এর বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য মানবসমাজকে প্রস্তুত করবে।

"كُلُّ يَوْمٍ عَاشُورَاءُ وَكُلُّ أَرْضٍ كَرْبَلَاءُ"এর অর্থ, আশুরা শুধু বছরের একটি দিন নয় এবং কারবালা শুধু একটি নির্দি...
23/06/2026

"كُلُّ يَوْمٍ عَاشُورَاءُ وَكُلُّ أَرْضٍ كَرْبَلَاءُ"

এর অর্থ, আশুরা শুধু বছরের একটি দিন নয় এবং কারবালা শুধু একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড নয়; বরং যেদিন সত্য ও অসত্য মুখোমুখি দাঁড়ায়, সেদিনই আশুরা, আর যেখানে এই সংঘর্ষ ঘটে, সেখানেই কারবালা।

তবে কারবালা শুধু শাহাদাতের ময়দান নয়; এটি সত্যকে চেনার মানদণ্ডও। যারা ইমাম হুসাইন (আ.)-এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তাদের অনেকেই নামাজ পড়ত, কুরআন তিলাওয়াত করত, এমনকি ইসলামের প্রাথমিক যুগে সঙ্গী হওয়ার ইতিহাসও ছিল। কিন্তু তারা সত্যকে সঠিকভাবে চিনতে ব্যর্থ হয়েছিল।

যে ব্যক্তি কারবালার শিক্ষা সঠিকভাবে উপলব্ধি করবে, সে শিখবে যে সত্যকে কখনো ব্যক্তি, প্রচার, ক্ষমতা বা গণমাধ্যমের কোলাহল দিয়ে মাপা যায় না; বরং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রবাহকে সত্যের মানদণ্ডে যাচাই করতে হয়।

আজও গাযা, লেবানন, ইরান এবং পৃথিবীর যেকোনো স্থানে যেখানে কোনো মজলুম জুলুমের শিকার হচ্ছে, আমাদের সেই সত্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় যে আশুরা শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়; এটি একটি চলমান ও চিরন্তন পরীক্ষা।

মূল প্রশ্ন এটি নয় যে ৬১ হিজরিতে আমরা কোন পক্ষের সঙ্গে থাকতাম; বরং প্রশ্ন হলো, আজ আমরা কোন পক্ষের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছি?

কারবালা মানুষের সত্য-চেতনার পরীক্ষাক্ষেত্র। যে ব্যক্তি তার যুগের হুসাইনকে চিনতে পারে এবং তাঁর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ায়, সে-ই আশুরার পরীক্ষায় সফল ও সম্মানিত হয়।

#কারবালা #ইসলাম #কুরআন #হাদীস

যখন সমগ্র বিশ্ব এমন এক প্রতিযোগিতাকে ঘিরে একত্রিত হয়, যা সমস্ত মহাদেশগুলোকে একটি আলোর ছত্রছায়ায় যুক্ত করে, তখন লক্ষ ল...
21/06/2026

যখন সমগ্র বিশ্ব এমন এক প্রতিযোগিতাকে ঘিরে একত্রিত হয়, যা সমস্ত মহাদেশগুলোকে একটি আলোর ছত্রছায়ায় যুক্ত করে, তখন লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু মুহূর্তের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছেন...
এমন মুহূর্ত, যা কখনও পর্দায় দেখানো হয় না।

কেউ বলের পেছনে দৌড়ায়।

কেউ পানির পেছনে দৌড়ায়।

কেউ ট্রফি উঁচু করে ধরে।

কেউ এক বস্তা আটা উঁচু করে ধরে।

কারও হাতে ম্যাচের টিকিট।

কারও হাতে চিকিৎসার রেফারেলপত্র, যা এখনও অনুমোদনের অপেক্ষায়।

এই ছবিগুলো দেখতে প্রায় একই রকম।

কিন্তু এর পেছনের বাস্তবতা এক নয়।

এটি আনন্দ উদ্‌যাপনের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য নয়।

এবং কারও খুশি নষ্ট করার আহ্বানও নয়।

এটি শুধুমাত্র স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে পৃথিবীকে কখনও একটিমাত্র দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় না।

আর যখন বিশ্ব আনন্দ উদ্‌যাপনে মগ্ন, তখনও গাজা খুঁজছে সেই সাধারণ জিনিসগুলো, যা আগামীকালকে সম্ভব করে তোলে।


#ইরান #গাজা #লেবানন

قيل للصادق (عليه السلام): سيدي جعلت فداك، إنّ الميّت يُجلس له بالنياحة بعد موته أو قتله، وأراكم أنتم وشيعتكم تجلسون من أ...
17/06/2026

قيل للصادق (عليه السلام): سيدي جعلت فداك، إنّ الميّت يُجلس له بالنياحة بعد موته أو قتله، وأراكم أنتم وشيعتكم تجلسون من أوّل الشهر بالمأتم والعزاء على الحسين (عليه السلام)!

فقال (عليه السلام): «يا هذا، إذا هلّ هلالُ المحرّم نشرت الملائكةُ ثوبَ الحسين (عليه السلام) وهو مُخرَّقٌ من ضرب السيوف ومُلَطَّخٌ بالدماء، فنراه نحن وشيعتنا بالبصيرة لا بالبصر، فتنفجر دموعنا».

ইমাম জাফর সাদিক আ.-কে বলা হলো:

“আমি আপনার জন্য কুরবান হই! সাধারণত কেউ মৃত্যুবরণ করলে বা নিহত হলে তার মৃত্যুর পর শোক ও মাতমের মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আমি দেখছি, আপনি এবং আপনার শিয়াগণ মুহাররম মাসের শুরু থেকেই ইমাম হুসাইন আ.-এর শোকসভা আয়োজন করেন। এর কারণ কী?”

ইমাম সাদিক (আ.) বললেন:

“হে ব্যক্তি! যখন মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা যায়, তখন ফেরেশতারা হুসাইন আ.-এর সেই জামা উঁচু করে ধরেন, যা তলোয়ারের আঘাতে টুকরো-টুকরো হয়ে গিয়েছিল এবং রক্তে রঞ্জিত ছিল। আমরা এবং আমাদের শিয়াগণ তা বাহ্যিক চোখে নয়, অন্তর্দৃষ্টির চোখে দেখতে পাই। ফলে আমাদের চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হতে থাকে।”

সূরা আলে ইমরান: ৬১فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأ...
09/06/2026

সূরা আলে ইমরান: ৬১

فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنْفُسَنَا وَأَنْفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَلْ لَعْنَتَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ

“অতঃপর আপনার নিকট জ্ঞান আসার পর যে কেউ এ বিষয়ে আপনার সাথে তর্ক করে তাকে বলুন, ‘এসো, আমরা আহবান করি আমাদের পুত্রদেরকে ও তোমাদের পুত্রদেরকে, আমাদের নারীদেরকে ও তোমাদের নারীদেরকে, আমাদের নিজেদেরকে ও তোমাদের নিজেদেরকে, তারপর আমরা বিনীত প্রার্থনা(মুবাহালা) করি, অতঃপর মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লা’নত করি’।"

মুবাহালার শিক্ষা:

মুবাহালার দিনে রাসূলুল্লাহ (সা.) সবচেয়ে প্রিয় মানুষদেরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন, যাতে তিনি দেখিয়ে দেন যে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পুরো পরিবারকেই দৃঢ়ভাবে সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে হয়।

মুবাহালার আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয় যে, মানুষ যদি তার লক্ষ্য ও আদর্শের প্রতি পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস রাখে, তবে সে নিজের জীবন এবং সবচেয়ে নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজনদেরও ঝুঁকির মুখে আনতে প্রস্তুত থাকে। এই অবিচল দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগের মনোভাবই শত্রুকে পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য করে।

#ঈদ #মুবাহেলা #কুরআন #আহলে_বাইত

জায়নবাদী দখলদার শাসনব্যবস্থার পতনের শেষ নিঃশ্বাস চলছে।— সৈয়দ মুজতবা হুসাইনি খামেনাই         #খামেনাই  #ইরান  #ইজরাইল  ...
08/06/2026

জায়নবাদী দখলদার শাসনব্যবস্থার পতনের শেষ নিঃশ্বাস চলছে।

— সৈয়দ মুজতবা হুসাইনি খামেনাই

#খামেনাই #ইরান #ইজরাইল #লেবনান

দূরত্ব কখনও স্বাধীনচেতা জাতিগুলোর বন্ধনকে ছিন্ন করতে পারে না।«كُونُوا لِلظَّالِمِ خَصْمًا وَلِلْمَظْلُومِ عَوْنًا»““জালি...
06/06/2026

দূরত্ব কখনও স্বাধীনচেতা জাতিগুলোর বন্ধনকে ছিন্ন করতে পারে না।

«كُونُوا لِلظَّالِمِ خَصْمًا وَلِلْمَظْلُومِ عَوْنًا»

““জালিমের বিরোধিতা করো এবং মজলুমের পাশে দাঁড়াও।”
— হযরত আলী (আ.)

অত্যাচার শুধু অত্যাচারীর শক্তির কারণে টিকে থাকে না;
অনেক সময় তা অব্যাহত থাকে তাদের নীরবতার কারণে, যারা সত্যকে দেখেও পাশ কাটিয়ে যায়।

মজলুমের পক্ষে দাঁড়ানো কোনো রাজনৈতিক বা আবেগের বিষয় নয়;
এটি বিবেক, মানবতা এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারের পরীক্ষা।
পৃথিবীর স্বাধীনচেতা মানুষ মানবিক দুর্ভোগের সামনে কোনো সীমান্ত মানে না;
তারা সত্য ও ন্যায়ের পাশে দাঁড়ায়,
জাতি, ভাষা বা ভূখণ্ডের কারণে নয়,
বরং সেই মূল্যবোধের কারণে, যা মানুষকে সত্যিকার অর্থে মানুষ করে রাখে।
আজ যদি আমরা নিপীড়িতদের আহ্বান না শুনি, তাহলে আগামীকাল আমাদের আহ্বান শোনার জন্যও কেউ থাকবে না।

আমরা তোমাদের ভুলে যাইনি।
আমরা সত্য ও ন্যায়ের পাশে আছি এবং বিশ্বাস করি, অত্যাচার চিরস্থায়ী নয়,
আর ন্যায়ের আহ্বান কখনও স্তব্ধ হবে না।

#ইরান #লেবনান #হাদীস
#ইমাম_আলী #গাজা

গাদির হলো সত্যের পতাকাবাহীদের ময়দানে অবতরণের সূচনা, আর আশুরা হলো সেই সত্যের জন্য জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চূড়ান্ত প্...
04/06/2026

গাদির হলো সত্যের পতাকাবাহীদের ময়দানে অবতরণের সূচনা, আর আশুরা হলো সেই সত্যের জন্য জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রকাশ। যদি গাদিরে বেলায়াতের হাত উঁচু করা হয়ে থাকে, তবে আশুরায় বেলায়েতের রক্ত মাটিতে ঝরেছে, যাতে সত্যের পথ চিরজীবী থাকে। গাদির আমাদের শেখায় সত্যকে চিনতে, আর আশুরা শেখায় সত্যের জন্য মূল্য দিতে।

যে ব্যক্তি গাদিরের প্রকৃত শিক্ষা উপলব্ধি করেছে, সে তার যুগের আশুরায় পথ হারায় না। সে জানে, কখনও কখনও জাতিসমূহকে জাগ্রত করার জন্য বে'সাতে খুন “রক্তের নবজাগরণ” প্রয়োজন হয়। কারবালায় যে সত্য প্রকাশিত হয়েছিল, তা-ই ইমাম হুসাইন (আ.)-এর রক্তকে মানবজাতির হিদায়াতের জন্য এক চিরন্তন বার্তাবাহকে পরিণত করেছে।

গতকালের ইয়াজিদিরা ইমাম হুসাইন (আ.)-কে শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, বর্ণনা ও প্রচারের ক্ষেত্রেও আঘাত করেছিল। তারা যেমন তাঁর পবিত্র দেহকে তরবারির আঘাতে বিদ্ধ করেছিল, তেমনি তাঁর বিপ্লবের সত্যকেও মিথ্যা প্রচার, বিকৃতি ও অপপ্রচারের মাধ্যমে হত্যা করতে চেয়েছিল। আর আজকের ইয়াজিদিরাও হুসাইনি মক্তবের অনুসারীদের একইভাবে যুদ্ধক্ষেত্র ও গণমাধ্যমে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানায়। কারণ তারা সত্যের তরবারির চেয়ে জাতির জাগরণকে বেশি ভয় পায়।

আজও ময়দান সেই একই ময়দান। অত্যাচারী ও ঔদ্ধত্যবাদীরা নতুন মুখোশ ধারণ করলেও তাদের চিন্তা ও পথ ইয়াজিদেরই পথ। তারা মনে করে যুদ্ধ, স*ন্ত্রাস, হ*ত্যা ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সত্যের পতাকা নামিয়ে আনা যাবে। অথচ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, শহীদদের রক্ত কোনো পথের সমাপ্তি নয়; বরং তা জাতির জাগরণের সূচনা।

গাদির হলো বেলায়াতের অঙ্গীকার, আশুরা হলো সেই অঙ্গীকারের প্রতি বিশ্বস্ততার প্রমাণ। আর প্রত্যেক স্বাধীনচেতা মানুষের উচিত সত্য ও মিথ্যার এই চিরন্তন সংগ্রামে নিজের অবস্থান নির্ধারণ করা।

পবিত্র ঈদে গাদিরে খুম উপলক্ষে বিশ্বের সকল শিয়া, মুসলিম এবং সকল স্বাধীনচেতা মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।💚

#ইসলাম #কুরআন #গাদির #ইমাম_আলী #হাদীস

Address

Masuma E Qom Shrine
Qom

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Be'sat e Khoon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share