হে যুবক সারাদিন যায় করো, রাতে ঘুমানোর সময় বালিশে মাথা দিয়ে দুই হাত তুলে বল হে আল্লাহ আমায় মাফ করে দাও আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইছি। ছয় মাস করে দেখো কী ফল আসে।
আর নামাজের সঙ্গে আপোস করো না। নামাজের সময় হলে যেখানেই থাকো, প্রত্যেক পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ টা পড়ো। সুন্নত না পড়ো না পড়ো। যাই হয়ে যাক, নামাজ বাদ দিওনা, ফরজ নামাজ টুকু পড়ো।
২+৪+৪+৩+৪।
SK Safi Uddin
শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট
সুবহানআল্লাহ আল হামদুলিল্লাহ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার বলতে থাকো এগুলো আল্লাহর কাছে অতীব প্রিয় জাহান্নাম থেকে বাঁচার মাধ্যম। এই চারটি বাক্য কে সবসময় পড়তে থাকো জাহান্নাম থেকে বাঁচার মাধ্যম এই চারটি বাক্য মানুষকে পেছন দিক থেকে জাহান্নাম নিক্ষেপ হওয়া থেকে রক্ষা করবে। চারটি বাক্য স্থায়ীও সৎ আমল, এই চারটি বাক্য বিপদ থেকে বাঁচার ঢাল।
১/নম্বর ফজিলত :- কেউ যদি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার পড়ার পর লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ে, অর্থাৎ এই ভাবে পড়ে,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। তার পাপ যদি সমুদ্রের ফেনা পরিমাণও যদি হয় আল্লাহ মাফ করে দেবেন।
(তিরমিজি শরীফ)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, আমাদের জন্য দুইটি নিরাপত্তা নামা আল্লাহ দিয়েছেন,
১√. রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়াতে হায়াতে থাকা।
২√. ইস্তেগফার করা
এক নম্বরে নিরাপত্তা উঠিয়ে নিয়েছেন এবং দ্বিতীয় নম্বর নিরাপত্তা হলো ইস্তেগফার যেটা এখনো কিয়ামত পর্যন্ত আছে।
তাই আমাদের প্রত্যেককের জন্য আযাব, গজব ও মহামারী এবং বিপদ থেকে রক্ষার পাওয়ার জন্য বেশি বেশি ইস্তেগফার করা।
أَسْتَغْفِرُ اللّٰه
আস্তাগফিরুল্লাহ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সালাম ফিরানোর পরে এমন কিছু বাক্য আছে যেগুলো দশবার করে পড়লে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জান্নাত পাওয়া যায়।
দশবার আল্লাহু আকবার দশ বার সুবহানআল্লাহ দশবার আলহামদুলিল্লাহ!
আমল অনেক সহজ কিন্তু করনেওয়ালার সংখ্যা খুবই কম। পাঁচ নামাজে হবে দেড়শো বার মিজানের পাল্লায় তোলা হবে দেড় হাজার বার।
{তিরমিজি, আবু দাউদ, বুখারী}
যে ব্যক্তি চাই তার জীবনটা প্রশান্তিময় হোক তার জীবনে টেনশন না থাক ঝামেলা না থাক যন্ত্রণা না থাক আর থাকলেও যেন এগুলো আল্লাহপাক কাটিয়ে দেন।
এমন যদি কোন ব্যক্তি তাকদীর চাই তাহলে তার উচিত বেশি বেশি দরুদ পড়া।
যত বেশি দরুদ পড়বেন আপনার জীবনের তত বেশি প্রশান্তি নেবে আসবে ইনশাল্লাহ।
```সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম~~
টাকা পয়সা যদি নাও দিতে পারি, কাউকে সাহায্য বা উপকার জন্য মাথায় বোঝা তুলে দিয়া, কারো হয়ে কথা বলা, যেকোনো প্রয়োজনে সাহায্য করা, আপদ বিপদে মানুষকে সাহায্য করা। যেকোনো প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
কোন ব্যক্তির প্রয়োজনে তাকে সাহায্য করার জন্য তার সঙ্গে কয়েক পা হেঁটে যাওয়া রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মদিনার মসজিদে নববীতে এক মাস এতেকাফ করার চেয়েও আল্লার কাছে অধিক প্রিয়।
কেউ যদি মানুষের উপকার করে কাউকে সাহায্য করে মদিনার মসজিদে নববীতে এক মাস এতেকাফ করলে যা সাওয়াব পাবে কাউকে সাহায্য করলে তার চেয়ে বেশি সাওয়াব তাকে দান করা হবে।
``নিরাপত্তা ও সমস্ত কিছুর ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য, বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন!
সুস্থতা ও নিরাপত্তার জন্য, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য, বিপদ থেকে রক্ষার জন্য, শরীরের শক্তি বৃদ্ধির জন্য, মন কে শান্ত ও পবিত্র করতে, এবং মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচার জন্য,বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন এবং দরুদ শরীফ পড়ুন।
মন থেকে বিশ্বাসের সাথে করে দেখুন।
أَسْتَغْفِرُالله
আস্তাগফিরুল্লাহ
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
```দুশ্চিন্তা, পেরেশানি ও টেনশন ফ্রি থাকতে এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য দরুদ শরীফ হলো মহৌষধতুল্য ,,,,,!'...
∆. ``~~√সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম√~~``
যে সব সময় টেনশন ফ্রি থাকতে চায়, সে যেন বেশি বেশি দরুদ পড়ে।।
Click here to claim your Sponsored Listing.