Ramnagar Sahora Union High School

Ramnagar Sahora Union High School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ramnagar Sahora Union High School, Education, Vill+PO, Murshidabad (W. B), Murshidabad.

29/08/2021

Relation

24/01/2021
23/05/2020

_*একটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত করতে কতো সময়ের প্রয়োজন? আসুন দেখে নিই বিগত ৫০ বছরের পরিসংখ্যান -*_

১। জিকা ভাইরাস
প্রথম শনাক্ত = ১৯৪৭ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৭৩ বছর গড়িয়ে গেছে,Result Zero.

২। চিকেনপক্স
প্রথম শনাক্ত = ১৯৫৩ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ১৯৯৫ সাল।
সময়কাল = ৪২ বছর।

৩। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস
প্রথম শনাক্ত = ১৯৬৫ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ১৯৮১ সাল।
সময়কাল = ১৬ বছর।

৪। ইবোলা ভাইরাস
প্রথম শনাক্ত = ১৯৭৬ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ২০১৯ সাল।
সময়কাল = ৪৩ বছর।

৫। এইডস
প্রথম শনাক্ত = ১৯৮১ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৩৯ বছর গড়িয়েছে, Result Zero..

৬। সার্স ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ২০০৩ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণা ক্যানসেলড করা হয়েছে।
সময়কাল = ১৭ বছর।

৭। মার্স ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ২০১২ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৮ বছর গড়িয়েছে, Result Zero.

৮।কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস)
প্রথম সনাক্ত = ২০১৯ (ডিসেম্বর)
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত
সময়কাল = চিন্তা করতে থাকুন..

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে আজ অবধি যতো ভাইরাস আক্রমন করেছে তার মধ্যে সবচেয়ে ছোয়াচে ভাইরাস এই (Covid 19) করোনা ভাইরাস। একটি ভ্যাকসিন ডেভেলপ করতে সচরাচর ৮ থেকে ২০ বছর সময়ের প্রয়োজন। আর সেখানে কয়েক ঘন্টা পরপর ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়েছে বলে ফেসবুকের নিউজফিড ফ্লাড করবেন না ভারতবর্ষ এখন ৩য় স্টেজ এ অবস্থান করছে।অতএব কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গেছে।এখনই যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা না হয়,কাশি শিষ্টাচার,খাদ্যাভাসে পরিবর্তন, বার বার হাত ধৌতকরণ,এইগুলো না মানা হলে ৪র্থ স্টেজে পৌঁছাতে আর বেশি সময় লাগবে না। তখন চারিদিকে থাকবে শুধু হাহাকার,লাশ নিয়ে যাওয়ার কোনো লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। আসুন সচেতন হই।নিজে বাঁচি,পরিবার ও দেশকে বাঁচাই।

বিঃ দ্রঃ~যারা লকডাউন খুলছে না কেনো বলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা একটু ভাবুন যে আরও কিছুদিন লকডাউন থাকা ভালো,নাকি এখনি লকডাউন উঠিয়ে দিয়ে কবর বা শ্মশানে তাড়াতাড়ি পৌঁছানো ভালো?????
পছন্দ আপনার.....ভাবুন.....!!

27/04/2020

Repost:

22/12/2019
22/09/2019
15/09/2019

একবার এক লোক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটসকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে তোমার চেয়ে ধনী আর কেউ আছে কি?"

বিল গেটস জবাব দিয়েছিল, "হ্যাঁ, এমন একজন আছেন যিনি আমার চেয়েও ধনী”।

তারপর তিনি একটি গল্প বললেন।

“এই সময়টি ছিল যখন আমি ধনাঢ্য বা বিখ্যাত ছিলাম না।

“একবার নিউইয়র্ক বিমান বন্দরে একজন সংবাদপত্র বিক্রেতার সাথে আমার সাক্ষাত হলো।’’

“আমি একটি সংবাদপত্র কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেখেছি আমার কাছে যথেষ্ট টাকা নেই। তাই আমি কেনার সিদ্ধান্ত ছেড়ে পেপারটি বিক্রেতার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।

“আমি তাকে আমার অবস্থার কথা বলেছি। বিক্রেতা বললেন, ‘আমি আপনাকে বিনামূল্যে দিচ্ছি।’ আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।

“দুই থেকে তিন মাস পরে, আমি একই বিমান বন্দরে আবার অবতরণ করেছি এবং কাকতালীয়ভাবে আবারও সেই পত্রিকা বিক্রেতার সাথে দেখা হলো। বিক্রেতা আমাকে আজও একটি পত্রিকা অফার করলেন। আমি অপারগতা প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমি এটি নিতে পারি না কারণ এখনও আমার পরিবর্তন আসেনি। তিনি বললেন, ‘আপনি এটি নিতে পারেন, আমি এটি আমার লাভাংশ থেকে আপনাকে দিচ্ছি, আমার ক্ষতি হবে না’। বিক্রেতার আগ্রহে আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।

“ঐ ঘটনার ১৯ বছর পরে আমি বিখ্যাত এবং মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠি। হঠাৎ একদিন মনে পড়ে গেল সেই পত্রিকা বিক্রেতার কথা। আমি তাকে খুঁজতে শুরু করে দিলাম এবং প্রায় দেড় মাস অনুসন্ধানের পরে আমি তাকে খুঁজে পেলাম।

“আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনি কি আমাকে চেনেন? ’তিনি বলেছিলেন,‘ হ্যাঁ, আপনি বিল গেটস। ’

“আমি তাকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনার কি মনে আছে একবার আমাকে বিনামূল্যে একটি পত্রিকা দিয়েছিলেন? ’

“বিক্রেতা বললেন,‘ হ্যাঁ, মনে আছে। আপনাকে দু’বার দিয়েছি। ’

“আমি বললাম,‘ আপনি যে আমাকে বিনামূল্যে পত্রিকা দিয়েছিলেন তা আমি ফিরিয়ে দিতে চাই। আপনি আপনার নিজের জন্য যা চান বলুন? আমি এটি পূরণ করব। ’'

“বিক্রেতা বললেন,‘ স্যার, আপনি এমন কিছু দিতে পারবেন না, যা আমার সাহায্যের সমান হবে। ’

“আমি জিজ্ঞাসা করলাম,‘ কেন? ’

“তিনি বলেছিলেন,‘ আমি আপনাকে সংবাদপত্র দিয়েছিলাম আমার দরিদ্র অবস্থান থেকে । আর আপনি এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। আপনার সাহায্য কীভাবে আমার সাহায্যের সমান হবে? ’

"সেদিন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে সংবাদপত্রের বিক্রেতা আমার চেয়ে বেশি ধনী, কারণ তিনি কাউকে সাহায্য করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করেন নি।"

মানুষের বুঝতে হবে যে সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হলো তাঁরাই যাদের প্রচুর অর্থের চেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ হৃদয় রয়েছে।

সত্যিকারের ধনী হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

13/09/2019

দীপেন মাস্টার কে কদিন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বছর পাঁচেক হলো তিনি অবসর নিয়েছেন। স্কুল আর ছাত্রছাত্রীদের কথা ভাবতে ভাবতে তিনি তাঁর যৌবন অতিবাহিত করে দিয়েছেন। ঘর বাঁধা আর তার হয়ে ওঠেনি। স্কুল থেকে অবসর নিলেও তাঁর বাড়িতে ছাত্র ছাত্রীদের নিত্য যাওয়া আসা লেগে আছে।এভাবেই তাঁর দিন কাটে।রোজ সকালে মধুর চায়ের দোকানে খবরের কাগজে চোখ বোলানো তাঁর চল্লিশ বছরের পুরোনো অভ্যাস।সেই মধুর বাবার আমল থেকে।বাড়িতে দুবেলা এখনো নিজের হাতে রান্না করে খান।একবেলার জন্য ও হোটেলে খাননা।আজকাল মধুর দোকানে আড্ডা টা একটু বেশি মারতেন। সন্ধ্যায় বাড়িতে ছাত্র ছাত্রীদের একটু সময় দেন।কিন্তু গত কয়েক দিন তাঁর কোনো খবর নেই।ছাত্র ছাত্রীরা ছাড়া তাঁর খবর নেওয়ার ও কেউ নেই।জানা গেছে কয়েকদিন আগে দু একটা বই কেনার জন্য তিনি কলেজ স্ট্রীটের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন।তারপর আর ফেরেননি।

দীপেনবাবু বরাবরই ট্রেনে শিয়ালদহ স্টেশনে নেমে ফ্লাই ওভারের নীচ দিয়ে গিয়ে মহাত্মা গান্ধী রোড ধরে হেঁটে হেঁটে কলেজ স্ট্রীট যান।ফুটপাত থেকে বহু দুষ্প্রাপ্য বই সংগ্রহ করেন।সেই নেশায় তাঁর পায়ে হাঁটা। তিনি হেঁটে চলেছেন।বয়স বেড়েছে গতি শ্লথ হয়েছে।বাম হাতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ফেলে একটু এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলেন রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে পাঁচ ছয়জন ছেলে মেয়ে একসাথে সিগারেট খাচ্ছে।মুহূর্তের মধ্যে তাঁর রুচিশীল মনটা ঠোক্কর খেলো।কোথায় যাচ্ছে বর্তমান যুবসমাজ! ছাত্র ছাত্রীরা একসাথে প্রকাশ্য রাস্তায় ধূমপান করছে !গ্রামের এই সহজ সরল আদর্শবাদী মাস্টার শহুরে রীতিনীতির তোয়াক্কা না করে বলে উঠলেন- "এ তোমরা কি করছো মা ?তোমরা তো কলেজে পড়তে এসেছো।পড়াশুনা বাদ দিয়ে এ কি করছো ?তোমরা মায়ের জাত হয়ে এইভাবে ছেলেদের সাথে ...ছি ছি।লোকে কি বলবে একবার ভাবলে না ?"
-"বুড়োটা জ্ঞান দিতে শুরু করলোরে।আমি আবার এসব নিতে পারি না।" বলে মুখটা বাঁকিয়ে একপাশে সরে গেলো একটা মেয়ে। অন্য একটি ছেলে হাত নাড়িয়ে বললো-"এই যে দাদু আপনার প্রবলেম টা কোথায় ?যেখানে যাচ্ছেন সোজা কেটে পড়ুন না।কেনো আমাদের মুডটা নষ্ট করছেন?"
-"সে কি বাবা !তোমাদের তো এখন জীবন গড়ে তোলার সময়। এই সময় নষ্ট করলে বাকী জীবন টা পস্তাতে হবে।আর মা জননীদের মুখে সিগারেট টা মানায় না.....।"আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন।কিন্তু অপর একটি মেয়ে অতি দ্রুত তাঁর সামনে এসে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললো-" শুনুন আমরা খাচ্ছি আমাদের বাবার পয়সায়।তাতে আপনার কি ?আপনি মানে মানে ফুটুন তো।"বলেই দীপেন মাস্টার কে সামনের দিকে ঠেলে দিলো।মাস্টারের বহুদিনের সংস্কার হঠাৎ একটা অপ্রত্যাশিত ঠোক্করে আঘাত পেলো।স্বগতোক্তির মতো বলে উঠলেন-"এ তোমাদের কেমন শিক্ষা?গুরুজনদের সম্মান টুকুও দিতে পারো না ?" আগুনে যেন ঘি পড়লো।উত্তেজিত ছেলেমেয়ে গুলো রে রে করে তেড়ে এলো।-"আপনি যাবেন ?শুধু কথায় কাজ হবেনা মনে হয়। দে একটু ধুনো দিয়ে দে।" বলেই সবাই একসাথে দীপেন মাস্টারের মুখের উপর সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে দিলো। বহু সংগ্রামের সাক্ষী এই গেঁয়ো মাস্টার ও কিছুতেই দমবার পাত্র নন।তিনি ও ক্রমে উত্তেজনার পারদ চড়াতে লাগলেন।অবশেষে বিতর্ক পৌঁছে গেলো চরম পর্যায়ে ......।

আমহার্স্ট স্ট্রীট থানার পুলিশ এসে দুই পক্ষ কে থানায় নিয়ে যান। কয়েক মিনিটের মধ্যে থানায় পৌঁছে যান সবচেয়ে কম বয়সী ও বেশি সুন্দরী মেয়েটির বাবা অরূপ দত্ত। তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের অত্যন্ত কাছের মানুষ এবং এলাকার দাপুটে নেতা ও প্রোমোটার।.......কিছুক্ষণের মধ্যেই ছেলেমেয়ে গুলো বাড়িতে ফিরে গেলে ও দীপেন মাস্টার আর ছাড়া পাননি।তাঁর নামে শ্লীলতাহানির কেস রুজু করা হয়। দুদিন পুলিশ কাস্টডিতে থাকার পর অবশেষে আদালতে তোলা হলো দীপেন মাস্টার কে।এতদিন তিল তিল করে তিনি যে সম্মানের ইমারত বানিয়েছিলেন তা এই দুদিনেই ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে।চিরদিন যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্র ছাত্রীদের আপোসহীন লড়াইয়ের কথা বলেছিলেন সেই তিনি আজ বোবা হয়ে গেছেন।তিনি তিনদিন ধরে দেখে চলেছেন কিভাবে দশ চক্রে ভগবান ও ভূত হয়ে যায়।

এজলাস কানায় কানায় পূর্ণ। এক সত্তরোর্ধ বুড়ো নাকি কলেজ ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করছিল।তার বন্ধুরা কোনো রকমে তাকে রক্ষা করেছে।সেই কীর্তিমান বুড়োকে দেখতে আজ আদালত চত্বরে তিল ধারণের জায়গা নেই। মামলা শুরু হলো।সরকারি পক্ষের আইনজীবী বোঝালেন আজকের দিনে যেভাবে নারী নির্যাতন,ধর্ষণ ও খুন বেড়ে চলেছে সেখানে এইসব নারী লোলুপ শয়তান দের উপযুক্ত শাস্তি না দিলে সমাজ রসাতলে যাবে।আরো অনেক সুঁটিয়া কান্ড ,কামদুনি কান্ড ঘটবে।সরকারি আইনজীবী র জ্বালাময়ী ভাষণে সম্পূর্ণ আদালত ফেটে পড়লো।এরপর জজসাহেব জিজ্ঞাসা করলেন আসামী পক্ষের আইনজীবী কে আছেন ?আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বহু কষ্টে গলায় জোর এনে দীপেন মাস্টার বললেন-"আজ্ঞে হুজুর আমার তো কেউ নেই ,কিছুই নেই।আমি শুধু দুটো কথা বলতে চাই....."।তাঁকে থামিয়ে জজসাহেব বললেন "আপনার নাম- দীপেন্দ্র নাথ......
-"আজ্ঞে দাস।"
-" বাড়ি .......?"
-"আজ্ঞে শিবগঞ্জ, বাসন্তী। "
-" হ্যাঁ, বলুন কি বলতে চান।"
-"হুজুর,আমি সারাজীবন শিক্ষকতা করে এলাম।ছেলে মেয়েদের মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিলাম।সেই আমি কন্যাসম ছাত্রীদের সাথে কি করে অশ্লীল আচরণ করবো হুজুর?আমি দুদিন ধরে থানার বাবুদের বোঝাতে পারিনি।ওরা আমার কোনো কথা শোনেননি। আপনি বিশ্বাস করুন আমি শুধু বলেছিলাম এইভাবে প্রকাশ্য রাস্তায় ছাত্রীদের সিগারেট খাওয়া উচিত নয়........।"বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন।আবার নিজেকে সামলে নিয়ে সম্পূর্ণ ঘটনা টি ব্যক্ত করলেন।সমগ্র আদালত পিন পড়ার মতো নীরব।কারোর মুখে কোনো কথা নেই।সবাই যেন আয়নায় নিজেকে দেখতে পাচ্ছে।নীরবতা ভাঙলেন জজসাহেব নিজেই।সরকারি আইনজীবী কে জিজ্ঞাসা করলেন-"কেসটাতো খুব সুন্দর সাজিয়েছেন।আপনার কি এখনো মনে হয় এই বৃদ্ধ মাস্টারমশাই আপনার মক্কেল মি. অরূপ দত্তের মেয়ে কে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল ?" না , কোনো জবাব নেই।কোনো জবাব থাকতে পারে না।মিথ্যার ফানুস ফেটে পড়া টা তো শুধু সময়ের অপেক্ষা। এরপর জজসাহেব অরূপ দত্তের উদ্দেশ্যে বললেন -"সুদূর সুন্দরবনের এই বৃদ্ধ মাস্টারমশাই যে কাজটা তিনদিন আগে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে করলেন সেই কাজটা আপনি যদি আপনার বাড়িতে সময় মতো করতেন তাহলে হয়তো আজ মেয়ের জন্য আদালতে আসতে হতো না।একটু ভাবুন সামাজিক প্রতিপত্তি আভিজাত্য টা কিসের উপর দাঁড়িয়ে আছে। "

দীপেন মাস্টার কে সসম্মানে শ্লীলতাহানির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।ধীরে ধীরে আদালত কক্ষ খালি হচ্ছে। মাস্টার ও নতমস্তকে চোখ মুছতে মুছতে বেরিয়ে আসছেন।এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললেন-"সাহেব আপনাকে ডাকছেন।"
-"আমাকে ?কোন সাহেব ?"বিস্মিত মাস্টার।
-"চলুন সামনের বাম দিকটার ঘরে উনি আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।আপনি ভিতরে চলে যান।"ধীর পদক্ষেপে শঙ্কিত চিত্তে দীপেন মাস্টার ঘরে ঢুকে দেখলেন জজসাহেব তখনো পর্যন্ত দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।তাঁকে দেখামাত্র জজসাহেব বললেন-"স্যার আমাকে চিনতে পারছেন ?আমি বিজন, বিজন মন্ডল।১৯৮৬তে সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যাপীঠ থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছিলাম। "বলেই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন।
-"কিন্তু হুজুর আমি তো ঠিক মনে করতে........"
-"আমাকে হুজুর বলবেন না স্যার আমি আপনার ছাত্র। আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি .....ছোটবেলায় একবার চক চুরি করেছিলাম বলে আপনি ডাস্টার দিয়ে আমার কপাল ফাটিয়ে দিয়েছিলেন .........।"
-"ও হ্যাঁ। এবার মনে পড়েছে।দেখো দেখি বাবা কি অন্যায় কান্ড।সেদিন ভুল করে......."
-"না স্যার আপনি ভুল করেননি।আপনি ভুল করতে পারেন না।সেদিন আপনি আমার কপাল ফাটিয়েছিলেন বলেই আজ আমি এখানে এসে পৌঁছাতে পেরেছি।তা নাহলে তো আমি চোর হয়ে যেতাম স্যার।" ছাত্র গর্বে গর্বিত শিক্ষকের দুচোখ বেয়ে তখন অঝোরে নামছে অশ্রুধারা। চোখের জল ফেলে ও যে এতো আনন্দ পাওয়া যায় তা তিনি আগে কোনোদিন বোঝেননি।

খ্যাতনামা জজসাহেব শ্রীযুক্ত বিজন মন্ডল তার কৈশোরের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শ্রীযুক্ত দীপেন্দ্র নাথ দাসকে সসম্মানে শিয়ালদহ স্টেশনে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেন। দীপেন মাস্টার আজ বাড়িতে ফিরছেন।ক্যানিং পেরিয়ে বাসন্তী হয়ে প্রবেশ করলেন শিবগঞ্জে।তাঁর অগণিত ছাত্র ছাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো।আর তিনি নিজে তাঁর বাকী জীবন টা আরো অনেক বিজন গড়ার কাজে সঁপে দিলেন। স্কুল থেকে অবসর নিলেও তিনি তো কর্তব্য ও আদর্শ থেকে সরে আসেননি। তাই তো অরূপ দত্ত রা আজ ও হার মেনে যায় বিজন মন্ডল দের কাছে। দীপেন মাস্টারদের দীপশিখা যুগ যুগ ধরে আলো দিয়ে যায় আঁধার ঘোঁচাতে।

***†*†************

Address

Vill+PO, Murshidabad (W. B)
Murshidabad

Telephone

+919609683502

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramnagar Sahora Union High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category