ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া , লক্ষীপুর

  • Home
  • India
  • Lakhipur
  • ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া , লক্ষীপুর

ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া , লক্ষীপুর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া , লক্ষীপুর, School, হাজী তৈয়ব মার্কেট , বাগবাড়ী, Lakhipur.

আজ ১৭ ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫ বাংলার রাজমহল পরিদর্শনে ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া লক্ষীপুর এর ছাত্ররা।
17/02/2025

আজ ১৭ ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫ বাংলার রাজমহল পরিদর্শনে ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া লক্ষীপুর এর ছাত্ররা।

আমাদের আঙ্গিনায় আপনাকে স্বাগতম
19/04/2024

আমাদের আঙ্গিনায় আপনাকে স্বাগতম

ভালো একজন জিম্মাদার হাফেজ নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীকে অবশ্যই আলেম হতে হবে,সম্মানী যোগ্যতা অনুযায়ী। 01734063607
21/09/2022

ভালো একজন জিম্মাদার হাফেজ নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীকে অবশ্যই আলেম হতে হবে,সম্মানী যোগ্যতা অনুযায়ী। 01734063607

জরুরী ভিত্তিতে একজন ভালো মানের নম্র,ভদ্র আমলি, হিফজ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।যোগ্যতা:-১/ ইয়াদ সম্পন্ন হতে হবে।    মাওলান...
23/06/2021

জরুরী ভিত্তিতে একজন ভালো মানের নম্র,ভদ্র আমলি, হিফজ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
যোগ্যতা:-
১/ ইয়াদ সম্পন্ন হতে হবে।
মাওলানা হলে অগ্রাধিকার।
২/ মাশক্ব করানোর যোগ্যতা থাকতে হবে।
৩/ ট্রেনিং প্রাপ্ত হতে হবে।
৪/ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হলে অগ্রাধিকার থাকবে,
৫/বয়সঃ৩৫-৪৫ হতে হবে।
৬/ক ম প ক্ষে ৫ বছর জমে বসে থাকতে হবে, @হাদিয়া; ১০-১৫হাজার হবে

আগ্রহী প্রার্থীকে উক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
যোগাযোগ:
01734063607মুহতামিম সাহেব
01623352092 নাযেমে তালিমাত

23/06/2021

জরুরী ভিত্তিতে একজন ভালো মানের নম্র,ভদ্র আমলি, হিফজ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
যোগ্যতা:-
১/ ইয়াদ সম্পন্ন হতে হবে।
মাওলানা হলে অগ্রাধিকার।
২/ মাশক্ব করানোর যোগ্যতা থাকতে হবে।
৩/ ট্রেনিং প্রাপ্ত হতে হবে।
৪/ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হলে অগ্রাধিকার থাকবে,

@হাদিয়া;সম্মানজনক হবে শিক্ষকের মান অনুযায়ী।

আগ্রহী প্রার্থীকে নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

যোগাযোগ:
01734063607 মুহতামিম সাহেব
01623352092 নাযেমে তালিমাত

আজ ০২/০৬/২০২১ইং  লক্ষীপুর  ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া  এ বিশ্ব বিখ্যাত হাফেজ সময়ের সেরা আইডল হাফেজ  নাজমুস সাকিব  এর মা...
02/06/2021

আজ ০২/০৬/২০২১ইং লক্ষীপুর ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া এ বিশ্ব বিখ্যাত হাফেজ সময়ের সেরা আইডল হাফেজ নাজমুস সাকিব এর মাসিক মাশক করানোর একটি মুহুর্ত।

22/08/2020

হুফফাজের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মাশকের অবিজ্ঞতা সম্পুর্ন একজন হাফেজ নিয়োগ দেওয়া হবে ০১৭৩৪০৬৩৬০৭ তবে আলেম হতে হবে। (বেতন ১০,০০০এর উপরে হবে )

03/05/2020

সরকার থেকে দেওয়া অনুদান মাদারিসে কাওমিয়া গ্রহন করবে কি ! না? কওমী মাদ্রাসার অনুদান নিয়ে তথ্যভিত্তিক শ্রেষ্ঠ লেখাঃ-

মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী হাফি.......................................
বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হলো ৬৩,৬০১ (তেষট্টি হাজার ছয় শ একটি)। তার শিক্ষক সংখ্যা ৩,২২,৭৬৬ (তিন লাখ বাইশ হাজার সাত শ ছিষট্টি) জন। যদি প্রতি শিক্ষককে সরকার গড়ে ১৮০০০(আঠারো হাজার) টাকা করেও বেতন প্রদান করেন। তাহলে তাদেরকে সরকার এক মাসে ৫৮০,৯৭,৮৮০০০ (পাঁচ শ আশি কোটি সাতানব্বই লক্ষ আটাশি হাজার) টাকা বেতন বাবদ প্রদান করে থাকেন।এভাবে সরকার প্রতি মাসে কেবল প্রাইমারি স্কুলে বেতন বাবদ এ পরিমাণ টাকা ব্যয় করে থাকেন।

অপরদিকে কওমী মাদরাসার শুরুলগ্ন থেকে বিশেষ করে বাংলাদেশে দেড় শ বছর পর, প্রথমবারের মত, এমন নজিরবিহীন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে, সরকার কিছু সহযোগিতা করবেন ভেবেছেন। কিছু কওমী আলেম, যারা আল হাইআর নেতৃপর্যায়ের ব্যক্তি, সরকারের কাছে যারা সাহায্যের আবেদন করে প্রায় ৭০০০ মাদরাসার নাম জমা দিয়েছেন, তাদের প্রস্তাবেই সরকার তার সাধ্যমতো ৮,৩১,২৫০০০ (আট কোটি একত্রিশ লাখ পঁচিশ হাজার) টাকা অনুদান মঞ্জুর করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরও করেছেন।

দেশে কওমী মাদরাসার পরিমান কমপক্ষে সাড়ে তিন লাখ। ব্যক্তিগত দীনি শিক্ষা কেন্দ্র, ঘরোয়া ও মসজিদের মক্তব বাদ দিলে হেফজখানা প্রাইভেট মাদরাসা সহ কেবল প্রাতিষ্ঠানিক মাদরাসার সংখ্যা কমপক্ষে ৪০ হাজার। বড়ো মাদরাসাগুলোতে ৬০/৭০, ৩০/৪০ কিংবা ২৫/৩০ জন শিক্ষাদানকর্মী ও আনুষঙ্গিক স্টাফ যেমন আছেন, অনেক মাদরাসায় ৫/১০ জন লোকও আছেন। গড়ে ২০ জন হলেও শুধু ৪০ হাজার মাদরাসায় কর্মশক্তি দাঁড়ায় ৪ লাখ। কওমী আলেমদের জনপ্রতি ১০/২০ টাকা কিংবা মাদরাসা প্রতি হাজারখানেক টাকা দিয়ে শত বছরের ইতিহাস ঐতিহ্য বিনষ্ট ও দুনিয়াজুড়ে বদনাম কুড়ানো ছাড়া আর কী লাভ হবে? আল্লাহর ওপর কঠিন তাওয়াককুল আর জনগণের মনযোগ হাতছাড়া হওয়ার মতো অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার আশাও শেষ।

সরকার কওমী মাদরাসা ও কওমী উলামায়ে কেরামের জন্য বৈশ্বিক মহামারি ও জাতীয় দুর্যোগে প্রথম ও এককালীন যা বাজেট করেছেন তা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এক মাসের বেতনের ৭০০ ভাগের এক ভাগ মাত্র। সম্মানজনক ও নাগরিক সৌজন্য বজায় রেখে যদি সরকার কওমী অধিকাংশ শিক্ষককে আপদকালীন ভাতা জনপ্রতি ১২০০০০ এক লাখ বিশ হাজার টাকা করে দিতেন, তাহলে ব্যয় হতো ৪৮০ কোটি টাকা মাত্র। দেশের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় নয় কেবল প্রথমিক স্কুল শিক্ষকদের একমাসের বেতনের সমানও নয়। যা একটি জরুরী অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের দিতেই পারে।

যারা চেয়েছেন তাদের উচিৎ ছিল সবার জন্য মোটামুটি সম্মানজনক একটি সহায়তা প্যাকেজ চাওয়া। যাদের জন্য চাইলেন, তাদের সাথে যোগাযোগ ও পরামর্শ করে চাওয়া। যারা নিতে রাজি নন, তাদের নামে বরাদ্দ না দেওয়া। এতে সরকার ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের উভয়কেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক বাঁকবদলের কাজ ছয় বোর্ড একসাথে না বসে, আল হাইআ বা শুধু বেফাকের সাথে কথা না বলে যারাই এক হিসাবে মাদরাসা প্রতি ১০/১২ হাজার, শিক্ষক প্রতি ১৭৭ টাকা, অন্য হিসাবে মাদরাসা প্রতি হাজারখানেক টাকা আর শিক্ষক প্রতি ১০/ ২০ টাকা অনুদান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা বুঝতে পারছেন কী, তারা কওমী উলামায়ে কেরামের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে কী ধারণা ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তাদের টাকার চেক পেয়ে মেখল মাদরাসা, হাটহাজারী ও তার অনুসারী মাদরাসা চেক গ্রহণ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। বেফাকের সিদ্ধান্তও একরকম নেগেটিভ।

সবাই একমত হয়ে সরকারের সহায়তা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে কোনো কথা নেই। কওমী মাদরাসা ও কওমী উলামায়ে কেরামের জন্য এটিই পরীক্ষিত ও সর্বোত্তম পন্থা।

আর সাময়িক কোনো কারণে যদি রাষ্ট্রের কাছ থেকে নাগরিক এ অধিকার টুকু নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে যেন সমন্বয়হীনভাবে যার তার চিন্তা অনুযায়ী এমন নামমাত্র অনুদান না নেওয়া হয়, যার ক্ষতি ও লজ্জা কওমী ঘরানার প্রাপ্তির তুলনায় বহুগুণ বেশী হয়ে দাঁড়ায়। জীবনের কোনো কোনো বাঁকে রাষ্ট্রের সৌজন্য গ্রহণ করতে হলেও তা যেন হয় নিঃশর্ত ও সম্মানজনক।

এটি কোনো মতামত সিদ্ধান্ত বা দিকনির্দেশনা নয়। দায়িত্বশীলদের সবদিক ভেবে দেখার জন্য এক গুনাহগার অযোগ্য ও অক্ষমের একটি বিনীত আবেদন মাত্র।

একটি প্রস্তাবঃ
সরকারের সহায়তা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকা হলে সবাই মিলে নিজেদের উদ্যোগেই এ সংকট মুহূর্তে নিজের ঘরানার দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিতে হবে। একলাখ কওমী উলামায়ে কেরামের জন্য নিজের এবং নিকটতম স্বজন মুহিব্বীনের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা করে জমা করা খুব কঠিন হবে না ইনশাআল্লাহ। এতে ৫০ কোটি টাকার একটি কল্যাণ তহবিল হয়ে যাবে। এ সময়ে দান, কর্জে হাসান, ক্ষুদ্র পুঁজি, ব্যবসায় বিনিয়োগ সবই সম্ভব এই কওমী কল্যাণ তহবিল থেকে। দীনদার, আমানতদার, শিক্ষিত ও জ্ঞানী ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালনায় চোখের পলকে শুরু হতে পারে 'কওমী কল্যাণ তহবিল' গঠনের কাজ।

আমাদের সবাইকে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চিন্তাশীল ও সাহসী হতে হবে।
-মাও. উবায়দুর রহমান খান নদভী দা. বা.

ধান কাটতে গেলেন আওয়ামী নেতারা.  মাশাআল্লাহ।
29/04/2020

ধান কাটতে গেলেন আওয়ামী নেতারা. মাশাআল্লাহ।

লক্ষীপুর ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া ও আল ইসলাহ মহিলা মাদরাসার সকল ছাত্র ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো জাইতেছে যে দেশের চ...
31/03/2020

লক্ষীপুর ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া ও আল ইসলাহ মহিলা মাদরাসার সকল ছাত্র ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো জাইতেছে যে দেশের চলমান. করোনা ভাইরাসের উদ্ভট পরিস্তির কারনে আগামি ৩১শে মার্চ এর পরিবর্তে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত একাডেমিক সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকিবে।

01/03/2020

রক্ত রাঙা পাপ
______ রশীদ জামীল

নরেন্দ্র মোদী ভারতবর্ষের ইতিহাস জানেন না, নাকি ইচ্ছাকরেই ভুলে থাকতে চান- প্রশ্ন সেখানে নয়। প্রশ্ন হচ্ছে তিনি যে পথে হাঁটছেন, সেই পথ কোথায় গিয়ে শেষ হচ্ছে?

গোজরাতের কলংক বয়ে বেড়ানো নরেন্দ্র দামোদারদাস মোদী মুসলমানের শত্রু কি না- প্রশ্ন আপাতত সেটাও নয়। প্রশ্ন হলো, তিনি ভারতের বন্ধু কি না!

কেউ চিরদিন রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকে না। নরেন্দ্র মোদীও থাকবেন না। একদিন সরে যেতে হবে। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজাধরে সাম্প্রদায়িকতার বিষচাষ করে চলা মোদী এণ্ড কোম্পানি ভারতকে যে জাহান্নাম বানিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন, ভবিষ্যতের ভারত সেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত হবে কীভাবে?

ভারতে যারা শান্তিপ্রিয় মানুষ, যাদের মধ্যে মুসলমান আছেন, হিন্দু আছেন, অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ আছেন, তাঁরা এই বিষ উগলে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে কেমন করে?


ভারতের কিছু উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসীরা মসজিদে আগুন দিচ্ছে। মসজিদের মিনার ভেঙে ফেলছে। মুসলমানদের রাস্তায় ফেলে পেঠাচ্ছে। হত্যা করছে। অবাক হবার কিছু নেই। মোদি সরকার হিন্দুত্ববাদ কায়েমের ঘোষণা দিয়েই মাঠে নেমেছেন। এনআরসি, সিএএ, আর্টিক্যাল-৩৭০, স্টেপ বাই স্টেপ... তিনি তার কথা রাখছেন। তার প্লান আপন গতিতেই আগাচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদিরা জানেন পৃথিবী এখন নষ্টদের দখলে। কেজরিওয়ালরা জানেন মুসলমানের রক্ত বিনামূল্যে চুষে খাওয়ার মতো। অমিত শাহরা জানেন পৃথিবীটা আজকাল শক্তের ভক্ত। সুতরাং, সাম্প্রদায়িকতার নগ্ন উল্লাস আর পৈশাচিকতার দন্ত বিকশিত করতে ভাবতে হচ্ছে না একবারও। মুসলমানের রক্তনেশায় তাদেরকে পাগল করে তুলেছে।

ভারত স্বাধীন করেছিল মুসলমানরা। স্বাধীনতা জন্য রক্ত দিয়েছিল দুইশ বছর। দখলদার ব্রিটিশদের চোখে চোখ রেখে কলিজাটা মেলে ধরেছিল সামনে। ভারতে মুসলমানরা রক্ত আজও দিয়ে যাচ্ছে। জীবন তখনও দিয়েছে, জীবন এখনও দিয়ে যাচ্ছে। তখন দিয়েছিল বিদেশিদের হাতে, আর এখন স্বদেশিদের।

মোদি এণ্ড কোম্পানি মুসলমানের ইতিহাস জানেন না। তারা জানেন না, তার পাইক পেয়াদা রক্ত নিতে নিতে টায়ার্ড হয়ে যাবে, মুসলমান রক্ত দিতে দিতে টায়ার্ড হবে না। হয় না। ইতিহাস সাক্ষি।


১৮০৩ সালে শাহ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিসে দেহলবি ফতওয়ার উপর ভিত্তি করেই শুরু হয়েছিলে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার আন্দোলন। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, 'ভারতের মাটিকে স্বাধীন করবার জন্য ইংরজদের বিরুদ্ধে লড়াই করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরজ'। শুরু হয়েছিল বৃটিশ খেদাও আন্দোলন।

যে দিল্লি আজ রঞ্জিত হচ্ছে মুসলমানের রক্তে, ইতিহাস সাক্ষি, সেই দিল্লির শেরশাহ রোডের এমন কোনো গাছ বাকি ছিল না যে গাছে কোনো না কোনো মুসলমানকে ইংরেজরা ফাঁসিতে ঝুলায়নি! আজকের ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা এই ইতিহাস কীভাবে ভুলে যায়? কার মাটিতে দাঁড়িয়ে কাকে মারে?

ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম এক স্থপতি ছিলেন শায়খুল হিন্দ মাহমুদ হাসান। স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বলে ইংরেজরা তাঁকে মাল্টার জেলে লোহার বেড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে লাল করে তাঁর কোমরে পরিয়ে দিতো। যন্ত্রনায় চিৎকার করে উঠতেন তিনি। ওরা বলতো, 'শুধু একবার আমাদের পক্ষে কথা বলো। মুক্ত করে দেওয়া হবে'। তিনি তাদের চোখে চোখ রেখে বলতেন, 'মুসলমান কাকে বলে- তোমরা এখনো টের পাওনি'। আবার শুরু হতো অত্যাচার।

ভারতবর্ষের স্বাধীনতার আরেক স্থপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্দী। স্বাধীনতার কথা বলতেন বলে ইংরেজরা তাকে বন্দি করে কালাপানিতে দিপান্তর করে রাখে। মানুষটিকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তখন মুখে ঠিকমতো দাড়িও গজায়নি। যখন মুক্ত হন, চুলদাড়ি সব সাদা হয়ে গিয়েছিল! ২৫ বছর পর মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।

ভারতের স্বাধীনতার আরেক কারিগর মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানি। কাফনের কাপড় সাথে নিয়ে গিয়ে দাড়িয়েছিলেন ইংরেজ আদালতে। তিনি ফতওয়া দিয়েছিলেন, 'ইংরেজদের সেনাবাহিনীতে ভর্তি হওয়া এবং তাদের সহায়তা করা হারাম'। আদালত তাঁকে তাঁর ফতওয়া ফিরিয়ে নিতে বলল। তিনি আদালতের আঙিনায় হুংকার ছুড়ে দিয়ে বলেছিলেন, 'ফতওয়া দিয়া তো কিয়া হুয়া, আজভি মেরে ইহি রায় হে কে, ইংরেজকে ফৌজমে শিরকত করনা হারাম হায়'।

কতজনের কথা বলব?
কত আত্মত্যাগের উদাহরণ টানব?

ভারতের বর্তমান চরমপন্থি সাম্প্রদায়িক শাসকশ্রেণি ইতিহাস ভুলে গেছে। মুসলমানের রক্তে স্বাধীন হওয়া মাটিকে মুসলমানের রক্তে রাঙাচ্ছে। ওরা ভুলে গেছে রক্ত কখনও বৃথা যায় না। আজ হোক, কাল হোক- রক্ত রক্তের ভাষায় কথা বলে। যে ভাষাটা বড় নির্মম হয়।


ভারতের মুসলমানের ইমান আমাদের থেকে অনেক বেশি মজবুত। তাঁরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। মার খাচ্ছেন, কিন্তু এখনও পালটা আঘাত করছেন না। মসজিদ ভাঙার কারণে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায়ও মন্দিরে হামলে পড়ছেন না। কারণ তাদের ইমান তাদেরকে মনে করিয়ে দিচ্ছে, অন্য ধর্মাবলম্ভিদের উপাসনালয়ে হামলা করা জায়েজ নেই।

ভারত সরকারের এই ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী আচরণেরর বিরুদ্ধে তামাম বিশ্বের বিবেকবান মানুষ ঘৃণা জানাচ্ছেন। মুসলিম বিশ্ব ক্ষোভ প্রকাশ করছে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ট্য মুসলিম কোনো দেশে একটা মন্দিরও ভাঙা হয়নি- এটাই ইসলামের সৌন্দর্য। এটাই মানবতার পয়গাম।

আমরা বিশ্বাস করি ভারতের সকল হিন্দু উগ্র নয়। আমরা জানি ভারতের অনেক হিন্দুও মোদী সরকারের চলমান কট্টরপন্থা পছন্দ করছেন না। আমরা দেখিছে এন আর আই এবং সিএএ'র বিরুদ্ধে আন্দোলনরত মুসলমানদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অনেক হিন্দুরাদেরও মাঠে নেমে আসতে। সুতরাং, আমরা যেমন উগ্র হিন্দুদের চলমান সন্ত্রাসী আচরণের কারণে তাদের দিকে থু থু ছুড়ব, একইভাবে শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া হিন্দুদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাতে দ্বিধা করব না।


আমরা আশা করতে চাই ভারত সরকার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেবে। মানুষের এই পৃথিবীতে মানবিক হওয়ার চেষ্টা করবে। হাজার বছর ধরে ভারতে হিন্দু-মুসলিম মিলেমিশে বাস করে আসছে। ভারতের অখণ্ডতার স্বার্থে হলেও এই সহাবস্থানের পথ আগলে দাঁড়াবে না।

পৃথিবীর মানচিত্রে ভারত একটি বৃহৎ রাষ্ট্র। সময় আর মানচিত্র কিন্তু পরিবর্তনশীল। মনে করিয়ে দিই, ১৫ খণ্ডে বিভক্ত হওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসটা কিন্তু খুব বেশিদিন আগের নয়।

মুহতারাম Rasid jamil

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ                    মন্ত্রনালয়ের মাননীয় অতিরিক্ত সচিব আলহাজ্ব হাবীবুর রহমান সাহেবের ...
14/11/2019

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় অতিরিক্ত সচিব আলহাজ্ব হাবীবুর রহমান সাহেবের হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দিচ্ছেন ইদারাতুল মা'আরিফ আল ইসলামিয়া লক্ষীপুর এর সম্মানীত পরিচালক মাওলানা ইউসুফ আল মাহমুদ।

Address

হাজী তৈয়ব মার্কেট , বাগবাড়ী
Lakhipur
3700

Telephone

+8801734063607

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইদারাতুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া , লক্ষীপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category