10/05/2026
আমাদের সকলেরই শপথ হোক পাল্টাতে দেবোনা যাঁদের, যাঁরা রাজনৈতিক পালাবদলের সাথে সাথে সুবিধাভোগী ও অন্যায়কারীরা নিজেরাও পালাবদল করেছে।। সুযোগ বুঝে পরিবর্তন হবে ভেবে শেষ মুহূর্তে তৎকালীন বিরোধী দলের কাছে সহায়তা চেয়েছে। কারণটা কেনো জেনে রাখুন, এরাই দুর্নীতির সময় চুপ করে থেকেছে, আন্দোলনের সময় বিভক্ত করেছে, অন্যায়ের সময় চুপ থেকেছে, অন্যায়ের ও দুর্নীতির চরম সময়ে তখনকার সরকারের আধিকারিকদের প্রশ্রয় ও সেই রাজনৈতিক দলের সাথে সহাবস্থান করে সমাধান করতে চেয়েছিলেন। এরাই আবার পাল্টে নতুন সরকারের কাছে ভালো হতে চাইছেন, এঁরা কোনো রাজনৈতিক দলের ও সমাজের পক্ষে ভালো নয় কারণ এরা শুধুই ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধা ভোগ করে, যাঁর ফলে স্বচ্ছ সরকারে আবারও সেই অস্বচ্ছরা ঢুকে স্বচ্ছ সরকারের কর্মকাণ্ডে অস্বচ্ছ কাজ করে পরবর্তীতে এই স্বচ্ছ সরকারকেও অস্বচ্ছ করতে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগবে না তাঁদের।
আমরা 2018 থেকেই প্রথমে NSQF কারোর কাছে পরিচিতি না থাকায় আমরা প্রথমে বিগত সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে প্রচারে নেমেছিলাম এবং 294 টা বিধানসভায় সকল বিধায়ক ও মন্ত্রীর কাছে দরবার করেছিলাম, 2021 এও NSQF এর পরিচিতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন বিধানসভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার শুরু করি,যাতে উনার নজরে আসি, কিন্তু আবার 2019 এর দিকে যখন কারিগরি শিক্ষা দপ্তরে ও শিক্ষা দপ্তরে দুর্নীতির বিশাল আঁতুড়ঘর সৃষ্টি হয় তখন ভয়কে উপেক্ষা করেই কোনো রাজনৈতিক ইন্ধন ছাড়াই যেখানে দুর্নীতি ও অন্যায় হয়েছে ক্ষুদ্র ও স্পষ্টভাবে প্রতিবাদ করেছি, সেই প্রতিবাদ ও আমাদেরকে ভয় দেখানো স্বরূপ ২০২১ এর শেষের দিকে বিগত সরকার ও দপ্তরের আধিকারিক,প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ৮০০ কিমি দূরে অনৈতিক বদলি করে কিন্তু, তারপরেও বিগত সরকারের ও দপ্তরের দুর্নীতি এবং বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ ও আন্দোলন সংগঠিত করা হয় কিন্তু, ওই যে যাঁরা দুর্নীতি করে এবং দুর্নীতিকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাহায্য করে বা নিজেদের কিছু সুযোগ সুবিধার জন্য তাঁরা অরাজনৈতিক আন্দোলনকে রাজনীতি করে দলীয় পতাকার মাধ্যমে বিভেদ করে এবং বলে আন্দোলনের মাধ্যমে নয়, আমরা সরকারের প্রচারের মাধ্যমে, দলীয় রাজনীতি করে সমস্যার সমাধান নিয়ে আসবো, যাইহোক সত্যের জয় হয়েছে, সেটা কোনোদিন হয়নি আবার দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার ফিরে এসেছে। এমনকি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আটকানোর জন্য আমরা মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল ও গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ৬০ দিন অবস্থান করেছিলাম, সেখানেও দুর্নীতির ও ক্ষমতার ঔদ্ধত্যে আমাদের সমস্যার সমাধান হয়নি। বরং জেলার ও রাজপথের আন্দোলনকে ভেঙে দিতে তৎকালীন কারিগরি মন্ত্রী Kabir IPS , শিক্ষামন্ত্রী Basu ও তৎকালীন নতুন কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী Sen এবং জেলার পুলিশ সুপার,থানার অফিসার ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট, কলকাতা পুলিশ সুপার দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ ও ভয় দেখিয়ে জেলে বন্দি করে,মানসিক, শারীরিক নির্যাতন ও আইনের অপব্যবহার করে বিভিন্ন ধারায় কেস করে, তবুও আমরা সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং আধিকারিকদের দুর্নীতির কাছে মাথা নত না করেই প্রতিবাদ করে গেছি।
স্বচ্ছ সরকারের কাছে একটাই আবেদন যাঁরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিগত সরকারকে অস্বচ্ছ ভাবমূর্তি করেছে এবং সুযোগ নিয়ে নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ ত্বরান্বিত করে একটি সিস্টেমকে ধ্বংস করেছে,তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর থেকে কঠোরতম পদক্ষেপ নিতে হবে নাহলে এরাই আবার সুযোগের মাধ্যমে অস্বচ্ছ কাজ করে নতুন সরকারকেও অস্বচ্ছ করবে এবং নিজেদের স্বার্থের জন্য সিস্টেমকে ধ্বংস করবে।
লড়াই হয়েছিলো অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এখনো হবে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে।
এমনকি যাঁরা সামান্যতম বেতন পেতো, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টরা তাঁদেরও চাকরি কেড়ে নিয়েছে দুর্নীতির মাধ্যমে। ভুরি ভুরি জাল ডিগ্রি, এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেট নিখুঁতভাবে বাজারে বিক্রি হয়েছে এবং ঘনিষ্ঠদের চাকরি হয়েছে, এবার ধীরে ধীরে সব শাস্তি পেতেই হবে সেটা স্বচ্ছ সরকারের মাধ্যমে হোক বা আইনের মাধ্যমে হোক।
সব বঞ্চনা মিটবে এবার, সরকার কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে বিগত দিনের ভুলগুলো ভবিষ্যতে আর কারোর সাহস হবেনা করার।
BJP West Bengal All India Trinamool Congress Mamata Banerjee Suvendu Adhikari