Fightback Street Combat

Fightback Street Combat

Share

Real-world self-defense training for modern threats. All customized for real-time, unpredictable street situations.

Learn street awareness, conflict de-escalation, threat neutralization and a highly versatile range of hybridized martial arts techniques.

06/11/2025
06/10/2025

Apply for a demo class now!

06/12/2017

প্রসঙ্গ:
আপনার ছোট্ট মেয়েটির বা ছেলেটির সার্বিক সুরক্ষা (অর্থাৎ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতাজনিত সুরক্ষা)-র ব্যাপারে কিছু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সতর্কতা।
(simple, realistic & most practical Do's&Don'ts)
----------
উৎস প্রবন্ধটি লিখেছেন SUSMITA KUNDU.
সুস্মিতাদেবীকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর লেখার একটি বিশেষ অংশের দিকে বাবা-মায়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
যেখানে রয়েছে আপনার ছোট্ট ছেলেটির বা মেয়েটির প্রতি কিছু অবশ্যকরণীয় কর্তব্য যা সাধারণত বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অভিভাবকদের নজর এড়িয়ে যায়।
এই এড়িয়ে যাওয়া স্বভাবটার কিন্তু একটা psychological term রয়েছে।
'FLOCCINAUCINIHILIPILIFICATION'.
সংসদ English To Bengali Dictionary তে এর অর্থ পাবেন এরকম:
"(joc.) habit of estimating as worthless, (রসি.) অকিঞ্চিৎকর বলিয়া পরিগণনের অভ্যাস বা স্বভাব।"
তাই,
"আমারটা তো ছেলে। ওর জন্য আবার এত কী পড়ব বসে বসে!"
মনেমনে এই বাক্যাংশটি আউড়ে, ছোট্ট ছেলেটির বাবা-মায়েরা কিন্তু পোস্ট টা এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ।
আমরা কিন্তু "আপনার ছোট্ট ছেলেটির" এই phrase টাও ব্যবহার করেছি।
যাইহোক, আপনাদের, যাঁরা ছোট্ট মেয়েটির বা ছেলেটির বাবা, অথবা মা, অথবা মাসী অথবা মামা অথবা পিসি অথবা কাকু অথবা দিদি অথবা দাদা অথবা home tutor অথবা যে কেউ, তাঁদেরও এই পোস্ট টা পড়া ভীষণ দরকার।
এটি একজন (professional বা amateur) child psychologist লিখেছেন, তাঁর নাম SUSMITA KUNDU.
আপনাদেরকে নিশ্চয়তার সঙ্গে জানাছি যে আপনার বাচ্চাকে নিয়ে SUSMITA KUNDU-র লেখা প্রবন্ধের কিছু মনস্তাত্ত্বিক সতর্কীকরণ আপনার বাচ্চাকে একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারে।
----------
"fightback_coochbehar" -a school of complete self defense for girls]
----------

[ #বাবা মায়েরা শুনবেন
]

"শিশুকন্যা, শিশুপুত্র, বৃদ্ধা মহিলা, এঁরা বড্ড সফট টার্গেট। বিকৃতকাম মানুষরা বয়স দ্যাখেনা, তারা শুধু যৌনাঙ্গ খোঁজে, তাদের বাসনা তৃপ্তির জন্য। এদের অমানবিকতা প্রসঙ্গে যাওয়ার জন্য এই লেখা আজ নয়। এক মা হিসেবে অন্য কিছু মা বাবাকে কিছু পরামর্শ দিতে চাই শুধু আজ।

এই সমস্যার সমাধান কী জানি না, তবে আসুন আমরা গোড়া থেকেই সতর্ক হই।
-----------

• প্রথমেই বলি মা বাবাদের, অল্প চেনা বন্ধু বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী এমনকি আত্মীয়দের হাতেও নিজের শিশু সন্তানকে ছাড়বেন না। যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন নিজের চোখের সামনা সামনি শিশুকে রাখতে। শুনতে খারাপ লাগলেও বহু ক্ষেত্রে আত্মীয়রাই কিন্তু এই ধরনের কাজ করেন। কারণ তাদের সুযোগ বেশি এবং তাদের ওপর সন্দেহের তিরটা চট করে যায় না।

খুব কাছের আত্মীয়র সাথে ছাড়লেও তাঁদের সাবধান করে দেবেন যেন অন্য কারোর হাতে বাচ্ছাকে না দেন।

মুখের ওপর না বলতে দ্বিধা করবেন না। মনে রাখবেন আপনার লোকলজ্জার চেয়ে আপনার শিশুর সুরক্ষাটা অনেক জরুরী।

• শিশুর জামাকাপড় বদলানো, ডায়াপার পাল্টানো, স্নান করানো এগুলো পাঁচটা লোকের সামনে করবেন না। বাচ্ছাদের মধ্যে ছোটো থেকেই প্রাইভেসীর সেন্সটা তৈরী হোক। আর অনেক সময় অনেক কেই দেখি বাচ্ছাদের 'পা কোনটা?' 'মাথা কোনটা?' এইসব প্রশ্নের সাথে, 'তোমার হিসু কোনটা?' 'তোমার মাম কোনটা' এই সব প্রশ্ন করে। উত্তরে তাদের শেখানো হয় নিজেদের যৌনাঙ্গের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করতে। আদি রসাত্মক এই সব মস্করাতে শুরুতেই বাধা দেবেন।
আপনার শিশু কারোর মনোরঞ্জনের বস্তু নয়।

• যাঁরা বাবা মা দুজনেই চাকরি করেন তাঁরা বাধ্য হন শিশুকে কোনো আয়ার কাছে রেখে যেতে। তাঁদের বলি, না জানিয়ে হঠাৎ বাড়িতে আসুন এক আধদিন। নিঃশব্দে চাবি খুলে ঘরে ঢুকে দেখুন কি চলছে। বাচ্ছার কেয়ারটেকার ঠিকঠাক ব্যবহার করছে কি না। সম্ভব হলে পাড়ার বা ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদেরও জানিয়ে রাখবেন এবং নিজেদের ফোন নাম্বার দিয়ে রাখবেন। অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা হলে অবশ্যই সিকিওরিটির লোকেদের কেয়ারটেকার সম্পর্কে সব তথ্য দিয়ে রাখবেন। কেয়ারটেকার সম্পর্কে ভালো করে সব তথ্য ভেরিফাই করে তবেই নিয়োগ করবেন প্লিজ। এটা আমরা বড় অবহেলা করি সবসময়।
আরেকটা কাজও করতে পারেন। সিসিটিভির বন্দোবস্ত করতে পারেন। যতদূর জানি এটা বিশাল খরচাসাপেক্ষ ব্যাপার নয়।

• বাচ্ছাদের স্কুল পাঠান স্কুল বাসে, অথবা নিজে নিয়ে যান। কোনোটাই সম্ভব না হলে আশেপাশের ক'জন মিলে পুল কার সিস্টেম করুন, পালা করে এক একজন অভিভাবক সঙ্গে থাকুন। একা একা রিক্সা বা গাড়ির ড্রাইভারের সাথে ছাড়বেন না। জানি এভাবে মানুষকে অবিশ্বাস করাটা অনুচিত কিন্তু 'ডেসপারেট টাইমস কল ফর ডেসপারেট মেজারস'।

• আরেকটি সতর্কতা অবলম্বন করাও জরুরী। মোটামুটি একটু বোঝার বয়স হলে, ফোনে কীভাবে এমার্জেন্সী নাম্বারগুলো বা চাইল্ড হেল্পলাইন নাম্বার ১০৯৮ ডায়াল করতে হয় সেটা শেখান শিশুকে। আজকাল বাচ্ছাদেরকে আমরা সকলেই কম বেশি ইলেকট্রনিক গ্যাজেটস ব্যবহার করতে দিই, অত্যন্ত কম বয়স থেকেই। সেটার সুযোগ নিন।

• টিভি তে স্যানিটরি ন্যাপকিনের, কন্ডোমের বিজ্ঞাপন দিলে দুম করে ঘোরাবেন না। বা কোনো সিনেমায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকলে বাচ্ছাকে অন্য ঘরে পাঠাবেন না। আমি বলছিনা যে তাকে এগুলো দেখতে দিতেই হবে। খুব অস্বস্তিকর লাগলে চ্যানেল বদলান, কিন্তু সেটা এমনভাবে করুন যাতে শিশুর মনে না হয় যে খুব ঘৃণ্য কিছু টিভিতে দেখানো হচ্ছিল।
বলে রাখি, বিদেশে কিন্তু মোটামুটি দশ বছর বয়সে সেক্স এডুকেশন কম্পালসরি। হ্যাঁ, আমাদের দেশের শিশুর মনস্তত্ত্বের অনেকটাই তফাৎ বিদেশের শিশুদের থেকে। তাই আর এক দু'বছর দেরীতে হলেও সেক্স এডুকেশন অত্যন্ত জরুরী। এটা বলা খুব সহজ কিন্তু একজন মা বা বাবাই বোঝেন যে শিশুর কাছে এগুলো উপস্থাপন করাটা কতটা কঠিন।
শুরুটা একদম জীবনবিজ্ঞানের ক্লাসের মত করতে পারেন। যেন বিজ্ঞানের কোনো চ্যাপ্টার বোঝাচ্ছেন সেভাবে। বয়ঃসন্ধির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাচ্ছার ঋতুস্রাব কী বা হস্তমৈথুন কী সেই ধারনাটা হওয়া খুব খুব জরুরী।

লজ্জা সঙ্কোচ এসব ভুলে বন্ধু হয়ে উঠুন নিজের সন্তানের।

• যত ব্যস্ততাই থাকুক, দিনের মধ্যে একটু আধঘন্টা সময় রাখুন ওর সারাদিন কেমন কাটল, স্কুলে কী হল সেই খবর জানার জন্য। আগ্রহভরে শুনুন ওর কথা। নিজের সারাদিনের গল্পও সহজ সরলভাবে বলুন ওর কাছে। বিশ্বাস অর্জন করুন ওর। তবেই কিন্তু ও ওর গূঢ়তম সিক্রেটগুলো আপনার কাছে বলবে। স্কুলের কোন টিচার ওর ফেভরিট, সেটা জানুন। অনেক সময় বাচ্ছারা মা বাবাকে যেটা বলতে ইতস্তত করে সেটা অন্য কোনো পছন্দের মানুষের কাছে বলে ফেলে।

• ওর বন্ধুবান্ধব, গতিপ্রকৃতির প্রতি উদাসীন হবেন না আবার গোয়েন্দার মত পেছনে লেগেও থাকবেন না। ওর কম্প্যুটারের ব্রাউজার হিস্ট্রিতে চোখ বোলাতেই পারেন তবে ওর পার্সোনাল ডায়রিতে নিতান্ত প্রয়োজন না পড়লে হাত না দেওয়াই ভালো।
তবে নজর রাখবেন ওর মধ্যে হঠাৎ কোনো পরিবর্তন আসছে কি না। যেমন ধরুন খুব দুরন্ত ছেলে হঠাৎ শান্ত হয়ে গেল ভীষণ। বা ধরুন যে ছেলে সাঁতার ক্লাসে যেতে অপেক্ষায় দিন গুনতো সে আর যেতে চাইছে না সেই ক্লাসে। বিশেষ কোনো মানুষকে অ্যাভয়েড করার চেষ্টা করছে কি না। এরকম হঠাৎ দেখলে, কথা বলুন সন্তানের সাথে। যদি তাতেও কিছু না জানতে পারেন, চাইল্ড সাইক্রিয়াটিস্টের কাছে যান। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। কোনো ট্যাবু রাখবেননা প্লিজ এ ব্যাপারে। শিশুদের মন অত্যন্ত নরম, তাতে কোনো ছাপ পড়লে তা অত্যন্ত গভীরভাবেই পড়ে। এর ভার তাকে সারা জীবন বয়ে চলতে হবে। তাই শুরুতেই প্রফেশনাল হেল্প নেওয়াটা জরুরী।

• যদি জানতে পারেন কেউ আপনার সন্তানের সাথে অসভ্য অশালীন ব্যবহার করেছে, এগিয়ে আসুন, প্রতিবাদ করুন। অনেক সময় আমরা বাচ্ছাকে "ওর সাথে আর মিশবিনা, ওর কাছে যাবিনা" এই বলেই সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করি। কিন্তু মনে রাখবেন এই অপরাধের ক্ষমা হয়না।
লোকাল থানা, চাইল্ড হেল্পলাইন যেখানে মনে হয় সেখানে জানান। ভদ্রবেশী শয়তানের মুখোশ খুলে দিন।

• আরেকটা কথা বলে শেষ করব। যদি আপনার বাচ্ছা ছেলেটা আপনার লিপস্টিকটা নিয়ে ঠোঁটে ঘষে তাহলে প্লিজ ওকে বলবেন না 'কেন এরকম মেয়েলী জিনিস ঘাঁটছিস?'। যদি আপনার মেয়েটি দুটি পা ছড়িয়ে সোফায় বসে তাহলে প্লিজ বলবেন না 'এরকম ব্যাটাছেলেদের মত কেন বসেছিস?'।
অপর লিঙ্গের মানুষটি ভীনগ্রহের জীব নয়। মেয়েকে মার্শাল আর্টস শেখান, ছেলেকে ম্যাগি ডিমের পোচ বানাতে শেখান, শুধু শেখাবেননা লিঙ্গ বিচারে ওর সীমাবদ্ধতাটা।
এই জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন থেকে নিজেদেরও বেরোতে হবে আর ওদেরও ঢুকতে দেওয়া চলবেনা। শৈশব সুরক্ষিত করতে হবে ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে সবকটা শিশুরই।

-----

পরিশেষে একটা কথা বলি। সন্তানের জন্মের সাথে সাথেই জন্ম হয় মা বাবার। ওরা যেমন গুটি গুটি পায়ে চলতে শেখে, আধো আধো স্বরে কথা বলতে শেখে, আমরাও তেমন ধাপে ধাপে শিখি কীভাবে ওদের বড় করে তুলতে হয়। অভিজ্ঞতাই একমাত্র মূলধন। আমার অত্যন্ত সীমিত অভিজ্ঞতা থেকে কিছু চিন্তাভাবনা তুলে ধরলাম। আপনাদের অনুরোধ জানাই, আপনারাও মতামত দিন, পথ দেখান। বলুন আর কী কী করা যায় যাতে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষিত করতে পারি।
সবার মতামত একত্র করে আরো কিছু উপায় তুলে ধরতে পারব তবেই।

#সুস্মিতা"
----------
[source:
[ #বাবা মায়েরা শুনবেন
]
----------
সুস্মিতাদেবীকে অশেষ ধন্যবাদ ও সম্মান জানাচ্ছে,
"Fightback_Coochbehar" -A School Of Complete Self Defense For Girls

26/11/2017

| Women Empowerment | महिला के कानूनी अधिकार | Women Legal Rights in India | POCSO Act |
[source: YouTube]

09/08/2016

5 TRICKS TO HANDLE SUDDEN ATTACKERS:
..
..
(1) KEEP ALERT:
It is imperative to always be aware of your surroundings when you are travelling alone, be it day or night. Staying plugged into iPods and Mp3 players or on hands-free devices can spell doom for girls in the city. Being oblivious to your surroundings can mean walking into danger without even being aware. If you're on the phone, always keep an eye out on the road for suspicious characters. Keep the police or close family and friends on speed dial to make it easier to call for help in such situations.
..
(2) RAISE THE ALARM:
Most times ignoring ruffian men who whistle at you and pass comments may be the best course of action. But, if the harassment persists, you cannot be a sitting duck. Lash out at the harasser and create a scene; let passers-by come to your rescue. Threaten to call the cops and keep your calm till help arrives. It is important to get the support of someone who can take over and handle the situation calmly. Make sure you are not in a vulnerable spot where you become an easy target for assault.
..
(3) BODY LANGUAGE:
If you are being leered at, never get agitated as it betrays your nervousness and fear. Confidence is the key to throwing potential eve-teasers off your track. Walk purposefully and never let your observation skills slip. You have to train your mind to becalm even if you know you have to put up a fight. Look the eve teaser in the eye; this should unsettle him.
..
(4) USE PUBLIC TRANSPORT:
Aside from avoiding poorly lit streets and isolated alleys, an easier way to stay safe from hooliganism is to use public transport. Shelter yourself in the throngs of people on trains and buses. With the share-a-cab option, you can not only save money, but keep safe travelling where women are in the majority. Create a carpool from home to work or college, if public transport is not your cup of tea. Do not take anything for granted when it comes to rickshawwallas and cab drivers. Make it a habit to take down the license number of the vehicle you are travelling in, in case you need to make a police complaint.
..
(5) DRESS APPROPRIATELY:
If you are going to spend the day in crowded areas, save the skimpy clothes. True, women in salwar kameezes get harassed as well, but there's no need to call attention to yourself. Carrying a shawl isn't really a solution; rather make sure you have a guy friend with you at all times and a phone handy to call for help. Eve teasing is one thing we will just not put up with. Is there something else that drives you mad, but you feel you can't do anything about? Well, it's time to make 'Nahi Chalega' your motto! As a modern woman of today, you need to adopt a stronger stance. Here's the perfect platform to voice your opinion on things you refuse to tolerate! Big or small, funny or serious, just get it off your chest.

Photos 16/04/2016

Vulnerable points with methods of attack

Photos 07/04/2016

Self-Defense is more than knowing how to fight back against a physical attack. Participation in self-defense classes encourages you to think in terms of options and choices, develops your awareness and assertiveness skills and provides practice for physical self-defense techniques. A good self-defense class will expand the way you think about violence prevention, help you deal with your fears and enable you to feel more empowered in your life.

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Tollygunge
Kolkata