10/03/2026
বিশ কিলো চাল - আব্দুল মাতিন ওয়াসিম আমি সবে মাস্টার্স কমপ্লিট করে পিএইচডিতে এডমিশন নিয়েছি। তপ্সিয়ার কুষ্টিয়া মসজিদের কাছে এক রুমের একটা ফ্লাট ভাড়া ....
Assistant Professor of Arabic Language, Literature & Culture
10/03/2026
বিশ কিলো চাল - আব্দুল মাতিন ওয়াসিম আমি সবে মাস্টার্স কমপ্লিট করে পিএইচডিতে এডমিশন নিয়েছি। তপ্সিয়ার কুষ্টিয়া মসজিদের কাছে এক রুমের একটা ফ্লাট ভাড়া ....
09/03/2026
আমার মায়ের ইফতার - আব্দুল মাতিন ওয়াসিম আমি তখন ক্লাস টু কিংবা থ্রিতে পড়ি। সে সময় গ্রামে সদ্য বিদ্যুৎ এসেছে বটে , কিন্তু সংযোগ ছিল হাতে গোনা কয়েকটি বাড়িতে.....
28/02/2026
২০১৪ সালের পর থেকে রমজান এলেই আমার জীবনে এক নিঃশব্দ নিয়ম শুরু হতো—যেটার কেন্দ্রজুড়ে ছিলেন আপনি। প্রায় প্রতিটি রাতেই, ঘড়ির কাঁটা যখন দশটার কাছাকাছি, ফোনটা বেজে উঠত। ওপাশ থেকে ভেসে আসত আপনার চেনা কণ্ঠ—স্নিগ্ধ, আপন, অদ্ভুত এক আশ্বাসে ভরা। জিজ্ঞেস করতেন, ইফতারে কী খেলাম, আজ তারাবীহ কোথায় পড়লাম—কোন মসজিদে, কেমন লাগল। সব মন দিয়ে শুনে নিয়ে হালকা হাসিতে বলতেন,
“তোমাদের তো বেশ মজা! আট রাকাআত নামাজ—ঝটাঝট পড়ে খালাস!”
এই কথার সঙ্গে থাকত খুনসুটি, আর তার আড়ালে গভীর স্নেহ।
এরপর শুরু হতো চিরচেনা আলোচনা। আজ কী পড়লে, নতুন কোনো ভাবনা বা তথ্য চোখে পড়ল কি না, রিসার্চের কাজ কতদূর এগোল—সবকিছু। স্যার, আপনি শুধু প্রশ্ন করতেন না, আমার প্রতিটি কথা এমনভাবে শুনতেন যেন সেটাই সবচেয়ে জরুরি বিষয়। আপনার দু-একটি মন্তব্যেই আমার অনেক জট খুলে যেত। মনে হতো, আমার ভাবনা, দ্বিধা, অস্থিরতার জন্য আপনার কাছে একটা নিরাপদ আশ্রয় আছে।
আপনার জীবনের শেষ রমজানে কথাগুলো আরও নরম হয়ে গিয়েছিল। ততদিনে সাবা হয়েছে। আপনি মুচকি হেসে বলতেন,
“সাবা তো রোজা ছিল—কী মজা ওর! রোজা করতে হয় না।”
এই দাদুসুলভ মশকরায় ভরে উঠত পুরো মুহূর্তটা। আজ বুঝি, সেই হাসির ভেতরে কতটা গভীর মমতা আর জীবনের প্রতি সহজ আনন্দ লুকানো ছিল।
আপনি চলে যাওয়ার পর থেকে রমজান মাসে তারাবীহ শেষ হলে মনটা অকারণেই আনচান করে ওঠে। অজান্তেই ফোনটার দিকে তাকাই—এই বুঝি আপনার কল আসবে। কিন্তু আসে না। তখন চোখ ভিজে যায়। সাবাকে কোলে নিয়ে, সাবার মাকে আড়ালে রেখে লুকিয়ে কাঁদি। কারণ এই শূন্যতা কাউকে দেখানোর নয়—এটা শুধু আমার আর আপনার মধ্যেকার।
স্যার, আমার বুকে কথার পাহাড় জমে আছে। কত কথা—পড়া, লেখা, জীবন, ভয় আর স্বপ্ন—যেগুলো আমি শুধু আপনাকেই বলতাম। আপনিই ছিলেন সেই মানুষ, যার কাছে কথা বললে হালকা হয়ে যেত বুক। আপনার পর আর কাউকেই সেই জায়গাটা দিতে পারিনি।
হে আল্লাহ, আপনি আমার যে শিক্ষককে পিতা-তুল্য করে দিয়েছিলেন—তাঁকে আপনার রহমতে ঢেকে দিন। তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন, নূরে ভরিয়ে দিন, আর জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকামে স্থান দিন। এই শূন্যতার বদলে আখিরাতে আবার সাক্ষাতের সৌভাগ্য দিন।
আমীন!
ASP আরবি সহজ পাঠ
16/01/2026
আরব মননের আর্তনাদের স্বর : আর্তনেদা
25/10/2024
"নোবেলজয়ী মিশরীয় ঔপন্যাসিক নাজীব মাহ়ফ়ূজ় - এর বিখ্যাত উপন্যাস : আল-ক়াহেরাহ আল-জাদীদা (কায়রো মডার্ন) কিছু কথা"-
🎙"আলোচক" আব্দুল মাতিন ওয়াসিম
সহকারী অধ্যাপক, গভঃ জেনারেল ডিগ্রী কলেজ, কলকাতা
তারিখ: 2রা নভেম্বর 2024, শনিবার
সময়:🕘9:00 -10:00 PM 🕙 ভারত
🕤9:30 -10:30 PM 🕥বাংলাদেশ
Google Meet link:
https://meet.google.com/qcb-gyxk-rrs
সুনা হ্যায় বা’দ মরনে কে মাতাম বাড়া জ়োর হুয়া
বদিউর রহমান (Badiur Rahman)
বাড়িতে বিভিন্ন বিষয়ের বহু গৃহশিক্ষক আমার দিদি ও দাদাদের পড়াতে আসতেন। যতদূর মনে পড়ে সংস্কৃত অথবা বাংলার কোন এক স্যার পড়ানোর সময় ‘ক্রমে ক্রমে সেই বার্তা রটে গেল গ্রামে’ শব্দবন্ধটির প্রেক্ষিত বলছিলেন। এই কথাটির সঙ্গে পুরোপুরি সাযুজ্য বা মিল না থাকলেও আমার জীবনের বর্তমান একটা ব্যাপারে কিছুটা অন্তত মিল পাচ্ছি। ব্যাপারটা ভুল কি ঠিক, জানি না। তবে কীভাবে রটে গেছে, আমার শরীরটা নাকি ভীষণ খারাপ! হাতে হাতে মুঠোফোনের দৌলতে খবরটা সহজেই একটা মাত্রা পেয়েছে। প্রায়শই ফোন আসছে, মুখ্যতঃ কুশল জানার জন্যে। শ্বাসকষ্টের জন্য বিভিন্ন রকমের ইনহেলার নেওয়ার কারণে গলার স্বরটাও খারাপ হচ্ছে। ফোনের উত্তর দিতে গিয়ে অতি সাধারণ প্রশ্ন, “কেমন আছেন” এর উত্তরে বলছি “ভালো আছি” এবং আপ্রাণ চেষ্টা করছি ‘ভালো আছি’ কথাটা বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে। তাও অনেকে বলছেন, “ঠিক আছে! তোমার গলার আওয়াজ থেকেই বুঝতে পারছি তুমি কতটা ভালো আছো! তাই আর কথা বাড়াচ্ছি না। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধপালা করবে আর মনের জোর বাড়াবে। ভালো থেকো।” দু-চার জন ফলটল নিয়ে দেখতে চলে আসছেন। মাঝখান থেকে আমি খুবই অপ্রস্তুত হয়ে পড়ছি ওনাদের ব্যস্ত জীবনের কর্মযজ্ঞ থেকে এই অধমের জন্য সময় ব্যয় করতে হচ্ছে ভেবে। ওনারা আমাকে দেখে কিছুটা চিন্তামুক্ত হয়ে ফিরছেন। দিয়ে যাচ্ছেন নানা রকম পরামর্শ। রেখে যাচ্ছেন নানা রকমের ফলমূল। আর আমার স্ত্রীকে বলে যাচ্ছেন ‘প্রয়োজন হলে ফোন করতে।
আমার ভাগ্য ভালো এখনো সেরকম ফোন করতে হয়নি। একেবারে যে কারো সাহায্য নিতে হয়নি তাও নয়। আমার ছোট শ্যালিকা মলি ও দু-তিনজন বিশেষ ছাত্র আমাকে কয়েকজন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। আমাকে নিয়ে তারা যেখানে যেখানে গিয়েছে প্রত্যেক জায়গার ডাক্তাররাই আমাদের দু-তিন ঘণ্টা করে অপেক্ষা করিয়েছেন। একটা ইনভেস্টিগেশনের জন্য সকাল সাড়ে সাতটায় টেকনিশিয়ানরা ডেকেছিল। যথাসময়ে গিয়েছি। বেলা আড়াইটার সময় বিভাগীয় অপারেটর জানালেন, মেশিন খারাপ হয়ে গেছে। চার-পাঁচ দিন পর খবর নিয়ে আসবেন। আবার সেখানে যাই। শরীরটা আমার, দেখার দায় যেন সকলের। বিশেষতঃ যারা আমাকে ভালবাসেন, স্নেহ করেন। তা না হলে যারা সাধারণত সল্টলেকে আমার বাসায় আসতে চান না তারা কেন অসুস্থ মানুষের জন্য ফলটল নিয়ে ইদানিং হাজির হচ্ছেন? অত দামী দামী ফল বহুদিন কিনে খাইনি। এখন সেই ফলগুলো নিত্য খাচ্ছি। একজন বন্ধু তো অন্যান্য ফলের সঙ্গে কয়েকটা কিউই এনেছেন। রাগ করলাম। কিছু আপ্তবাক্য শুনে সবকিছুই গ্রহণ করতে হলো। এগুলো তো পাওনাগণ্ডাও বলতে পারেন। কিন্তু যা হারাচ্ছি তার যৎসামান্য বিবরণ দিই। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়, গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়, জামশেদপুরের একটা কলেজের সিলেকশনে যেতে পারলাম না। আর যেতে পারলাম না বেশ কয়েকটা বোর্ড অফ স্টাডিজ-এর মিটিংয়ে এবং সেমিনারে। তার মধ্যে এক আধটার সেশনে চেয়ার করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলাম। এমনকি গত ১৮ই ডিসেম্বরে বিশ্ব আরবি ভাষা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যথাযথ অংশগ্রহণ করতে পারলাম না। আমার অবস্থা যে দ্রুত এতটা করুণ হয়ে যাবে আমি নিজেও কখনো কল্পনা করিনি। যে বার্তাটা এতদিন ছোট পরিসরে সীমাবদ্ধ ছিল সেটা এখন অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। শিক্ষা জগতের বিভিন্ন কাজকর্ম থেকে ধীরে ধীরে এবং নিঃশব্দে মুছে যেতে চলেছি। এই দুঃখটার নিরসন কবে হবে জানি না। শুভস্য শীঘ্রম বললে কি অত্যূক্তি হবে!
পুনশ্চঃ বিখ্যাত উর্দু কবি গালিব জীবনের অন্তিম লগ্নে অসুস্থ। তাঁর এক ভক্ত চিঠি মারফত কবির কুশল জানতে চাইলে উত্তরে তিনি লেখেন, “আর আমাকে কেন জিজ্ঞাসা করা! কয়েকদিনের মধ্যে আমার পাড়াপড়শিরাই জানাবে। একটু অপেক্ষা করো।” আমৃত্যু রসিক কবি নিজের মৃত্যুর আগমনী সংকেতকে তাচ্ছিল্য করতে পারলেও তার একটা অপূর্ব উক্তির কথা উল্লেখ না করে পারছি না।
মওত কা একদিন মুআইয়িন হ্যায়
নিন্দ কিঁউ রাতভর নেহি আতি
কবি গালিব জীবন-মৃত্যুকে এইভাবে দেখলেও নিঃসঙ্গ শেষ জীবনে অনেকের দীর্ঘশ্বাস পড়ে। তখন নিজের ছাত্রছাত্রী, গুণমুগ্ধ ভক্তকুল, এমনকি নিজ সন্তানসন্ততিদের অনুপস্থিতি বড় কষ্টদায়ক হয়ে যায়। আধুনিক আরবি সাহিত্যের স্বনামধন্য লেখক ডঃ ত়াহা হ়ুসেইনের শেষ জীবনের কথা উল্লেখ করেছেন তার ফরাসি স্ত্রী সুজান ব্রেসু। অতীব ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ত়াহা হ়ুসেইন বলেন, “পৃথিবীর মানুষজন কত আত্মকেন্দ্রিক ও খারাপ! আমার কাছে আগের মত আর কেউ আসে না।” তার বাড়ি ‘রামাতান’ সব সময় ছাত্রছাত্রী, কবিসাহিত্যিক, দেশি-বিদেশি অধ্যাপক এবং বিশিষ্টজনদের সমাগমে গমগম করতো। সে জায়গায় ত়াহা হ়ুসেইনের শেষ জীবনে শুধুমাত্র কামিল ও তাঁর অন্যতম প্রিয় ছাত্রী সুহাইর কালমাভির রামাতানে যাওয়াআসা ছিল। সেই একাকিত্ব ত়াহা হ়ুসেইনকে ব্যথিত করেছিল। হয়ত খুব স্বাভাবিকভাবেই। হয়ত অন্যদেরকেও ব্যথিত করে। হয়তো সেটাই চিরাচরিত নিয়ম। বার্ধক্যজর্জরিত, নখদন্তহীন বনের রাজাও নিঃসঙ্গতা ও শারীরিক ক্লেশের জন্য অশ্রু বিসর্জন ক’রে জীবন পাত করে। কেউই ভ্রুক্ষেপ করে না। এটাই স্বাভাবিক। এরকমটাই নিয়ম। অবশ্য ত়াহা হ়ুসেইন ১৯৭৩ সালে (২৯শে অক্টোবর, রমজানের তৃতীয় দিন) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর সেই বার্তা সারাদেশে রটে গেল দ্রুত। টেলিভিশন, রেডিও, জনগণ, কবিসাহিত্যিক ও অসংখ্য ছাত্রছাত্রী দলে দলে হাজির হয়ে ত়াহাকে কবরস্থ করেন। তখন জমায়েত ছিল দেখার মত। অথচ তাঁর জীবনের শেষ লগ্নে তাঁকে সাহায্য করার হাত ছিল অত্যল্প। উর্দুতে একটা কথা আছে, ‘সুনা হ্যায় বাদ মরনে কে মাতাম বড়া জ়োর হুয়া’।
সল্টলেক
০৩/০১/২০২৩
19/10/2024
Abu Mahfuz Al-Masumi || أبو محفوظ الكريم المعصومي || আল-মাসূমী || Legacy of Bengal in Arabic Studies
09/10/2024
এই ভিডিওতে দ্বিতীয় খলীফা 'উমার (রাঃ) খেলাফত লাভের পর যে বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং প্রশাসন নীতি সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করেছিলেন। মূল টেক্সট সহ আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।
হঠাৎ প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে উঠলো মক্কা। প্রাণকেন্দ্র কা’বা চত্বরও জলের তলে। বেশ ক্ষয়ক্ষতি হল কা’বা ঘরের। জল নেমে গেলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হল। অর্থ সংগ্রহ হল। শিশুকিশোরেরাও অংশ নিল। কাঁধে ও মাথায় করে নুড়ি-পাথর বইতে লাগলো তারা। কেউ কেউ কাঁধে যাতে আঘাত না লাগে, পাথরের ঘষায় ক্ষত না তৈরি হয় তার জন্য পরনের কাপড় খুলে কাঁধে রাখলো। অনেকের দেখাদেখি যখন শিশু মুহাম্মদ (সাঃ)-এর লুঙ্গি খুলে কাঁধে রাখা হল, তৎক্ষণাৎ তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন।
শৈশব উৎরে তিনি তখন টগবগে যুবক। আরেকবার নির্মাণ ও মেরামতির কাজ চলছে কা’বা ঘরের। অত্যন্ত পবিত্র কৃষ্ণ প্রস্তরকে তার জায়গায় পুনঃস্থাপনের পালা। সকলেই এই সম্মানের অধিকারী হতে উদগ্রীব। তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও অধীর আগ্রহ তাঁদেরকে উন্মাদ করে তোলে। পরিস্থিতি এমন পর্যায় চলে যায় যে যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠবে। সবার সম্মতিতে এগিয়ে এলেন তিনি, অভূত পূর্ব পন্থায় মীমাংসা করলেন। একটি চাদরে পবিত্র পাথরকে রেখে মক্কার বিভিন্ন গোত্রীয় নেতাদের দিয়ে সেই চাদর বহনের আহ্বান জানালেন। তারপর নিজ হাতে তা পুনঃস্থাপন করলেন। এভাবে একটি আসন্ন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ টলে গেল।
বয়স একটু বেড়েছে। বিবেক জাগ্রত হয়েছে। ভালো ও মন্দের তারতম্য স্পষ্ট হয়েছে। ঠিক সেই সময় যুদ্ধের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বহু শৈশব। কৈশোর, তারুণ্য ও যৌবন উদ্ভ্রান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে উঠেছে। আর এসবের একমাত্র কারণ হার্বু ফিজার বা ফিজারের যুদ্ধ। যুদ্ধ শেষে কিছু শান্তিকামী বিবেক একত্রিত হয়ে যে-কোনোরকমের নাশকতা রুখতে বদ্ধপরিকর হয়েছিলেন। সেই সকল মুরুব্বীদের মাঝে এক তরুণও উপস্থিত ছিল এবং অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল সেই শান্তি সংঘ প্রতিষ্ঠায়। তিনি হলেন নবী মুহাম্মদ (সাঃ)। তবে তখনও তিনি নবিত্ব লাভ করেননি।
#নবী #মোর #পরশমণি
08/10/2024
ASP আরবি সহজ পাঠ-এর এবারের নিবেদন। প্রাচীন আরবি কবিতার দুটি পৃথক ধারা সম্পর্কে। আলোচনা করবেন ওপার বাংলার তরুণ গবেষক ও অনুবাদক জনাব Abdul Matin । ঘটনাচক্রে আমাদের দু'জনের নাম এক। এই ভার্চুয়াল অধিবেশনে আপনাদের উপস্থিতি ও পরামর্শ আশা করছি।