16/05/2026
“সভ্যতার সবচেয়ে ভয়ংকর ট্র্যাজেডি তখনই জন্ম নেয়,
যখন জাতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ভুলে গিয়ে
অপ্রয়োজনীয় বিভেদের উৎসবে মেতে ওঠে।
আজ ধর্ম নিয়ে উত্তাল বিতর্ক আছে,
রাজনীতির মঞ্চে বিষাক্ত বাক্যবাণ আছে,
মিডিয়ার পর্দায় আত্মস্বার্থের চিৎকার আছে—
কিন্তু নেই সেই লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর আর্তনাদের প্রতিধ্বনি,
যাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে।
গত ১০ বছরের প্রায় পঞ্চাশবার পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস!!!!!!
একটি NEET পরীক্ষা বাতিল হওয়া মানে শুধু একটি পরীক্ষার ভাঙন নয়—
এটি ভেঙে যাওয়া হাজারো মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বপ্ন,
অসংখ্য নির্ঘুম রাতের পরিশ্রম,
মায়ের নীরব দোয়া/আশীর্বাদ,
বাবার ঘামভেজা সংগ্রাম,
আর এক প্রজন্মের বিশ্বাসের পতন।
কিন্তু দুর্ভাগ্য এই যে,
মানুষ আজ সত্যের চেয়ে বিভাজনে বেশি আগ্রহী,
ভবিষ্যতের চেয়ে ধর্মীয় উন্মাদনায় বেশি ব্যস্ত।
"""যে জাতি তার শিক্ষার্থীদের কান্নাকে উপেক্ষা করে,
ইতিহাস একদিন সেই জাতিকেই নীরবে ক্ষমাহীন বলে ঘোষণা করে।”"
------------- ইমরান গাজী
28/04/2026
“ধর্ম ছিল নীরব প্রার্থনা, হৃদয়ের গভীরতম স্বর—
বর্তমান রাজনীতি তাকে শিখিয়েছে উচ্চারণ করতে----- বিভেদের কোলাহল।”।
তাই আপনার ভোট হোক এমন বিবেচনায়—
যেখানে আপনার সন্তানের শিক্ষার স্বপ্ন,
তার কর্মজীবনের সম্ভাবনা,
এবং একটি নিরাপদ আগামী—সবকিছুই হয়ে ওঠে আপনার একমাত্র দিশা।
কারণ একটি ভোট কেবল বর্তমান নয়,
এটি ভবিষ্যতের বীজ—যেখানে আগামী প্রজন্মের গল্প লেখা হয় নীরবে।”
তাই আপনার একটা সিদ্ধান্তই ,, এ বিভেদ মেটানোর জন্য যথেষ্ট ❤️❤️🙏🙏🙏
08/02/2026
🩸 রক্ত দিন, জীবন বাঁচান ❤️
আপনার এক ফোঁটা রক্তই হতে পারে কারও নতুন জীবন।
আসুন, রক্তদান শিবিরে সকলে অংশ নিই।
♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️
08/06/2024
••• ক্ষমতা, নাকি অধিকার?•••
দেশের প্রতিটি কোনায় কোনায় মৌমাছিদের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। রূপে লক্ষী কিন্তু গুণে তারা অস্ত্রধারী বিড়ালছানা। একক ফুলেই বহুল মধু থাকায় অস্ত্রধারী বিড়ালছানা গুলি আজও হিংস্র! তাদের ক্ষমতা থাকলেও অধিকার নিয়ে তাদের মতবিরোধ রয়েছে।
কে বলেছে মৌমাছিরা আজ বিলুপ্তির পথে? তারাতো আজও মধুর আশায় বিদ্ধস্ত। সংরক্ষণের আশায় তারা মধু নিয়ে ঘরে যায় । কিন্তু তখনই স্বার্থপর, লোভী কিছু বিধ্বংসী মানুষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের অধিকার কেড়ে নেয়। তাই বিড়ালছানা তখন হয়ে যায় অস্ত্রহীন! আর ফুলটি নেতিয়ে পড়ে অস্তগামী সূর্যের মতো!
ইতি-
31/08/2023
একটা কচ্ছপ যেমন তার গন্তব্যে পৌছানোর জন্য আস্তে ধীরে আলো অন্ধকার ঝড় বৃষ্টি ও নানান বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে তার গন্তব্যে পৌছায়।ঠিক তেমনি আমি তোমাকে (লক্ষকে) সবসময়ই ও সারাজীবনের জন্য কাছে পাওয়ার আশায় এই সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখতে কচ্ছপের মতো হেঁটে চলেছি অবিরাম অন্তহীন গতিহীনতার অগ্রগতির অগ্রযাত্রায়,শুধু তোমাকে পাওয়ার আশায়...।❤️❤️
ইতি - ইমরান গাজী
31/08/2023
একটা মেয়ে আপনাকে মেসেঞ্জার ,হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সটাগ্রাম থেকে ব্লক করবে। এমনকি আপনার নাম্বার সে ব্লক করে নাম্বার ডিলেটও করে দিতে পারে।
আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে সে আপনাকে সব কিছু থেকে ব্লক করে দিয়েও মনে মনে সে ঠিকিই আশা নিয়ে বসে থাকবে আপনি তার সাথে আগে কন্টাক্ট করবেন।
এখন আমারে আবার আপনারা জিজ্ঞাসা কইরেন না। ভাই সবকিছু থেকে ব্লক খেয়েও কিভাবে কন্টাক্ট করা যায়।
এর উত্তর শুধুমাত্র মেয়ে-রাই দিতে পারবে।🙂
ইতি - ইমরান গাজী
30/08/2023
মানুষতো সবার ঘরে জন্মায়, কিন্তু মনুষ্যত্ব সবার ঘরে জন্মায় না।__ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 🙏
30/08/2023
ভালোবাসা সৌন্দর্যে নয়,মনের মানসিকতায়।
মনের সঙ্গে আত্মার সম্পর্কে মিলেমিশে ভালোবাসার আদান-প্রদান হয়।
প্রকৃত ভালোবাসা দেহে নয়,মনের সঙ্গেই মিলন হয়।
দেহ তো শুধু মনের পরিচালিত রুপ,রঙ।
'মন'সে-তো সব কালেই অবিচল,বহমান...
আর'দেহ'সে-তো শুধু আংশিক উপাখ্যান মাত্র,মনকে জড়িয়ে রাখার খোলস বা আবরণ।💞
ইতি - ইমরান গাজী
29/08/2023
মা , আমাকে পাঁচশো টাকা দাও তাহলে তোমাকে বাবার সম্পর্কে একটা গোপন কথা বলবো।
মা আমার কথা শুনে খুশিতে গদগদ করতে করতে বললো,
- পাঁচশো না, তোকে এক হাজার টাকা দেবো। তার আগে বল কি গোপন কথা বলবি?
- আগে দাও তারপর বলছি। খুব গোপন কথা মা। তুমি শুনলে টাসকি খেয়ে যাবে।
মা আমার, আলমিরা থেকে তার ব্যাগটা বের করে এক হাজার টাকার একটা নতুন নোট বের করে আমার হাতে দিয়ে বললো,
- বল বাবা বল কি গোপন কথা?
- মা, তুমি তো বাবাকে খুব ভালোবাসো তাই না?
- এটা কি আবার জিজ্ঞেস করতে হয় নাকি?
- হ্যাঁ হ্যাঁ, আমি জানি তুমি বাবাকে খুব ভালোবাসো। এজন্যই আমাকে ভালোবাসো না।
এই কথা শুনতেই মা আমাকে জড়িয়ে ধরে গালে একটা চুমু দিয়ে বললো,
- আমি তোকে আর তোর বাবাকে দুইজনকেই খুব ভালোবাসি। এবার বল গোপন কথাটা কি?
- মা, তুমি মনে হয় জানো না, বাবা আজকাল গার্লস কলেজের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে!
- সে কি রে! কেন দাঁড়িয়ে থাকে?
- বাবা মনে হয় তার মেয়ের বয়সী কোনো মেয়ের প্রেমে পড়েছে! নাহলে প্রতিদিন গার্লস কলেজের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার মানে কি?
- তুই কি শিওর?
- হ্যাঁ মা, আমি পুরপুরি শিওর। ওই কলেজেরই একটা মেয়ের পিছেও কয়েকদিন যেতে দেখেছি বাবাকে। তুমি হয়তো আমার কথা বিশ্বাস করবে না!
- না না, আমি বিশ্বাস করেছি।
- শুধু কি তাই! বাবা আজকাল ওই মেয়েকে গিফটও দেয়। অথচ তুমি কিছু কিনে আনতে বললে বলে টাকা নেই! এটা কোনো কথা মা? দেখেছো বাবা কতো বড় লুচ্চা! ঘরে বউ থাকতেও নিজের মেয়ের বয়সী একটা মেয়ের সাথে প্রেম করে!
- তুই দাঁড়া আমি ভিতর থেকে ঝাড়ুটা নিয়ে আসি। আজকে খবর আছে। তলে তলে এসব করে বেড়ায়!
মা ভিতরে গেল ঝাড়ু আনতে। আজকে মনে হয় বাবার খেল খতম করে ছাড়বে। বাবার কথা মনে করতেই কষ্ট লাগছে। বেচারা বাবার আজ কি হবে কে জানে!
ভিতর থেকে ঝাড়ু হাতে বের হয়ে আসলো। আমার সামনে এসেই,
- হারামির বাচ্চা কোথাকার। টাকা লাগবে সেটা ভালো করে বললেই পারতি। বাবার নামে কেউ এইধরনের নোংরা কথা বলে! আজকে তোকে মেরেই ফেলবো।
কথাগুলো বলেই ঝাড়ু দিয়ে উরাধুরা বাড়ি শুরু করলো আমাকে। মনে হচ্ছে পিঠে ঝাড়ুর বাড়ি না, কোনো দানব এসে আছাড় দিচ্ছে আমাকে। একেকটা বাড়ি পাঁচশো টনের চেয়েও বেশি ওজন হবে। শরীরের কোনো অংশ বাদ রাখলো না। সবখানেই কমবেশি ঝাড়ু দিয়ে পেটালো, মা। মেরে টেরে এক হাজার টাকাও রেখে দিলো। উপায় না পেয়ে দৌড়ে পালালাম। বাসা থেকে বের হয়ে সোজা রাস্তায়। এমন পেটানোই পিটিয়েছে বাপরে। ব্যাথায় হাত-পা নাড়াতে পারছি না। ঝাড়ুর বাড়িতে এতো ব্যাথা আগে জানতাম না।
মায়ের পিটানি খেয়ে বাসার সামনে একটা খালি জায়গায় গাছের নিচে বসে আছি। বসে বসে মোবাইল টিপছিলাম, হুট করে কেউ জিজ্ঞেস করলো,
- অভি, এই ভরদুপুর বেলা এখানে বসে বসে মোবাইল টিপছিস কেন? বাসায় চল।
কথাটা আমার বাবা বলেছে। বাবাকে দেখেই বসতে বললাম আমার পাশে। বাবা আমার পাশে বসলো। কপালে হাত দিয়ে দেখলো জ্বর এসেছে কি-না! তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করলো,
- এভাবে এখানে বসে আছিস কেন? বাসায় চল।
- বাসায় গেলে মা আজকে আমাকে মেরে ফেলবে।
- কেন, আবার কী আকাম করেছিস?
- তোমার নামে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে বলেছি। কিন্তু গুছিয়ে না বলার জন্য ধরা খেয়ে গেছি।
- কী মিথ্যে বলেছিস?
- বলেছি তুমি গার্লস কলেজের সামনে গিয়ে নিজের মেয়ের বয়সী একটা মেয়ের সাথে প্রেম করো।
- হা হা হা, ভালোই করেছিস। টাকা লাগবে তাই না?
- তুমি এতো ভালো কেন বাবা? না বলতেই বুঝে গেলে আমার টাকা প্রয়োজন। আর এতো বিশ্রী মিথ্যা বলার জন্য তোমার রাগ লাগছে না?
- মোটেই না। আমার ছেলে আমার নামে মিথ্যা বলেছে। অন্য কেউ তো বলেনি। রাগের কি আছে?
জড়িয়ে ধরলাম বাবাকে। বাবা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
- কি করবি টাকা দিয়ে?
- বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাবো কক্সবাজার।
- কতো টাকা লাগবে?
- পাঁচশো।
- আবার মিথ্যে বলছিস। পাঁচশো টাকা দিয়ে কেউ কক্সবাজার যেতে পারে?
- বাদবাকি আমার কাছেই আছে বাবা। পাঁচশো টাকা হলেই হয়ে যাবে।
বাবা আমাকে দুই হাজার টাকা দিয়ে কপালে একটা চুমু দিয়ে বললো,
- ওইখানে গেলে অনেক বাড়তি খরচ হয়ে যায়। মেপে টাকা নিয়ে গেলে হয় না। এগুলো দিয়ে হালকা পাতলা খরচ করিস। আর সিগারেট খেলে কিন্তু তোর মাকে দিয়ে আবারো মার খাওয়াবো।
আবার জড়িয়ে ধরলাম বাবাকে। আসলেই বাবা'রা খুব ভালো হয়। কেন এতো ভালো হয় জানি না। হয়তো আল্লাহ প্রদত্ত একটা নেয়ামত এটা। সব বাবাদের মনে হয় আল্লাহ এভাবেই সৃষ্টি করে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন।
সমাপ্তি